Setu ahmed //-

Setu ahmed //- Islamic story, love story, funny story, ��� follow my page

টাইটানিক জাহাজের রহস্য ওটাইটানিক জাহাজের গল্প আমরাসবাই কখনো না কখোন শুনেচি।কিন্তু এখন টাইটানিক ডুবার সময়ঘটেছিল এই সম্পর্...
13/04/2022

টাইটানিক জাহাজের রহস্য ও
টাইটানিক জাহাজের গল্প আমরা
সবাই কখনো না কখোন শুনেচি।
কিন্তু এখন টাইটানিক ডুবার সময়
ঘটেছিল এই সম্পর্কে কিছু অজনা
তথ্য আপনাদের কে জানাবো।
মহা জাহাজ টাইটানিক ডুবার
সময় এর আশেপাশে জাহাজ ছিল
মোট তিনটি। একটি জাহাজ
টাইটানিক থেকে মাত্র সাত
মাইল দূরে ছিল। ঐ জাহাজটির
নাম ছিল সিম্পসন। টাইটানিক
থেকে ছুড়া সাদা স্ফুলিঙ্গ
অর্থাৎ বিপদ সংকেত তার
বারবার দেখেছিল। কিন্তু তারা
এগিয়ে আসতে রাজি হয়নি।
কারন তারা কিছু অবৈধ পন্য
নিয়ে যাচ্চিল। টাইটানিকের
বিপদে সাড়া দিয়ে তারা
তাদের অবৈধ পন্য নিয়ে ধরা
খাওয়ার ভয়ে তারা আসার বদলে
উল্টো দিকে সরে যায়।
আরেকটি জাহাজ ছিল ১৪ মাইল
দূরে। তার নাম ছিল জাহাজ
ক্যালিপোর্নিয়া। তারো
সিম্পসন জাহাজের মত
টাইটানিক থেকে ছুড়া সাদা
স্পুলিঙ্গ দেখেছিল। কিন্তু
জাহজটি ছিলে বরপ দিয়ে ঘেরা।
জাহাজের ক্যপ্টেন জাহাজের
বাহিরের প্রতূকুল পরিবেশ দেখে
নিজে বুঝ দিলেন সেখানে কোন
সমস্যা হয়নি। এরপর তিনি
বিছানার মধ্যে চলে গেলেন।
সর্বশেষ একটি জাহাজ ছিল যা
টাইটানিক থেকে দক্ষিণ দিকে
আটান্ন মাইর দূরে ছিল। ঐ
জাহাজের ক্যপ্টেন রেডিওতে
মানুষের চিৎকার শুনে বরপের
আস্তরন ভেঙে দ্রুত জাহাজ নিয়ে
ছুটে এলেন। এবং এই জাহাজ
টাইটানিক থেকে ৭০০ জন যাত্রী
কে উদ্বার করতে সক্ষম হন।
প্রিয় বন্ধুরা আজকে এই গল্প
থেকে এটা জানতে পারলাম যে
এই পৃথিবীর কিছু মানুষ যারা
অন্যের বিপদ দেখে নিজেদের
ঝুঁকি দেখে সরে পড়েন।
আরক ধরনের মানুষ যারা অন্যের
বিপদ দেখেন এবং দেখেন। এরা
হল বিপদের দর্শক।
আরেক শ্রেণীর মানুষ যারা
অন্যের বিপদে নিজের ঝুঁকি
নিয়ে মহান আল্লাহর উপর ভরসা
করে দ্রুত ছুটে আসেন। এরাই প্রকৃত
মানুষ।

খলিফা ওমর ও তাঁর মোমবাতি :কোনো এক রাতে হযরত ওমররাদিআল্লাহু মোমবাতিজ্বালিয়ে দেশের কোনো কাজসম্পাদন করছেন। ঠিক এমন সময়েহযরত...
13/04/2022

খলিফা ওমর ও তাঁর মোমবাতি :
কোনো এক রাতে হযরত ওমর
রাদিআল্লাহু মোমবাতি
জ্বালিয়ে দেশের কোনো কাজ
সম্পাদন করছেন। ঠিক এমন সময়ে
হযরত ওমরের পরিবারের কিছু
সদস্য তাঁর কাছে আগমন করলেন।
কিন্তু মজার বিষয় হলো ঠিক
তখনই হযরত ওমর রাদিআল্লাহু
তাআ'লা তার মোমবাতি টি
নিভিয়ে দিলেন। এবং সাথে
সাথে আরেকটি মোমবাতি
জ্বালিয়ে দিলেন। এরপর
অতিথিদের খোজ খবর দিতে
লাগলেন।
মেহমানদের থেকে কৌতূহলী
একব্যক্তি ওমর রাদিআল্লাহু
তাআ'লা কে জিজ্ঞেস করলেন
হে আমিরুল মুয়মিনিন আপনি
আমাদেরকে দেখ কেন আগের
মোমবাতি টি নিভিয়ে দিলেন
এবং নতুন করে এই বাতিটি
জ্বালালেন।
খলিফা হজরত ওমর বলল আগের
মোমবাতি টি ছিল রাষ্ট্রিয়
সম্পদের। আমি এই বাতিটি দিয়ে
রাষ্ট্রিয় কাজ করতেছি।
কিন্তু তোমরা আমার আত্মীয়
তোমাদের সাথে আমার
ব্যক্তিগত অনেক কথাই হবে। আর
আমার নিজের জন্য আমি
জনগনের কোন সম্পদ ব্যায় করতে
পারি না। আর এসব সম্পদের
বিষয়ে আল্লাহর কাছে
আমাদেরকে জ্ববাবদেহি করতে
হবে। তাই তোমাদেরকে দেখে
আমি ঐ মোমবাতি টি
জ্বালালাম।
হযরত ওমরের এই জবাবে তার
মেহমানরা অভাক হলেন। কারন
তাঁরা এসেছেন আত্মীয়তার
সুযোগে কোন সুবিধা লাভ করার
জন্য। কিন্তু তাঁর এই জবাবে
তাঁরা হতভম্ব হয়ে আর কোনো
আবদার রাখতে পারেনি। কারন
সামান্য মোমবাতি নিয়ে
খলিফার মধ্যে এত সতর্কতা এত
সাবধানতা যা দেখে তারা আর
কোনো কিছু বলতে সাহস পেল
না।
অন্য একসময় একজন লোক খলিফার
কাছে এসেছে অবৈধ সুবিধা
নিতে। খলিফার হাতের কাছে
কিছু কাঠ ছিল। আর খলিফা ওমর
তখন ঐ কাঠে আগুন জ্বালালেন
এবং বললেন এখানে কিছুক্ষণ হাত
রাখো। তারপরে তোমার অনুরোধ
আমি রাখার চেষ্টা করবো।
একথা শুনে লোকটি অভাক হলো
এবং ভয় পেল। এরপর বলল যে আমি
আগুনে হাত রাখলে তো হাত
ফোড়া যাবে। এপপর ওমর
রাদিআল্লাহু তাআ'লা বললেন
তুমি সামান্য এই অগুনকে ভয়
পাচ্চ?? অথচ তুমি আমাকে ঐ
কঠিন দোজখে চিরতরে নিক্ষেপ
করতে চাচ্চ। তারপর লোকটি
নিজের ভুল বুঝতে পারলেন।

Address

Ghosbag
Dhaka
SETU61

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Setu ahmed //- posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category