12/03/2026
একদিকে চুপ্পুকে সংসদে নিয়ে তারেক রহমান এবং বিএনপি টেবিল চাপড়াচ্ছে!
আরেকদিকে তীব্র প্রতিবাদ উঠেছে জামায়াত ও এনসিপি থেকে, এবং বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা ওয়াক আউট করেছেন।
হাসিনার রাষ্ট্রপতি, স্বৈরাচারের দালাল এবং ফ্যাসিবাদের দোসর চুপ্পুকে লাল কার্ড দেখিয়ে সংসদ বর্জন করেছে এনসিপি-জামায়াত জোট।
অসাধারণ দৃশ্য।
মশা, ছাড়পোকার বাচ্চাও আমরা যেভাবে রুম থেকে সরানোর ব্যবস্থা করি, ঠিক তেমনি স্বৈরাচারীদের সঙ্গীকেও সংসদ থেকে বের করে দেওয়া হবে।
১২ তারিখ নির্বাচনে এনসিপি ও জামায়াতের ৭৭ আসন সংসদে এসেছে। এই ৭৭টি এমপি বিএনপির ২১২ এমপিকে চুপ করাতে ২ মিনিটও লাগবে না, যদি তারা ভুল করে।
আমি আজ সংসদ অধিবেশন দেখার জন্য বেশ অপেক্ষা করছিলাম।
জেএনজি আজ শুধু একটা ডেলিভারি দিয়েছে, পরের বার হবে সরাসরি ইন সুইং ডেলিভারি।
যতো দ্রুত সম্ভব, জনাব তারেক রহমানের উচিত হবে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করা।
মনে করো, ৫ আগস্টের পর চুপ্পুর আন্ডারে শপথ নেওয়া একটা বড় ব্লান্ডার ছিল।
ওই ভুলের ফলে ইন্টারিম সরকার অনেক কিছু করতে পারেনি, অনেক সংস্কার বন্ধ হয়ে গেছে, অনেক জায়গায় হাত বাঁধা পড়ে গেছে।
ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া দরকার। আমরা একই ভুল কেনো বারবার করবো?
সংসদের প্রথম অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা যেতো।
কিন্তু তা হলো না। উল্টো, ফ্যাসিবাদের এই কুশীলবের বক্তব্য শুনে টেবিল চাপচ্ছেন অনেক ত্যাগী, নির্যাতিত নেতা, লজ্জায় মাথা নত হয়ে আসে।
একদল এমনটা কেনো করলো? ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না।
সংসদের মতো জায়গায় প্রতিবাদ করেছে বিরোধী দল।
স্লোগান দিয়েছে নাহিদ ইসলাম:
“চুপ্পু গাদ্দার! স্বৈরাচারের পাহাড়!”
এই দৃশ্য দেখিয়ে দিয়েছে একটাই বার্তা:
স্বাধীনতা, ন্যায় এবং জনগণের অধিকার কোনো স্বৈরাচারের কাছে সমঝোতার বিষয় নয়।