14/08/2026
যে যতটুকু প্রসংশার প্রাপ্তি :
মির্জা ফখরুল ইসলাম ৬৯ গনঅভ্যুথান সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। এরপরে তার ৭০ বা ৭১ এ তার কোন কিছু কোথাও আপনি পাবেন না। কেনো সেটা সবাই জানি। ৮৮ সালে উনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ৯১, ৯৬, ২০০১ ও ২০১৮-- মোট ৪ বার সংসদ সদস্য হলেন। ২০০১-০৬ সালে উনি বিমান প্রতিমন্ত্রী ও পরে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব থেকে মহাসচিব হন। এবার এলজিআরডি মন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি হলেন। গেলো।
এবার আসেন-- সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ৫৯ সালে ছাত্রলীগে যোগ দিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ৬১ সালের আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে ও ৬২ শিক্ষা আন্দলোনে অংশ নেয়ায় জীবনে প্রথম জেল খাটেন। কিশোরগঞ্জ ছাত্রলীগের সভাপতি থেকে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হন। ৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার তাকে আবার কারাগার দেয়। ৬৯ সালে উনি আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে গণ অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। আব্দুল হামিদ ছিলেন ৭০ সালের পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ ময়মনসিংহ-১৮ থেকে সর্বকনিষ্ঠ নির্বাচিত সদস্য। তিনি ছিলেন কিশোরগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। ১৭ মার্চ ১৯৭১ সালে কিশোরগঞ্জের রথ খোলা মাঠে ছাত্র জনসভায় স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করেন। ১৯৭২ সালে তিনি গণপরিষদ সদস্য মনোনীত হন। ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ময়মনসিংহ-৩০ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপরে একে একে ৮৬, ৯১, ৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ৯৬ সালে উনি ডেপুটি স্পিকার ও ২০০৯ সালে স্পিকার ছিলেন। ২০০১ --০৬ পর্যন্ত ছিলেন বিরোধী দলীয় উপনেতা। ২০১৩ থেকে দুবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। আব্দুল হামিদ তার জীবনে কখনো কোন নির্বাচনে হারেন নাই।
এরপরেও আপনাদের অনেকের কাছে আব্দুল হামিদ হলেন বাল-ছাল। আর মির্জা ফখরুল হলেন প্রকৃত রাজনীতিবিদ। দল বেধে সবাই মির্জা সাহেব কে প্রশংসা করে পোষ্ট করতেছে এই প্রথম একজন প্রকৃত রাজনীতিবিদ রাষ্ট্রপতি হল! সংসদীয়সিস্টেম এমন রাষ্ট্রপতি আর আসেনি..কত কি! অভিনন্দন বা প্রশংসা করেন ভাল কথা। কিন্তু এই প্রকৃত সাচ্চা এসব ন্যারেটিভ দাড় করাচ্ছেন কেনো? আপনাদের জ্ঞানগরিমার বলিহারি। মনে হচ্ছে যেয়ে আপনাদের একেক জনের কদমবূচি করে আসি!! কি বলবো।