The Guided Ummah

The Guided Ummah Islamic Content Creator | Reminders • Reflection • Peace...🌙🕊️

"আল্লাহ বারবার তাঁর রাসূল (সা.)-কে জিকির করতে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।এখন, রাসূল (সা.)-কে যদি এভাবে বারবার স্মরণ করিয়ে দেওয়া...
26/09/2026

"আল্লাহ বারবার তাঁর রাসূল (সা.)-কে জিকির করতে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।
এখন, রাসূল (সা.)-কে যদি এভাবে বারবার স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়- যিনি আল্লাহর কাছে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে কাছের এবং যার আধ্যাত্মিক অবস্থা আমাদের সবার চেয়ে অনেক উঁচুতে- তাহলে আমাদের অবস্থা কী?
যদি রাসূল (সা.)-এরই প্রতিনিয়ত স্মরণ করার প্রয়োজন হয়, তবে আমাদের তো আরও বেশি পরিমাণে আল্লাহর জিকির করা উচিত।
আল্লাহ যখন রাসূল (সা.)-কে জিকিরের তাগিদ দেন, তখন তা আমাদের জন্য একটি মানদণ্ড নির্ধারণ করে দেয়। আমি আগেই বলেছি, কেউই এর ঊর্ধ্বে নয়। যদি নবী (সা.)-এর মতো মহান সত্তারও প্রতিনিয়ত জিকির করার প্রয়োজন হয়, তবে আমরা কোন পর্যায়ের মানুষ? সুতরাং, আমাদের সবসময় সচেতন থাকতে হবে যে, আমাদের জিকির কখনোই যথেষ্ট নয়।"

- উস্তাদ নোমান আলী খান
゚viralシ

"কোথায় ছিলেন আল্লাহ যখন আমার দরকার ছিল? আল্লাহ কোথায় ছিলেন যখন আমি সমস্যায় পড়েছিলাম? ওই অবস্থায় কেন তিনি আমাকে সাহা...
26/09/2026

"কোথায় ছিলেন আল্লাহ যখন আমার দরকার ছিল? আল্লাহ কোথায় ছিলেন যখন আমি সমস্যায় পড়েছিলাম? ওই অবস্থায় কেন তিনি আমাকে সাহায্য করলেন না? মানুষ এ ধরনের প্রশ্ন করে। আল্লাহ কোথায় ছিলেন? আর আল্লাহ বলছেন, আমি সব সময় তোমার সাথে ছিলাম। আর আমি তোমার জিহ্বাকে সুস্থ রাখছি যখন তুমি এ কথা বলছো। বলুন তো কিভাবে আপনার শব্দনালীতে দিয়ে শব্দ বের হয়ে আসছে? কিভাবে আপনার মুখ দিয়ে বাতাস বেরিয়ে আসছে? যখন আপনি আল্লাহর সমালোচনা করছেন, তিনি আপনাকে তার জন্য শক্তি প্রদান করছেন, এটাই হলো "কুল্লা ইয়াওমিন হুয়া ফি শান"। আর তারপর তিনি আবারও জিজ্ঞেস করছেন, "ফাবি আইয়ি আ-লা-ই রাব্বিকুমা তুকাজিবান" আল্লাহর কোন বিস্ময়কর দান যা তোমার প্রভু তোমাদেরকে দিয়েছেন যা তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?"

--নোমান আলী খান

Follow Our Page: The Guided Ummah

জুমার দিন হলো সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন:হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত নবীজি (সা.) বলেছেন, পৃথিবীর যতদিন সূর্য উদিত হবে ত...
25/09/2026

জুমার দিন হলো সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন:

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত নবীজি (সা.) বলেছেন, পৃথিবীর যতদিন সূর্য উদিত হবে তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হলো শুক্রবার। এ দিনে আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা হয়েছে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে। এ দিনেই তাঁকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছিল। সর্বশেষ কেয়ামত সংঘটিত হবে শুক্রবার দিনে। (মুসলিম : ৮৫৪)। জুমার দিনকে সপ্তাহের সেরা দিন হিসেবেও ঘোষণা করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, জুমার দিন দিবসসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং তা আল্লাহর নিকট অধিক সম্মানিত। (ইবনে মাজা : ১০৮৪)

জুমার দিনে সূরা কাহাফ পড়ার ফযিলত:

জুমার দিন মুসলিম উম্মাহর জন্য রয়েছে ফজিলতপূর্ণ অনেক আমল। এগুলো মধ্যে একটি আমল অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তা হচ্ছে জুমআর দিনে ‘সুরা কাহাফ’ তেলাওয়াত করা। পবিত্র কোরআনের ১৫তম পারার ১৮তম সুরা এটি। যদি কেউ সম্পূর্ণ সুরাটি তেলাওয়াত করতে না পারেন তবে সে যেন এ সুরার প্রথম এবং শেষ ১০ আয়াত তেলাওয়াত করে।কোরআনের কোনো অংশ মুখস্থ করলে ইমান বৃদ্ধি হয়। সুরা আল কাহাফে কয়েকটি গল্প রয়েছে যেগুলি দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগের জন্য বাস্তব পাঠ শেখায় এবং কোরআনের সঙ্গে দৃঢ় সংযোগ গড়ে তুলতে সাহায্য করে। যেমন, ‘পৃথিবীর ওপর যা কিছু আছে আমি সেগুলোকে তার শোভা করেছি মানুষকে, এই করার জন্য যে ওদের মধ্যে কে কর্মে ভালো।’ (সুরা কাহাফ, ৭) সুরা কাহাফে চারটি ঘটনা, চারটি বক্তব্য ও উপদেশ রয়েছে। সুরার ১ থেকে ৮ আয়াতে রয়েছে বক্তব্য। ৯ থেকে ২৬ আয়াতে আছে আসহাবে কাহাফের ঘটনা।

হাদিসে আছে, ‘যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে মুক্তি পাবে।’ (মুসলিম শরিফ) রাসুল (সা.) আমাদের সুরা কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করতে বলেছেন।সুরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াতে ইসলামের মৌলিক কয়েকটি বিষয়ে বলা হয়েছে। ‘আর তাদের সতর্ক করার জন্য যারা বলে যে, আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন, এ বিষয়ে তাদের কোনো জ্ঞান নেই এবং তাদের পিতৃপুরুষদেরও ছিল না। উদ্ভট কথাই তাদের মুখ থেকে বের হয়, তারা কেবল মিথ্যাই বলে।’ (সুরা কাহাফ, ৪-৫)

রাসুলের (সা.)–এর ওপর ওহি অবতীর্ণ হওয়ার আলোচনা এসেছে, ‘প্রশংসা আল্লাহরই, যিনি তাঁর দাসের প্রতি কিতাব অবতীর্ণ করেছেন ও এর মধ্যে তিনি কোনো অসংগতি রাখেননি।’ (সুরা কাহাফ, ১)

প্রতিদানের কথা এসেছে পরের আয়াতে। তাতে ভয় ও আশা দুটি আবেগই দেখা যায়। ‘তার কঠিন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করার জন্য একে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন আর বিশ্বাসীগণ যারা সৎকাজ করে, তাদেরকে সুসংবাদ দেবার জন্য যে তাদের জন্য বড় ভালো পুরস্কার রয়েছে।’ ‘সেখানে তারা চিরকাল থাকবে।’ (সুরা কাহাফ, ২-৩)মুখস্থ করবে তাকে দাজ্জালের অনিষ্ট হতে নিরাপদ রাখা হবে। (মুসলিম) (মিশকাত)।
- ‘যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন তার জন্য এমন একটি নূর হবে, যা তার অবস্থানের জায়গা থেকে মক্কা পর্যন্ত আলোকিত করে দিবে। আর যে ব্যক্তি উহার শেষ দশটি আয়াত পাঠ করবে, তার জীবদ্দশায় দাজ্জাল বের হলেও সে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। ’ (সিলসিলায়ে সহীহা -২৬৫১)।
- যে ব্যক্তি জুমার রাত্রিতে সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য স্বীয় অবস্থানের জায়গা হতে পবিত্র মক্কা পর্যন্ত একটি নূর হবে। ’ (সহীহ তারগীব ওয়াত্ তারহীব - ৭৩৬)।জুমার দিনে সূরা কাহফ পাঠ করিলে কিয়ামত দিবসে তার পায়ের নীচ থেকে আকাশের মেঘমালা পর্যন্ত নূর আলোকিত হবে এবং দুই জুমার মধ্যবর্তী গুনাহ মাফ হবে। (আত তারগীব ওয়াল তারহীব- ১/২৯৮)
- জনৈক ব্যক্তি সূরাহ আল কাহাফ পড়ছিল। তখন লোকটি তাকিয়ে দেখতে পেল একখণ্ড মেঘ তাকে পরিবেষ্টন করে নিয়েছে। বারা ইবনু আযিব বর্ণনা করেছেন যে, লোকটি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালাম এর কাছে বললেন। তিনি তাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, হে অমুক তুমি সূরাটি পড়তে থাক। কারণ এটি ছিল আল্লাহর রহমাত বা প্রশান্তি যা কোরআন তেলাওয়াতের কারণে বা কোরআন তেলাওয়াতের জন্য অবতীর্ণ হয়েছিল। (মুসলিম- ১৭৪২)।
অর্থাৎ এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে ওই ‘সাকীনা’ বা প্রশান্তি যা কোরআন পাঠের সময় অবতীর্ণ হয়ে থাকে। বৃহস্পতিবার দিন শেষে সূর্য ডোবার পর থেকে শুক্রবার সূর্য ডোবা পর্যন্ত যে কোনো সময় সূরা কাহাফ পাঠ করলে হাদিস অনুযায়ী আমল করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

জুমার দিনে সূরা কাহাফের প্রথম ও শেষ ১০ আয়াত পাঠ করলে দাজ্জালের ফিতনা হতে বাঁচা যায়:

দাজ্জালের ফিতনা থেকে সুরক্ষার জন্য সূরা আল-কাহফের প্রথম ১০ আয়াত সম্পর্কে সহীহ হাদীসটি হলো:
হযরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি সূরা আল-কাহফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে সুরক্ষিত থাকবে।”
(সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮০৯)
আরেক বর্ণনায় শেষ দশ আয়াতের কথাও এসেছে:
“যে ব্যক্তি সূরা আল-কাহফের শেষ দশ আয়াত পাঠ করবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে সুরক্ষিত থাকবে।”
(সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮০৯)

তাই জুমার দিনে দুটি আমল করা যেতে পারে:
পুরো সূরা আল-কাহফ তিলাওয়াত করা দুই জুমার মধ্যবর্তী নূরের ফযিলতের আশায়।
প্রথম ১০ আয়াত (এবং বর্ণিত শেষ ১০ আয়াত) মুখস্থ/তিলাওয়াত করা দাজ্জালের ফিতনা থেকে সুরক্ষার জন্য।

আল্লাহ আমাদের প্রতি জুমায় সূরা আল-কাহফ তিলাওয়াত করার এবং এর শিক্ষা অনুযায়ী আমল করার তাওফিক দিন। আমিন🤲🏻
゚viralシ

ভুল করে যে তওবা করে ফিরে আসে সেই আসল মানুষ।
24/09/2026

ভুল করে যে তওবা করে ফিরে আসে সেই আসল মানুষ।

"যখন কোন মানুষের উপর বিপর্যয় আসে তখন সেটা একটা পরীক্ষা অথবা একটা শাস্তি। যে লোকগুলো আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরে গেছে তাদের ...
24/09/2026

"যখন কোন মানুষের উপর বিপর্যয় আসে তখন সেটা একটা পরীক্ষা অথবা একটা শাস্তি। যে লোকগুলো আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরে গেছে তাদের জন্য বিপর্যয় এক ধরনের শাস্তি আর যারা আল্লাহর পথে আছে তাদের জন্য এটা পরীক্ষা।"
--ড. জাকির নায়েক।

゚viralシ

প্রশ্নকারী: আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে? ড. জাকির নায়েক: কে আল্লাহকে সৃষ্টি করেছেন? এর উত্তর দিতে গিয়ে এভাবে বলা যায় যে, জন...
23/09/2026

প্রশ্নকারী: আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে?

ড. জাকির নায়েক: কে আল্লাহকে সৃষ্টি করেছেন? এর উত্তর দিতে গিয়ে এভাবে বলা যায় যে, জন আমাকে বললো যে আমার ভাই জ্যাক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আর একটা বাচ্চার জন্ম দিয়েছে। ওই বাচ্চাটা ছেলে নাকি মেয়ে? ছেলে না মেয়ে? বলতে পারবেন?

প্রশ্নকারী: (কিছুক্ষণ চুপ থেকে)আমি আসলে জানিনা।

ড. জাকির নায়েক: আপনি জানেন না। ছেলে না মেয়ে? একজন পুরুষ কিভাবে কোনো বাচ্চার জন্ম দিতে পারে? একজন পুরুষ বাচ্চা জন্ম দিতে পারে না। একইভাবে ঈশ্বরের কথা যদি বলি-আল্লাহ, কেউ তাকে সৃষ্টি করেনি। তাই, কে আল্লাহকে সৃষ্টি করেছে? এই প্রশ্নটাই অযৌক্তিক। যদি আমি বলি যে অমুক লোক আল্লাহকে সৃষ্টি করেছে, সে তাহলে আল্লাহ নয়। 'ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ', তার সমতুল্য কেউ নাই। তাই আল্লাহতালার সংজ্ঞা হলো, তাকে কেউ সৃষ্টি করেনি।

"কারো হৃদয়েই পরিপূর্ণ সুখ নেই এই পৃথিবীতে। কেন? কারণ এই পৃথিবী চরম সুখের স্থান নয়। আপনি এই পৃথিবীতে চিরন্তন সুখ এবং পরিপ...
22/09/2026

"কারো হৃদয়েই পরিপূর্ণ সুখ নেই এই পৃথিবীতে। কেন? কারণ এই পৃথিবী চরম সুখের স্থান নয়। আপনি এই পৃথিবীতে চিরন্তন সুখ এবং পরিপূর্ণ প্রশান্তি পাবেন না। যে কেউ এর ব্যতিক্রম চিন্তা করে, সে ভ্রান্তিতে রয়েছে।"

-শায়েখ ইয়াসির কাদি

"আমাদের প্রত্যেকেই সফল হতে চায়। আমি সফল হতে চাই। আপনি সফল হতে চান। সাফল্য দুই প্রকারের। আর প্রতিটি প্রকার বিভিন্ন ক্যাটা...
21/09/2026

"আমাদের প্রত্যেকেই সফল হতে চায়। আমি সফল হতে চাই। আপনি সফল হতে চান। সাফল্য দুই প্রকারের। আর প্রতিটি প্রকার বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত হতে পারে। তবে সফলতার প্রধান প্রকার দুটি- দুনিয়ার সফলতা এবং আখিরাতের সফলতা। অথবা আমরা একে অন্য জীবন, পরবর্তী জীবন বা চিরন্তন জীবন বলতে পারি।
এই দুটির মধ্যে কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? এটি নিঃসন্দেহে আখিরাতের চিরন্তন সফলতা। আমার এবং আপনাদের দুনিয়ার জীবন সীমিত। কিন্তু একবার আপনি এই দুনিয়া ছেড়ে চলে গেলে এমন এক চিরন্তন জীবনে প্রবেশ করবেন যার কোনো শেষ নেই। আল্লাহ আমাদের জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, যা জান্নাতের সর্বোচ্চ ও মহিমান্বিত স্থান।"

-মুফতি ইসমাঈল ইবনে মেঙ্ক

"আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কে? আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তিনি এক ও অদ্বিতীয়। তিনি হলেন সেই সত্তা যিনি দান করেন, যিনি...
21/09/2026

"আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কে? আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তিনি এক ও অদ্বিতীয়। তিনি হলেন সেই সত্তা যিনি দান করেন, যিনি বাধা দেন, যিনি বিজয় আনেন, যিনি পরাজয় আনেন। তিনি লাভবান করেন এবং তিনি ক্ষতি করেন। তিনিই সম্মান দান করেন, আবার তিনিই অসম্মানিত করেন। তিনিই সুস্থতা দান করেন, তৃষ্ণা নিবারণ করেন এবং অভাব পূরণ করেন। তিনি প্রথম যার কোনো শুরু নেই এবং তিনি শেষ যার কোনো সমাপ্তি নেই। তিনিই দৃশ্যমান ও অদৃশ্য, তিনিই রুজিদাতা, তিনিই রক্ষাকর্তা, তিনিই লালনকারী। তিনি সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ এবং সর্বশক্তিমান। তিনি রাজা এবং বিচার দিবসের মালিক। তিনিই সকল বিষয়ের মালিক, পরিচালক এবং ফয়সালাকারী- আল কাদির, আল ওয়াকিল, আস-সামাদ। মহাবিশ্বের নিয়ন্ত্রক কেবল একজনই এবং আমরা সবাই তাঁর নিয়ন্ত্রণে রয়েছি।"

-ওসামা আল শুরাফা
Follow Our Page: The Guided Ummah🕊️💙

゚viralシ

"কোরআনের অনন্য একটি বৈশিষ্ট্য হলো জান্নাত সম্পর্কে যে বিস্তারিত বর্ণনা আল্লাহ দিয়েছেন, তা অন্য কোনো ধর্মে পাওয়া যায় না। ...
19/09/2026

"কোরআনের অনন্য একটি বৈশিষ্ট্য হলো জান্নাত সম্পর্কে যে বিস্তারিত বর্ণনা আল্লাহ দিয়েছেন, তা অন্য কোনো ধর্মে পাওয়া যায় না। আপনি বাগানের মতো সাধারণ শব্দ পাবেন, ইডেন নামক উদ্যানের উল্লেখ দেখতে পাবেন, এটুকুই আপনি পাবেন। কোরআনে আল্লাহ যা বলেছেন তা হলো ফলমূল এবং পাখির মাংস। আপনি বিশেষ ধরনের চিকেন বারবিকিউর বর্ণনা পাবেন, এটা কোরআনে রয়েছে। জান্নাতে সব ধরনের পানিও পরিবেশন করা হবে। বিচিত্র সব বর্ণনা। জান্নাতের অত্যন্ত প্রাণবন্ত ছবির মতো বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু সেই বর্ণনার অনেক কিছুই আপনারা এমন পাবেন যা কল্পনা করা সহজ। বন্ধুরা একত্র আড্ডা দিচ্ছে, মানুষ পানিও উপভোগ করছে, সেবকরা পানিও আনছে, সুন্দর গাছপালা, ঝরনা, গদি, কার্পেট- এই সমস্ত জিনিস আমরা এই জীবনেই পাই।

যদিও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে বলেছেন, 'কোনো চোখ তা দেখেনি, কোনো কান তা শোনেনি এবং কোনো অন্তর কখনো কল্পনা করতে পারেনি জান্নাতে কী অপেক্ষা করছে।' তবে আপনি যদি কোরআনে বর্ণিত জান্নাতের বর্ণনা পড়েন, মনে হয় যেন এটা কল্পনা করা খুব সহজ। খেজুর গাছ, সুরম্য অট্টালিকা, স্বামী-স্ত্রী আর এরকম সব জিনিস। তাহলে এমনটা কেন? আসলে এর কারণ হলো এই পৃথিবীকে বানানো হয়েছে পরকালের একটা প্রিভিউ হিসেবে। এটি আমাদেরকে জান্নাতের একটা আভাস প্রদান করে।"
- উস্তাদ নোমান আলী খান
Follow Our Page: The Guided Ummah🕊️💙

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Guided Ummah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share