SME Mindset

SME Mindset Empowering Dreams | Enabling Growth | Welcome to a dedicated platform for SME entrepreneurs and startups.

We are committed to guiding aspiring changemakers toward sustainable success by enhancing their financial literacy, business acumen, and bankability.

24/07/2026

“ব্যাংক ঋণ তুলনামূলক সস্তা হতে পারে, কিন্তু ব্যাংকে পৌঁছানোর খরচ এখনও সবার জন্য সস্তা নয়।”

জামানত, স্ট্যাম্প, মর্টগেজ রেজিস্ট্রেশন, ডকুমেন্টেশন ও প্রসেসিং ফি ইত্যাদি ব্যাংক ঋণের অদৃশ্য ব্যয়ের গল্প।

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। শিল্পায়ন, ব্যবসা সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে ব্যাংক ঋণের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবুও বাস্তবতা হলো— দেশের বিপুল সংখ্যক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা এখনও আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থেকে যায়।

প্রশ্ন হলো, কেন?

অনেক সময় এর উত্তর খুঁজে পাওয়া যায় সুদের হারে নয়, বরং ঋণ গ্রহণের সঙ্গে জড়িত “অদৃশ্য ব্যয়”-এ।

ঋণের প্রকৃত ব্যয় কোথায়?

সাধারণভাবে মানুষ মনে করে ব্যাংক ঋণের মূল ব্যয় হলো সুদ। কিন্তু বাস্তবে একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার জন্য ঋণ গ্রহণের শুরুতেই বহন করতে হয় আরও অনেক ধরনের খরচ, যেমন—
• জামানত মূল্যায়ন ব্যয়
• স্ট্যাম্প খরচ
• মর্টগেজ রেজিস্ট্রেশন ফি
• আইনজীবী ও ডকুমেন্টেশন ব্যয়
• প্রসেসিং ফি
• সার্ভে ও ভিজিট চার্জ
• বিভিন্ন আনুষঙ্গিক প্রশাসনিক ব্যয়

অনেক ক্ষেত্রে এই ব্যয়গুলো মিলিয়ে ঋণের কার্যকর খরচ উদ্যোক্তার সামর্থ্যের বাইরে চলে যায়।

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার নীরব বাস্তবতাঃ

একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা যখন ব্যাংকে যান, তখন তিনি শুধু সুদের হার বিবেচনা করেন না। তিনি হিসাব করেন—

“ঋণ পেতে শুরুতেই কত নগদ অর্থ ব্যয় হবে?”

কারণ ব্যবসা শুরু বা পরিচালনার জন্য তার হাতে সীমিত মূলধন থাকে। সেই অবস্থায় অতিরিক্ত ডকুমেন্টেশন ও আইনগত ব্যয় তার জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায়।

ফলে অনেক উদ্যোক্তা বাধ্য হয়ে:
• অনানুষ্ঠানিক ঋণদাতা
• মহাজন
• উচ্চ সুদের ব্যক্তিগত ঋণ,
• অথবা অপ্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।

এটি কেবল একজন উদ্যোক্তার ব্যক্তিগত সংকট নয়; বরং এটি আর্থিক অন্তর্ভুক্তির একটি কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ।

“মহাজনের কাছে যায়” মানেই অজ্ঞ নয়ঃ

যে উদ্যোক্তা ব্যাংকের পরিবর্তে মহাজনের কাছে যায়, তাকে অনেক সময় ভুলভাবে “অসচেতন” বা “অদক্ষ” ভাবা হয়। অথচ বাস্তবতা ভিন্ন।

অনেক ক্ষেত্রেই তিনি জানেন:
• ব্যাংকের সুদ তুলনামূলক কম
• ব্যাংকিং ব্যবস্থা নিরাপদ
• এবং দীর্ঘমেয়াদে তা লাভজনক।

তবুও তিনি ব্যাংকে আসতে পারেন না, কারণ—

ব্যাংক ঋণের আনুষ্ঠানিকতার প্রাথমিক ব্যয় তার নাগালের বাইরে। অর্থাৎ, তিনি সুদের শিকার নন; বরং সিস্টেমিক কস্টের (Cost) শিকার।

SME ও কৃষিখাতে এর প্রভাব
বাংলাদেশের SME ও কৃষিখাত মূলত:
• সীমিত মূলধন
• নগদ প্রবাহ সংকট
• এবং স্বল্প সঞ্চয়ের উপর নির্ভরশীল।

এই খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য:
• অতিরিক্ত রেজিস্ট্রেশন ব্যয়
• উচ্চ স্ট্যাম্প কস্ট
• জটিল ডকুমেন্টেশন
• এবং দীর্ঘ প্রসেসিং সময়

ব্যবসা সম্প্রসারণে বড় বাধা সৃষ্টি করে।
ফলে:
• আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ব্যাহত হয়,
• উদ্যোক্তা সৃষ্টির গতি কমে যায়,
• এবং অর্থনীতির উৎপাদনশীল সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়ে।
সমাধানের সম্ভাব্য পথ

এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন—

১. ক্ষুদ্র ঋণে ডকুমেন্টেশন ব্যয় হ্রাস
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য:
• কম স্ট্যাম্প
• সহজ চার্জ ডকুমেন্ট
• স্বল্প রেজিস্ট্রেশন ব্যয়
নিশ্চিত করা যেতে পারে।

২. ডিজিটাল ও Simplified Lending Model ডিজিটাল KYC, e-documentation এবং centralized legal processing ব্যয় কমাতে সহায়ক হতে পারে।

৩. Cash Flow Based Financing শুধু সম্পদভিত্তিক জামানতের পরিবর্তে ব্যবসার নগদ প্রবাহ ও লেনদেনভিত্তিক অর্থায়ন গুরুত্ব পেতে পারে।

৪. Financial Inclusion Friendly Policy ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য আলাদা policy support ও subsidized documentation ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।

বাংলাদেশে ব্যাংক ঋণের প্রকৃত চ্যালেঞ্জ অনেক সময় সুদের হারে নয়; বরং ঋণ গ্রহণের সঙ্গে জড়িত অদৃশ্য ব্যয়ে লুকিয়ে থাকে।

যতদিন পর্যন্ত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার জন্য:
• সহজ প্রবেশাধিকার
• কম আইনগত ব্যয়
• এবং সাশ্রয়ী ডকুমেন্টেশন ব্যবস্থা

নিশ্চিত না হবে, ততদিন পর্যন্ত অনেক উদ্যোক্তা আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থেকে যাবে।

সুতরাং বাস্তবতা হলো—
“ব্যাংক ঋণ সস্তা হতে পারে, কিন্তু ব্যাংকে পৌঁছানোর খরচ এখনও সবার জন্য সস্তা নয়।”

Digital Investment Management System | 15/07/26আজকের দিনটি আমাদের জন্য সত্যিই একটি মাইলফলক। অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের সঙ্গে...
15/07/2026

Digital Investment Management System | 15/07/26

আজকের দিনটি আমাদের জন্য সত্যিই একটি মাইলফলক। অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, Shahjalal Islami Bank PLC-এর SME & Agri Investment Division-এর উদ্যোগে এবং আমাদের Information Technology Division-এর নিবিড় সহযোগিতায় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে Digital Investment Management System (DIMS)-এর UAT (User Acceptance Testing) পর্যায়ের পাইলট কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের বাস্তব রূপ। এতদিন বিনিয়োগ প্রস্তাব গ্রহণ (Sourcing) থেকে শুরু করে যাচাই-বাছাই, মূল্যায়ন, অনুমোদন (Approval), Sanction Advice প্রস্তুতকরণ, ডকুমেন্টেশন এবং সর্বশেষ Disbursement পর্যন্ত পুরো কার্যক্রম মূলত কাগজভিত্তিক (Paper-based) ও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পরিচালিত হতো। ফলে সময়, শ্রম এবং সমন্বয়ের প্রয়োজন ছিল অনেক বেশি।

নতুন Digital Investment Management System-এর মাধ্যমে এখন প্রতিটি ধাপ একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্পন্ন হবে। এতে প্রতিটি পর্যায়ের কার্যক্রম রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণ করা যাবে, কোথায় কত সময় লাগছে তা সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব হবে এবং প্রত্যেক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তার নিজ নিজ দায়িত্ব আরও দ্রুত, দক্ষ ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে পারবেন।

এই সিস্টেমটি আমাদের নিজস্ব আইটি টিম এবং বিজনেস টিমের যৌথ পরিকল্পনা, নিরলস পরিশ্রম ও উদ্ভাবনী চিন্তার ফল। বিশেষভাবে SME & Agri Investment Division-এর নেতৃত্বে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হওয়ায় আমরা অত্যন্ত গর্বিত।

প্রাথমিকভাবে UAT Pilot Run-এর জন্য ৭টি শাখা নির্বাচন করা হয়েছে। আজ থেকে শুরু হয়েছে তাদের জন্য ৭ দিনব্যাপী Hands-on Lab Training। প্রশিক্ষণ শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিজ নিজ শাখায় ফিরে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করবেন এবং ধাপে ধাপে এটি আরও বিস্তৃত পরিসরে বাস্তবায়ন করা হবে।

আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে—

* বিনিয়োগ প্রক্রিয়ার গতি ও দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
* Turnaround Time (TAT) কমে আসবে।
* Paperwork ও Operational Cost উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।
* স্বচ্ছতা (Transparency), জবাবদিহিতা (Accountability) এবং Process Tracking আরও শক্তিশালী হবে।
* সর্বোপরি, আমাদের সম্মানিত গ্রাহকরা আরও দ্রুত, সহজ ও উন্নতমানের সেবা পাবেন, যা Customer Satisfaction-কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

ডিজিটাল রূপান্তরের এই নতুন অধ্যায় কেবল একটি সফটওয়্যার চালু করার ঘটনা নয়; এটি আমাদের কর্মসংস্কৃতি, দক্ষতা এবং গ্রাহকসেবাকে আরও আধুনিক ও ভবিষ্যতমুখী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

এই অসাধারণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট সকল সহকর্মী, বিশেষ করে IT Division, SME & Agri Investment Division এবং পাইলট শাখার সকল কর্মকর্তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

আসুন, প্রযুক্তির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আরও দ্রুত, আরও স্বচ্ছ এবং আরও গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করি।

ডিজিটাল রূপান্তরের পথে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
একসাথে এগিয়ে চলুক উদ্ভাবন, দক্ষতা ও সেবার উৎকর্ষ।

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. ও সাজিদা ফাউন্ডেশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর সম্পন্ন। ১৪/০৭/২০২৬আজ শাহ্জালাল ...
14/07/2026

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. ও সাজিদা ফাউন্ডেশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর সম্পন্ন। ১৪/০৭/২০২৬

আজ শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. এবং সাজিদা ফাউন্ডেশনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা বাংলাদেশের স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (CMSME) এবং উদ্ভাবনভিত্তিক উদ্যোক্তা উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।

এই অনুষ্ঠানে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি.-এর সম্মানিত Managing Director, Additional Managing Director, Deputy Managing Directors এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। একইসঙ্গে সাজিদা ফাউন্ডেশনের Senior Management Team অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে এই কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছেন।

এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে—

* স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজলভ্য ও টেকসই অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণে;
* ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে;
* নারী, যুব ও উদীয়মান উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়নে;
* উদ্ভাবন (Innovation), উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে;
* দক্ষতা উন্নয়ন, ব্যবসায়িক পরামর্শ এবং টেকসই উদ্যোগ গড়ে তুলতে।

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. বিশ্বাস করে, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি হলো উদ্যোক্তা ও CMSME খাত। আর সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সাজিদা ফাউন্ডেশনের মতো একটি স্বনামধন্য উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে হাজারো উদ্যোক্তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই সহযোগিতা কেবল অর্থায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং এটি উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, টেকসই ব্যবসা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

এই মহতী উদ্যোগ বাস্তবায়নে উভয় প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত পরিচালনা পর্ষদ, শীর্ষ ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন।

একসাথে এগিয়ে চলি—উদ্যোক্তার ক্ষমতায়নে, উদ্ভাবনের বিকাশে এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশের নির্মাণে।

Shahjalal Islami Bank PLC.
Committed to Cordial Service

অভিনন্দন, গর্ব ও শুভকামনা।শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি.-এর Women SME (WSME) পরিবারের একজন সফল নারী উদ্যোক্তা রাফিহা ফ্য...
14/07/2026

অভিনন্দন, গর্ব ও শুভকামনা।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি.-এর Women SME (WSME) পরিবারের একজন সফল নারী উদ্যোক্তা রাফিহা ফ্যাশন হাউস-এর প্রতিষ্ঠাতা লুৎফুননেসা মেঘনা আপার আজকের এই অসাধারণ অর্জনে আমরা গভীরভাবে আনন্দিত ও গর্বিত।

তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা, সৃজনশীলতা ও উদ্যোক্তা-মনোভাবকে উৎসাহিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান কর্তৃক সম্মানজনক অনুদানের চেক গ্রহণ করা নিঃসন্দেহে একটি অনন্য স্বীকৃতি। এই অর্জন শুধু একজন উদ্যোক্তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তাদের অদম্য সাহস, পরিশ্রম, সৃজনশীলতা এবং সম্ভাবনারও এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. সবসময়ই নারী উদ্যোক্তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং টেকসই ব্যবসা সম্প্রসারণে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমাদের বিশ্বাস, যথাযথ অর্থায়ন, পরামর্শ ও সহযোগিতা পেলে বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তারাই দেশের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে সক্ষম হবেন।

রাফিহা ফ্যাশন হাউস-এর এই সাফল্য অসংখ্য নতুন উদ্যোক্তাকে স্বপ্ন দেখতে, সাহসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে এবং নিজেদের সক্ষমতার ওপর আস্থা রাখতে অনুপ্রাণিত করবে।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি.-এর পক্ষ থেকে লুৎফুননেসা মেঘনা আপাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আপনার এই অর্জন আরও অনেক বড় সাফল্যের দ্বার উন্মোচন করুক।

আপনার আগামী পথচলা হোক আরও গৌরবময়, সমৃদ্ধ ও সাফল্যমণ্ডিত।

নারীর ক্ষমতায়ন • উদ্যোক্তার বিকাশ • সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রত্যয়ে Shahjalal Islami Bank PLC. – Together for Sustainable Entrepreneurship.

কৃষি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ২.৫% থেকে ৪% বৃদ্ধির প্রস্তাব: নীতিগত পর্যবেক্ষণ ও পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাং...
10/07/2026

কৃষি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ২.৫% থেকে ৪% বৃদ্ধির প্রস্তাব: নীতিগত পর্যবেক্ষণ ও পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন।

বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত কৃষি ও পল্লী ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ব্যাংকের মোট ঋণ পোর্টফোলিওর প্রায় ২.৫%। বাস্তবতা হলো, অধিকাংশ ব্যাংক এখনও এই বিদ্যমান লক্ষ্যমাত্রাই পূরণ করতে উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে লক্ষ্যমাত্রা ২.৫% থেকে ৪%-এ উন্নীত করা, অর্থাৎ প্রায় ৬০% প্রবৃদ্ধি নির্ধারণ করা বাস্তবায়নের দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত কঠিন হতে পারে।

এছাড়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের শতকরা অবদান ধীরে ধীরে কমছে। অর্থনীতির এই কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে কৃষি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর আগে এর যৌক্তিকতা ও সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব গভীরভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

বিশেষভাবে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনার দাবি রাখে:

• বর্তমান কৃষি খাতে অতিরিক্ত ঋণের বাস্তব চাহিদা (Effective Credit Demand) কতটুকু?
• কৃষি খাত কি অতিরিক্ত অর্থায়ন গ্রহণ ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করার সক্ষমতা (Absorptive Capacity) রাখে?
• অতিরিক্ত ঋণ বিতরণের ফলে উৎপাদন, কর্মসংস্থান, কৃষকের আয় এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে কী ধরনের ইতিবাচক প্রভাব (Economic Impact) সৃষ্টি হবে—এ বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য বা গবেষণা কি বিদ্যমান?
• জোরপূর্বক ঋণ বিতরণ করা হলে ভবিষ্যতে ঋণ পুনরুদ্ধার (Recovery) ও খেলাপি ঋণের (NPL) ঝুঁকি কতটা বৃদ্ধি পেতে পারে?
• অতিরিক্ত অর্থপ্রবাহের ফলে কৃষি উপকরণ, বীজ, সার, কীটনাশক, শ্রমিকের মজুরি এবং অন্যান্য উৎপাদন ব্যয়ের ওপর মূল্যস্ফীতিজনিত চাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কি?
• উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেলে ভোক্তা মূল্যস্ফীতি এবং খাদ্যদ্রব্যের বাজারমূল্যের ওপর এর কী প্রভাব পড়তে পারে?
* আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের প্রতিযোগিতা (Competitiveness) ও মূল্য সক্ষমতা (Price Competitiveness) কীভাবে প্রভাবিত হতে পারে?

উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর সন্তোষজনক উত্তর এবং পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ছাড়া শুধুমাত্র লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি করাই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল নিশ্চিত করবে—এমনটি নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

তাই একটি ধাপে ধাপে (Phased Approach) অগ্রসর হওয়া অধিকতর বাস্তবসম্মত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রথম পর্যায়ে লক্ষ্যমাত্রা ২.৫% থেকে ৩%, পরবর্তীতে ৩.৫%, এবং সর্বশেষ ৪%-এ উন্নীত করা যেতে পারে। প্রতিটি ধাপের শেষে অর্থনৈতিক প্রভাব, ঋণের ব্যবহার, পুনরুদ্ধারের হার, খেলাপি ঋণের প্রবণতা এবং কৃষি উৎপাদনের ওপর প্রভাব মূল্যায়ন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা অধিকতর যুক্তিসঙ্গত হবে।

সার্বিকভাবে, কৃষি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি অবশ্যই একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হতে পারে; তবে তা যেন বাস্তব চাহিদা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং প্রমাণভিত্তিক নীতিগত বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে হয়। অন্যথায় অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ কাঙ্ক্ষিত উৎপাদনশীলতা অর্জনের পরিবর্তে আর্থিক খাতের ঝুঁকি বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির চাপ সৃষ্টির কারণ হতে পারে।

অতএব, কৃষি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি কার্যকর করার পূর্বে একটি সমন্বিত Impact Assessment, Demand Analysis, Cost-Benefit Analysis এবং Risk Assessment পরিচালনা করে পরবর্তী নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা অধিকতর যুক্তিযুক্ত ও টেকসই হবে।

07/07/2026
05/07/2026

উদ‍্যোক্তার সাথে । উন্নয়নের পথে

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SME Mindset posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share