A R F love feelins

A R F  love feelins এখানে পাবেন রোমান্টিক ভিডিও ভালোবাসা ভিডিও ও টেক্স পেটে হলে পেজটি ফলো করে পাশে থাকুন সকল গল্প পাবেন

28/09/2024

A R F love feelins
তাং ২9--০৯--২০২৪
------------------------

আমি আকাশের বাঁধনহারা ঘুড়ি,
মেঘের মাঝে উড়ি নিরবধি,
হাওয়া আমায় পথ দেখায়,
স্বপ্নেরা সব ডানায় বাঁধায়।

নাই কোনো গন্তব্য, নাই কোনো মানা,
সীমানাহীন এই উঠানে—স্বাধীনতা আনা,
নির্জন রাতে চাঁদের আলো,
তবু একাকী ভাসি আলো-ছায়ায় ভালো।

সময় যেনো থেমে আছে,
কখনো দূর, কখনো কাছে,
আকাশজুড়ে খুঁজে চলি,
কোথায় যেনো মুক্তি পেলি!

কখনো হাওয়ায় সুখের গান,
কখনো বেজে ওঠে বিষাদের তান,
তবু থামি না এক মুহূর্ত,
উড়ি চলি অনন্তে মুগ্ধ হয়ে বাঁচি।

মাটির বন্ধন ছিঁড়ে দূরে,
ভাসি অবিরাম ধূসর ভোরে,
আমি আকাশের সেই ঘুড়ি,
নির্জন শূন্যতায় লুটোপুটি করি।

মানুষ যখন কাউকে গভীর ভাবে ভালোবাসে, তখন তার সমস্ত হৃদয় জুড়ে থাকে সেই প্রিয় মানুষটার ছায়া। দিনের আলো, রাতের আঁধার, সবকিছু...
17/09/2024

মানুষ যখন কাউকে গভীর ভাবে ভালোবাসে, তখন তার সমস্ত হৃদয় জুড়ে থাকে সেই প্রিয় মানুষটার ছায়া। দিনের আলো, রাতের আঁধার, সবকিছুতেই যেন তার অস্তিত্ব মিশে থাকে। জীবনের প্রতিটি ছোট খাটো আনন্দ, দুঃখ, কষ্ট সবকিছুই ভাগাভাগি করতে ইচ্ছে করে সেই প্রিয়জনের সাথে।

ভালোবাসার মানুষটা যখন কাছে থাকে, তখন যেনো সমস্ত পৃথিবীটাই রঙিন হয়ে উঠে। তার হাসিতে, তার কথায়, এমনকি তার উপস্থিতিতেই যেন জীবনের সমস্ত কষ্ট চলে যায়। সে যখন পাশে থাকে, তখন মনে হয় সমস্ত দুঃখ কষ্টের উপর একটা শান্তির ছোঁয়া লেগেছে।

তবে অনেক সময় এমন হয়, সেই প্রিয় মানুষটা দূরে চলে গেলে, হাজারো ব্যস্ততা, অজুহাত কিংবা অন্য কোনো কারণে, তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। আমরা বোকা হয়ে অপেক্ষা করে থাকি, আশায় বুক বাঁধি যে, একদিন না একদিন সে ঠিকই ফিরে আসবে, আবার তার হাসি-কথায় ভরে উঠবে আমাদের জীবন।

তবুও হৃদয়ের এক কোণায় সব সময় একটা বিশ্বাস থাকে যে প্রিয় মানুষটা সত্যিই ভালোবাসে, সে একদিন ফিরে আসবে, আবার সব কিছু আগের মতো সুন্দর হবে আর সেই অপেক্ষার মাঝেই হয়তো খুঁজে পাই ভালোবাসার প্রকৃত মানে, বুঝতে পারি সত্যিকারের ভালোবাসা কখনোই হারিয়ে যায় না, শুধু সময়ের প্রয়োজনে তা সাময়িক ভাবে আড়ালে চলে যায়।

যাকে পেয়ে ভেবে ছিলাম আর কখনোই কষ্ট পাবো না-
সেও বুঝিয়ে দিল ভালবাসা সুন্দর কিন্তু সবার জন্য না।

24/08/2024

গল্প : মনের মানুষ
পর্ব : 4
লেখা : Mohammad Ariyan Mahmud

সেবার পাচ দিন ছিল সে আমাদের ওই খানে। আর এই পাচ দিনে তার সাথে আমার খুব বেশি কথা বা দেখা না হলেও এতটুকু বুঝেছিলাম যে সে আমাকে কতটুকু ভালোবাসে। তার ভালোবাসায় আমি সেবার মুগ্ধই হয়েছিলাম। আমাকেও কেউ এমন ভাবে ভালো বাসতে পারে সেটাই বুঝে আসে নি আমার।
কিন্তু এতকিছুর মাঝেও আমার আম্মুর চোখ দুটো যে বিষয়টা এরিয়ে যান নি সেটার ওই প্রমান পেলাম সে চলে যাওয়ার পরেই। আম্মু আমাকে সেবার খুব ভালো ভাবেই সতর্ক করে দিলেন। আর যার ফলশ্রুতিতে আমি তার নাম্বার ব্লক করতে বাধ্য হয়েছিলাম। আর তখন থেকে তাকে ঝেড়ে ফেলেছিলাম আমি আমার মাথা থেকে। আমি আর কোনো দিনও তাকে নিয়ে ভাবি নি। আর না কখনো তার খোজ নিয়েছি কারো কাছ থেকে। মানে সব সেখানেই শেষ।

এভাবেই গেল ছয় মাস।
ইদানিং একটা নাম্বার থেকে আবারো খুব বেশিই বিরক্ত করছে। পরিচয় জানতে চাইলেই বলে "আপনার মনের মানুষ"।প্রথম প্রথম একটু অবাকওই হয়েছিলাম। কেননা আমি যাকে আমার মনে পোষণ করে রেখেছি সেই কি তাহলে এই মেয়ে। তবে কি সে আমার মনের কথা বুঝতে সক্ষম হলো। কিন্তু তার কণ্ঠটা তো এমন নয়। আর না তার কথা বলার ধরটা এমন তাহলে কি এটা অন্য কেউ। কিন্তু পরক্ষনেই মনে হতো হতে পারে কণ্ঠটা আমি যেন বুঝতে না পারি সে জন্য একটু চেঞ্জ করে নিয়েছে। এভাবেই চলল কিছু দিন। এর মধ্যে যতবার কল দিয়েছে ততবারই আমি তার নামটা জানতে চেয়েছি কিন্তু তার একটাই উওর " আপনার মনের মানুষ"।
বিষয়টা আমাকে ভাবতে বাধ্য করালো। তাই একটু পরিক্ষা নীরিক্ষা করে দেখলাম আর সেখানে এটা জানতে পারলাম যে এটা আসলে সে না যাকে আমি ভেবেছিলাম।এটা জানার পর শুধু একটা কথাই মাথাই ঘুরছিল আর সেটা হলো "তাহলে কে এটা"?
দিনটি ছিল ঈদুল আজহার দিন। সময়টা ছিল দুপুর প্রায় দুই টা আনুমানিক। আমি ও আমার দুলাভাই বসে আছি একসাথে। আর তখন সেই অচেনা নাম্বার থেকে কল আসে। দুলাভাই আছে দেখে আর কল ধরলাম না। 'কল ধরছি না কেন'? দুলাভাই এটা জিজ্ঞেস করাতেই আমি সব কিছুই বললাম দুলাভাই কে। দুলাভাই বলল " কলটা ধর আর আমার সামনে এখন কথা বল তারপর আমাকে দিবি আমিও কথা বলব"।দুলাভাই-য়ের কথা মতো আমি কলটা ধরলাম। আর কথা বললাম। দুলাভাই ও কথা বলল নাম জানতে চাইলে আবারও সেই পুরোনো উত্তর "আরিয়ানের মনের মানুষ"। সেদিন অনেক কথাই হলো আমাদের তিন জনের মধ্য। ঘুরতে যাচ্ছি না কেন?তাকে কেন ঘুরতে নিয়ে যাচ্ছি না?এমন হাজারো আজগুবি প্রশ্ন তার। য

24/08/2024

🥀"কোন রূপকথার গল্প হয়ে বাঁচব দুজনে
যদি একটা বার বল তুমি আমার" -❤️

01/08/2024

যেই ফুলসজ্জার ঘরে এখন ঋতিকার বধূবেশে বসে থাকার কথা ছিলো সেখানে এখন বসে আছে তারই প্রিয় বন্ধু অনন্যা....

পারিবারিক ভাবেই বিয়ে ঠিক করা হয়েছিল ঋতিকা আর রেহানের...রেহান হলো অনন্যা আর ঋতিকার আর এক বন্ধু রেহানার বড়ো দাদা... রেহানার জন্মদিনে এসেছিল অনন্যা আর ঋতিকা সেখানেই ঋতিকা কে পছন্দ হয় রেহানের...তারপর ফ্যামিলি কে পাঠায় বিয়ের কথাবার্তা বলতে....সবই ঠিকঠাক ছিলো কিন্তু বিয়ের দিন হটাৎ ঋতিকা পালিয়ে যায়...আর তার পরিবর্তে একপ্রকার জোর করেই বিয়ে দেওয়া হয় অনন্যা আর রেহানের....

অনন্যা এখন পুস্পসজ্জিত বিছানায় ভয়ে গুটিসুটি মেরে বসে আছে...বিএসসি থার্ড ইয়ারে কেমিস্ট্রিতে অনার্স করছিলো মেয়েটা...বিয়ের কারণে ওর জীবন টাই শেষ হয়ে গেলো....

পাঞ্জাবি পরিহিত এক সুদর্শন পুরুষ দরজা খুলে ভিতরে ঢোকে...অনন্যা তো ভয়ে তটস্থ হয়ে আছে...বাবার পরে এই মানুষটাকে যে বড্ড ভয় পেতো...আজ সেই কিনা ওর স্বামী..ভাবলেই শিউরে উঠছে অনন্যার গোটা শরীর...

রেহান এসে বিছানার একপাশে বসে...অনন্যার হৃদ্গতি যেনো হটাৎ করেই বেড়ে গেছে....

রেহান:তোমার বন্ধু কোথায় অনন্যা??

এরকম একটা প্রশ্ন রেহানের কাছ থেকে আশা করেনি অনন্যা...তাই মাথা থেকে ওড়না টা সরিয়ে রেহানের দিকে তাকায়...

রেহান:তোমাকে একটা প্রশ্ন করেছি আমি... ঋতি কোথায়??

অনন্যা:আম..আমি জানিনা...

রেহান:তোমার প্রিয় বন্ধু...যে তোমাকে ছাড়া এক মিনিটও চলতে পারেনা ...সে কোথায় গেছে সত্যিই তোমাকে বলে যায়নি??

অনন্যা:না আমাকে বলেনি....

রেহান:ঠিকাছে...তুমি চেঞ্জ করে শুয়ে পরো...

অনন্যা:আপ..আপনি বালিশ নিয়ে কোথায় যাচ্ছেন??

রেহান:পাশের রুমে...

অনন্যা:প্লীজ আপনি এই ঘর থেকে যাবেন না...আপনি বিছানায় শুয়ে পড়ুন...আমি নিচে শুয়ে পড়ছি....

রেহান:এখন ঠিক কতটা ঠান্ডা পড়েছে সেই আইডিয়া তোমার আছে?? নিচে শুয়ে আবার শরীর খারাপ করবে...তখন সবাই বলবে বর বউকে বিছানায় জায়গা দেয়নি....

অনন্যা:কিন্তু আপনি যাবেন না...আম..আমি একা ঘুমাতে পারিনা...ভ...ভয় লাগে...

রেহান:are you crazy?? অনার্স থার্ড ইয়ারে পড়া মেয়ে ভূতে ভয় পায়??

অনন্যা কে মাথা নীচু করে থাকতে দেখে বিরক্ত হয় রেহান...

রেহান:ঠিকাছে আমি সোফায় ঘুমাচ্ছি....

অনন্যা খুশি হয়...একটা ধন্যবাদ জানিয়ে একটা শাড়ি নিয়ে ওয়াশরুমে চলে যায়....কিন্তু মুশকিল হয় ও একা একা শাড়ি পড়তে পারেনা....তাই কোনরকমে শ

বিয়ের আগের রাতে মেয়েটিকে বললাম " আপনাকে একটা কথা বলার ছিলো " " হ্যা বলুন " " না মানে ছেলে হয়ে মায়ের বিষয়ে কিভাবে বলি! ""...
17/06/2024

বিয়ের আগের রাতে মেয়েটিকে বললাম " আপনাকে একটা কথা বলার ছিলো "

" হ্যা বলুন "

" না মানে ছেলে হয়ে মায়ের বিষয়ে কিভাবে বলি! "

" আহা বলুন না।কালকে তো পুরোপুরি আপনার হয়ে যাচ্ছি।এখন থেকে লজ্জা কমাতে শিখুন।মাকে নিয়ে কিছু বলবেন? "

" জি।আমার মা একটু রাগী ধরনের।ওনার আধুনিক মেয়ে পছন্দ না।আর রাগারাগিটা একটু বেশিই করে "

" ব্যাস! এটাই? "

" জি।আপনি মায়ের মন জুগিয়ে চলতে পারবেন? মায়ের সাদামাটা মেয়ে পছন্দ "

" ওসব নিয়ে আপনি ভাববেন না।এক মাকে ছেড়ে আরেক মাকে মা বলে ডাকবো।তার মন জয় করতে হবে না?ওসব আমার উপর ছেড়ে দিন।দেখবেন শাশুড়ী থেকে কিভাবে নিজের মা করে নিই।তখন আপনারই হিংসে হবে।মনে মনে ভাববেন,ইসস এই মেয়েটা আমার মাকে কেড়ে নিয়েছে "

কথাগুলো বলে মেয়েটা খিলখিল করে হাসলো।কি সরল সে হাসি।বু"কের ভেতরটা শীতল হয়ে গেলো।মেয়েটা বললো

" আমার একটা অনুরোধ রাখবেন? "

" ছি ছি,অনুরোধ কেন বলছেন! বলুন না কি বলবেন "

" আমার বাবা-মা তাদের একমাত্র জামাইকে নিয়ে অনেক সখ আহ্লাদ পুষে রেখেছে।ওনাদের ছোট ছোট ইচ্ছেগুলো,ভালোবাসাগুলো আপনি একটু মেনে নিয়েন।বলছি না যে মেনে নিতেই হবে,যতটুকু সম্ভব ওনাদের একটু সম্মান করবেন প্লিজ।ওনাদের ধারণা তাদের জামাই তাদের ছেলের যায়গা পূরণ করবে।আমার জন্য ওনারা অনেক করেছে।আমি চাই এমন একটা ছেলে আমার জীবনে আসুক যে আমার সাথে আমার বাবা মাকেও আপন করে নিবে।তাদের একমাত্র মেয়ে আমি।এ ছাড়া ওদের আর কেউ নেই।খুব বেশি কিছু কি চেয়ে ফেললাম? "

বুঝতে পারলাম এ মেয়ে আমার জীবনে পাওয়া শ্রেষ্ঠ উপহার।বললাম

" চলুন একটা চ্যালেঞ্জ নেই "

" কি চ্যালেঞ্জ? "

" দেখা যাক কে আগে বাবা মায়ের মন জয় করতে পারে।আপনি না আমি "

মেয়েটা হেসে বললো " আপনি হেরে যাবেন।মেয়েরা যত সহজে বাবা মায়ের মন জয় করতে পারে, ছেলেরা তা পারে না "

" আহা,দেখাই যাক না "💕💚🖤

🖊গল্পগল্প Story

15/06/2024

আইসিটি ক্লাশে বসে বসে ফোন টিপছিলাম। এর মধ্যেই সুনিতা ম্যাম এসে বলে,
-প্রিয়া, ক্লাশে কি করছো? (ম্যাম)
- কই কিছুনা তো।
- দুষ্টুমি করছো, আবার বলো কিছুনা। যাও বাহিরে যাও
- ওকে ম্যাম।
- বইটা নিয়ে যাও, বাহিরে বসে পড়বে। (কিছুটা রাগ করে)
- ঠিক আছে ম্যাম।
ম্যামের কথামত বই নিয়ে বাহিরে চলে আসলাম। কি ভাবছেন, আমি এরকম চুপচাপ কেন ম্যামের কথায় বাহিরে আসলাম? আরে বুঝেন নাই? ঠিক আছে আমিই বলি, কিন্তু তার আগে ফোনটা বই থেকে বের করি।
- ঐ তোর সমস্যা টা কি রে? (আকাশ)
- তুই বাহিরে আসছিস কেন?
- কেন আবার জানিস না তুই?
- ওহ, মেঘলাকে দেখার জন্য?
- থাপ্পড় খাবি কিন্তু
- দে।
- দয়া করে কি ফোন থেকে মুখটা তুলে একটু আমার দিকে তাকাবেন ম্যাডাম?
- আরে বলনা তুই, আমি শুনছি তো।
- আচ্ছা এভাবে আর কতদিন ইচ্ছে করে ক্লাশে দুষ্টুমি করে বাহিরে বের হবি?
- আচ্ছা আকাশ, বলতো আমি বাহিরে কেন বের হই?
- কেন আবার! ফোন টিপার জন্য।
- হ্যাঁ, তুইতো জানিসই আমি ফোন ছাড়া থাকতে পারিনা তাহলে কেন অযথা এক প্রশ্ন প্রতিদিন করিস?
- এভাবে যে পড়াশোনার বারোটা বাজাচ্ছিস সেদিকে কি খেয়াল আছে?
- এটা নিয়ে ভাবিনা।
- কেন?
- তুই আছিস তো। তুই থাকতে আমার আবার টেনশন কিসের?
- হ্যাঁ সেটাই তো। কিন্তু তুই বাহিরে বের হলে যে আমার কষ্ট হয় তা তুই বুঝিস না?
- এখানে কষ্ট হওয়ার কি আছে আবার।
- তাইতো!! কিছুনা। (রাগ করে)
- (চুপ)
-ঐ আমি রাগ করেছি রাগ ভাঙ্গাস না কেন?
- (চুপ)
- থাক তুই তোর ফোন নিয়া আমি চললাম।
- (চুপ)
- তাও চুপ করে থাকবি তুই? আমি যাচ্ছি আমাকে আটকাস না কেন?
- তোর পিছনে কে দেখ।
- কে?
- দেখ তুই
- হায় আল্লাহ্! মেঘলা।
- হুম
- তুই তো ফোন নিয়া ব্যস্ত তাহলে আবার কে কোথায় দেখিস কিভাবে?
- ঐটা তুই বুঝবিনা। এখন যা, ওর রাগ ভাঙ্গা। বাই
- তুই কোথায় যাচ্ছিস?
- কলেজ ছুটি দিয়েছে তাই বাড়ি যাবো।
- তুই দাঁড়া, আমি পাঁচ মিনিটের মধ্যে আসছি।
- আচ্ছা যা।
ভাবছেন মেঘলা কে? আবার আকাশ ই বা কে? আকাশ হলো আমার একমাত্র জানেমন বেষ্টফ্রেন্ড। সবসময় সবকিছুতে আমায় হেল্প করে। খুব ভালোও বাসে আমায় পাগলটা। আর মেঘলা হলো আকাশের হবু জিএফ। মানে আকাশ মেঘলাকে ভালোবাসে, মেঘলাও আকাশকে ভালোবাসে কিন্তু স্বীকার করেনা। কথায় আছেনা, মেয়েদের বুক ফুটে তো মুখ ফুটেনা! আর মেঘলার একটা সমস্যা হলো, আকাশের সাথে কোনো মেয়েকেই সহ্য করতে পারেনা এমনকি আমাকেও না। তাইতো আমার সাথে আকাশকে দেখে গাল ফুলিয়ে চলে গেছে। আকাশেরও আবআইসিটি ক্লাশে বসে বসে ফোন টিপছিলাম। এর মধ্যেই সুনিতা ম্যাম এসে বলে,
-প্রিয়া, ক্লাশে কি করছো? (ম্যাম)
- কই কিছুনা তো।
- দুষ্টুমি করছো, আবার বলো কিছুনা। যাও বাহিরে যাও
- ওকে ম্যাম।
- বইটা নিয়ে যাও, বাহিরে বসে পড়বে। (কিছুটা রাগ করে)
- ঠিক আছে ম্যাম।
ম্যামের কথামত বই নিয়ে বাহিরে চলে আসলাম। কি ভাবছেন, আমি এরকম চুপচাপ কেন ম্যামের কথায় বাহিরে আসলাম? আরে বুঝেন নাই? ঠিক আছে আমিই বলি, কিন্তু তার আগে ফোনটা বই থেকে বের করি।
- ঐ তোর সমস্যা টা কি রে? (আকাশ)
- তুই বাহিরে আসছিস কেন?
- কেন আবার জানিস না তুই?
- ওহ, মেঘলাকে দেখার জন্য?
- থাপ্পড় খাবি কিন্তু
- দে।
- দয়া করে কি ফোন থেকে মুখটা তুলে একটু আমার দিকে তাকাবেন ম্যাডাম?
- আরে বলনা তুই, আমি শুনছি তো।
- আচ্ছা এভাবে আর কতদিন ইচ্ছে করে ক্লাশে দুষ্টুমি করে বাহিরে বের হবি?
- আচ্ছা আকাশ, বলতো আমি বাহিরে কেন বের হই?
- কেন আবার! ফোন টিপার জন্য।
- হ্যাঁ, তুইতো জানিসই আমি ফোন ছাড়া থাকতে পারিনা তাহলে কেন অযথা এক প্রশ্ন প্রতিদিন করিস?
- এভাবে যে পড়াশোনার বারোটা বাজাচ্ছিস সেদিকে কি খেয়াল আছে?
- এটা নিয়ে ভাবিনা।
- কেন?
- তুই আছিস তো। তুই থাকতে আমার আবার টেনশন কিসের?
- হ্যাঁ সেটাই তো। কিন্তু তুই বাহিরে বের হলে যে আমার কষ্ট হয় তা তুই বুঝিস না?
- এখানে কষ্ট হওয়ার কি আছে আবার।
- তাইতো!! কিছুনা। (রাগ করে)
- (চুপ)
-ঐ আমি রাগ করেছি রাগ ভাঙ্গাস না কেন?
- (চুপ)
- থাক তুই তোর ফোন নিয়া আমি চললাম।
- (চুপ)
- তাও চুপ করে থাকবি তুই? আমি যাচ্ছি আমাকে আটকাস না কেন?
- তোর পিছনে কে দেখ।
- কে?
- দেখ তুই
- হায় আল্লাহ্! মেঘলা।
- হুম
- তুই তো ফোন নিয়া ব্যস্ত তাহলে আবার কে কোথায় দেখিস কিভাবে?
- ঐটা তুই বুঝবিনা। এখন যা, ওর রাগ ভাঙ্গা। বাই
- তুই কোথায় যাচ্ছিস?
- কলেজ ছুটি দিয়েছে তাই বাড়ি যাবো।
- তুই দাঁড়া, আমি পাঁচ মিনিটের মধ্যে আসছি।
- আচ্ছা যা।
ভাবছেন মেঘলা কে? আবার আকাশ ই বা কে? আকাশ হলো আমার একমাত্র জানেমন বেষ্টফ্রেন্ড। সবসময় সবকিছুতে আমায় হেল্প করে। খুব ভালোও বাসে আমায় পাগলটা। আর মেঘলা হলো আকাশের হবু জিএফ। মানে আকাশ মেঘলাকে ভালোবাসে, মেঘলাও আকাশকে ভালোবাসে কিন্তু স্বীকার করেনা। কথায় আছেনা, মেয়েদের বুক ফুটে তো মুখ ফুটেনা! আর মেঘলার একটা সমস্যা হলো, আকাশের সাথে কোনো মেয়েকেই সহ্য করতে পারেনা এমনকি আমাকেও না। তাইতো আমার সাথে আকাশকে দেখে গাল ফুলিয়ে চলে গেছে। আকাশেরও আবার এক কথা! প্রয়োজনে জিএফ ছাড়বে তবুও আমায় ছাড়বেনা।
- ঐ প্রিয়া চল। (আকাশ)
- কিরে রাগ ভাঙ্গছে?
- নারে ভাই। আজাইরা রাগ আর ভালো লাগেনা।
- তাহলে এক কাজ কর
- কি?
- তুই আমার সাথে আর কথা বলিস না।
- একটা থাপ্পড় দেবো। বলেছি না মেঘলাকে দরকার নাই তবুও তোকে ছাড়তে রাজি না।
- হুম বুঝেছি, এখন চল।
রাস্তা দিয়ে আমি আর আকাশ হাঁটছি। আকাশ নানারকম কথা বলেই যাচ্ছে কিন্তু সেদিকে আমার কোনো খেয়াল নাই কারণ আমার মন তো মোবাইলে।
- ঐ, রাস্তার মধ্যে মোবাইল টিপবি না, ফোন রাখ।
- ধুর বাবা, কিছু হবেনা আমার
- রাখতে বলছি রাখ
- চলতো কথা না বলে।
- তুই মোবাইল ব্যাগে রাখবি কি না?
- আচ্ছা বাবা রাখছি।
- ঐ আমি তোর বাবা হলাম কবে থেকে?
-ঐটা তো কথার কথা বলছি।
- না দরকার নাই বলার।
- আচ্ছা। খুব গরম লাগছে, একটা জুস কিনে আনতো।
- তুই কি বাচ্চা?
- কেন? আমি আবার কি করলাম?
- তাহলে জুস খাবি কেন?
- তাহলে কি খাবো?
- পানি খাবি, আর সি খাবি।
- ধুর এসব ভালো লাগেনা। তুই জুস নিয়ে আয়।
- তুই বাচ্চাই রয়ে গেলি। রাস্তার মাঝখানে যাবিনা, এখানে দাঁড়া আমি নিয়ে আসছি।
- আচ্ছা যা।
আকাশ জুস আনতে গেছে। যাক বাবা, এই সুযোগে একটু ফোন টিপি। জুস আনার কথা তো একটা বাহ

'২ বছর ধরে শারীরিক মেলা-মেশা হয়নি আমাদের স্বামী স্ত্রী দুজনের মধ‍্যে শুধুমাত্রআমি অসুস্থ বলে। 'স্বামি কে বললাম ওগো তুমি ...
07/06/2024

'২ বছর ধরে শারীরিক মেলা-মেশা হয়নি আমাদের স্বামী স্ত্রী দুজনের মধ‍্যে শুধুমাত্র
আমি অসুস্থ বলে।

'স্বামি কে বললাম ওগো তুমি আমাকে ডিভোর্স দিয়ে
অন‍্য একটি বিয়ে করো।

'সে উত্তর দিলো "তোমাকে ডিভোর্স দেয়ার জন‍্যে
কি আমি বিয়ে করছিলাম।

'দেখো আমি একজন অসুস্থ মানুষ।
না পারি কোন কাজ করতে
না পারি তোমায় শারীরিক বা মানুষিক সুখ দিতে।

'আমার এতো সুখের দরকার নেই।
তুমি আমার সঙ্গে আছো এটাই অনেক কিছু।

'প্লিজজজ স্বামী।
তুমি অন‍্য একটি বিয়ে করো।
আমি আর কয়দিনেই বা বাছবো বলো।

'বার-বার কিন্তু এক কথা পছন্দ করিনা আমি।

'যেখানে আমার সেবা করার কথা ছিলো তোমাকে।
সেখানে তুমি আমার সেবা করতেছো।

'সমস‍্যা নেই।
তুমি সুস্থ হলে আমার সেবা করিও।

'আচ্ছা আমি যে বিছানায় প্রসাব ,পায়খানা করি
এই গুলা পরিষ্কার করতে তোমার ঘৃনা করেনা।

'না।
এইটাও আমার একটি দায়িত্ব।
তাই আমি দায়িত্ব পালন করি বুজছো।।

'স্বামীর এমন কথায় শুনে
অজানতেই চোখের কোনে পানি চলে আসলো।
তা দেখে স্বামী নিজের হাত দিয়ে পানি গুলি মুছে দিয়ে
বললো

'তুমি আমার এক গুচ্ছো ভালোবাসা।
তোমাকে নিয়ে আমি হাজারো স্বপ্ন বেধছি।
তোমাকে নিয়ে আমি আবারো সেই অন্ধকার রাস্তা
হাটতে চাই।
তোমাকে নিয়ে আমি সারাটি জীবন বাচতে চাই।

'কথা গুলি শুনে স্ত্রী এইবার
অঝরে কান্না করে থাকে।
আর বলে ভালোবাসি তোমাকে স্বামী।

ভালোবাসা বুজি এমনি হয়।
তাইনা বন্ধুরা।❤️🪽

(বাসর রাত);-  বিয়ে টা জোর করে দেয়া হয়। পরিবারের চাপে ও বাবা মায়ের দিকে তাকিয়ে কাউকে বুঝতে দেইনি আমি ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে...
05/06/2024

(বাসর রাত);- বিয়ে টা জোর করে দেয়া হয়। পরিবারের চাপে ও বাবা মায়ের দিকে তাকিয়ে কাউকে বুঝতে দেইনি আমি ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করছি।

বিয়ের দিন রাতে আমার স্বামী যখন রুমে আসে ভয়ে আমি কাঁদতে থাকি। এই দৃশ্য দেখে সে ভাবে হয়তো পরিবারের জন্য। তখন সে সান্ত্বনা দেয়। আমার স্বামী দেখতে মো-টা কা-লো এটা দেখে আরও মন ভেঙে যায়।

কলেজের সবার ক্রাশ, স্কুলের সবচেয়ে সুন্দরী, এমন নাম পেয়ে আসা মেয়েটার কপালে এরকম একজন জুটবে কখনো কল্পনাও করিনি। ভয় কাটিয়ে উঠে তাকে স্পষ্ট বলে দেই আমাকে স্পর্শ করার চেষ্টা টাও যেনো না করে।

অবাক হলাম সে কিছু না বলে চুপচাপ ফ্লোরে শুয়ে পড়লো। কেমন যেনো একটা খারাপ লাগা কাজ করলো। রাত প্রায় ৩টা বাজে তখন ঘুম আসছিলো না। হঠাৎ শুনতে পাই হাল্কা কান্নার শব্দ।

বুঝতে বাকি রইলো না সে কাঁদছে। তখন প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ হচ্ছিলো। পুরুষ হয়ে আবার নেকা কান্না কাঁদবে কেন। জিজ্ঞেস করলাম সমস্যা কি দেখি একদম চুপ হয়ে গেছে। আবার জিজ্ঞেস করলাম উত্তর নাই।

নিজেই নিচে গিয়ে সামনাসামনি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলাম কান্না করার কি আছে?- "আমি কখনো রিলেশন করার কথা চিন্তাও করিনাই কারণ আমি জানি আমাকে কেউ পছন্দ করবেনা। পরিবার থেকে বার বার মেয়ে দেখতো আর মেয়ে পক্ষ আমাকে দেখ মানা করে দিতো৷ আমি খুবই অপমানিত ফিল করতাম। তারপর বাবা মা কে অনুরোধ করি আর মেয়ে না দেখতে আমি বিয়ে করবো না। আজকে আপনার সাথে আমার সব ঠিক করেছে। কিভাবে কি হয়েছে আমি কিছুই জানিনা। তবে এতটুকু আমি নিশ্চিত যে আমাকে দেখার পর আপনি রাজি হবেন না। আর আপনার মতামত জানতে চাইবো সেই যোগ্যতাও আমার নাই। আমাকে সৃষ্টি করছেন আল্লাহ্ এখানে আমার কোনো হাত নাই তবুও আমাকে প্রতিনিয়ত ভুগতে হয়। সবকিছু মিলিয়ে আমার প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছে তাই আমি কাঁদছি।)

উনার এমন কথা শুনে কেমন জানি একটা মায়া কাজ করলো৷ তবে তখনও উনাকে মেনে নিতে পারিনাই। এভাবেই চলতে থাকে সব। বেশ কিছুদিন পার হয়ে যায়। বন্ধুবান্ধবদের অনেকেই দেখতে চায় কিন্তু আমি লজ্জায় দেখাতাম না।

একদিন খবর পাই আমার কাজিনের ডিভোর্স হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ওরা তো ভালোবেসে বিয়ে করেছে তাহলে ডিভোর্স কেন? পরবর্তীতে জানতে পারলাম ছেলে প্রায়ই তাকে অ'**চার করতো। সেদিন থেকে একরকম ডিপ্রে-শনে চলে যাই। একটা সময় অনেক বেশি অসুস্থ হয়ে যাই যে হাসপাতালে এডমিট করতে হয়।

যেদিন রাতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সেদিন পুরো একটা রাত আমার স্বামী না ঘুমিয়ে আমার পাশে ব(বাসর রাত);- বিয়ে টা জোর করে দেয়া হয়। পরিবারের চাপে ও বাবা মায়ের দিকে তাকিয়ে কাউকে বুঝতে দেইনি আমি ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করছি।

বিয়ের দিন রাতে আমার স্বামী যখন রুমে আসে ভয়ে আমি কাঁদতে থাকি। এই দৃশ্য দেখে সে ভাবে হয়তো পরিবারের জন্য। তখন সে সান্ত্বনা দেয়। আমার স্বামী দেখতে মো-টা কা-লো এটা দেখে আরও মন ভেঙে যায়।

কলেজের সবার ক্রাশ, স্কুলের সবচেয়ে সুন্দরী, এমন নাম পেয়ে আসা মেয়েটার কপালে এরকম একজন জুটবে কখনো কল্পনাও করিনি। ভয় কাটিয়ে উঠে তাকে স্পষ্ট বলে দেই আমাকে স্পর্শ করার চেষ্টা টাও যেনো না করে।

অবাক হলাম সে কিছু না বলে চুপচাপ ফ্লোরে শুয়ে পড়লো। কেমন যেনো একটা খারাপ লাগা কাজ করলো। রাত প্রায় ৩টা বাজে তখন ঘুম আসছিলো না। হঠাৎ শুনতে পাই হাল্কা কান্নার শব্দ।

বুঝতে বাকি রইলো না সে কাঁদছে। তখন প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ হচ্ছিলো। পুরুষ হয়ে আবার নেকা কান্না কাঁদবে কেন। জিজ্ঞেস করলাম সমস্যা কি দেখি একদম চুপ হয়ে গেছে। আবার জিজ্ঞেস করলাম উত্তর নাই।

নিজেই নিচে গিয়ে সামনাসামনি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলাম কান্না করার কি আছে?- "আমি কখনো রিলেশন করার কথা চিন্তাও করিনাই কারণ আমি জানি আমাকে কেউ পছন্দ করবেনা। পরিবার থেকে বার বার মেয়ে দেখতো আর মেয়ে পক্ষ আমাকে দেখ মানা করে দিতো৷ আমি খুবই অপমানিত ফিল করতাম। তারপর বাবা মা কে অনুরোধ করি আর মেয়ে না দেখতে আমি বিয়ে করবো না। আজকে আপনার সাথে আমার সব ঠিক করেছে। কিভাবে কি হয়েছে আমি কিছুই জানিনা। তবে এতটুকু আমি নিশ্চিত যে আমাকে দেখার পর আপনি রাজি হবেন না। আর আপনার মতামত জানতে চাইবো সেই যোগ্যতাও আমার নাই। আমাকে সৃষ্টি করছেন আল্লাহ্ এখানে আমার কোনো হাত নাই তবুও আমাকে প্রতিনিয়ত ভুগতে হয়। সবকিছু মিলিয়ে আমার প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছে তাই আমি কাঁদছি।)

উনার এমন কথা শুনে কেমন জানি একটা মায়া কাজ করলো৷ তবে তখনও উনাকে মেনে নিতে পারিনাই। এভাবেই চলতে থাকে সব। বেশ কিছুদিন পার হয়ে যায়। বন্ধুবান্ধবদের অনেকেই দেখতে চায় কিন্তু আমি লজ্জায় দেখাতাম না।

একদিন খবর পাই আমার কাজিনের ডিভোর্স হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ওরা তো ভালোবেসে বিয়ে করেছে তাহলে ডিভোর্স কেন? পরবর্তীতে জানতে পারলাম ছেলে প্রায়ই তাকে অ'**চার করতো। সেদিন থেকে একরকম ডিপ্রে-শনে চলে যাই। একটা সময় অনেক বেশি অসুস্থ হয়ে যাই যে হাসপাতালে এডমিট করতে হয়।

যেদিন রাতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সেদিন পুরো একটা রাত আমার স্বামী না ঘুমিয়ে আমার পাশে বসেছিলো। উনাকে একবার বলেই দিলাম গিয়ে ঘুমান উনি কোনো উত্তর না দিয়ে বসে রইলো। এর মাঝে আমার অক্সিজেন লেভেল অনেকটা কমে যায়।

প্রায় ১২ঘণ্টা মৃ-ত্যুর সাথে ফাইট করি। এরপর যখন কিছুটা স্বাভাবিক হই দেখি আমার চোখের সামনে সবাই। সবাই আমাকে কিছুটা স্বাভাবিক হতে দেখে সুস্থির নিশ্বাস ছাড়লো। কিন্তু খেয়াল করলাম আমার স্বামী বাচ্চাদের মত কাঁদছে সেই বাসর রাতের মতই।

সেদিন প্রথম বার সে আমাকে স্পর্শ করে কারণ আমি নিজেই তাকে কাছে আসতে বলি এবং বসে থেকেই জড়িয়ে ধরি। সেদিন থেকে টানা এক সপ্তাহ সে নিজ হাতেই আমাকে খাইয়ে দিয়েছে আমার প্রতিটা কাজ সে বলার আগেই করে দিচ্ছে।

হঠাৎ খেয়াল করলাম এই মানুষটার প্রতি কেমন যেনো একটা ভালোবাসা ও দুর্বলতা কাজ করছে। আর যাকে একরকম ঘৃ-ণা লাগতো দেখতে তাকেই পৃথিবীর সবচেয়ে সুদর্শন পুরুষ লাগছে। সেদিন খাওয়াতে যখন আসলো হাত থেকে প্লেট টা নিয়ে আমি নিজেই খাওয়া শুরু করি সে কিছু না বলে মন খারাপ করে চলে যাচ্ছিলো।

আমি মুচকি হেসে ডাক দিয়ে বললাম এদিকে আসেন, বসেন। এরপর আমি তাকে খাইয়ে দিলাম। সেদিনও সে আবার কান্না করে দিয়েছে। মানে এই মানুষটা শুধু কাঁদেই কাঁদেই। এরপর আমি চোখ রাঙিয়ে বললাম আজকের পর থেকে যদি

14/05/2024

✅ যে মেয়ে আমার বউ হবে ??

👉 তাহলে আমার ইচ্ছে গুলো দেখো.👇👇

এটা কোন মজা না,,,আমার মনের ইচ্ছা,,,মন থেকে বলছি,,,
কেউই কি আছো হালাল ভাবে সম্পর্ক করবা।
হারাম ভাবে না।
এই পোস্ট নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু ভাবছো।
যে যা ভাবছো তার কাছে তাই।

খুব ইচ্ছে হালাল ভাবে সম্পর্ক করা কেউই হেল্প করবেন।

💞বউ হলে আমাকে ভিষণ ভালবাসতে হবে।

🍜আমাকে প্রতিদিন খাইয়ে দিতে হবে।

💝আচল দিয়ে আমার মুখের ঘাম মুছে দিতে হবে।

👩চুল গুলো খোলা রাখতে হবে।

👫হাত ধরতে দিতে হবে।

😋আমি প্রচুর দুষ্টুমি করি, আমার সাথে তোমাকেও দুষ্টুমি করতে হবে।

☕এক কাপ চা ভাগ করে খেতে হবে।

💚আমিও ভিষণ ভালবাসবো।

🍜আমিও খাইয়ে দিবো।

👰শাড়ি পরিয়ে দেবো।

💪আমার ডান বাহুতে শুতে দিবো।

🏠প্রতিদিন জরিয়ে ধরে ঘুমাবো।

🌧একসাথে বৃষ্টিতে ভিজবো।

🌒রাতের বেলায় রাস্তায় হাটা আমার ভিষণ ভালো লাগে

🚶আমার সাথে হাটতে হবে।

💃পায়ে ব্যথা হলে কোলে নিতে পারবো[AnyTime]।

💛নাকে ধরে জোরে টান দিবো।

🍿এক আইসক্রিম দুজনে খাব।

🍚অসুস্থ থাকলে রান্না করে খাইয়ে দিবো।

😍যথেষ্ট পরিমাণ লম্বা আছি। বুকের মধ্যে মাথা রাখা কোন ব্যাপার ই না।

🖐বাচ্চাকাচ্চা হলে তাদেরকে চড় থাপ্পড় দেয়া যাবে না। আদর করতে হবে।

😠আর একটু একটু ঝগড়া করব ! তবে বাপের বাড়ি যেতে পারবে না।

😍আভিমান আমিই ভাঙ্গাবো শেষমেষ ।

🕋একদম পাঁচ ওয়াক্ত নামায ঠিকঠাক পড়তে হবে কিন্তু সাথে আমাকেও পড়াতে হবে �� কারণ এই ইহকালে নয় পরকালেও একসাথে থাকতে চাই.। 💝💝💝

09/03/2024

গল্প: চাদ_কুমারি_

#পর্ব : ( ) #লেখাঃ A R F love feelins

মিম!
শুনলাম , তুমি নাকি এক্সিডিন্ট করছো?

কেনো! আপনি আগে শুনেন নাই। নাকি আজ শুনলেন। (মিম)

৬/৭ দিন আগে শুনলাম , তুমি নাকি খুব অসুস্থ । চোখ।হারাইছো, কিডনী ব‍্যামেজ হলো। ( হাসিবের মা)

মিম : হুম হয়েছিলো।

কিন্তু ! এতো টাকা কোথায় পেলে হ‍্যা। আর কে দিয়েছে তোমাকে এতো টাকা।

মিম: সেটা আপনাকে বলতে হবে না বুজেছেন।

মানে , আমাকে বলবে না তো কাকে বলবে শুনি। আমি তোমার শাশুড়ি হবো।

হাসিবের মায়ের মুখে এই কথাটি শুনেই মিম হাসতে থাকে 🤡

মিম : হাহা হা হা ইহ আহা আহ আহা হা হা হা হা আহ আহা হা হা আহা আহহা আহা হা হা হ হ হৃ হ হৃ আহাহা আহা হাহা, আপনার কথা শুনে আমার এতো হাসি পাচ্ছে বলার ভাষা নেই।

এখানে হাসার কি আসে?

মিম : আপনাকে এতো কথা বলতে পারবো না আমাদের বাসা থেকে বেরিয়ে যান আপনি ।

তখনি হাসিবের মা বলে!

আমাকে অপোমান করতেছেন, করেন। সময় আমার ও আসবে আমি ও দেখিয়ে দিবো। আমার ছেলের কাছ থেকে চুপি সারে অপারেশন টাকা নিয়ে এখন নাটক শুরু করেছো সবাই ।

এই কথাটি শুনে মিমের মা আর নিজেক কন্টল করতে না পেরে নিজের বড় বোন হাসিবের মা কশে একটি থাপ্পড় দেয়।

ঠাসসসসসসসস,,,, ঠাসসসসসসস যা আমার বাসা থেকে বেরিয়ে যা! একটি কুপুত্র জন্ম দিয়েছিস। আর বলিশ আমরা টাকা নিয়েছি। ( মিমের মা)

তোর এতো বড় সাহস আমাকে থাপ্পড় দিস! আর শোন টাকা নিয়েছিস কি না আমি ভালো জানি। যদি টাকাই না নিবি তবে ফোন দিছিলি কেনো। এখন টাকা পাইছিস তো মিথ্যা আশ্রয় নিচ্ছিস। ধরলাম টাকা নিসনাই, তবে এতো টাকা কোই পাইলি হুমম , এবার মেয়ের টাকার জন্যে কি তুই দেহ ব‍্যবস‍্যা করতি নাকি হুম।

মিম : আপনি যদি আমার বাবা মা সম্পর্কে এর একটি বাজে কথা বলতেছেন। তবে আপনাকে ঘার ধাক্কা দিয়ে বের করে দিবো। বেয়াদব মহিলা চলে যান এখান থেকে।

এর পরে আর হাসিবের মা আর কোন তর্ক না করে সেখান থেকে চলে আসে।

মিম : মা এই মহিলা যেনো আমাদের বাসায় কখনো না আসে। আর হ‍্যা একটি কথা হাসিবের সাথে যা যা চুক্তি বলতে কথা বলে ছিলে না।

মিমের বাবা : হুমম।

মিম : ওই সব কিছু ভূলে যাও। আমি আর কখনো বিয়ে করবো না। যদিও করি তবে হাসিব কে না।

কিন্তু মা?

মিম : কোন কিন্তু নেই বাবা! আমি যা বলছি তাই ওর মতো খারাপ ছেলে আমার জীবনে আসুক আমি চাইনা। ও একটি লম্পট। একটি চিটার।

ঠিক আছে মা তুই

Address

Rangpur City
Dhaka
1122

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A R F love feelins posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category