16/05/2026
আমি যে মাঝে মধ্যে তারেক সাহেবকে একজন বিচক্ষণ এবং বুদ্ধিমান মানুষ হিসেবে প্রকাশ করি তার নমুনা দেরীতে হলেও আস্তে আস্তে এই জাতী দেখবে ইনশাআল্লাহ।
এখন কথা হলো তারেক সাহেব কতদিন নিজেকে নীতির উপরে অটল রাখতে পারেন সেটাই দেখার বিষয়।
হাসিনা সরকার দেশেএ কত উন্নতি করেছে তাই না! রাস্তাঘাট করে পুরা ফাটিয়ে ফেলছে। কিন্তু ঢাকা শহরেএ সাধারণ সিগন্যাল বাতিগুলোকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারে নাই।
কেন পারে নাই বলতে পারেন?
সিগন্যাল লাইটের সঠিক ব্যবহার হলে ট্রাফিক পুলিশের ঘুষ খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। ওদিকে পুলিশের চাকরি নেওয়ার জন্য লীগ করা মানুষগুলো ১০/১৫ লাখ টাকা করে ঘুষ দিয়েছে। সেই টাকা উঠাবে কিভাবে?
দেশের প্রতিটা সেক্টরে দূর্নীতির যে বড় চেইন বানিয়ে রেখে গেছে সেগুলোকে এক প্রকার চ্যালেঞ্জ করেই, তারেক সাহেব দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় Ai প্রযুক্তি ব্যবহার এনেছেন।
যেটা দেশের জন্য বড় এক সফলতা। বিশেষ করে ঢাকা শহরে যারা থাকেন তারা এটার গুরুত্ব এবং মর্মটা বুঝবেন।
এখন থেকে আর ঘুষ, দূর্ণীতি , ছোটখাট বিষয়ে জোর করে মামলা দিয়ে দেয়ার মত বিষয় সহজে ঘটবে না বলে আমি আশাবাদী।
ঢাকায় প্রতিটা জোনের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এই Ai প্রযুক্তির কাজ অচিরেই শুরু করবে সরকার।
এই প্রযুক্তি কি কি কাজ করবে চলেন একটু নজর বুলিয়ে আসি।
১- সিসিটিভির মাধ্যমে ফিটনেসবিহীন গাড়ি, ট্রাফিক আইনভঙ্গ করা যানবাহন সরাসরি স্ক্যান করবে।
২- সিসিটিভি সরাসরি গাড়ির নাম্বার প্লেট স্ক্যান করে এবং সম্ভব হলে ড্রাইভারের চেহারাও শনাক্ত করা হয়।
৩- স্ক্যান করার পর Ai সেই ডেটা বিশ্লেষণ করবে।
৪- ডেটা বিশ্লেষণের পর অপরাধের ধরন ভেদে অটোমেটিক আইনি নোটিশ চলে যাবে ড্রাইভারের মোবাইলে।
৪- নোটিশ অনুযায়ী ফোনে বিকাশ/নগদ/ব্যাংকের মাধ্যমেই জরিমানা পরিশোধ করতে পারবেন ব্যক্তি। জরিমানা পরিশোধ না করলে সমন জারি হয়ে ট্রাফিক আইনভঙ্গকারী গ্রেফতার হয়ে যেতে পারে।
খেয়াল করেছেন? কতটা সহজ এবং স্মুথ প্রসেস।
ঘুষের সুযোগ নেই, দূর্নীতির সুযোগ নেই। সম্পূর্ণ অটোমেটিক প্রসেস।
ট্রাফিক আইনভঙ্গ করবেন, তো অটোমেটিক নোটিশ চলে যাবে।
এখন কথা হচ্ছে- Ai তো ভুল করতেই পারে, তাই না?
আর সেটার জন্য থাকছে আপিলের সুযোগ! যদি কোনো মামলা বা কেইস আপনার কাছে ভুল মনে হয় তাহলে আপিল করতে পারবেন। তাও ঘরে বসে নিজের মোবাইল ফোন দিয়েই।
এটা দেশের জন্য একটা মাইলফলক হিসেবেই দেখছি আমি।
আশা রাখব, এই সিস্টেমটা দ্রুত সব জায়গাতেই শুরু হোক। পরিক্ষামূলকভাবে যতটুকু চলছে তাতে আমি খারাপের কোনো দিক খুঁজে পাইনি। বরং ভবিষ্যতে ঢাকা শহর একটা আদর্শ শহর হবে এই আশা রাখি।