17/09/2026
★আম্মা আয়েশা (রা.)-এর কোনো সন্তান ছিল না।
★আম্মা মারিয়াম (আ.)-এর কোনো জীবনসঙ্গী ছিল না।
★আম্মা ফাতিমা (রা.)-কে অভাবের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।
★আম্মা আসিয়া (আ.)-কে এমন একজন মানুষের সঙ্গে জীবন কাটাতে হয়েছে, যে ছিল ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ব্যক্তিদের একজন।
★আম্মা খাদিজা (রা.) ৪০ বছর বয়সে তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ জীবনসঙ্গীকে পেয়েছিলেন।
★★তবুও আল্লাহ তাঁদের মর্যাদা দিয়েছেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নারীদের।
এই বিষয়টা ভাবলে একটা কথা খুব মনে হয়, আমরা অনেক সময় নিজের জীবনকে যেভাবে দেখি, আল্লাহ সেভাবে দেখেন না।
আমরা ভাবি, “আমার এটা নেই”, “আমার জীবনটা এমন কেন?”, “অন্য সবার জীবনে সবকিছু ঠিকঠাক, শুধু আমাদের জীবনেই কেন এত অপূর্ণতা?”
কিন্তু আমরা তো শুধু বর্তমানটা দেখি। আল্লাহ দেখেন পুরোটা।
★কারও জীবনে সন্তান আসেনি, কেউ এখনো একা, কেউ অভাবের মধ্যে আছে, কারও দাম্পত্য জীবন কষ্টে ভরা, আবার কারও জীবনে ভালো কিছু আসতে অনেক দেরি হচ্ছে। এসব কোনো কিছুই একজন নারীর মূল্য বা মর্যাদা কমিয়ে দেয় না।
হয়তো যে জিনিসটার জন্য আমরা আজ কাঁদছি, সেটাই আমাদের পরীক্ষা।
হয়তো যেটা পেতে এত দেরি হচ্ছে, আল্লাহ আমাদের তার জন্য প্রস্তুত করছেন।
হয়তো যে দরজাটা বারবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তার পেছনে আল্লাহ আমাদের জন্য অন্য কোনো দরজা খুলে রেখেছেন।
তাই আমাদের নিজেদের জীবনকে অন্য কারও জীবনের সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয়।
কারও জীবনে যা আগে এসেছে, সেটা আমাদের জীবনেও ঠিক সেই সময়েই আসতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। আল্লাহর কাছে প্রত্যেকের সময় আলাদা, পরীক্ষা আলাদা, রিজিকও আলাদা।
মানুষের চোখে আমাদের জীবন যতই অসম্পূর্ণ মনে হোক, আল্লাহর কাছে আমরা কখনোই মূল্যহীন নই।
আমরা যে কষ্টটা কাউকে বলিনি, আল্লাহ সেটাও জানেন।
তাই আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে।
দোয়া করে যেতে হবে।
আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতে হবে।
কিন্তু একদিন হয়তো পেছনে ফিরে তাকিয়ে বলব,
“আলহামদুলিল্লাহ…
আল্লাহর লেখা গল্পে কোনো দেরিই অর্থহীন নয়।শুধু আমাদের ধৈর্যটা একটু বেশি লাগে। অনেকেই আছে অযথা মানুষকে নিয়ে সামনে—পিছে কত কথা বলে?এটা সবারই মনে রাখা উচিত রব সবকিছু দেখে, আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুণ আমিন।