Road To HSTU

Road To HSTU হাবিপ্রবিকে নিয়ে আপনার ফোনে বা ক্যামেরায় ধারন করা ভিডিও বা ছবি আমাদের পেজের মাধ্যমে শেয়ার করতে চাইলে ইনবক্সে পাঠিয়ে দিতে পারবেন,ধন্যবাদ।

হাবিপ্রবি'তে কবে হবে?যবিপ্রবিতে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে চালু হচ্ছে কোডিং পদ্ধতি(যশোর: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি.): যশোর বি...
27/09/2026

হাবিপ্রবি'তে কবে হবে?

যবিপ্রবিতে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে চালু হচ্ছে কোডিং পদ্ধতি
(যশোর: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি.): যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) সকল ধরনের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চালু হতে যাচ্ছে ‘কোডিং পদ্ধতি’। এ পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর বা পরিচয় গোপন রেখে বিশেষ সংকেত (কোড) ব্যবহারের মাধ্যমে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে।
আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৭তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে এ পদ্ধতি অনুসরণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর।

Source : Official FB page of JUST

আমার বোন জিতু!মেয়েটা ভীষণ শক্ত। একটু আগেই তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। তবুও জানি, সে হার মানবে না।আল্লাহ আমার বোনটার ...
27/09/2026

আমার বোন জিতু!
মেয়েটা ভীষণ শক্ত। একটু আগেই তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। তবুও জানি, সে হার মানবে না।
আল্লাহ আমার বোনটার সহায় হোন, তার কষ্ট সহজ করে দিন।
সবাই জিতুর জন্য দোয়া করবেন।🤲

Hidden place in Dinajpur
27/09/2026

Hidden place in Dinajpur

আর মাত্র কয়দিন!!কনকনে শীত উপভোগ করতে,উত্তরবঙ্গে চলে আসুন।🙂ছবি:২০২৫
26/09/2026

আর মাত্র কয়দিন!!
কনকনে শীত উপভোগ করতে,উত্তরবঙ্গে চলে আসুন।🙂

ছবি:২০২৫

26/09/2026

পরিসংখ্যান ২৩ ব্যাচের জিতুর অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন, লাইফসাপোর্টে রয়েছেন ।😥
সকলের নিকট দোয়ার দরখাস্ত।🤲

26/09/2026

২০১৪ সালের শেষের দিক।আর্থিক দৈন্যতার কারনে মেস ছেড়ে দিয়ে তৎকালীন তাজউদ্দীন হলের ডাইনিংয়ের গণরুমে উঠলাম। ২০-৩০ জন গাদাগাদি করে ছিলাম।

সেখানে পড়াশোনার কোন পরিবেশ নাই। শুধু রাতে থাকা যায়। তারপরও ঘুমটা ক্লিয়ার হয়না।

আগে যেখানে মেসে রাত দশটায় ঘুমিয়ে ভোর চারটা পাঁচটায় উঠতাম, গণরুমে উঠে ঘুমের প্যাটার্ন পরিবর্তন হয়ে গেল। রাত দুই তিনটায় ঘুমিয়ে সকাল আটটা নয়টায় উঠে ক্লাসে যেতাম।

ক্লাস-গণরুম-বাশেরহাট। এই তিনটা প্লেসেই সময় কাটানো শুরু হলো। কিন্তু টেবিলে আর সময় দেওয়া হয়না।

ফলস্বরূপ ১ম সেমিস্টারে থার্ড প্লেস করা আমি ২য় সেমিস্টারে এসে প্রথম ৭/৮ জনের মধ্যে নেই।

হতাশা জেঁকে বসলো।

তখন এত সুন্দর লাইব্রেরী ছিল না। লাইব্রেরিতে পড়তেও মানুষ কম যেত। ফাইনাল পরীক্ষার আগের রাতে বড় ভাইদের রুমে গিয়ে টেবিল ফাঁকা থাকলে বসে পড়তাম। কিন্তু এভাবে খুব বেশিক্ষণ পড়া সম্ভব ছিলনা।

অতঃপর যা হবার তাই হলো। পরবর্তীতে সকল সেমিস্টারেই জিপিএ কনসিসটেন্টলি পুওর হতে লাগলো। জীবনে গভীর হতাশা প্রবেশ করলো।

ভোরে ঘুম থেকে জেগে উঠার বদলে আমি ভোরে ঘুমাতে যেতে শুরু করলাম।

বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার আগে ভেবেছিলাম, আমার এমন কিছু বন্ধু থাকবে যাদের সাথে আমি সবকিছু শেয়ার করবো। আমার খারাপ লাগা, ভালো লাগার সময়ে পাশে থাকবে। আমার দুঃখ কষ্টে সে ব্যথিত হবে। আমার দুর্বল পয়েন্ট জেনেও আঘাত করবেনা। কিন্তু এমন বন্ধুটা পাওয়া হয়নি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

হয়তবা আমার দুর্ভাগ্য এটা। কতজনের জীবন বিলিয়ে দেওয়া বন্ধুত্বের গল্প শুনি। কিন্তু আমার জীবনে সেটা আর বাস্তবে দেখা দেয়নি।

বন্ধু বান্ধব জুনিয়রদের অনেকেই দেখি গার্লফ্রেন্ড নিয়ে বেশ ঘোরাঘুরি করে, আড্ডা দেয়। সেসময় এমন একটা ট্রেন্ড ছিলো সিঙ্গেল থাকাটা যেন অনেকটা ব্যর্থতার মত। এসব দেখে হৃদয়ে এক ধরনের অপূর্ণতা কাজ করতো।

মনে হলো আমারও তো এমন একজন মানুষ থাকতে পারতো যার সাথে জীবনের সুখ দুঃখের গল্প গুলো ভাগাভাগি করে নিতাম।

কিন্তু পরক্ষণেই মনে হতো, আমি এসবের অযোগ্য। যে মানুষটা ৫ টাকা বাঁচানোর জন্য জিয়া হল থেকে বাঁশের হাট পর্যন্ত হেটে যায় সেই মানুষটার মেয়ে বন্ধু থাকাটা এক ধরনের বিলাসিতা।

পকেটের স্বাস্থ্য ভালো করতে টিউশনির জন্য বেশ কয়েকজন বড় ভাই বন্ধুকে বললাম। সবাই বলেছিলো, পাইলে তোমাকে জানাবো। কিন্তু কেউ আর জানায় নি। যার দুইটা টিউশনি করলেই হয়ে যেত। সে আরো দুইটা এক্সট্রা করায় এবং সেই টাকা দিয়ে গার্লফ্রেন্ড মেইনটেইন করে। যার দরকার সে টিউশন পায় না, যার দরকার নেই তার টিউশনের অভাব নেই।

লেভেল-২,৩ ক্লোজড। ডাইনিংয়ের গণরুমের সব বন্ধু বান্ধবই প্রায় সিট পেয়ে গেছে। রাজনীতি করে কিংবা টাকা দিয়ে। আমার রাজনীতিও নাই টাকাও নাই। তাই সিট পাইনি আমি।

কোন এক সাপ্তাহিক ছুটিতে বাসায় গিয়েছিলাম। এসে দেখি ডাইনিং(গণরুম) থেকে আমার বেড, তোষক বাহিরে বের করে রেখেছে। সেখানে নতুন জুনিয়র উঠায়েছে।রাতে আমার ঘুমানোর জায়গা নাই। শেষমেশ মশার কামড় খেয়ে রাত তিনটার দিকে টিভি রুমের ছোট ছোট চেয়ার গুলোতেই ঘুমিয়ে পড়লাম। পরে ফজরের আজান দিলে কোন এক ছোট ভাইয়ের বেডে গিয়ে ঘুমিয়েছিলাম। সেদিন রাতে নিজেকে পৃথিবীর সেরা অসহায় মানুষ মনে হয়েছিলো।

পরবর্তীতে হলে ডিভিএমের এক বড় ভাইয়ের সিট পাই। অন্যদিকে জিয়া হলের চার তলায় নতুন রুমে সিটের জন্য আবেদন করি। সেখানেও সিট পেয়ে যাই। এরপর তাজউদ্দীন (তৎকালীন) হলের সিটটা এক ছোট ভাইকে দিয়ে জিয়া হলে শিফট হই।

ভালো একটা থাকার জায়গা পেলাম, পড়ার টেবিল পেলাম, কিন্তু লেভেল ওয়ান এর মত মূল ট্রাকে আর ফিরতে পারলাম না। হতাশাও আর কাটলো না।

সময়ের পরিক্রমায় গ্রাজুয়েশন শেষ করলাম। অতঃপর প্রকল্পের চাকরীতে জয়েন করে ক্যাম্পাস ত্যাগ করলাম।

একটা সময়, 'I Quit' করতে চাওয়া আমি পরবর্তীতে প্রাইমারী, বিসিএস ও ব্যাংকের সিনিয়র অফিসারের চাকরী ক্রাক করেছি আলহামদুলিল্লাহ।

এখন মাঝে মধ্যে মনে হয়, যদি আমার সে সময় একজন মেন্টর থাকতো,একজন ভালো বন্ধু থাকতো, একটা ভালো থাকার জায়গা থাকতো, একটা বা দুটো টিউশন থাকতো তাহলে হয়তে আমার রেজাল্টটা ভালো হতো। হতাশা গুলো কমে যেত। জীবনের ট্রাক লাইন থেকে ছিটকে যাওয়াটা প্রতিরোধ করা যেত। জীবনটা আরো স্মুথ হতো। আরো আগেই ভালো জব পেতাম।

এই গল্পটা শুধু আমার একার না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ৭০ ভাগ শিক্ষার্থীদের গল্প। এতসব দুঃখ কষ্টের মাঝে অনেকেই টিকে থাকে আবার কেউ কেউ আত্ম*ত্যা করে হারিয়ে যায়।

কারো অর্থকষ্ট, কারো সম্পর্কের জটিলতা, কারো থাকা খাওয়ার কষ্ট, কারো শত চেষ্টা করেও ভালো ফলাফল না করার কষ্ট। এসব কষ্টের মধ্য দিয়েই জীবন চালিয়ে যেতে হয়।

সত্যি বলতে জীবন কখনো সরলরৈখিকভাবে চলেনা। এটা কখনো মসৃণ কখনো অমসৃণ। কখনো উত্থান কখনো পতন। কখনো আলো কখনো অন্ধকার। এসব নিয়েই জীবন। এক জীবনে শুধু সুখ থাকবে, তা সম্ভব নয়। আবার সারাজীবন দুঃখ থাকবে সেটাও সম্ভব নয়।

তাই বর্তমানে যারা চরম কষ্টে আছেন, হতাশায় জর্জরিত হয়ে আছেন। বার বার মনে হচ্ছে, ' I Quit' । তারা কষ্ট করে জাস্ট বেঁচে থাকুন। আপনার জীবনের পতনের সময়টাতে জাস্ট টিকে থাকুন ভবিষ্যতে উত্থান দেখার জন্য হলেও।

Life is not a one day innings, It’s a big test match. Just play carefully, one day you will surely win Insha Allah.

জাস্ট বেঁচে থাকুন জীবনের সুন্দর সময়ের অপেক্ষায় ।
সবার জন্য নিরন্তর শুভকামনা রইলো❤️

~মো:মাসুদ রানা
লাইভস্টক ক্যাডার,৪৬তম বিসিএস
হাবিপ্রবি

📍হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)-এর ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ...
25/09/2026

📍হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)-এর ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য একসাথে দেখে নিন। 🎓

📌 ভর্তি পরীক্ষা: ২৪–২৮ জানুয়ারি ২০২৭
📌 মোট ইউনিট: A, B, C ও D
📌 MCQ: ১০০ নম্বর
📌 প্রতি প্রশ্ন: ১ নম্বর
📌 ভুল উত্তরের জন্য: ০.২৫ নম্বর কর্তন
📌 SSC + HSC ফলাফলের জন্য: ২৫ নম্বর
📌 Architecture-এর জন্য অতিরিক্ত ৫০ নম্বরের Drawing পরীক্ষা
🎯 A ও B ইউনিট: SSC ও HSC-তে ন্যূনতম GPA 3.50 এবং মোট GPA 7.50
🎯 C ও D ইউনিট: SSC ও HSC-তে ন্যূনতম GPA 3.00 এবং মোট GPA 6.00
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের পূর্ণাঙ্গ অফিসিয়াল ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত আবেদনের সময়সীমা, চূড়ান্ত আসন সংখ্যা, 2nd Time ও অন্যান্য পরিবর্তনশীল তথ্য চূড়ান্ত হিসেবে ধরা যাবে না।

কমেন্টে গত বছরের সার্কুলার দেয়া হলো। শেষ মুহুর্তে কোনো পরিবর্তন না আসলে এগুলোই থাকতে পারে এবছরও।

সব তথ্য সবার আগে পেতে Road To HSTU পেইজে চোখ রাখুন।ধন্যবাদ💙🤍

25/09/2026

সবার জীবনে কমবেশি বিভিন্ন ধরনের স্ট্রাগলের গল্প থাকে । কিন্তু সফল হলেই মানুষ কেবল সেসব গল্প শুনে, ব্যর্থ হলে সে সব গল্পের কেউ ধার ধারে না ।
রবার্ট ব্রুস সপ্তম বারে সফল হয়েছিল বলেই সেই গল্প আমরা জানি। সে যদি অষ্টমবারেও গিয়ে ব্যর্থ হয়ে যেত তাহলে সেই গল্প লেখা হতো না। পৃথিবীতে রবার্ট ব্রুসের চেয়েও অনেক স্ট্রাগল করতেছে এরকম লোক আমার আপনার পাশেই আছে কিন্তু তাদের গল্প কখনো ইতিহাসে লেখা হয়নি, হবেও না ।
আধুনিক জমানায় এই স্ট্রাগলের গল্প এখন এক ধরণের নতুন ব্যবসায়িক পণ্যে রূপ নিয়েছে!
অনেকেই দেখি একটা বিসিএস বা পরীক্ষা ক্র্যাক করলেই তার দুঃখের কথা , তার কষ্টের কথাগুলো ঘটা করে পাবলিককে শোনান..."আমি কীভাবে একবেলা খেয়ে পড়েছি", "কত রাত না ঘুমিয়ে কাটিয়েছি", এটা সেটা হাবিজাবি।
প্রথম এক-দুদিন এসব শুনলে স্বাভাবিকভাবেই ভালো লাগে। কিন্তু যখন দেখি এই স্ট্রাগলের গল্প প্রতিদিন বারবার রিলস আর পোস্ট করা হচ্ছে, তখন বিরক্ত লাগে, আসল খেলাটাও বোঝা যায়।
এই স্ট্রাগল সেলিং এখন অন্যতম সহজ মার্কেটিং। যে যত বেশি কষ্টের ইমোশন তৈরি করতে পারবে, তার কোচিং বা কোর্সের বিজনেস তত দ্রুত রান করবে! আর একদল মানুষও অদ্ভুত এক তৃপ্তি নিয়ে সেই একই কাসুন্দি গিলে যাচ্ছে।
সফল হওয়া অবশ্যই প্রশংসনীয়, সেই গল্প শেয়ার করাও ভালো, হয়তো অনেকেই সো কল্ড মোটিভেশন পায় কিন্তু নিজের অতীত সংগ্রামকে ক্যাশ করে প্রতিদিন সিম্প্যাথি আদায়ের ব্যবসা চালানো যেমন হতাশাজনক তেমনই হাস্যকর ।
আপনারা দয়া করে এইসব overrated গল্প থেকে সস্তা মোটিভেটেড হওয়া বন্ধ করুন।

AbS Abu Bakkar (Siddique)
লাইভস্টক ক্যাডার
৪৭তম বিসিএস ।

ক্যাম্পাসের প্রত্যেকটা শিক্ষকের উচিত শিক্ষার্থী বান্ধব হওয়া ! মার্কেটিং বিভাগের সৌভাগ্য যে এই ডিপার্টমেন্টে ইউসুফ স্যার...
23/09/2026

ক্যাম্পাসের প্রত্যেকটা শিক্ষকের উচিত শিক্ষার্থী বান্ধব হওয়া ! মার্কেটিং বিভাগের সৌভাগ্য যে এই ডিপার্টমেন্টে ইউসুফ স্যার আছেন ।

বালুবাড়িতে ট্রাকের নিচে পরে পা ভেঙ্গে যাওয়া স্ট্যাটের শিক্ষার্থীকে জরুরী ভিত্তিতে বগুড়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পায়ের কন্ডিশন ...
23/09/2026

বালুবাড়িতে ট্রাকের নিচে পরে পা
ভেঙ্গে যাওয়া স্ট্যাটের শিক্ষার্থীকে জরুরী ভিত্তিতে বগুড়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পায়ের কন্ডিশন খুবই বাজে।সবার কাছে দোয়া প্রত্যাশী।
আল্লাহ যেন দ্রুত সুস্থ করে দেন
।উক্ত মর্মান্তিক ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত।

Address

Dhaka
5200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Road To HSTU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share