View on Life

View on Life Life is uncertain. We have to be proactive. Business with social upliftment is my goal.

22/05/2026

"কোরআনে আমি কোথায়"❓

প্রখ্যাত তাবেঈ আহনাফ ইবনে কায়স (রহ.) একদিন বসে ছিলেন।

এমন সময় এক ব্যক্তি তাঁর পাশ দিয়ে যেতে যেতে কোরআনের এই আয়াত তিলাওয়াত করে
‘আমি তোমার প্রতি এমন এক কিতাব অবতীর্ণ করেছি, যাতে তোমার উল্লেখ আছে। তবে কি তোমরা চিন্তা-ভাবনা করবে না?’
—(সূরা আম্বিয়া, আয়াত : ১০)

এই আয়াতটি তাঁর হৃদয়কে গভীরভাবে আলোড়িত করে, তাঁর কাছে মনে হলো যেন এটি সরাসরি তাঁকেই উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে। বিনয় ও আন্তরিকতার সঙ্গে তিনি বললেন, ‘আমার কাছে কোরআন নিয়ে আসো, যাতে আমি দেখতে পারি—এতে আমার উল্লেখ কোথায় আছে, আমি কোন্ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, আর কার সঙ্গে আমার মিল রয়েছে। ’ তাঁর আদেশে তাঁর কাছে কোরআন আনা হয়।

এবার তিনি গভীর মনোযোগে আয়াতগুলো পড়তে লাগলেন এবং নিজের অবস্থান খুঁজতে থাকলেন।

প্রথম দল :

প্রথমে তিনি এমন এক দলের বর্ণনা পেলেন, ‘যারা রাতের অল্প অংশই ঘুমায়, ভোরের আগে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং তাদের সম্পদে অভাবী ও বঞ্চিতদের নির্ধারিত অধিকার থাকে। ’ —(সূরা জারিয়াত, আয়াত : ১৭-১৯)

দ্বিতীয় দল:

এরপর তিনি আরেক দলের কথা পড়লেন, ‘যাদের পাঁজর বিছানা থেকে পৃথক হয়ে যায়; তারা ভয় ও আশার সঙ্গে তাদের রবকে ডাকতে থাকে এবং তাদের যা দেওয়া হয়েছে, তা থেকে ব্যয় করে।'—(সূরা সাজদাহ, আয়াত : ১৬)

তৃতীয় :

তারপর তিনি পড়লেন, ‘যারা সিজদা ও দাঁড়িয়ে থেকে রাত কাটায়।'
(সূরা ফুরকান, আয়াত : ৬৪)

চতুর্থ :

আরেক দল—‘যারা সুখে-দুঃখে ব্যয় করে, ক্রোধ সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে; আর আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন। ’—(সূরা আলে ইমরান, আয়াত : ১৩৪)

পঞ্চম :

এরপর তিনি এমন মানুষদের কথা পড়লেন, ‘যারা নিজেদের অভাব থাকা সত্ত্বেও অন্যদের নিজেদের ওপর প্রাধান্য দেয়; আর যারা অন্তরের কৃপণতা থেকে রক্ষা পায়, তারাই সফল।'—(সূরা আল-হাশর, আয়াত : ৯)

ষষ্ঠ :

তারপর আরেক দল—‘যারা বড় পাপ ও অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকে, আর ক্রুদ্ধ হলে ক্ষমা করে দেয়।'—(সূরা শুরা, আয়াত : ৩৭)

সপ্তম:
এবং বর্ণিত হয়েছে—‘যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়, সালাত কায়েম করে, পারস্পরিক পরামর্শের ভিত্তিতে কাজ করে এবং তাদের যা দেওয়া হয়েছে তা থেকে ব্যয় করে। ’—(সূরা শুরা, আয়াত : ৩৮)

একনাগাড়ে এসব আয়াত পড়ে আহনাফ ইবনে কায়স দীর্ঘক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকলেন।

মাথা নিচু করে গভীর অনুশোচনায় ভরে উঠল তাঁর হৃদয়। এক পর্যায়ে তিনি বলে উঠলেন, ‘হে আল্লাহ! আপনি আমার অবস্থা সবচেয়ে ভালো জানেন। কিন্তু আমি নিজেকে এদের কারো মধ্যেই খুঁজে পাচ্ছি না। ’

অষ্টম :
এরপর তিনি আরেকটি পৃষ্ঠা উল্টালেন। সেখানে তিনি এমন এক জাতির বর্ণনা পেলেন, যাদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, “যখন তাদের বলা হতো, ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই,’ তখন তারা অহংকারে মুখ ফিরিয়ে নিত এবং বলত, ‘আমরা কি এক উন্মাদ কবির কথায় আমাদের উপাস্যদের ত্যাগ করব?”—(সূরা সফফাত, আয়াত : ৩৫-৩৬)

নবম:
তারপর তিনি আরেক দলের কথা পড়লেন, ‘যখন একমাত্র আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়, তখন যারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না, তাদের অন্তর বিতৃষ্ণায় সংকুচিত হয়ে যায়।'
—(সূরা যুমার, আয়াত : ৪৫)

দশম:

এরপর তাঁর সামনে ভেসে উঠল এক ভয়াবহ দৃশ্য—জাহান্নামের অধিবাসীদের জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, ‘কী তোমাদের জাহান্নামে নিয়ে এলো?’

তারা বলবে, ‘আমরা নামাজ আদায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না, আমরা দরিদ্রদের আহার দিতাম না, অর্থহীন কথাবার্তায় লিপ্তদের সঙ্গে আমরা মেতে থাকতাম, আর আমরা বিচার দিবসকে অস্বীকার করতাম—অবশেষে আমাদের কাছে মৃত্যু চলে আসে। ’—(সূরা মুদ্দাসসির, আয়াত : ৪২-৪৭)

এবার এই আয়াতগুলো পড়ে আহনাফ ইবনে কায়স ভয়ে কেঁপে উঠলেন। তিনি দুই হাতে নিজের কান ঢেকে আতঙ্ক ভরে বললেন, ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই, আমি যেন এদের অন্তর্ভুক্ত না হই। আমি তোমার সামনে নিজেকে এদের থেকে মুক্ত ঘোষণা করছি!’

অবশেষে :

এরপর তিনি অশ্রুসজল চোখে, গভীর আন্তরিকতা নিয়ে আবার কোরআনের পাতা উল্টাতে লাগলেন, নিজের অবস্থান খুঁজে পাওয়ার আকুলতায়।

অবশেষে তিনি পৌঁছলেন এই আয়াতে, ‘আর কিছু লোক আছে, যারা নিজেদের পাপ স্বীকার করেছে। তারা সৎ কাজের সঙ্গে অসৎ কাজ মিশিয়ে ফেলেছে। আশা করা যায়, আল্লাহ তাদের তাওবা কবুল করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।'—(সূরা তাওবাহ, আয়াত : ১০২)

এই আয়াতটি পড়া মাত্র তাঁর মুখমণ্ডল উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। আশায় ভরা কণ্ঠে তিনি বলে উঠলেন, ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ! এটাই তো আমি! এটাই আমার অবস্থা!’

এই ঘটনা আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে নাসর আল-মারওয়াজি তাঁর ‘কিয়ামুল লাইল’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

এই ঘটনা আমাদের সামনে এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরে—কোনো মানুষ নিখুঁত নয়, বরং সে ভুল ও সঠিকের সংমিশ্রণ। অতএব, আহনাফ রাহিমাহুল্লাহর সেই উপলব্ধি—‘এটাই আমি’ আসলে এক ধরনের জাগরণ; নিজের দুর্বলতা মেনে নিয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসার সাহস।

তাই এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, কোরআনের প্রতিটি আয়াতে নিজেকে খুঁজে দেখা, নিজেকে সংশোধন করা এবং আল্লাহর কাছে ফিরে আসার পথ খুঁজে নেওয়া। প্রশ্নটি তাই আজও আমাদের সামনে রয়েই যায়—‘কোরআনে আমি কোথায়?’

কোরআন আত্মপরিচয়ের আয়না, যেখানে প্রত্যেক মানুষ নিজের অবস্থান দেখতে পায়। এই উপলব্ধিই গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল প্রখ্যাত তাবেঈ আহনাফ ইবনে কায়সকে (রহ.)। তিনি কোরআনের আয়াতগুলো পড়তে পড়তে খুঁজতে চেয়েছিলেন—তিনি আসলে কোন্ দলের মানুষ? নেককারদের দলে, নাকি গাফেলদের কাতারে?

তাঁর এই অনুসন্ধান শুধু একটি ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং আমাদের প্রত্যেকের আত্মজিজ্ঞাসা হওয়া উচিত—কোরআনে আমি কোথায়?

(সংগৃহীত)

08/05/2026
08/05/2026

উত্তম কথা বলা নতুবা চুপ থাকা:

চুপ থাকা নিয়ে চমৎকার একটি মিশরীয় প্রবাদ আছে :
'কোলাহল যদি রূপার তৈরি হয়, নীরবতা তবে সোনার তৈরি!’

আরবী প্রবাদটাও অসাধারণ-
‘তুমি তখনি কথা বলো, যখন তা চুপ থাকার চেয়েও সুন্দর!’

চুপ থাকাকে কেন এতো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে? কারণ জিহ্বা দ্বারা সংশ্লিষ্ট গুনাহগুলো আমাদের ভালো আমলগুলোকেও নষ্ট করে দিচ্ছে। আমরা সারাদিনে যত কথা বলি, তার বেশিরভাগই অপ্রয়োজনীয়, মিথ্যাচার ও গিবতে পরিপূর্ণ। অথচ মুখ নিঃসৃত প্রতিটি শব্দই লিপিবদ্ধ হচ্ছে।

মহান আল্লাহ্ বলেন:
‘মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করুক না কেন, তা লিপিবদ্ধ করার জন্য তৎপর প্রহরী তার নিকটেই রয়েছে।’
(সূরা কাফ: ১৮)

হাশরের ময়দানে দেখা গেল আমাদের পূণ্যের চেয়ে পাপের পাল্লা ভারি। অবাক কান্ড! কখনো কারো ক্ষতি করিনি, কারো প্রতি অন্যায় করিনি, তারপরো এ অবস্থা কেন? তখন উত্তর আসবে, এগুলো তোমার মুখ নিঃসৃত পাপের ফল!
এজন্যই আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘অধিকাংশ মানুষ জিহ্বা দ্বারা সংঘটিত পাপের কারণে জাহান্নামে যাবে।’
(তিরমিযি: ১৬১৮)

তাহলে করণীয়? এর সমাধানও রাসূলুল্লাহ (সা.) দিয়ে গেছেন- ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে নতুবা চুপ থাকে।’
(মিশকাত)

জিহ্বা দ্বারা সৃষ্ট কবিরা গুনাহসমূহ;

▪︎১. মিথ্যা কথা বলা,
▪︎২. মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া,
▪︎৩. মিথ্যা শপথ করা,
▪︎৪. গিবত করা,
▪︎৫. পরনিন্দা করা,
▪︎৬. অভিশাপ দেওয়া,
▪︎৭. খোঁটা দেওয়া,
▪︎৮. চোগলখোরি করা।

আমাদের কথা বলার নীতি যেমন হওয়া উচিত

▪︎১. কথা বলার আগে সালাম দেওয়া।
(সূরা নূর: ৬১)

▪︎২. সতর্কতার সঙ্গে কথা বলা (কেননা প্রতিটি কথা রেকর্ড হয়)।
(সূরা ক্বফ: ১৮)

▪︎৩. সুন্দরভাবে ও উত্তমরূপে কথা বলা।
(সূরা বাক্বারাহ: ৮৩; বুখারী:১৪১৩)

▪︎৪. অনর্থক ও বাজে কথা পরিহার করা।
(সূরা নূর: ৩; বুখারী: ৩৫৫৯)

▪︎৫. কন্ঠস্বর নিচু করে কথা বলা।
(সূরা লুকমান: ১৯, সূরা হুজুরাত: ২-৩)

▪︎৬. বুদ্ধি খাটিয়ে কথা বলা।
(সূরা নামল: ১২৫)

▪︎৭. সঠিক কথা বলা ও পাপ মোচনের দুয়ার উন্মুক্ত করা।
(সূরা আহযাব: ৭১-৭২)

▪︎৮. গাধার মতো কর্কশ স্বরে কথা না বলা।
(সূরা লুকমান: ১৯; তিরমিযী: ৪৮৫৯)

▪︎৯. উত্তম কথা বলে শত্রুকেও বন্ধুতে পরিণত করা।
( সূরা হা-মীম সাজদাহ্: ৩৪)

▪︎১০. উত্তম কথায় দাওয়াত দেওয়া।
(সূরা হা- মীম সাজদাহ্: ৩৪)

▪︎১১. ঈমানদারদের কথা ও কাজ এক হওয়া। (সূরা ছফ: ২)

▪︎১২. পরিবারের সদস্যদের প্রতি ক্ষমার নীতি অবলম্বন করা । (সূরা আরাফ: ১৯৯)

▪︎১৩. মেয়েরা পরপুরুষের সঙ্গে আকর্ষণীয় ও কোমল ভাষায় কথা না বলা। (সূরা আহযাব: ৩২)

▪︎১৪. ছেলেরা পরনারীর সঙ্গে আকর্ষণীয় ও কোমল ভাষায় কথা না বলা।

▪︎১৫. মূর্খ ও অজ্ঞদের সাধ্যমত এড়িয়ে চলা।
(সূরা ফুরকান: ৬৩)

▪︎১৬. হাসি মুখে কথা বলা।

আমরা আমাদের জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি তো? নাকি জিহ্বাই আমাদের নিয়ন্ত্রণ করছে?

08/05/2026

প্রতিটি গুগল বা জিমেইল একাউন্টের সাথে ১৫ জিবি ক্লাউড স্টোরেজ ফ্রি পাওয়া যায়। জানুন জিমেইল, গুগল ফটোস, গুগল ড্রা....

এই ছবিটা মূলত মানুষের সম্পর্ক, ভুল বোঝাবুঝি এবং একে অপরের অদৃশ্য কষ্টকে বোঝানোর একটি গভীর প্রতীকী উপস্থাপন।ছবিতে দেখা যা...
08/05/2026

এই ছবিটা মূলত মানুষের সম্পর্ক, ভুল বোঝাবুঝি এবং একে অপরের অদৃশ্য কষ্টকে বোঝানোর একটি গভীর প্রতীকী উপস্থাপন।

ছবিতে দেখা যায়, একজন পুরুষ পাহাড়ের উপরে থেকে একজন নারীকে টেনে তুলতে চেষ্টা করছে। কিন্তু নারীটি জানে না যে পুরুষটির পিঠের উপর একটি বিশাল পাথর চাপা পড়ে আছে। আবার পুরুষটিও জানে না যে নারীর নিচে একটি বিষাক্ত সাপ রয়েছে, যা তাকে ভয় ও বিপদের মধ্যে রেখেছে।

এখানে দু’জনই একে অপরকে ভুল বুঝছে।
নারী ভাবছে: “সে যদি সত্যিই চাইত, তাহলে আরও জোরে আমাকে টেনে তুলতে পারত।”
অন্যদিকে পুরুষ ভাবছে: “আমি এত কষ্টের মধ্যেও তোমাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছি, তবুও তুমি নিজে একটু চেষ্টা করছ না কেন?”
এটাই বাস্তব জীবনের অনেক সম্পর্কের প্রতিচ্ছবি।

আমরা সাধারণত মানুষের আচরণ দেখি, কিন্তু তার পেছনের চাপ, ভয়, মানসিক যন্ত্রণা বা লড়াই দেখতে পাই না। কেউ হয়তো রাগী, দূরে সরে গেছে, কম কথা বলে, বা আগের মতো সাহায্য করতে পারছে না। আমরা দ্রুত বিচার করে ফেলি। কিন্তু হয়তো সে নিজের ভেতরে বিশাল কোনো যুদ্ধ লড়ছে।

এই ছবির সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো:
মানুষের জীবনে এমন অনেক “অদৃশ্য পাথর” আর “অদৃশ্য সাপ” থাকে, যা বাইরে থেকে বোঝা যায় না।

তাই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন:

সহানুভূতি
ধৈর্য
যোগাযোগ
এবং একে অপরকে বোঝার চেষ্টা।

কারণ, অনেক সময় মানুষ খারাপ নয়, সে শুধু ক্লান্ত, আহত বা চাপে থাকে।
ছবিটি আমাদের শেখায়: “সব সত্য চোখে দেখা যায় না। তাই বিচার করার আগে বোঝার চেষ্টা করুন।”

07/05/2026

#সম্পর্ক

সম্পর্কের সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি হলো, জোর করে কারো মনোযোগ বা গুরুত্ব পাওয়ার চেষ্টা করা। মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, যখন আমরা কাউকে অতিরিক্ত চাপ দিই বা নিজের অধিকার প্রমাণ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ি, তখন মানুষ স্বাভাবিকভাবেই দূরে সরে যেতে শুরু করে।

তাই সবসময় অন্যের মনোযোগের পিছনে না ছুটে নিজের মূল্য বুঝতে শেখা জরুরি। যেখানে আপনার সম্মান বা গুরুত্ব নেই, সেখানে বারবার নিজেকে প্রমাণ করতে যাওয়া আসলে নিজের আত্মসম্মানকেই ছোট করে।

জীবনের একটা সময় আসে, যখন বেশি কথা বলে নিজের অবস্থান বোঝানোর চেয়ে নীরবতা অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। চুপচাপ নিজেকে সরিয়ে নেওয়া দুর্বলতা নয়, বরং এটি আত্মসম্মান ও মানসিক পরিপক্বতার পরিচয়।
মনে রাখবেন, যেটা সত্যিই আপনার জন্য, সেটাকে জোর করে ধরে রাখতে হয় না। যারা আপনাকে সত্যিকারের ভালোবাসে ও সম্মান করে, তারা নিজের থেকেই আপনার মূল্য বুঝবে।

তাই অন্যের স্বীকৃতির জন্য নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন না। নিজের মানসিক শান্তি, আত্মসম্মান ও সুস্থ চিন্তাভাবনাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন।

01/05/2026

এটা আরও সহজভাবে বলি
এন্ট্রপি (Entropy) মানে হলো:

আপনি কিছু না করলে, সবকিছু নিজে থেকেই খারাপের দিকে যাবে।

কিছু উদাহরণ:
ঘর: না গুছালে নিজে নিজেই এলোমেলো হবে, কিন্তু নিজে নিজে কখনো পরিষ্কার হবে না।

শরীর: যত্ন না নিলে অসুস্থ হবে।

সম্পর্ক: সময় না দিলে দূরত্ব বাড়বে।

মন: নিয়ন্ত্রণ না করলে চিন্তা আর অস্থিরতা বাড়বে।

কাজ/ক্যারিয়ার: চর্চা না করলে দক্ষতা কমে যাবে।

এক লাইনের কথা:
ভালো জিনিস ধরে রাখতে পরিশ্রম লাগে,
কিন্তু নষ্ট হতে কোনো পরিশ্রম লাগে না।

আর একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
আমাদের মস্তিষ্ক সহজ কাজ পছন্দ করে, কারন সে শক্তি ক্ষয় করতে চায় না।তাই মস্তিষ্ক সহজ কাজ করেতে চায়।তাই আমরা অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ কাজ এড়িয়ে যাই বা জটিল কাজ করতে মনোযোগ দিতে পারি না। কিন্তু এই “সহজ পথ”ই পরে বড় সমস্যা তৈরি করে।

শেষ কথা:
সময় নিজে সমস্যা কে ঠিক করে না।
আপনি চেষ্টা করলে তবেই সমস্যার সমাধান হয়।প্রকৃতি ভংগুর, ধ্বংস করে জীর্ন করে। যত্ন না নিলে পরিশ্রম না করলে পৃথিবী ঠিক থাকবে না।

Big shout out to my newest top fans! 💎 মোহাম্মদ রক্বীব হাসানDrop a comment to welcome them to our community,  fans
01/05/2026

Big shout out to my newest top fans! 💎 মোহাম্মদ রক্বীব হাসান

Drop a comment to welcome them to our community, fans

Address

134/1 DOSH Road Mirpur, Dhaka Cantonment
Dhaka
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when View on Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to View on Life:

Shortcuts

Share