Natok Clip 03

Natok Clip 03 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Natok Clip 03, Digital creator, Dhaka.

03/09/2026

মুসলিম মেয়ে মন্দিরে বিবাহ করতে চায়

03/09/2026

মুসলিম মেয়ে মন্দিরে বিবাহ করতে চায়.

02/09/2026

02/09/2026

পৃথিবী সেরা ভিডিও আমার কাছে তো খুবই ভালো লেগেছে ডায়লগটা সেরা

02/09/2026

বিখ্যাত তুর্কি ইউটিউবার ও ট্রাভেল ডকুমেন্টারি নির্মাতা রুহি চেনেটের একটা 39.58 সেকেন্ডের ডকুমেন্টারি দেখলাম হাসিদিক ইহুদিদের নিয়ে। দেখে সত্যি অবাক হলাম।

তাদের জীবনব্যবস্থা কতটা কঠোর, কতটা আলাদা

১. ইবাদত আর পড়াশোনাই জীবন:
তারা দিনে তিনবার প্রার্থনা করে। দিনের সিংহভাগ সময় কাটে ধর্মীয় পড়াশোনা আর গবেষণায়। অনেকেই দিনে ১০ ঘণ্টারও বেশি পড়ে। যে প্রতিষ্ঠানটি দেখানো হয়েছে সেখানে প্রায় ৫০০ ছেলে আছে, যাদের বড় অংশই ইসরায়েল থেকে এসেছে। তাদের বিশ্বাস, পৃথিবী শেষ সময়ের দিকে যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই মাসীহ আসবেন এবং পবিত্র ভূমিতে তৃতীয় মন্দির নির্মিত হবে।

২. প্রযুক্তি থেকে শত হাত দূরে:
মোবাইল, ইন্টারনেট, আধুনিক প্রযুক্তি থেকে তারা ইচ্ছা করেই দূরে থাকে। তাদের ধারণা, এসব জিনিস রুহানিয়াত নষ্ট করে দেয়, ঈশ্বরের প্রতি মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায়।

৩. রিজিক নিয়ে নির্ভাবনা:
ক্যারিয়ার, চাকরি, আয়-রোজগার নিয়ে তাদের তেমন মাথাব্যথা নেই। তাদের ঈমান রিজিকের মালিক স্বয়ং ঈশ্বর, তিনিই ব্যবস্থা করে দেবেন।

৪. দান দিয়ে ইবাদত শুরু:
তারা ইবাদতের শুরুতেই দান করে। জেরুজালেমের দিকে মুখ করে প্রার্থনা করে। তাদের ইবাদতখানায় বিভিন্ন দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা আলাদা দান বাক্স রাখা আছে।

৫. নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এক জগৎ:
ইহুদি ছাড়া বাইরের কারো সাথে তারা খুব একটা মিশতে চায় না। ক্যামেরা, ইন্টারনেট তাদের অপছন্দ। টিভি, সিনেমা, খেলা, সেলিব্রিটি এসব সম্পর্কে অনেকের কোনো ধারণাই নেই।

৬. পরিবার মানেই বরকত:
তাদের পরিবারে সন্তান সংখ্যা অনেক বেশি। ১০ জনের বেশি সন্তান খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। পরিবার পরিকল্পনার মতো বিষয়েও তারা ধর্মগুরুর পরামর্শ ছাড়া এক পা-ও নড়ে না। তাদের দাবি অনুযায়ী, প্রতি ২০ বছরে তাদের জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

৭. নিজস্ব এক রাষ্ট্রের মতো সমাজ:
তাদের নিজস্ব ধর্মীয় বিচার ব্যবস্থা আছে, আছে পারস্পরিক সহযোগিতার শক্ত নেটওয়ার্ক, নিজস্ব নিরাপত্তা টহল, এমনকি নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স সেবাও। মূলত বাইরের সমাজ থেকে আলাদা থেকে নিজেদেরকে নিজেরাই পরিচালনা করতে চায় তারা।

৮. নারীদের জীবন:
নারীরাও এই জীবনব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা অত্যন্ত শালীন পোশাক পরেন, ইবাদত করেন, তবে ইবাদতগাহে পুরুষদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা স্থানে অবস্থান করেন।

৯ . তাদের যখন পৃথিবীর বিখ্যাত মিলিয়নিয়ার বিলিয়নিয়ার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় তখন তারা উত্তর দিয়েছে এইসব আমরা চিনি না জানি না যেমন, ইলন ম্যাক্স রোনালদো সম্পর্কে 'এই হচ্ছে তাদের আর আমাদের মধ্যে পার্থক্য আরো অনেক কিছুই না বলা কথা রয়ে গেছে চাইলে আপনি ইউটিউব থেকে পুরো ভিডিও টি দেখে আসতে পারেন।

"শেষ কথা
ইহুদিরা যখন নিজেদের ধর্মের জন্য এমন কঠোর জীবন বেছে নেয়, তখন পশ্চিমা মিডিয়া সেটাকে বলে 'ধর্মীয় স্বাধীনতা' ও 'ঐতিহ্য রক্ষা'।
কিন্তু একজন মুসলিম যখন একইভাবে দ্বীন মেনে চলতে চায়, দুনিয়ার চাকচিক্য থেকে দূরে থাকতে চায়, তখন তাকেই বলা হয় - পশ্চাৎপদ, মধ্যযুগীয় ও উগ্রবাদী!

এই দ্বিচারিতা নিয়ে আপনার মতামত কী? Part 19

02/09/2026

বিখ্যাত তুর্কি ইউটিউবার ও ট্রাভেল ডকুমেন্টারি নির্মাতা রুহি চেনেটের একটা 39.58 সেকেন্ডের ডকুমেন্টারি দেখলাম হাসিদিক ইহুদিদের নিয়ে। দেখে সত্যি অবাক হলাম।

তাদের জীবনব্যবস্থা কতটা কঠোর, কতটা আলাদা

১. ইবাদত আর পড়াশোনাই জীবন:
তারা দিনে তিনবার প্রার্থনা করে। দিনের সিংহভাগ সময় কাটে ধর্মীয় পড়াশোনা আর গবেষণায়। অনেকেই দিনে ১০ ঘণ্টারও বেশি পড়ে। যে প্রতিষ্ঠানটি দেখানো হয়েছে সেখানে প্রায় ৫০০ ছেলে আছে, যাদের বড় অংশই ইসরায়েল থেকে এসেছে। তাদের বিশ্বাস, পৃথিবী শেষ সময়ের দিকে যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই মাসীহ আসবেন এবং পবিত্র ভূমিতে তৃতীয় মন্দির নির্মিত হবে।

২. প্রযুক্তি থেকে শত হাত দূরে:
মোবাইল, ইন্টারনেট, আধুনিক প্রযুক্তি থেকে তারা ইচ্ছা করেই দূরে থাকে। তাদের ধারণা, এসব জিনিস রুহানিয়াত নষ্ট করে দেয়, ঈশ্বরের প্রতি মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায়।

৩. রিজিক নিয়ে নির্ভাবনা:
ক্যারিয়ার, চাকরি, আয়-রোজগার নিয়ে তাদের তেমন মাথাব্যথা নেই। তাদের ঈমান রিজিকের মালিক স্বয়ং ঈশ্বর, তিনিই ব্যবস্থা করে দেবেন।

৪. দান দিয়ে ইবাদত শুরু:
তারা ইবাদতের শুরুতেই দান করে। জেরুজালেমের দিকে মুখ করে প্রার্থনা করে। তাদের ইবাদতখানায় বিভিন্ন দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা আলাদা দান বাক্স রাখা আছে।

৫. নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এক জগৎ:
ইহুদি ছাড়া বাইরের কারো সাথে তারা খুব একটা মিশতে চায় না। ক্যামেরা, ইন্টারনেট তাদের অপছন্দ। টিভি, সিনেমা, খেলা, সেলিব্রিটি এসব সম্পর্কে অনেকের কোনো ধারণাই নেই।

৬. পরিবার মানেই বরকত:
তাদের পরিবারে সন্তান সংখ্যা অনেক বেশি। ১০ জনের বেশি সন্তান খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। পরিবার পরিকল্পনার মতো বিষয়েও তারা ধর্মগুরুর পরামর্শ ছাড়া এক পা-ও নড়ে না। তাদের দাবি অনুযায়ী, প্রতি ২০ বছরে তাদের জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

৭. নিজস্ব এক রাষ্ট্রের মতো সমাজ:
তাদের নিজস্ব ধর্মীয় বিচার ব্যবস্থা আছে, আছে পারস্পরিক সহযোগিতার শক্ত নেটওয়ার্ক, নিজস্ব নিরাপত্তা টহল, এমনকি নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স সেবাও। মূলত বাইরের সমাজ থেকে আলাদা থেকে নিজেদেরকে নিজেরাই পরিচালনা করতে চায় তারা।

৮. নারীদের জীবন:
নারীরাও এই জীবনব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা অত্যন্ত শালীন পোশাক পরেন, ইবাদত করেন, তবে ইবাদতগাহে পুরুষদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা স্থানে অবস্থান করেন।

৯ . তাদের যখন পৃথিবীর বিখ্যাত মিলিয়নিয়ার বিলিয়নিয়ার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় তখন তারা উত্তর দিয়েছে এইসব আমরা চিনি না জানি না যেমন, ইলন ম্যাক্স রোনালদো সম্পর্কে 'এই হচ্ছে তাদের আর আমাদের মধ্যে পার্থক্য আরো অনেক কিছুই না বলা কথা রয়ে গেছে চাইলে আপনি ইউটিউব থেকে পুরো ভিডিও টি দেখে আসতে পারেন।

"শেষ কথা
ইহুদিরা যখন নিজেদের ধর্মের জন্য এমন কঠোর জীবন বেছে নেয়, তখন পশ্চিমা মিডিয়া সেটাকে বলে 'ধর্মীয় স্বাধীনতা' ও 'ঐতিহ্য রক্ষা'।
কিন্তু একজন মুসলিম যখন একইভাবে দ্বীন মেনে চলতে চায়, দুনিয়ার চাকচিক্য থেকে দূরে থাকতে চায়, তখন তাকেই বলা হয় - পশ্চাৎপদ, মধ্যযুগীয় ও উগ্রবাদী!

এই দ্বিচারিতা নিয়ে আপনার মতামত কী? Part 18

02/09/2026

বিখ্যাত তুর্কি ইউটিউবার ও ট্রাভেল ডকুমেন্টারি নির্মাতা রুহি চেনেটের একটা 39.58 সেকেন্ডের ডকুমেন্টারি দেখলাম হাসিদিক ইহুদিদের নিয়ে। দেখে সত্যি অবাক হলাম।

তাদের জীবনব্যবস্থা কতটা কঠোর, কতটা আলাদা

১. ইবাদত আর পড়াশোনাই জীবন:
তারা দিনে তিনবার প্রার্থনা করে। দিনের সিংহভাগ সময় কাটে ধর্মীয় পড়াশোনা আর গবেষণায়। অনেকেই দিনে ১০ ঘণ্টারও বেশি পড়ে। যে প্রতিষ্ঠানটি দেখানো হয়েছে সেখানে প্রায় ৫০০ ছেলে আছে, যাদের বড় অংশই ইসরায়েল থেকে এসেছে। তাদের বিশ্বাস, পৃথিবী শেষ সময়ের দিকে যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই মাসীহ আসবেন এবং পবিত্র ভূমিতে তৃতীয় মন্দির নির্মিত হবে।

২. প্রযুক্তি থেকে শত হাত দূরে:
মোবাইল, ইন্টারনেট, আধুনিক প্রযুক্তি থেকে তারা ইচ্ছা করেই দূরে থাকে। তাদের ধারণা, এসব জিনিস রুহানিয়াত নষ্ট করে দেয়, ঈশ্বরের প্রতি মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায়।

৩. রিজিক নিয়ে নির্ভাবনা:
ক্যারিয়ার, চাকরি, আয়-রোজগার নিয়ে তাদের তেমন মাথাব্যথা নেই। তাদের ঈমান রিজিকের মালিক স্বয়ং ঈশ্বর, তিনিই ব্যবস্থা করে দেবেন।

৪. দান দিয়ে ইবাদত শুরু:
তারা ইবাদতের শুরুতেই দান করে। জেরুজালেমের দিকে মুখ করে প্রার্থনা করে। তাদের ইবাদতখানায় বিভিন্ন দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা আলাদা দান বাক্স রাখা আছে।

৫. নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এক জগৎ:
ইহুদি ছাড়া বাইরের কারো সাথে তারা খুব একটা মিশতে চায় না। ক্যামেরা, ইন্টারনেট তাদের অপছন্দ। টিভি, সিনেমা, খেলা, সেলিব্রিটি এসব সম্পর্কে অনেকের কোনো ধারণাই নেই।

৬. পরিবার মানেই বরকত:
তাদের পরিবারে সন্তান সংখ্যা অনেক বেশি। ১০ জনের বেশি সন্তান খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। পরিবার পরিকল্পনার মতো বিষয়েও তারা ধর্মগুরুর পরামর্শ ছাড়া এক পা-ও নড়ে না। তাদের দাবি অনুযায়ী, প্রতি ২০ বছরে তাদের জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

৭. নিজস্ব এক রাষ্ট্রের মতো সমাজ:
তাদের নিজস্ব ধর্মীয় বিচার ব্যবস্থা আছে, আছে পারস্পরিক সহযোগিতার শক্ত নেটওয়ার্ক, নিজস্ব নিরাপত্তা টহল, এমনকি নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স সেবাও। মূলত বাইরের সমাজ থেকে আলাদা থেকে নিজেদেরকে নিজেরাই পরিচালনা করতে চায় তারা।

৮. নারীদের জীবন:
নারীরাও এই জীবনব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা অত্যন্ত শালীন পোশাক পরেন, ইবাদত করেন, তবে ইবাদতগাহে পুরুষদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা স্থানে অবস্থান করেন।

৯ . তাদের যখন পৃথিবীর বিখ্যাত মিলিয়নিয়ার বিলিয়নিয়ার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় তখন তারা উত্তর দিয়েছে এইসব আমরা চিনি না জানি না যেমন, ইলন ম্যাক্স রোনালদো সম্পর্কে 'এই হচ্ছে তাদের আর আমাদের মধ্যে পার্থক্য আরো অনেক কিছুই না বলা কথা রয়ে গেছে চাইলে আপনি ইউটিউব থেকে পুরো ভিডিও টি দেখে আসতে পারেন।

"শেষ কথা
ইহুদিরা যখন নিজেদের ধর্মের জন্য এমন কঠোর জীবন বেছে নেয়, তখন পশ্চিমা মিডিয়া সেটাকে বলে 'ধর্মীয় স্বাধীনতা' ও 'ঐতিহ্য রক্ষা'।
কিন্তু একজন মুসলিম যখন একইভাবে দ্বীন মেনে চলতে চায়, দুনিয়ার চাকচিক্য থেকে দূরে থাকতে চায়, তখন তাকেই বলা হয় - পশ্চাৎপদ, মধ্যযুগীয় ও উগ্রবাদী!

এই দ্বিচারিতা নিয়ে আপনার মতামত কী? Part 17

02/09/2026

বিখ্যাত তুর্কি ইউটিউবার ও ট্রাভেল ডকুমেন্টারি নির্মাতা রুহি চেনেটের একটা 39.58 সেকেন্ডের ডকুমেন্টারি দেখলাম হাসিদিক ইহুদিদের নিয়ে। দেখে সত্যি অবাক হলাম।

তাদের জীবনব্যবস্থা কতটা কঠোর, কতটা আলাদা

১. ইবাদত আর পড়াশোনাই জীবন:
তারা দিনে তিনবার প্রার্থনা করে। দিনের সিংহভাগ সময় কাটে ধর্মীয় পড়াশোনা আর গবেষণায়। অনেকেই দিনে ১০ ঘণ্টারও বেশি পড়ে। যে প্রতিষ্ঠানটি দেখানো হয়েছে সেখানে প্রায় ৫০০ ছেলে আছে, যাদের বড় অংশই ইসরায়েল থেকে এসেছে। তাদের বিশ্বাস, পৃথিবী শেষ সময়ের দিকে যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই মাসীহ আসবেন এবং পবিত্র ভূমিতে তৃতীয় মন্দির নির্মিত হবে।

২. প্রযুক্তি থেকে শত হাত দূরে:
মোবাইল, ইন্টারনেট, আধুনিক প্রযুক্তি থেকে তারা ইচ্ছা করেই দূরে থাকে। তাদের ধারণা, এসব জিনিস রুহানিয়াত নষ্ট করে দেয়, ঈশ্বরের প্রতি মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায়।

৩. রিজিক নিয়ে নির্ভাবনা:
ক্যারিয়ার, চাকরি, আয়-রোজগার নিয়ে তাদের তেমন মাথাব্যথা নেই। তাদের ঈমান রিজিকের মালিক স্বয়ং ঈশ্বর, তিনিই ব্যবস্থা করে দেবেন।

৪. দান দিয়ে ইবাদত শুরু:
তারা ইবাদতের শুরুতেই দান করে। জেরুজালেমের দিকে মুখ করে প্রার্থনা করে। তাদের ইবাদতখানায় বিভিন্ন দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা আলাদা দান বাক্স রাখা আছে।

৫. নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এক জগৎ:
ইহুদি ছাড়া বাইরের কারো সাথে তারা খুব একটা মিশতে চায় না। ক্যামেরা, ইন্টারনেট তাদের অপছন্দ। টিভি, সিনেমা, খেলা, সেলিব্রিটি এসব সম্পর্কে অনেকের কোনো ধারণাই নেই।

৬. পরিবার মানেই বরকত:
তাদের পরিবারে সন্তান সংখ্যা অনেক বেশি। ১০ জনের বেশি সন্তান খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। পরিবার পরিকল্পনার মতো বিষয়েও তারা ধর্মগুরুর পরামর্শ ছাড়া এক পা-ও নড়ে না। তাদের দাবি অনুযায়ী, প্রতি ২০ বছরে তাদের জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

৭. নিজস্ব এক রাষ্ট্রের মতো সমাজ:
তাদের নিজস্ব ধর্মীয় বিচার ব্যবস্থা আছে, আছে পারস্পরিক সহযোগিতার শক্ত নেটওয়ার্ক, নিজস্ব নিরাপত্তা টহল, এমনকি নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স সেবাও। মূলত বাইরের সমাজ থেকে আলাদা থেকে নিজেদেরকে নিজেরাই পরিচালনা করতে চায় তারা।

৮. নারীদের জীবন:
নারীরাও এই জীবনব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা অত্যন্ত শালীন পোশাক পরেন, ইবাদত করেন, তবে ইবাদতগাহে পুরুষদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা স্থানে অবস্থান করেন।

৯ . তাদের যখন পৃথিবীর বিখ্যাত মিলিয়নিয়ার বিলিয়নিয়ার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় তখন তারা উত্তর দিয়েছে এইসব আমরা চিনি না জানি না যেমন, ইলন ম্যাক্স রোনালদো সম্পর্কে 'এই হচ্ছে তাদের আর আমাদের মধ্যে পার্থক্য আরো অনেক কিছুই না বলা কথা রয়ে গেছে চাইলে আপনি ইউটিউব থেকে পুরো ভিডিও টি দেখে আসতে পারেন।

"শেষ কথা
ইহুদিরা যখন নিজেদের ধর্মের জন্য এমন কঠোর জীবন বেছে নেয়, তখন পশ্চিমা মিডিয়া সেটাকে বলে 'ধর্মীয় স্বাধীনতা' ও 'ঐতিহ্য রক্ষা'।
কিন্তু একজন মুসলিম যখন একইভাবে দ্বীন মেনে চলতে চায়, দুনিয়ার চাকচিক্য থেকে দূরে থাকতে চায়, তখন তাকেই বলা হয় - পশ্চাৎপদ, মধ্যযুগীয় ও উগ্রবাদী!

এই দ্বিচারিতা নিয়ে আপনার মতামত কী? Part 15

02/09/2026

বিখ্যাত তুর্কি ইউটিউবার ও ট্রাভেল ডকুমেন্টারি নির্মাতা রুহি চেনেটের একটা 39.58 সেকেন্ডের ডকুমেন্টারি দেখলাম হাসিদিক ইহুদিদের নিয়ে। দেখে সত্যি অবাক হলাম।

তাদের জীবনব্যবস্থা কতটা কঠোর, কতটা আলাদা

১. ইবাদত আর পড়াশোনাই জীবন:
তারা দিনে তিনবার প্রার্থনা করে। দিনের সিংহভাগ সময় কাটে ধর্মীয় পড়াশোনা আর গবেষণায়। অনেকেই দিনে ১০ ঘণ্টারও বেশি পড়ে। যে প্রতিষ্ঠানটি দেখানো হয়েছে সেখানে প্রায় ৫০০ ছেলে আছে, যাদের বড় অংশই ইসরায়েল থেকে এসেছে। তাদের বিশ্বাস, পৃথিবী শেষ সময়ের দিকে যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই মাসীহ আসবেন এবং পবিত্র ভূমিতে তৃতীয় মন্দির নির্মিত হবে।

২. প্রযুক্তি থেকে শত হাত দূরে:
মোবাইল, ইন্টারনেট, আধুনিক প্রযুক্তি থেকে তারা ইচ্ছা করেই দূরে থাকে। তাদের ধারণা, এসব জিনিস রুহানিয়াত নষ্ট করে দেয়, ঈশ্বরের প্রতি মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায়।

৩. রিজিক নিয়ে নির্ভাবনা:
ক্যারিয়ার, চাকরি, আয়-রোজগার নিয়ে তাদের তেমন মাথাব্যথা নেই। তাদের ঈমান রিজিকের মালিক স্বয়ং ঈশ্বর, তিনিই ব্যবস্থা করে দেবেন।

৪. দান দিয়ে ইবাদত শুরু:
তারা ইবাদতের শুরুতেই দান করে। জেরুজালেমের দিকে মুখ করে প্রার্থনা করে। তাদের ইবাদতখানায় বিভিন্ন দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা আলাদা দান বাক্স রাখা আছে।

৫. নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এক জগৎ:
ইহুদি ছাড়া বাইরের কারো সাথে তারা খুব একটা মিশতে চায় না। ক্যামেরা, ইন্টারনেট তাদের অপছন্দ। টিভি, সিনেমা, খেলা, সেলিব্রিটি এসব সম্পর্কে অনেকের কোনো ধারণাই নেই।

৬. পরিবার মানেই বরকত:
তাদের পরিবারে সন্তান সংখ্যা অনেক বেশি। ১০ জনের বেশি সন্তান খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। পরিবার পরিকল্পনার মতো বিষয়েও তারা ধর্মগুরুর পরামর্শ ছাড়া এক পা-ও নড়ে না। তাদের দাবি অনুযায়ী, প্রতি ২০ বছরে তাদের জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

৭. নিজস্ব এক রাষ্ট্রের মতো সমাজ:
তাদের নিজস্ব ধর্মীয় বিচার ব্যবস্থা আছে, আছে পারস্পরিক সহযোগিতার শক্ত নেটওয়ার্ক, নিজস্ব নিরাপত্তা টহল, এমনকি নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স সেবাও। মূলত বাইরের সমাজ থেকে আলাদা থেকে নিজেদেরকে নিজেরাই পরিচালনা করতে চায় তারা।

৮. নারীদের জীবন:
নারীরাও এই জীবনব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা অত্যন্ত শালীন পোশাক পরেন, ইবাদত করেন, তবে ইবাদতগাহে পুরুষদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা স্থানে অবস্থান করেন।

৯ . তাদের যখন পৃথিবীর বিখ্যাত মিলিয়নিয়ার বিলিয়নিয়ার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় তখন তারা উত্তর দিয়েছে এইসব আমরা চিনি না জানি না যেমন, ইলন ম্যাক্স রোনালদো সম্পর্কে 'এই হচ্ছে তাদের আর আমাদের মধ্যে পার্থক্য আরো অনেক কিছুই না বলা কথা রয়ে গেছে চাইলে আপনি ইউটিউব থেকে পুরো ভিডিও টি দেখে আসতে পারেন।

"শেষ কথা
ইহুদিরা যখন নিজেদের ধর্মের জন্য এমন কঠোর জীবন বেছে নেয়, তখন পশ্চিমা মিডিয়া সেটাকে বলে 'ধর্মীয় স্বাধীনতা' ও 'ঐতিহ্য রক্ষা'।
কিন্তু একজন মুসলিম যখন একইভাবে দ্বীন মেনে চলতে চায়, দুনিয়ার চাকচিক্য থেকে দূরে থাকতে চায়, তখন তাকেই বলা হয় - পশ্চাৎপদ, মধ্যযুগীয় ও উগ্রবাদী!

এই দ্বিচারিতা নিয়ে আপনার মতামত কী? Part 14

02/09/2026

বিখ্যাত তুর্কি ইউটিউবার ও ট্রাভেল ডকুমেন্টারি নির্মাতা রুহি চেনেটের একটা 39.58 সেকেন্ডের ডকুমেন্টারি দেখলাম হাসিদিক ইহুদিদের নিয়ে। দেখে সত্যি অবাক হলাম।

তাদের জীবনব্যবস্থা কতটা কঠোর, কতটা আলাদা

১. ইবাদত আর পড়াশোনাই জীবন:
তারা দিনে তিনবার প্রার্থনা করে। দিনের সিংহভাগ সময় কাটে ধর্মীয় পড়াশোনা আর গবেষণায়। অনেকেই দিনে ১০ ঘণ্টারও বেশি পড়ে। যে প্রতিষ্ঠানটি দেখানো হয়েছে সেখানে প্রায় ৫০০ ছেলে আছে, যাদের বড় অংশই ইসরায়েল থেকে এসেছে। তাদের বিশ্বাস, পৃথিবী শেষ সময়ের দিকে যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই মাসীহ আসবেন এবং পবিত্র ভূমিতে তৃতীয় মন্দির নির্মিত হবে।

২. প্রযুক্তি থেকে শত হাত দূরে:
মোবাইল, ইন্টারনেট, আধুনিক প্রযুক্তি থেকে তারা ইচ্ছা করেই দূরে থাকে। তাদের ধারণা, এসব জিনিস রুহানিয়াত নষ্ট করে দেয়, ঈশ্বরের প্রতি মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায়।

৩. রিজিক নিয়ে নির্ভাবনা:
ক্যারিয়ার, চাকরি, আয়-রোজগার নিয়ে তাদের তেমন মাথাব্যথা নেই। তাদের ঈমান রিজিকের মালিক স্বয়ং ঈশ্বর, তিনিই ব্যবস্থা করে দেবেন।

৪. দান দিয়ে ইবাদত শুরু:
তারা ইবাদতের শুরুতেই দান করে। জেরুজালেমের দিকে মুখ করে প্রার্থনা করে। তাদের ইবাদতখানায় বিভিন্ন দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা আলাদা দান বাক্স রাখা আছে।

৫. নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এক জগৎ:
ইহুদি ছাড়া বাইরের কারো সাথে তারা খুব একটা মিশতে চায় না। ক্যামেরা, ইন্টারনেট তাদের অপছন্দ। টিভি, সিনেমা, খেলা, সেলিব্রিটি এসব সম্পর্কে অনেকের কোনো ধারণাই নেই।

৬. পরিবার মানেই বরকত:
তাদের পরিবারে সন্তান সংখ্যা অনেক বেশি। ১০ জনের বেশি সন্তান খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। পরিবার পরিকল্পনার মতো বিষয়েও তারা ধর্মগুরুর পরামর্শ ছাড়া এক পা-ও নড়ে না। তাদের দাবি অনুযায়ী, প্রতি ২০ বছরে তাদের জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

৭. নিজস্ব এক রাষ্ট্রের মতো সমাজ:
তাদের নিজস্ব ধর্মীয় বিচার ব্যবস্থা আছে, আছে পারস্পরিক সহযোগিতার শক্ত নেটওয়ার্ক, নিজস্ব নিরাপত্তা টহল, এমনকি নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স সেবাও। মূলত বাইরের সমাজ থেকে আলাদা থেকে নিজেদেরকে নিজেরাই পরিচালনা করতে চায় তারা।

৮. নারীদের জীবন:
নারীরাও এই জীবনব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা অত্যন্ত শালীন পোশাক পরেন, ইবাদত করেন, তবে ইবাদতগাহে পুরুষদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা স্থানে অবস্থান করেন।

৯ . তাদের যখন পৃথিবীর বিখ্যাত মিলিয়নিয়ার বিলিয়নিয়ার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় তখন তারা উত্তর দিয়েছে এইসব আমরা চিনি না জানি না যেমন, ইলন ম্যাক্স রোনালদো সম্পর্কে 'এই হচ্ছে তাদের আর আমাদের মধ্যে পার্থক্য আরো অনেক কিছুই না বলা কথা রয়ে গেছে চাইলে আপনি ইউটিউব থেকে পুরো ভিডিও টি দেখে আসতে পারেন।

"শেষ কথা
ইহুদিরা যখন নিজেদের ধর্মের জন্য এমন কঠোর জীবন বেছে নেয়, তখন পশ্চিমা মিডিয়া সেটাকে বলে 'ধর্মীয় স্বাধীনতা' ও 'ঐতিহ্য রক্ষা'।
কিন্তু একজন মুসলিম যখন একইভাবে দ্বীন মেনে চলতে চায়, দুনিয়ার চাকচিক্য থেকে দূরে থাকতে চায়, তখন তাকেই বলা হয় - পশ্চাৎপদ, মধ্যযুগীয় ও উগ্রবাদী!

এই দ্বিচারিতা নিয়ে আপনার মতামত কী? Part 13

Address

Dhaka
5860

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Natok Clip 03 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share