20/09/2026
পাবনায় কলি হ*ত্যা*র ভ*য়াবহ সত্য সামনে আসলো! মোস্তফা যিনি প্রধান আ*সা*মি, তিনি একজন প্রবাসী ছিলেন। প্রবাস জীবন শেষ করে দেশে ফিরে শুরু করেন মুদি ব্যবসা।
পাবনা সদর উপজেলার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলি আইসক্রিম কিনতে বের হয়ে নি*খোঁ*জ হয়। দীর্ঘ সাত দিন পর একটি ডো*বা থেকে উদ্ধার করা হয় তার নি*থ*র দে*হ।
পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, মুদি দোকানের ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা দেওয়ার কথা বলে কলিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান মোস্তফা। সেখানে তার সহযোগী ইয়াছিনকে নিয়ে শি*শু*টির দ**র্শন করেন। পরে ঘ*টনাটি গো*পন করতে শি*শু*টির খু*ন করে ম*র*দে*হ বস্তাব*ন্দী করে রাখার এবং কয়েক দিন পর ডোবায় ফেলে দেওয়ার অ*ভি*যোগও তদন্তে উঠে এসেছে।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য—পু*লিশ মোস্তফার মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে কলির অ*শা*লীন ছ*বি পাওয়ার কথা জানিয়েছে। শুধু কলি নয়, আরও অনেক মেয়ে ও নারীর অ*শা*লীন ছ*বিও তার ফোনে পাওয়া গেছে।
অথচ কলি নি*খোঁজ হওয়ার পর তাকে খুঁজে বের করার মানববন্ধনেও সামনের সারিতে দেখা গিয়েছিল মোস্তফাকে! বাইরে থেকে যেন সহায়তার মুখোশ, অথচ তদন্তে তার বি*রু*দ্ধেই উঠে এসেছে এত গু*রুতর অ*ভিযোগ।
একটি নিষ্পাপ শি*শু*র এমন ম*র্মান্তিক প*রিণতি পুরো স*মাজকে নাড়া দিয়েছে। এখন সবার দাবি—তদন্ত সঠিকভাবে সম্পন্ন করে প্রমাণিত অ*প*রাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং আদালতের মাধ্যমে উপযুক্ত শা*স্তি নিশ্চিত করা হোক।
(কপি)