24/05/2024
জান্নাত শব্দটা শুনলেই মনের মধ্যে কেমন একটা আবেগময় অনুভূতি তৈরী হয়। জান্নাত!
জান্নাত শব্দের অর্থ হলো উদ্যান, বাগান, বাগিচা। ফারসী ভাষায় যাকে বেহেশত বলা হয়।
আল্লাহর অনুগত বান্দাদের জন্য পরকালে মহান আল্লাহ মহাপ্রতিদান স্বরূপ জান্নাত প্রস্তুত রেখেছেন।
জান্নাত মানে শুধু বৃক্ষবিশিষ্ট বাগানই নয়; বরং তাতে থাকবে বাসস্থান, অট্টালিকা এবং চরম সুখ-সামগ্রীর এমন সবকিছু, যা মানুষ কল্পনাও করতে পারে না। সেখানে এমন সুখ থাকবে, যাতে কোন দুঃখের লেশমাত্র থাকবে না। এমন নির্মল শান্তি থাকবে, যাতে কোন প্রকার অশান্তির মলিনতা নেই। এত সুখসম্পদ থাকবে, যার কাল্পনিক বর্ণনা দিতেও মানুষের মন অক্ষম।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, মহান আল্লাহ বলেছেন, 'আমি আমার পুণ্যবান বান্দাদের জন্য (জান্নাতে) এমন জিনিস প্রস্তুত রেখেছি, যা কোন চোখ দেখেনি, কোন কান শোনেনি এবং যার সম্পর্কে কোন মানুষের মনে ধারণাও জন্মেনি। তোমরা চাইলে এ আয়াতটি পাঠ করতে পার যার অর্থ, “কেউই জানে না তার জন্য তার কৃতকর্মের বিনিময় স্বরূপ নয়ন-প্রীতিকর কি পুরস্কার লুকিয়ে রাখা হয়েছে।” (সূরা সাজদাহ:১৭, বুখারী-মুসলিম)
সুবাহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার।
আমরা সবাই একবাক্যে চাই জান্নাতে যেতে। আর সেজন্য প্রয়োজন -
নিয়মিত আমল ইবাদাত করা,
একনিষ্ঠতা, একাগ্রতা,
কায়মনোবাক্যে আল্লাহ কে রব হিশেবে মানা এবং আল্লাহর দেয়া সকল হুকুম আহকাম মেনে চলা,
রাসূল ﷺ কে ভালবাসা, পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করা।
আমাদের উচিত:
নিয়মিত সালাত আদায় করা,
কুরআন তিলাওয়াত এবং কুরআনের বিষয়াদি নিয়ে চিন্তাফিকির করা,
আল্লাহর হক এবং বান্দার হক সম্পর্কে সচেতন থাকা,
হারাম কাজ এড়িয়ে চলা,
মিথ্যা গীবত হিংসা ত্যাগ করা,
উত্তম চরিত্রের চেষ্টা করা,
দ্বীন সম্পর্কে জানা এবং মানা।
মহান আল্লাহ আমাদের তাওফীক দিন।
#সংগৃীত