Writer Soyada Rubina

Writer Soyada Rubina teacher, writer, translator, reciter, organizer, promoter of rubeelik style. 44 years of literature.
(7)

আসসালামু আলাইকুম। শুভ সকাল। দিন যাক সবার ভালো।
08/07/2026

আসসালামু আলাইকুম। শুভ সকাল। দিন যাক সবার ভালো।

With Salma's world – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
08/07/2026

With Salma's world – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

শোকবাণী --প্রিয় মানুষগুলো কেনো চলে যায়?…যেতে নাহি দেব হায় তবুও চলে যায় । সুপরিচিত বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাস...
05/07/2026

শোকবাণী --প্রিয় মানুষগুলো কেনো চলে যায়?…
যেতে নাহি দেব হায় তবুও চলে যায় ।

সুপরিচিত বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক প্রয়াণে শোকবাণী লিখতেই হলো।

একদিন আমরা সবাই চলে যাবো, আসবে প্রয়াণ দিবস
কাঁদবে কত স্বজন-পরিজন,নিথর দেহ রইবো পড়ে অবস।।

বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, গবেষক, রাষ্ট্রচিন্তাবিদ, বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আজ ৫ই জুলাই ২০২৬ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও রাষ্ট্রচিন্তাবিদ। তিনি নিরপেক্ষ রাজনীতি চিন্তা ও তত্ত্বের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর রচনায় দেশ- ভাবনা ও রাজনৈতিক চিন্তায় ছিলো ঋদ্ধ। তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম ‘মুক্তিসংগ্রাম’, ‘কালের যাত্রার ধ্বনি’, ‘আশা আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে’, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলন’, ‘রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন’, ‘রাজনীতিতে ধর্ম মতাদর্শ ও সংস্কৃতি’, ‘রেনেসাঁস ও গণজাগরণ ’প্রভৃতি। বাংলা একাডেমির সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর বাংলা বিভাগে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজচিন্তায় অসামান্য অবদান রেখেছেন। ‘লোকায়ত’ নামে সাময়িকপত্রের সম্পাদনা করেছেন। তিনি ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের আত্মার শান্তি কামনা করছি আল্লাহ যেন তাঁকে উচ্চ মাকামে জায়গা করে দেন।
শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি !

শিক্ষক, কবি ও লেখক সৈয়দা রুবীনা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫/৭/২০২৬ খ্রী.

নিজেকে ভালোবাসতে শিখুন, অন্যের পরচর্চা বাদ দিন …
30/04/2026

নিজেকে ভালোবাসতে শিখুন, অন্যের পরচর্চা বাদ দিন …

আজ কি আন্তর্জাতিক নারী দিবস?  …আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস।  সংগ্রাম, স্বপ্ন ও সমতার দীর্ঘ পথ। আজ ৮ মার্চ।বিশ্বজুড়ে পালিত হ...
08/03/2026

আজ কি আন্তর্জাতিক নারী দিবস? …
আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। সংগ্রাম, স্বপ্ন ও সমতার দীর্ঘ পথ। আজ ৮ মার্চ।বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছেআন্তর্জাতিক নারী দিবস —একটি দিন, যা কেবল উদযাপনের নয় বরং ইতিহাসের দীর্ঘ সংগ্রাম, অধিকার আদায়ের লড়াই এবং সমতার স্বপ্নকে স্মরণ করার দিন।
পৃথিবীর প্রতিটি সমাজের অগ্রগতির পেছনে নারীর অবদান গভীরভাবে জড়িয়ে থাকলেও সেই অবদান দীর্ঘ সময় ধরে ছিল অস্বীকৃত, উপেক্ষিত এবং অনেক ক্ষেত্রে অবমূল্যায়িত। তাই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ইতিহাস আসলে নারীর অবিচল সংগ্রাম ও সাহসিকতার ইতিহাস।

অবহেলা ও বৈষম্যের অন্ধকার থেকে যাত্রা
মানবসভ্যতার ইতিহাসে দীর্ঘ সময় ধরে নারীরা সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। শিক্ষার সুযোগ ছিল সীমিত, কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ ছিল কঠিন, আর রাজনৈতিক অধিকার প্রায় অনুপস্থিত। পরিবার ও সমাজের অনেক কাঠামো নারীদের গণ্ডিবদ্ধ করে রেখেছিল গৃহস্থালির ভেতরেই।

তবে এই নীরবতার ভেতরেই ধীরে ধীরে জন্ম নেয় প্রতিরোধের বীজ। উনিশ শতকের শেষভাগ ও বিশ শতকের শুরুতে শিল্পায়নের ফলে ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন শহরে বিপুলসংখ্যক নারী কারখানায় কাজ করতে শুরু করেন। কিন্তু সেখানে তাদের মজুরি ছিল পুরুষদের তুলনায় অনেক কম, কর্মঘণ্টা ছিল দীর্ঘ এবং কর্মপরিবেশ ছিল অনিরাপদ। এই বৈষম্যই নারীদের সংগঠিত আন্দোলনের দিকে নিয়ে যায়।

শ্রমজীবী নারীদের প্রতিবাদ
১৯০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে হাজারো নারী শ্রমিক রাস্তায় নেমে আসেন। তাদের দাবি ছিল—ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং কর্মঘণ্টা কমানো। পাশাপাশি তারা ভোটাধিকারসহ নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিও জানান। সেই আন্দোলন বিশ্বব্যাপী নারী অধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে ওঠে।

পরবর্তীতে ১৯১০ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত নারী সংগঠনের সমাবেশে এ জার্মান নারী অধিকারকর্মী ক্লারা জেটকিন আন্তর্জাতিকভাবে একটি নারী দিবস পালনের প্রস্তাব দেন। তার ধারণা ছিল—বিশ্বের সব দেশের নারীরা একটি নির্দিষ্ট দিনে তাদের অধিকার ও সমতার দাবিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কণ্ঠ তুলবেন। সম্মেলনে উপস্থিত প্রতিনিধিরা এই প্রস্তাব সমর্থন করেন এবং সেখান থেকেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ধারণার জন্ম হয়।

৮ মার্চের ইতিহাস
১৯১৭ সালে রাশিয়ায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে খাদ্য সংকট ও সামাজিক অস্থিরতা দেখা দেয়। সেই সময় নারী শ্রমিকরা ‘রুটি ও শান্তি’ দাবিতে ধর্মঘট শুরু করেন। তাদের আন্দোলন দ্রুত বিস্তৃত হয়ে রাজনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা করে, যা ইতিহাসে পরিচিত রাশিয়ান রেভ্যুলিউশন নামে।

এই আন্দোলনের দিনটি ছিল ৮ মার্চ (গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী)। সেই স্মৃতিকে কেন্দ্র করেই পরবর্তীতে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।

বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আন্তর্জাতিক নারী দিবস বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিবস পালন শুরু করে এবং নারী উন্নয়ন ও সমতার প্রশ্নকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে।

এরপর থেকে প্রতি বছর ভিন্ন ভিন্ন প্রতিপাদ্য নিয়ে দিবসটি পালিত হয়। লক্ষ্য একটাই—নারীর ক্ষমতায়ন, বৈষম্য দূরীকরণ এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নারী
বাংলাদেশের ইতিহাসেও নারীর সংগ্রাম উজ্জ্বলভাবে উপস্থিত। ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে সামাজিক উন্নয়ন—প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি, তৈরি পোশাক শিল্প, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে নারীদের অংশগ্রহণ দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

তবে অর্জনের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জও রয়ে গেছে। কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য, পারিবারিক সহিংসতা, বাল্যবিবাহ, সামাজিক কুসংস্কার—এসব এখনও অনেক নারীর পথকে কঠিন করে তোলে। তাই নারী দিবস শুধু অর্জন উদযাপনের নয়, বরং অসমতার বিরুদ্ধে নতুন করে প্রতিজ্ঞা করার দিন।

নারীর শক্তি, সমাজের শক্তি
আজকের পৃথিবীতে নারী শুধু পরিবার নয়, রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতিটি স্তরে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বিজ্ঞানী, শিক্ষক, চিকিৎসক, উদ্যোক্তা, রাজনীতিবিদ—সব ক্ষেত্রেই নারীরা নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছেন।

তবুও বাস্তবতা হলো, বিশ্বের অনেক জায়গায় নারীরা এখনও সমান সুযোগ পান না। এই বাস্তবতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই এখনও শেষ হয়নি।

এ বছর বিশ্বব্যাপী ‘গিভ টু গেইন’ (দিয়ে অর্জন) প্রচারাভিযান চালানো হচ্ছে, যা নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দেয়।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস তাই আমাদের কাছে শুধু একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়। এটি একটি প্রতীক—সমতা, সম্মান এবং মানবিক মর্যাদার প্রতীক।

প্রতিটি মেয়ে শিশুর নিরাপদ শৈশব, প্রতিটি নারীর স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মধ্যেই একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজের ভিত্তি তৈরি হয়।

আজকের দিনে তাই স্মরণ করা দরকার—নারীর সংগ্রামের ইতিহাস কেবল অতীতের গল্প নয়; এটি বর্তমানের প্রেরণা এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

যারা শহীদ মিনারে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে ভুয়া ভুয়া শ্লোগান দিয়ে অপমান করেছে তারা জানেই না রুমিন ফারহানা ভাষা সৈনিক, ...
22/02/2026

যারা শহীদ মিনারে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে ভুয়া ভুয়া শ্লোগান দিয়ে অপমান করেছে তারা জানেই না রুমিন ফারহানা ভাষা সৈনিক, স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত, বাংলাদেশের অন্যতম রাজনীতিবিদ অলি আহাদের মেয়ে।

দল করি না তবে, ব্যাপারটি ভালো লাগেনি আমার।
সম্মানিতদের সম্মান না করায় আজ দেশের এই হাল!

সরি,আপনাদের শেষমেশ আবারও বলতেই হলো। কারণ নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে। এটি শুভ সকালের কোনো পোস্ট ছিলো না। সকাল, বিকেল বা সন্...
31/01/2026

সরি,আপনাদের শেষমেশ আবারও বলতেই হলো। কারণ নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে।
এটি শুভ সকালের কোনো পোস্ট ছিলো না। সকাল, বিকেল বা সন্ধ্যায় পোস্ট হলেই, শুভ সকাল- বিকেল- সন্ধ্যা লিখে দায়সারা লিখলেই গঠণমূলক হয় না কিংবা
মাশা-আল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ।

জেনে রাখুন, কোন ফিচার পুরোটুকু না পড়ে যদি হুট করে কমেন্ট করেন তা ফেসবুকের এ্যলগরিদম টের পায় এমনকি যদি কোনো ভিডিও পুরোটা না দেখেই আপনি দ্রুত কমেন্ট করে বের হয়ে আসেন তাহলেও ফেসবুকের এ্যালগরিদম টের পায় আর এতে করে আপনার এঙ্গেজমেন্ট কমে যায়, রিচ হয় না আর ভাইরাল তো দূরেই থাক।
শুভ সকালের পোস্ট এটা নয় যে শুভ সকাল লিখে পার হয়ে যাবেন এতে করে আপনি পোস্টের ক্ষতি করলেন, দরকার নেই এমন কমেন্ট কারণ ফেসবুক এটা চাই না।
যেই পোস্ট সেই মোতাবেক আপনাকে কমেন্ট করতে হবে এটা " রুলস্ " -- তা অনেকেই জানে না ।

কবি ও লেখক সৈয়দ রুবীনা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ

30/01/2026

অফিস থেকে সোজা বাসায় আসবে আজ
আমি রেডিই থাকবো, শেষ করে সব কাজ।


17/01/2026

b & d - মনে রাখার উপায়

নারীকে দূর্বল ভাবলে ভুল করবে
13/01/2026

নারীকে দূর্বল ভাবলে ভুল করবে

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Writer Soyada Rubina posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Writer Soyada Rubina:

Shortcuts

Share