29/04/2026
জাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এপর্যন্ত মোট ১৩টি প্রোগ্রাম আয়োজন করেছি—
১. মুভি প্রদর্শনী (বটতলা, ০৭ অক্টোবর ২০২৫)
২. লালন সন্ধ্যা কনসার্ট—বাউল শিল্পী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা (মুক্তমঞ্চ, ২৭ অক্টোবর ২০২৫)
৩. বিজয় র্যালি (ক্যাম্পাস, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫)
৪. চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা—কলতান ও তরীর শিশুদের নিয়ে (সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫)
৫. বিশ্ববিদ্যালয় দিবস কনসার্ট—জাকসুর পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা, এবং নাট্যম, সুরতান, ব্যান্ড Ashes ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা (মুক্তমঞ্চ, ১২ জানুয়ারি ২০২৬)
৬. ২১শে ফেব্রুয়ারি আঞ্চলিক বিতর্ক—বিশ্ববিদ্যালয়ের সনামধন্য দুটি ক্লাব JUDO এবং JUDS-কে নিয়ে (শহীদ মিনার, ২১ ফেব্রুয়ারি)
৭. কিরাত ও নাশিদ প্রতিযোগিতা—ছেলে ও মেয়ে আলাদা ক্যাটাগরিতে সেরা ১২ জনকে বাছাই (বটতলা, রমজান)
৮. ইফতার ও দোয়া মাহফিল (খাবার অংশ ব্যতীত)—আলবেরুনী ও সালাম-বরকত হলের মধ্যবর্তী নতুন মাঠে (রমজান)
৯. ২৫শে মার্চ মোমবাতি প্রজ্জ্বলন (বাংলাদেশের মানচিত্র অঙ্কন)
১০. স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ডকুমেন্টারি ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী (শহীদ মিনার, ২৬ মার্চ)
১১. চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে ভেলা বাইচ—বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের ১১টি হল নিয়ে (১৩ এপ্রিল, রংপুকুরে)
১২. হালখাতা ও মিষ্টিমুখ (ক্যাফেটেরিয়া, ১৪ এপ্রিল)
১৩. বৈশাখী বন্ধন কনসার্ট—ইমন চৌধুরী ও তার ব্যান্ড Bengal Symphony এবং সুরযাত্রার ট্র্যাডিশনাল মিউজিক পারফরম্যান্স (মুক্তমঞ্চ, ১৪ এপ্রিল ২০২৬)
এই পোস্টটি জাহাঙ্গীরনগরের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে।
সামনে আমার আরও বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। তবে আমি আপনাদের পরামর্শ ও মতামত জানতে আগ্রহী। আপনাদের জন্য পরবর্তী কী ধরনের আয়োজন করলে ভালো হবে? কিংবা জাহাঙ্গীরনগরে সংস্কৃতি বিকাশে আমার এবং আমাদের কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করেন?
শেখ জিসান আহমেদ
সাংস্কৃতিক সম্পাদক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)
[ভিডিওতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভিসি স্যার আমার কাজ সম্পর্কে তার ধারণা পোষণ করছেন]