Peaceful

Peaceful Assalamulaikum brothers and sisters .

আবু উমামা আল-বাহেলি রাঃ হতে বর্ণীত রাসূল ﷺ বলেছেন, দাজ্জালের ফিতনার মধ্যে একটি হবে এই যে... ❝দাজ্জাল এক গ্রাম্য বেদুঈনকে...
13/09/2026

আবু উমামা আল-বাহেলি রাঃ হতে বর্ণীত রাসূল ﷺ বলেছেন, দাজ্জালের ফিতনার মধ্যে একটি হবে এই যে... ❝দাজ্জাল এক গ্রাম্য বেদুঈনকে বলবে, "যদি আমি তোমার মৃত পিতা-মাতাকে জীবিত করে দেই, তবে কি তুমি বিশ্বাস করবে যে আমি তোমার রব?" সে বলবে, "হ্যাঁ।" তখন দুটি শয়তান তার পিতা-মাতার রূপ ধরে তার সামনে আসবে এবং বলবে, "হে বৎস, তার অনুসরণ করো, সে তোমার রব।❞ সুনানে ইবনে মাজাহ, ৪০৭৭; সহিহুল জামী।

এখন আসি মূল কথায়, তৎকালীন সময়ে হাদিসে শয়তানের কথা উল্লেখ করলেও... বর্তমানে যদি আমরা AI এর অগ্রগতির দিকে লক্ষ্য করি, তাহলে এটা বলা ভুল হবে না যে, দাজ্জাল Ai-কেই আমাদের সামনে মা বাবার রূপে দাড় করাবে।

Peaceful ✨️

26/08/2026

Eid milad un-Nabi 💖



১২ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ রাসুলুল্লাহ সাঃ এর রওযামুবারক 🥹❤️আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (ﷺ).❤️
25/08/2026

১২ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

রাসুলুল্লাহ সাঃ এর রওযামুবারক 🥹❤️
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (ﷺ).❤️

06/08/2026

যখনই মন খারাপ হবে এই আয়াতটি পড়বেন...

وَلَسَوْفَ يُعْطِيكَ رَبُّكَ فَتَرْضَى
উচ্চারণ: ওয়ালা ছাওফা ইউ'তিকা রাব্বুকা ফাতারদা"

অর্থ: অচিরেই আপনার রব আপনাকে এত বেশি দিবেন যে, আপনি খুশি হয়ে যাবেন

মনে রাখবেন, আল্লাহর রহমত থেকে কখনো নিরাশ হবেন না। আজকের কষ্টই হয়তো আগামী দিনের সবচেয়ে বড় নিয়ামতের সূচনা। ধৈর্য ধরুন, দোয়া করুন এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখুন।

নিশ্চয়ই তিনি উত্তম পরিকল্পনাকারী

Peaceful ✨️

21/05/2026

১০ দিনের সুযোগ —
সারা বছরের জীবন বদলে দিতে পারে

জিলহজের প্রথম ১০ দিনের:
ফজিলত, রোজা, তাকবির, আমল ও দৈনিক রুটিন

আমাদের জীবনে এমন কিছু দিন আসে — যেগুলো শুধু ক্যালেন্ডারের তারিখ না, বরং আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার দরজা। জিলহজের প্রথম ১০ দিন ঠিক এমনই।

এই দিনগুলোতে আপনার ছোট্ট একটি তাসবিহ, এক ফোঁটা চোখের পানি, এক ওয়াক্ত নামাযে মনোযোগ, এক দিনের রোজা, একবারের ইস্তিগফার — আল্লাহর কাছে অনেক বড় হয়ে যেতে পারে।

কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন — "আল্লাহর কাছে এই দশ দিনের আমলের চেয়ে বেশি প্রিয় আর কোনো দিনের আমল নেই।" সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেন — আল্লাহর পথে জিহাদও না? তিনি বললেন — না, যদি না কেউ নিজের জান ও মাল নিয়ে বের হয় এবং কিছুই ফিরিয়ে না আনে। (সহিহ বুখারি, হাদিস ৯৬৯)

বাংলাদেশে সম্ভাব্য তারিখ —
চূড়ান্ত তারিখ চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল।

১ জিলহজ — মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
২ জিলহজ — বুধবার, ২০ মে ২০২৬
৩ জিলহজ — বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
৪ জিলহজ — শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
৫ জিলহজ — শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
৬ জিলহজ — রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
৭ জিলহজ — সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
৮ জিলহজ — মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
৯ জিলহজ — বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ — আরাফার দিন
১০ জিলহজ — বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬ — ঈদুল আযহা

এই ১০ দিনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ১০টি আমল

এক — ফরজ নামায ঠিক করা

এই ১০ দিনের সবচেয়ে বড় আমল হলো ফরজ নামায সময়মতো আদায় করা। অনেকে নফল আমল খোঁজেন, কিন্তু ফরজে গাফিল থাকেন। আজ থেকেই ঠিক করুন — ফজর কাজা নয়, যোহর দেরি নয়, আসর অবহেলা নয়, মাগরিব তাড়াহুড়া নয়, এশা অলসতা নয়।

দুই — বেশি বেশি তাকবির পড়া

اللّٰهُ أَكْبَرُ، اللّٰهُ أَكْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَاللّٰهُ أَكْبَرُ، اللّٰهُ أَكْبَرُ، وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ

আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। আর সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

রাস্তায়, ঘরে, দোকানে, কাজে যাওয়ার পথে — যেকোনো সময় পড়া যায়।

তিন — প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা

"আরাফার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, এটি আগের এক বছর ও পরের এক বছরের গুনাহ মাফের কারণ হবে।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস ১১৬২) ১০ জিলহজ ঈদের দিন রোজা রাখা যাবে না।

চার — আরাফার দিনকে বিশেষভাবে কাজে লাগানো

৯ জিলহজ — দোয়ার দিন, কান্নার দিন, ফিরে আসার দিন। এই দিনে বেশি বেশি পড়ুন —

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইইন কাদির।

আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই, আর তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। (তিরমিযি, হাদিস ৩৫৮৫)

পাঁচ — কুরআন তিলাওয়াত করা

পারলে প্রতিদিন ১ পারা। না পারলে অর্ধেক পারা। না পারলে ১ পৃষ্ঠা। না পারলে অন্তত ১০ আয়াত। কিন্তু একদম ছেড়ে দেবেন না।

ছয় — বেশি বেশি ইস্তিগফার করা

أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ

আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি।

প্রতিদিন অন্তত ১০০ বার — ফজরের পর, আসরের পর, ঘুমানোর আগে।

সাত — বেশি বেশি দোয়া করা

নিজের জন্য, বাবা-মায়ের জন্য, সন্তানদের জন্য, রিজিকের জন্য, ঋণমুক্তির জন্য, হেদায়াতের জন্য — এই কুরআনি দোয়া পড়ুন —

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাতাও, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানাতাও, ওয়া কিনা আযাবান্নার। (সূরা বাকারাহ: ২০১)

আট — সদকা করা

একজন গরিবকে খাবার দেওয়া, কাউকে সাহায্য করা, মসজিদে দান করা, বাবা-মায়ের হাতে কিছু দেওয়া। সদকা শুধু টাকা নয় — কারো মন ভালো করাও সদকা।

নয় — কোরবানির নিয়ত থাকলে চুল ও নখ না কাটা

"তোমাদের কেউ যখন জিলহজের চাঁদ দেখে এবং কোরবানি করার ইচ্ছা করে, সে যেন চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৯৭৭)

দশ — ঈদের দিন তাকওয়ার নিয়তে কোরবানি

"আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না এগুলোর গোশত, আর না রক্ত। বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।" (সূরা হাজ্জ: ৩৭)

১০ দিনের সহজ দৈনিক রুটিন

ফজরের পর — ২ রাকাত নফল, ইস্তিগফার ১০০ বার, দিনের জন্য দোয়া।
সকাল থেকে দুপুর — কাজের ফাঁকে তাকবির।
যোহরের পর — কুরআন তিলাওয়াত, কমপক্ষে ১ পৃষ্ঠা।
আসরের পর — সদকা বা কাউকে সাহায্যের নিয়ত।
মাগরিবের পর — পরিবার নিয়ে ৫ মিনিট আমলের আলোচনা।
এশার পর — নিজের, পরিবার ও উম্মাহর জন্য দোয়া।
ঘুমানোর আগে — ইস্তিগফার ৩৩ থেকে ১০০ বার।

১০ দিনের চেকলিস্ট

৫ ওয়াক্ত নামায সময়মতো, প্রতিদিন তাকবির, প্রতিদিন কুরআন, প্রতিদিন ইস্তিগফার, প্রতিদিন দোয়া, প্রতিদিন সদকা বা ভালো কাজ, গুনাহ থেকে দূরে থাকা, আরাফার দিন রোজা, কোরবানি করলে চুল ও নখ না কাটা, ঈদের দিন তাকওয়ার নিয়তে কোরবানি।

ভাই ও বোন, আমরা অনেক সময় ভাবি — জীবন বদলাতে বড় কোনো সুযোগ দরকার। কিন্তু কখনো কখনো আল্লাহ আমাদের সামনে মাত্র ১০টি দিন রাখেন।

এই ১০ দিনে কেউ কুরআনে ফিরে আসে। কেউ নামাযে নিয়মিত হয়। কেউ গুনাহ ছেড়ে দেয়। কেউ চোখের পানিতে নিজের রবকে খুঁজে পায়।

হয়তো এই জিলহজই আপনার জীবনের সেই মোড় — যেখান থেকে আল্লাহর দিকে ফেরার নতুন গল্প শুরু হবে।

Peaceful ✨️

21/05/2026

لَبَّيْكَ اَللَّهُمَّ لَبَّيْكَ – لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ – إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ – لَا شَرِيكَ لَكَ
Labbayka llāhumma labbayk, labbayka lā sharīka laka labbayk, inna l-ḥamda wa n-ni'mata, laka wa l-mulk, lā sharīka lak.
☝🏻🕋 ✨️

Peaceful

যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমল লিস্ট! যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। এই দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচ...
19/05/2026

যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমল লিস্ট!

যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। এই দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। তাই আসুন, আমরা আগে থেকেই কিছু আমল ঠিক করে নেই, যেন এই দিনগুলো উদ্দেশ্যহীনভাবে চলে না যায়।

সুন্দরভাবে গুছিয়ে আমল লিস্ট শেয়ার করছি যেন রেডি হয়ে যেতে পারেন--

১. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাসময়ে আদায় করা:
সব আমলের ভিত্তি হলো ফরয ইবাদত। চেষ্টা করি সময়মতো, মনোযোগের সাথে সালাত আদায় করতে।

২. বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করা: বারবার বলি: *আস্তাগফিরুল্লাহ*
নিজের গুনাহের জন্য লজ্জিত হই, আল্লাহর কাছে ফিরে যাই।

৩. তাকবীর, তাহমীদ, তাহলীল ও তাসবীহ বেশি পড়া:
এই দিনগুলোতে বেশি বেশি পড়ি:
আল্লাহু আকবার**
আলহামদুলিল্লাহ**
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ**
সুবহান-আল্লাহ**

এভাবেও পড়তে পারি:
--আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

৪. কুরআন তিলাওয়াত করা
প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন পড়ার লক্ষ্য ঠিক করি। অল্প হলেও নিয়মিত পড়ি। এখন থেকেই পড়া শুরু করুন, যিলহজ্জের ১০ দিনের মধ্যে একটা কুরআন খতিমা কমপ্লিট করতে পারেন।

৫. ফরজ নামাজের যত্ন নেয়ার পরে নফল সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া:
বিশেষ করে:
* তাহাজ্জুদ
* সালাতুদ দুহা

৬. রোযা রাখা
সম্ভব হলে যিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন রোযা রাখি। বিশেষভাবে **আরাফার দিনের রোযা** অনেক ফযীলতপূর্ণ তাদের জন্য যারা হজে নেই। ঐ দিনের রোজার মাধ্যমে আগের এবং পরের ২ বছরের গুনাহ মাফ হয় সুবহানআল্লাহ!

৭. বেশি বেশি দোয়া করা:
নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, উম্মাহর জন্য, দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করি।

৮. যিকিরে জিহ্বা সজীব রাখা:
কাজ করতে করতে, হাঁটতে হাঁটতে, রান্না করতে করতে, ফাঁকে ফাঁকে যিকির করি। ছোট ছোট যিকিরও অনেক ভারী হয়ে যায় মীযানে।

৯. সদকা করা:
সামর্থ্য অনুযায়ী দান করি। অল্প হলেও আন্তরিকতা নিয়ে দিই।

১০. কুরবানির নিয়ত থাকলে চুল-নখ না কাটা:
যিনি কুরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তিনি যিলহজ্জের চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানি দেওয়া পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটার চেষ্টা করবেন।

১১. ভালো কাজের পরিকল্পনা করে রাখা:
যেমন:
* একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সাহায্য করা
* আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক করা
* কাউকে ক্ষমা করে দেওয়া
* ইসলামি কিছু শেখা বা শেখানো

১২. অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা কর
হিংসা, অহংকার, রাগ, শত্রুতা ইত্যাদি এসব থেকে হৃদয়কে পরিষ্কার করার চেষ্টা করি। শুধু বাহ্যিক আমল নয়, অন্তরের আমলও জরুরি।

কুরবানীর এই মহান দিনগুলোতে কেবল পশু কুরবানীতে সীমাবদ্ধ না থাকি। বরং নিজেদের গুনাহ, নফসের খেয়াল, অহংকার, রাগ, খারাপ ভাষা —এসবকেও কুরবানী করার চেষ্টা করি।

এ সময় self-purification বা আত্মশুদ্ধির আমলও খুব জরুরি। যেমন:

* নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করা
* মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করা
* অন্যের হক সম্পর্কে সচেতন হওয়া
* কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে সংশোধন করা
* অন্তরকে নরম করা
এই ১০ দিন যেন আমাদের ভেতরের মানুষটাকেও বদলে দেয়।

১৩. পরিবারের মাঝেও নিজ ঘরে ইবাদতের পরিবেশ তৈরি করা:
আমাদের মা-বাবা, সন্তান, ভাইবোনদের, স্বামী/স্ত্রীরা সবাই সবাইকে উৎসাহ দিই—যেন ঘরেও যিলহজ্জের সৌন্দর্য অনুভব করা যায়।

১৪. হজ্জের মৌসুমকে অন্তরে জীবন্ত রাখা:
যারা হজ্জ করতে যাচ্ছেন, তারা তো আল্লাহর ঘরের মেহমান হয়ে হজ্জ করবেন। আর যারা হজ্জে যাচ্ছেন না, তারাও যেন এই দিনগুলোতে এমন মানসিকতা রাখি—আমরাও আল্লাহর জন্যই সাড়া দিচ্ছি, আমরাও ইবাদাতে, যিকিরে, তাওবায়, দোয়ায় নিজেদের হাজির করছি।

এই কথার সাথে মিলে আমরাও বলি:
**লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক**

অর্থাৎ, হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত, আমি সাড়া দিচ্ছি। হয়তো শারীরিকভাবে হজ্জে যাওয়া হয়নি, কিন্তু অন্তর যেন আল্লাহর দরবারে হাজির হয়।

১৫. আরাফার দিনটিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া:
এই দিনে বেশি বেশি দোয়া, যিকির, তাওবা, কুরআন তিলাওয়াত ও রোযার প্রতি গুরুত্ব দিই।

১৬. ঈদের দিন আল্লাহর শোকর আদায় করা:
ঈদের আনন্দের মাঝেও যেন আল্লাহকে ভুলে না যাই। কুরবানি, সালাত, যিকির— সবকিছুই ইবাদত।

এক নজরে আমল চেকলিস্ট:
☐ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত
☐ কুরআন তিলাওয়াত
☐ ১০ দিনের বিশেষ যিকির
☐ ইস্তিগফার
☐ আরাফার দিনের জন্য বিশেষ দুয়া লিস্ট রেডি করা, দোয়া করা
☐ আরাফার দিনে রোজা রাখা
☐ সম্ভব হলে প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা
☐ সদকা দেয়া
☐ নফল সালাত
☐ আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করা, নিজের বদঅভ্যাস কুরবানী করা
☐ রাগ নিয়ন্ত্রণ করা
☐ ভালো ব্যবহার করা
☐ অন্যের হকের ব্যাপারে সচেতন হওয়া
☐ কুরবানী করা, কুরবানীর গোশত শেয়ার করা হকদারদের সাথে

নিজের জন্য এই নিয়তটি ঠিক করে ফেলুন আজকেই --
*“আমি এই ১০ দিনে আল্লাহর আরও প্রিয় বান্দা হওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ, আমার আমলে, আমার অন্তরে, আমার চেষ্টা দিয়ে!"

আল্লাহ আমাদের যিলহজ্জের এই বরকতময় দিনগুলোকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানোর তাওফীক দিন। আমিন।

পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন

পোস্টটি পড়ে ভালো লাগলে কমেন্টে “আলহামদুলিল্লাহ” লিখে যান, যেন আমরাও জানতে পারি কতজন উপকৃত হলেন।🌸

Peaceful ✨️

19/05/2026

Celebrating my 5th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

20/03/2026

দরুদ শরীফঃ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহীমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা ইবরাহীমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।
অর্থঃ হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ (সা.) এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর রহমত বর্ষণ করো, যেমন তুমি ইবরাহীম (আ.) এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর রহমত বর্ষণ করেছিলে। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও মহান। হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ (সা.) এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর বরকত দান করো, যেমন তুমি ইবরাহীম (আ.) এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর বরকত দান করেছিলে। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও মহান।

🥰❤️সকলের কাছে দুরুদ শরীফ পৌঁছে দিন 🥰❤️

Peaceful

Address

Dhaka
1214

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Peaceful posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category