15/06/2024
আইসিটি ক্লাশে বসে বসে ফোন টিপছিলাম। এর মধ্যেই সুনিতা ম্যাম এসে বলে,
-প্রিয়া, ক্লাশে কি করছো? (ম্যাম)
- কই কিছুনা তো।
- দুষ্টুমি করছো, আবার বলো কিছুনা। যাও বাহিরে যাও
- ওকে ম্যাম।
- বইটা নিয়ে যাও, বাহিরে বসে পড়বে। (কিছুটা রাগ করে)
- ঠিক আছে ম্যাম।
ম্যামের কথামত বই নিয়ে বাহিরে চলে আসলাম। কি ভাবছেন, আমি এরকম চুপচাপ কেন ম্যামের কথায় বাহিরে আসলাম? আরে বুঝেন নাই? ঠিক আছে আমিই বলি, কিন্তু তার আগে ফোনটা বই থেকে বের করি।
- ঐ তোর সমস্যা টা কি রে? (আকাশ)
- তুই বাহিরে আসছিস কেন?
- কেন আবার জানিস না তুই?
- ওহ, মেঘলাকে দেখার জন্য?
- থাপ্পড় খাবি কিন্তু
- দে।
- দয়া করে কি ফোন থেকে মুখটা তুলে একটু আমার দিকে তাকাবেন ম্যাডাম?
- আরে বলনা তুই, আমি শুনছি তো।
- আচ্ছা এভাবে আর কতদিন ইচ্ছে করে ক্লাশে দুষ্টুমি করে বাহিরে বের হবি?
- আচ্ছা আকাশ, বলতো আমি বাহিরে কেন বের হই?
- কেন আবার! ফোন টিপার জন্য।
- হ্যাঁ, তুইতো জানিসই আমি ফোন ছাড়া থাকতে পারিনা তাহলে কেন অযথা এক প্রশ্ন প্রতিদিন করিস?
- এভাবে যে পড়াশোনার বারোটা বাজাচ্ছিস সেদিকে কি খেয়াল আছে?
- এটা নিয়ে ভাবিনা।
- কেন?
- তুই আছিস তো। তুই থাকতে আমার আবার টেনশন কিসের?
- হ্যাঁ সেটাই তো। কিন্তু তুই বাহিরে বের হলে যে আমার কষ্ট হয় তা তুই বুঝিস না?
- এখানে কষ্ট হওয়ার কি আছে আবার।
- তাইতো!! কিছুনা। (রাগ করে)
- (চুপ)
-ঐ আমি রাগ করেছি রাগ ভাঙ্গাস না কেন?
- (চুপ)
- থাক তুই তোর ফোন নিয়া আমি চললাম।
- (চুপ)
- তাও চুপ করে থাকবি তুই? আমি যাচ্ছি আমাকে আটকাস না কেন?
- তোর পিছনে কে দেখ।
- কে?
- দেখ তুই
- হায় আল্লাহ্! মেঘলা।
- হুম
- তুই তো ফোন নিয়া ব্যস্ত তাহলে আবার কে কোথায় দেখিস কিভাবে?
- ঐটা তুই বুঝবিনা। এখন যা, ওর রাগ ভাঙ্গা। বাই
- তুই কোথায় যাচ্ছিস?
- কলেজ ছুটি দিয়েছে তাই বাড়ি যাবো।
- তুই দাঁড়া, আমি পাঁচ মিনিটের মধ্যে আসছি।
- আচ্ছা যা।
ভাবছেন মেঘলা কে? আবার আকাশ ই বা কে? আকাশ হলো আমার একমাত্র জানেমন বেষ্টফ্রেন্ড। সবসময় সবকিছুতে আমায় হেল্প করে। খুব ভালোও বাসে আমায় পাগলটা। আর মেঘলা হলো আকাশের হবু জিএফ। মানে আকাশ মেঘলাকে ভালোবাসে, মেঘলাও আকাশকে ভালোবাসে কিন্তু স্বীকার করেনা। কথায় আছেনা, মেয়েদের বুক ফুটে তো মুখ ফুটেনা! আর মেঘলার একটা সমস্যা হলো, আকাশের সাথে কোনো মেয়েকেই সহ্য করতে পারেনা এমনকি আমাকেও না। তাইতো আমার সাথে আকাশকে দেখে গাল ফুলিয়ে চলে গেছে। আকাশেরও আবআইসিটি ক্লাশে বসে বসে ফোন টিপছিলাম। এর মধ্যেই সুনিতা ম্যাম এসে বলে,
-প্রিয়া, ক্লাশে কি করছো? (ম্যাম)
- কই কিছুনা তো।
- দুষ্টুমি করছো, আবার বলো কিছুনা। যাও বাহিরে যাও
- ওকে ম্যাম।
- বইটা নিয়ে যাও, বাহিরে বসে পড়বে। (কিছুটা রাগ করে)
- ঠিক আছে ম্যাম।
ম্যামের কথামত বই নিয়ে বাহিরে চলে আসলাম। কি ভাবছেন, আমি এরকম চুপচাপ কেন ম্যামের কথায় বাহিরে আসলাম? আরে বুঝেন নাই? ঠিক আছে আমিই বলি, কিন্তু তার আগে ফোনটা বই থেকে বের করি।
- ঐ তোর সমস্যা টা কি রে? (আকাশ)
- তুই বাহিরে আসছিস কেন?
- কেন আবার জানিস না তুই?
- ওহ, মেঘলাকে দেখার জন্য?
- থাপ্পড় খাবি কিন্তু
- দে।
- দয়া করে কি ফোন থেকে মুখটা তুলে একটু আমার দিকে তাকাবেন ম্যাডাম?
- আরে বলনা তুই, আমি শুনছি তো।
- আচ্ছা এভাবে আর কতদিন ইচ্ছে করে ক্লাশে দুষ্টুমি করে বাহিরে বের হবি?
- আচ্ছা আকাশ, বলতো আমি বাহিরে কেন বের হই?
- কেন আবার! ফোন টিপার জন্য।
- হ্যাঁ, তুইতো জানিসই আমি ফোন ছাড়া থাকতে পারিনা তাহলে কেন অযথা এক প্রশ্ন প্রতিদিন করিস?
- এভাবে যে পড়াশোনার বারোটা বাজাচ্ছিস সেদিকে কি খেয়াল আছে?
- এটা নিয়ে ভাবিনা।
- কেন?
- তুই আছিস তো। তুই থাকতে আমার আবার টেনশন কিসের?
- হ্যাঁ সেটাই তো। কিন্তু তুই বাহিরে বের হলে যে আমার কষ্ট হয় তা তুই বুঝিস না?
- এখানে কষ্ট হওয়ার কি আছে আবার।
- তাইতো!! কিছুনা। (রাগ করে)
- (চুপ)
-ঐ আমি রাগ করেছি রাগ ভাঙ্গাস না কেন?
- (চুপ)
- থাক তুই তোর ফোন নিয়া আমি চললাম।
- (চুপ)
- তাও চুপ করে থাকবি তুই? আমি যাচ্ছি আমাকে আটকাস না কেন?
- তোর পিছনে কে দেখ।
- কে?
- দেখ তুই
- হায় আল্লাহ্! মেঘলা।
- হুম
- তুই তো ফোন নিয়া ব্যস্ত তাহলে আবার কে কোথায় দেখিস কিভাবে?
- ঐটা তুই বুঝবিনা। এখন যা, ওর রাগ ভাঙ্গা। বাই
- তুই কোথায় যাচ্ছিস?
- কলেজ ছুটি দিয়েছে তাই বাড়ি যাবো।
- তুই দাঁড়া, আমি পাঁচ মিনিটের মধ্যে আসছি।
- আচ্ছা যা।
ভাবছেন মেঘলা কে? আবার আকাশ ই বা কে? আকাশ হলো আমার একমাত্র জানেমন বেষ্টফ্রেন্ড। সবসময় সবকিছুতে আমায় হেল্প করে। খুব ভালোও বাসে আমায় পাগলটা। আর মেঘলা হলো আকাশের হবু জিএফ। মানে আকাশ মেঘলাকে ভালোবাসে, মেঘলাও আকাশকে ভালোবাসে কিন্তু স্বীকার করেনা। কথায় আছেনা, মেয়েদের বুক ফুটে তো মুখ ফুটেনা! আর মেঘলার একটা সমস্যা হলো, আকাশের সাথে কোনো মেয়েকেই সহ্য করতে পারেনা এমনকি আমাকেও না। তাইতো আমার সাথে আকাশকে দেখে গাল ফুলিয়ে চলে গেছে। আকাশেরও আবার এক কথা! প্রয়োজনে জিএফ ছাড়বে তবুও আমায় ছাড়বেনা।
- ঐ প্রিয়া চল। (আকাশ)
- কিরে রাগ ভাঙ্গছে?
- নারে ভাই। আজাইরা রাগ আর ভালো লাগেনা।
- তাহলে এক কাজ কর
- কি?
- তুই আমার সাথে আর কথা বলিস না।
- একটা থাপ্পড় দেবো। বলেছি না মেঘলাকে দরকার নাই তবুও তোকে ছাড়তে রাজি না।
- হুম বুঝেছি, এখন চল।
রাস্তা দিয়ে আমি আর আকাশ হাঁটছি। আকাশ নানারকম কথা বলেই যাচ্ছে কিন্তু সেদিকে আমার কোনো খেয়াল নাই কারণ আমার মন তো মোবাইলে।
- ঐ, রাস্তার মধ্যে মোবাইল টিপবি না, ফোন রাখ।
- ধুর বাবা, কিছু হবেনা আমার
- রাখতে বলছি রাখ
- চলতো কথা না বলে।
- তুই মোবাইল ব্যাগে রাখবি কি না?
- আচ্ছা বাবা রাখছি।
- ঐ আমি তোর বাবা হলাম কবে থেকে?
-ঐটা তো কথার কথা বলছি।
- না দরকার নাই বলার।
- আচ্ছা। খুব গরম লাগছে, একটা জুস কিনে আনতো।
- তুই কি বাচ্চা?
- কেন? আমি আবার কি করলাম?
- তাহলে জুস খাবি কেন?
- তাহলে কি খাবো?
- পানি খাবি, আর সি খাবি।
- ধুর এসব ভালো লাগেনা। তুই জুস নিয়ে আয়।
- তুই বাচ্চাই রয়ে গেলি। রাস্তার মাঝখানে যাবিনা, এখানে দাঁড়া আমি নিয়ে আসছি।
- আচ্ছা যা।
আকাশ জুস আনতে গেছে। যাক বাবা, এই সুযোগে একটু ফোন টিপি। জুস আনার কথা তো একটা বাহ