03/09/2026
জন্মাষ্টমীর দিনে কী কী করবেন আর কী কী করা উচিত নয় তা জেনে নিন:
১. সকালে স্নান করে শুদ্ধ পোশাক পরুন
ঘর ও পূজার স্থান পরিষ্কার করে শ্রীকৃষ্ণের ছবি বা লাড্ডু গোপালের বিগ্রহ সাজিয়ে রাখুন।
২. সংকল্প করে উপবাস করুন
সামর্থ্য অনুযায়ী নির্জলা, জলাহার বা ফলাহার উপবাস করা যায়। শরীর অসুস্থ হলে জোর করে উপবাস না করে নিজের স্বাস্থ্য অনুযায়ী পালন করুন।
৩. সারাদিন কৃষ্ণনাম করুন
“হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে।”
৪. গীতা বা শ্রীকৃষ্ণের লীলা পাঠ করুন
বিশেষ করে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার পাঠ, কৃষ্ণের জন্মকথা শ্রবণ ও ভজন-কীর্তন করা অত্যন্ত সুন্দর সাধনা।
৫. লাড্ডু গোপালকে সাজান
পরিষ্কার পোশাক, মুকুট, ময়ূরের পালক, ফুল ও দোলনা দিয়ে গোপালকে সাজাতে পারেন।
৬. মধ্যরাতে জন্মোৎসব করুন
নিশীথকালে শ্রীকৃষ্ণের জন্মোৎসব উপলক্ষে শঙ্খধ্বনি, ঘণ্টাধ্বনি, কীর্তন ও আরতি করতে পারেন।
৭. পঞ্চামৃত দিয়ে অভিষেক করুন
দুধ, দই, ঘি, মধু ও চিনি দিয়ে পঞ্চামৃত তৈরি করে শ্রীকৃষ্ণের অভিষেক করা প্রচলিত রীতি। এরপর পরিষ্কার জল দিয়ে স্নান করিয়ে নতুন বস্ত্র পরিয়ে দিন।
৮. তুলসীসহ ভোগ নিবেদন করুন
মাখন-মিশ্রি, ফল, দুধ, ক্ষীর, পায়েস, মিষ্টি ইত্যাদি ভোগ দিতে পারেন। কৃষ্ণের ভোগে তুলসী পাতা দেওয়া বৈষ্ণব রীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
জন্মাষ্টমীতে কোন কাজগুলো করবেন না?
মাছ-মাংস ও আমিষ খাবার গ্রহণ করবেন না।
মদ বা নেশাজাতীয় দ্রব্য থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন।
অকারণে রাগ, ঝগড়া, গালাগালি বা কাউকে অপমান করবেন না।
মিথ্যা কথা, হিংসা, পরনিন্দা ও অন্যের ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকুন।
ভোগের খাবার আগে নিজে খাবেন না, আগে ভগবানকে নিবেদন করুন।
উপবাসের নামে শরীরকে অসুস্থ করে ফেলবেন না।
নিজের ইচ্ছায় অন্যের তুলসী গাছ থেকে পাতা ছিঁড়বেন না। জন্মাষ্টমীর পূজার জন্য আগে থেকেই তুলসী সংগ্রহ করে রাখা ভালো।
হরে কৃষ্ণ 🙏🙏