Daily durniti totho prokashkari

Daily durniti totho prokashkari Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Daily durniti totho prokashkari, Media/News Company, Dhaka Bangladesh, Dhaka.

23/08/2026

চকরিয়ায় ইয়াবা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক Adil Ahamed Chowdhury এর এবং তার বৃদ্ধা মায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী'র হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

21/08/2026

২৫ লাখ টাকার জিলাপি নাকি কুত্তা'রে খাওয়াইসে

এলজিআরডি মন্ত্রী মহোদয় ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় কে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।🌹🌹
13/08/2026

এলজিআরডি মন্ত্রী মহোদয় ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় কে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।🌹🌹

13/08/2026

#স্বামীর কাছে যখন #টাকা_পয়সা_কম থাকে, তখন অর্থের অভাব তাকে যতটা না ভেঙে দেয়, তার চেয়ে বেশি ভেঙে দেয় স্ত্রীর কটূক্তি।

লামায় শিশু বলাৎকার ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরাফাত গ্রেফতার।'বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলায় ৯ বছর এর শিশু আরাফ...
12/08/2026

লামায় শিশু বলাৎকার ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরাফাত গ্রেফতার।'

বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলায় ৯ বছর এর শিশু আরাফাত হোসেন কে ব'লাৎ'কারের পর শ্বাসরোধে হ'ত্যা মামলার প্রায় ১১ মাস পর প্রধান আসামি মোঃ আবদুল কুদ্দুচ কে (৩৯) গ্রেফতার করেছে লামা থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় লক্ষ্মীপুর জেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।'

গ্রেফতার মোঃ আবদুল কুদ্দুচ লামা উপজেলার ২নং লামা সদর ইউনিয়ন এর ৬নং ওয়ার্ডের বৈক্ষম ঝিরি এলাকার আব্দুর রহিম এর ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি করাতকল দেখাশোনা করার পাশাপাশি পেশায় অটোরিকশা চালক।'

মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৮ জুলাই দুপুরে লামা থানার বৈল্যারচর এলাকায় বাদীর বসতঘরের সামনে মাচার ঢাসার সঙ্গে গলায় নেটের রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় শিশু আরাফাত হোসেনের ম'রদেহ পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিকভাবে নি'হতের নানী শিশুটির গ'লায় থাকা রশি আ'গুনে পুড়িয়ে ম'রদেহ ঘরের ভেতরে নিয়ে যান। পরে
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ম'রদেহ বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠায়। পরদিন, ৯ জুলাই এ ঘটনায় প্রথমে লামা থানায় একটি অ'পমৃত্যু মামলা
(নং-১১) রুজু করা হয়।'

পরবর্তীতে ম'য়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ডিএনএ প্রোফাইলিং এবং চিকিৎসকদের বিশেষজ্ঞ মতামতে ঘটনার পেছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। ডিএনএ পরীক্ষায় নিহ'ত শিশুর অ্যানাল সোয়াবে বীর্যের উপাদানের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। বান্দরবান জেলা হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. আবু হেনা মো. সাইফুদ্দীন খালেদ মতামত দেন, শিশুটির মৃ'ত্যু বলাৎকারের পর শ্বাসরোধের কারণে হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১১ জুলাই লামা থানায় নারী ও শিশু নি'র্যাতন দমন আইনে নিয়মিত মামলা (নং-০৪, জিআর-৬৭/২৬) রুজু করা হয়।'

মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন এসআই মোঃ সালাহ উদ্দিন। লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কায়ার হামিদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়। ওই দলে এসআই সত্যজিৎ বড়ুয়া ও এএসআই প্রকাশ ঘোষও ছিলেন।'

লামা থানার এসআই মোঃ সালাহ উদ্দিন বলেন, তদন্তে জানা যায়, মামলার প্রধান আসামি মোঃ আবদুল কুদ্দুচ ভিকটিমের নানী জুলেখা বেগমকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করতেন এবং একপর্যায়ে সন্দেহজনক আচরণ শুরু করেন। মামলা দায়েরের বিষয়টি টের পেয়ে তিনি নিজের অটোরিকশাটি স্থানীয় হাফিজ মেম্বারের গ্যারেজে রেখে পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে যান।'

পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিক ব্যবহার ও গু'প্তচরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টার দিকে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কায়সার হামিদ নেতৃত্বে এবং এসআই সত্যজিৎ বড়ুয়ার সার্বিক সহযোগিতায় লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর থানার চর সামসুদ্দিন এলাকার রফিকগঞ্জ বাজার থেকে মোঃ আবদুল কুদ্দুচ কে গ্রেফতার করা হয়।'

এসআই সত্যজিৎ বড়ুয়া বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করেছেন যে, ঘটনার দিন ও সময়ে তিনি শিশু আরাফাত হোসেনকে পায়ুপথে ধ'র্ষণ (বলাৎকার) করেন। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হ'ত্যা করেন এবং ম'রদেহ মাচার ঢাসার সঙ্গে গলায় নেটের রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যান।'

লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কায়সার হামিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ১১ আগস্ট ২০২৬ইং তারিখ আসামি কে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ফৌ'জদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা অনুযায়ী স্বেচ্ছায় এ হ'ত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন।'

খুলনা রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স (আরআরএফ) কর্তৃক আয়োজিত বিশেষ কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রেঞ্জ ডিআইজি জনাব ম...
12/08/2026

খুলনা রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স (আরআরএফ) কর্তৃক আয়োজিত বিশেষ কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রেঞ্জ ডিআইজি জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান।

মিথ্যা মামলায় খালাস পেলেন, যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী।'দেশজুড়ে আলোচিত মিরপুর থানার মিথ্যা, গায়েবী ...
12/08/2026

মিথ্যা মামলায় খালাস পেলেন, যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী।'

দেশজুড়ে আলোচিত মিরপুর থানার মিথ্যা, গায়েবী চাঁদাবাজীর মামলায় অব্যাহতি পেয়েছেন যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী। ঢাকা মহানগর যুগ্ম জেলা জজ জনাব মেহেদী হাসানের আদালত তাকে এই অব্যাহতি প্রদান করে।'

উল্লেখ্য যে, দেশের মানুষের যাতায়াতের ভোগন্তি কমাতে সড়ক নিরাপত্তা ও সড়কে বিশৃঙ্খলা নিয়ে সোচ্চার থাকায় তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের রোষানলে পড়ে ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর কথিত এই মিথ্যা, গায়েবী চাঁদাবাজীর মামলায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জের বাসা থেকে গ্রেফতার হন মোজাম্মেল হক চৌধুরী। তাকে এই মামলায় কয়েকদফা রিমান্ডে নেওয়া হয়। এরপর তার নামে অস্ত্র ও বিষ্ফোরক আইনে অপর একটি মামলা দায়ের করে কাফরুল থানা পুলিশ। বিগত ২০২৪ সালে কথিত এক পরিবহন শ্রমিকলীগের নেতা ওবায়দুল কাদেরের সম্মানহানীর মামলা দায়ের করেন শাহবাগ জোনের সিএমএম কোর্টে। ইত্যিমধ্যে তিনি এই দুইটি মামলায় অব্যাহতি পেলেও মিরপুর থানার চাঁদাবাজী মামলা নং-১৪(৯)১৮; জিআর-১৫০৬৯/১৯ মামলাটিতে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিয়ে আসছিলেন তিনি। আদালতে মামলাটি অব্যাহতির আবেদন করলে মাননীয় আদালত স্ব-প্রণোদিত হয়ে মামলার বাদীকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। বাদী মো. দুলাল আদালতে হাজির হয়ে মামলাটি তিনি করেন নি এবং মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে তিনি চেনেন না, কখনো দেখেন নি বলে আদালতকে জানান। মিরপুর রোড পরিবহন শ্রমিক কমিটির দুই জন নেতা রহিম ও দেলোয়ার বাদী দুলালকে পরিবহনে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেন। এই কাগজকে অপব্যবহার করে পরবর্তীতে মামলাটি দায়ের হতে পারে বলে তিনি মনে করেন। মাননীয় আদালত বাদীর এমন বক্তব্য শুনে রীতিমত বিষ্ময় প্রকাশ করেন। বাদীর স্বাক্ষ্য ও জেরা শেষে উপস্থিত জনাব মেহেদী হাসানের আদালত আসামী মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

দেশের জনগনের নিরাপদ যাতায়াত, ভোগান্তি থেকে মুক্তির নিরবিচ্ছিন্ন লড়াই সংগ্রাম থামিয়ে দিতে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের দায়েরকৃত মিথ্যা, ভিত্তিহীন, গায়েবী, বাদীবিহিন কথিত চাঁদাবাজীর মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ায় যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপনের পাশাপাশি দেশবাসীর দোয়া কামনা করেন। এই মামলায় কারাগারে থাকার দুঃসময়ে পাশে থাকায় দেশবাসীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানান।

"বনের গাছ কেটে ধরা খাওয়ার পর উল্টো মামলা ঠুকে দিয়ে বন কর্মকর্তাদের জিম্মি করলো, উসমান গণি"বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা ...
11/08/2026

"বনের গাছ কেটে ধরা খাওয়ার পর উল্টো মামলা ঠুকে দিয়ে বন কর্মকর্তাদের জিম্মি করলো, উসমান গণি"

বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলায় বন বিভাগের কর্মকর্তা ও বৈধ গাছ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে হয়রানির ভয়ভিতি দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মোঃ উসমান গণি নামে চিহ্নিত এক বনদস্যুর বিরুদ্ধে। নিজের অপকর্ম ও বন বিভাগের দায়ের করা মামলা থেকে রেহাই পেতে তিনি উল্টো কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে এই ব্ল্যাকমেইলিংয়ের পথ বেছে নিয়েছেন।

অভিযুক্ত মোঃ উসমান গণি লামা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকার নুর মোহাম্মদের ছেলে।

লামা বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মোঃ উসমান গণি ১জন চিহ্নিত বনদস্যু। গত ২০২৫ সালের ২৯ জুন আলীকদম উপজেলার তৈন রেঞ্জের কাঁকড়া ঝিরি এলাকায় সংরক্ষিত বনের সেগুন গাছ কেটে পাচারের সময় বন বিভাগের টহল দলের হাতে হাতেনাতে ধরা পড়েন তিনি। সরকারি বনভূমিতে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও গাছ চুরির অপরাধে ওই দিনই তাঁর বিরুদ্ধে ‘বন মামলা নং ৪৯/তৈন অব ২০২৪-২৫’ দায়ের করা হয়।

ওই মামলায় উসমান গণি দীর্ঘদিন কারাবাসও ভোগ করেন। বর্তমানে মামলাটি আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কাল্পনিক ও হয়রানিমূলক পাল্টা মামলা অনুসন্ধানে জানা গেছে, নিজের বন মামলা থেকে বাঁচতে ও বন বিভাগকে চাপে রাখতে উসমান গণি বাদী হয়ে গত ১৬ জুলাই বান্দরবানের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৩-এ একটি পাল্টা সিআর মামলা (নম্বর: আলীকদম ৫৯/২০২৬) দায়ের করেন। এতে লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, রেঞ্জ কর্মকর্তা কে এম কবির উদ্দিন, গাছ ব্যবসায়ী রেজাউল করিম বাবলু ও রিকশাচালক রশিদ আহমদকে আসামি করা হয়।

এই মামলার সত্যতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লামা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা কে এম কবির উদ্দিন। তিনি বলেন, “আমি লামায় কর্মস্থলে যোগদান করেছি ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর। অথচ ২০২৫ সালের ৯ ডিসেম্বর উসমান আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে যে, আমি নাকি ওই দিন তাকে লামা বাজার থেকে তুলে এনে মারধর করেছি। যোগদানের মাত্র দুই দিন পরে আমি তাকে কীভাবে চিনব বা মারধর করব? মূলত আমাকে হয়রানি করার জন্য দুষ্কৃতকারীদের কুবুদ্ধিতে সে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে।”

তৈন রেঞ্জের কর্মকর্তা খন্দকার আরিফুল ইসলাম জানান, বন আইনে মামলা হওয়ার পর থেকে একটি চিহ্নিত বনদস্যু চক্রের উসকানিতে উসমান গণি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন এবং বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক কাল্পনিক অভিযোগ দিচ্ছেন।

পূর্বে খারিজ হওয়া মামলা ও জিডি উসমান গণির মামলার ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এর আগেও ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি গাছ ব্যবসায়ী ওমর ফারুক বেচু, আব্দুল জলিল ও দেলোয়ার সহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা (সিআর মামলা নং ৩৫০/২০২৫) দায়ের করেছিলেন। সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ সালাহ উদ্দিনের দীর্ঘ তদন্তে কোনো তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর আদালত মামলাটি সম্পূর্ণ খারিজ করে দেন।

এছাড়া ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর তৈন রেঞ্জের কর্মকর্তা খন্দকার আরিফুল ইসলামসহ গাছ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মিথ্যা জিডি করেন উসমান, যা পরে আদালতে নন-জিআর মামলায় রূপ নেয়। অঙ্গীকারনামা দিয়ে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ মামলার হয়রানি থেকে বাঁচতে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে উসমান গণি বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মামলার ২ নম্বর বিবাদী ও গাছ ব্যবসায়ী রেজাউল করিম বাবলু অভিযোগ করে বলেন, “এই নিয়ে উসমান গণি আমার কাছ থেকে তিন দফায় মোট ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নিয়েছেন। টাকা নেওয়ার সময় তিনি দুইবার লিখিত অঙ্গীকারনামা দিয়েছেন যে, আমাদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই এবং ভবিষ্যতে কোনো মামলা করবেন না। কিন্তু সেই অঙ্গীকার ভঙ্গ করে তিনি আবার মামলা করেছেন। আমরা তাঁর অত্যাচারে অতিষ্ঠ।”

বিশিষ্ট গাছ ব্যবসায়ী ওমর ফারুক বেচুও উসমান গণিকে একজন চিহ্নিত গাছচোর উল্লেখ করে তাঁর দ্রুত শাস্তি দাবি করেন।

মামলা দিয়ে হয়রানি ও টাকা আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মোঃ উসমান গণি টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে পাল্টা মামলা করার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে বন বিভাগ মামলা দিয়েছে, তাই আমিও মামলা করেছি—তাতে কী হয়েছে?’

এমত অবস্থায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও বন কর্মকর্তারা এই চিহ্নিত ব্ল্যাকমেইলার ও বনদস্যু চক্রের হাত থেকে বাঁচতে এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মীরসরাই ইকোনমিক জোনে ডাকাতি; ৩২ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে ডাকাত দলের ৭ সদস্য গ্রেফতার, লুণ্ঠিত বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার।মী...
11/08/2026

মীরসরাই ইকোনমিক জোনে ডাকাতি; ৩২ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে ডাকাত দলের ৭ সদস্য গ্রেফতার, লুণ্ঠিত বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার।

মীরসরাই ইকোনমিক জোনে নির্মাণাধীন ফ্যাক্টরিতে সংঘটিত দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের টানা ৩২ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত আনুমানিক ২৫০ মিটার বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ০৯ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. রাত ০২.০০টা থেকে ০২.৪৫টা পর্যন্ত জোরারগঞ্জ থানাধীন মীরসরাই ইকোনমিক জোনের বাংলাদেশ অটো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নির্মাণাধীন ফ্যাক্টরিতে ১০/১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল প্রবেশ করে নিরাপত্তাকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ৩টি মোবাইল ফোন, আনুমানিক ২৫০ মিটার বৈদ্যুতিক তারসহ মূল্যবান মালামাল লুণ্ঠন করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানায় মামলা রুজু করা হয় এবং মামলাটির তদন্তভার এসআই (নিঃ) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ-এর ওপর অর্পণ করা হয়।

ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায়, সহকারী পুলিশ সুপার, মীরসরাই সার্কেল জনাব নাদিম হায়দায় চৌধুরী-এর তত্ত্বাবধানে এবং জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোহাম্মদ আব্দুল হালিম-এর নেতৃত্বে বিশেষ আভিযানিক কার্যক্রম শুরু করে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) আব্দুল্লাহ আল মাসুদের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স মীরসরাই ইকোনমিক জোন ও আশপাশের এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা পরিচালনা করেন। দীর্ঘ ৩২ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন অভিযানের একপর্যায়ে মীরসরাই ইকোনমিক জোন এলাকা থেকে ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান (২৩), মোঃ রাকিব (২১) ও এমদাদুল হক প্রকাশ এমরান (২৮)-এর দেখানো মতে ১০ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. ভোর আনুমানিক ০৪.৪৫ ঘটিকায় ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন:

১। মেহেদী হাসান (২৩), পিতা-মৃত নুরুল আফছার, সাং-পূর্ব হিংগুলি, মেহেদীনগর, ০২নং হিঙ্গুলী ইউপি, জোরারগঞ্জ, চট্টগ্রাম।

২। মোঃ রাকিব (২১), পিতা-হারুন অর রশিদ, সাং-খিলমুরারী, হোসেন ড্রাইভার বাড়ী, ০৩নং জোরারগঞ্জ ইউপি, জোরারগঞ্জ, চট্টগ্রাম।

৩। সুজাউল হক প্রকাশ সুজা উল্লাহ (২৪), পিতা-মোঃ সিরাজ মিয়া, সাং-মেহেদীনগর, জিদু মিয়ার বাড়ী, ০২নং হিঙ্গুলী ইউপি, জোরারগঞ্জ, চট্টগ্রাম।

৪। এমদাদুল হক প্রকাশ এমরান (২৮), পিতা-মৃত ওবাইদুল হক, সাং-মেহেদীনগর, ওবায়দুল হকের বাড়ী, ০২নং হিঙ্গুলী ইউপি, জোরারগঞ্জ, চট্টগ্রাম।

৫। মিজান উদ্দিন (৩২), পিতা-আব্দুল মন্নান, সাং-ঘোড়ামারা (কালাপানি), ০১নং করেরহাট ইউপি, জোরারগঞ্জ, চট্টগ্রাম।

৬। মোঃ সাখাওয়াত হোসেন প্রকাশ নাহিদ (২৪), পিতা-হারুন অর রশিদ, সাং-পূর্ব হিঙ্গুলী, দুবাই হারুনের বাড়ী, ০২নং হিঙ্গুলী ইউপি, জোরারগঞ্জ, চট্টগ্রাম।

৭। ইউসুফ (২৬), পিতা-আবুল কাশেম, সাং-মেহেদীনগর, জলিল মিস্ত্রি বাড়ী, ০২নং হিঙ্গুলী ইউপি, জোরারগঞ্জ, চট্টগ্রাম।

উল্লেখ্য, সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শিল্পাঞ্চল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের গোয়েন্দা তৎপরতা ও আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

Address

Dhaka Bangladesh
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Daily durniti totho prokashkari posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share