South Asia Radio Club - SARC

South Asia Radio Club - SARC Radio Related Page

Permanently closed.

একটি বেতার ভিত্তিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক একাধিক পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশ্বের বৃহত্তম শ্রোতা সংগঠন।
The world's largest Radio-based Audience organization with multiple National and International Awarded.

Today Radio Prague International (RPI) celebrating it’s 90th Anniversary! On this happy birthday and joyful moment, we, ...
31/08/2026

Today Radio Prague International (RPI) celebrating it’s 90th Anniversary!
On this happy birthday and joyful moment, we, on behalf of our South Asia Radio Club (SARC) Bangladesh, extend our warmest wishes and congratulations to all the staff of Radio Czech Republic.
We hope Radio Prague International can continue to bring the voice of the Czech Republic to the world and remain part of the public service for many years to come.

সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ-এর ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উন্মোচিত “থিম লোগো”=====================১লা অক...
29/08/2026

সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ-এর ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উন্মোচিত “থিম লোগো”
=====================
১লা অক্টোবর, বেতার শ্রোতা সংগঠন “সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ”-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছর একটি বিশেষ লোগো প্রকাশ এবং সেই সাথে যে কোন বিষয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে একটি প্রতিপাদ্য/ থিম নির্বাচন করে থাকে। এবং সেই থিম/ প্রতিপাদ্যকে লক্ষ্য রেখে পরবর্তী এক বছর ক্লাবের বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। তেমনি এবার সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ-এর ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি চমৎকার লোগো ও প্রতিপাদ্য/ থিম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ বেতার-সিলেটের সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠানে এই ‘থিম লোগো’ উন্মোচন করা হয়।

সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও রেডিও অ্যাক্টিভিস্ট দিদারুল ইকবাল (S21DAL)-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বেতারের সাবেক পরিচালক ও সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মির শাহ আলম (S21MIR), বাংলাদেশ বেতার সিলেটের আঞ্চলিক পরিচালক (১) শাহজাহান জামান চৌধুরী এবং আঞ্চলিক পরিচালক (২) মো: মোমিনুর রহমান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী পরিচালক প্রদীপ চন্দ্র দাস, সহকারী পরিচালক (অনুষ্ঠান) মো: ইকবাল হোসাইন, সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক)- শাহপরান ইউনিট, সিলেটের সহ-সভাপতি মো: আফজল চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক মো: নোমান উদ্দিন রায়হান, সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক)- সিলেট সিটি ইউনিটের সভাপতি এম এ ওয়াদুদ আল মামুন, বেসরকারী সংস্থা সুবাস এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ আছলাম হোসেন প্রমুখ।

বিশেষ লোগোটি তৈরি করেছেন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও রেডিও অ্যাক্টিভিস্ট দিদারুল ইকবাল (S21DAL)।

লোগোটিতে সংগঠনের আদর্শ, রেডিওর ঐতিহ্য এবং সম্প্রীতির এক চমৎকার মেলবন্ধন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ লোগোটির ডিজাইনগত কাঠামো এবং এর পেছনের মূল উদ্দেশ্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। একটি লোগো বা প্রতীক শুধুমাত্র কিছু রঙের সমষ্টি নয়, বরং এটি সংগঠনের দীর্ঘদিনের দর্শনকে ধারণ করে।
নিচে লোগোটির উদ্দেশ্য, প্রতিটি অংশের বিশদ ব্যাখ্যা ও ডিজাইনের দর্শন তুলে ধরা হয়েছে।

লোগোর প্রধানত তিনটি উদ্দেশ্য:
(০১) ঐতিহ্য ও দীর্ঘ পথচলা উদযাপন: ১৯৯৭ সালের ১লা অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ১লা অক্টোবর পর্যন্ত দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে অলাভজনক, স্বেচ্ছাসেবী, সামাজিক, বন্ধুত্ব, তথ্য ও যোগাযোগ ভিত্তিক শ্রোতা সংগঠন হিসেবে সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ-এর সফল যাত্রাকে স্মরণীয় করে রাখা।

(০২) বেতার সংস্কৃতির প্রচার ও আধুনিকায়ন: দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল যুগেও গণমাধ্যম ও তথ্য বিনিময়ের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে রেডিওর গুরুত্ব সাধারণ মানুষের কাছে বজায় রাখা।

(০৩) আঞ্চলিক ও সামাজিক মেলবন্ধন: দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে বেতার শ্রোতা, ক্লাব সদস্য এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ও সৌহার্দ্য তৈরি করা।

লোগোর নকশা দর্শনের গভীর ব্যাখ্যা (Explanation of Design Philosophy):
লোগোর নকশা বা ডিজাইনটি খুব নিখুঁতভাবে বেশ কিছু প্রতীকী উপাদানের সাহায্যে সাজানো হয়েছে, যা বার্তাটিকে সহজে মনে রাখার মতো করে তোলে।

১. মূল আকৃতি ও রঙের ব্যবহার:
লাল ও সবুজ রঙ (জাতীয় চেতনার প্রতিফলন): বৃত্তাকার লাল অংশ এবং ভেতরে সংখ্যা প্রতীক ২ এবং ৯ এর যৌথ সমন্বয়ে অর্থাৎ ২৯ দিয়ে তৈরী বিশেষ সবুজ নকশাটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙের প্রতীক। এটি প্রকাশ করে যে, ক্লাবটি ২৯ বছর ধরে ইথার বা বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যোগাযোগ রক্ষা, তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, সংস্কৃতির আদান-প্রদান, বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্বের সেতু গড়ে তোলা, রেডিও এবং শ্রোতা ও শ্রোতা ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করা নিয়ে কাজ করলেও এর মূল চেতনা ও দেশপ্রেম বাংলাদেশে প্রোথিত।
সাদা রঙের বৃত্ত: লোগোর ভেতরের সাদা অংশটি শান্তি, পরিচ্ছন্নতা এবং নিরপেক্ষতার প্রতীক হিসেবে কাজ করছে।

২. কেন্দ্রীয় প্রতীকসমূহ:
হ্যান্ডশেক বা করমর্দন: লোগোর ঠিক মাঝখানে/ কেন্দ্রে থাকা (২৯ এর মাঝে) দুটি হাত মেলানোর দৃশ্যটি বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক ঐক্যের প্রতীক। এটি সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে, শ্রোতাদের সাথে, দেশ-বিদেশ এবং বেতারের সাথে সুদৃঢ় বন্ধন নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
রেডিও ও মাইক্রোফোন/ তরঙ্গ ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন (সার্ক লোগো): করমর্দনের ঠিক ওপরে একটি ছোট লাল বৃত্তের ভেতর সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশের মূল লোগো যুক্ত করা হয়েছে। যেখানে- রেডিও তরঙ্গের সংকেত, টাওয়ার এবং একটি মাইক্রোফোন দেখা যাচ্ছে। এটি মূলত সংগঠনের মূল ভিত্তি অর্থাৎ ‘রেডিও’ এবং এর সম্প্রচার কার্যক্রমের প্রতিনিধিত্ব করে, যা আধুনিক যুগের প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে। পাশে 'SARC' লেখাটি সংগঠনের সংক্ষিপ্ত নামকে নির্দেশ করে।

৩. প্রতিপাদ্য/ থিম:
ইতিবাচক অংশীদারিত্ব বা Positive Partnership-এর মূল বার্তা: লোগোর লাল বৃত্তের ওপরের অংশে বাংলা ও ইংরেজিতে সংগঠনের এবারের মূল প্রতিপাদ্য "POSITIVE PARTNERSHIP বা ইতিবাচক অংশীদারিত্ব" লেখা রয়েছে। এটি পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো—কোনো একক প্রচেষ্টা নয়, বরং সবাই মিলে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বেতার সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণে ভূমিকা রাখা।
সংগঠনের নাম: নিচের অংশে বড় অক্ষরে "SOUTH ASIA RADIO CLUB (SARC) BANGLADESH" লেখা রয়েছে, যা সংগঠনের পূর্ণ নামকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

৪. গুরুত্বপূর্ণ সময়কাল:
১লা অক্টোবর ১৯৯৭ – ১লা অক্টোবর ২০২৬: লোগোর সাদা অংশে সংগঠনের যাত্রার শুরুর তারিখ (১লা অক্টোবর ১৯৯৭) এবং ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর তারিখ (১লা অক্টোবর ২০২৬) উল্লেখ করা হয়েছে। এটি দেশি এবং বিদেশী বেতার ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে সংগঠনের দীর্ঘ ২৯ বছরের সফল পথচলা এবং ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

৫. সহজপাঠ্যতা ও বৃত্তাকার ভারসাম্য:
লোগোটিকে একটি নিখুঁত বৃত্তের ফ্রেমে আবদ্ধ করা হয়েছে। বৃত্তাকার নকশা চিরন্তনতা ও অবিচ্ছিন্নতার প্রতীক। বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় স্পষ্ট ফন্ট ব্যবহারের উদ্দেশ্য হলো যাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক—উভয় স্তরের বেতার কর্তৃপক্ষ, অন্যান্য গণমাধ্যম, শ্রোতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা এর উদ্দেশ্য সহজে বুঝতে পারেন।

এই বিশেষ লোগোটি “সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ”-এর শুধুমাত্র একটি জন্মদিনের স্মারক নয়, বরং এটি আগামী দিনগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা বা অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বেতারের সোনালী দিনগুলোকে টিকিয়ে রাখার এবং ক্লাবের সমাজসেবামূলক লক্ষ্যকে এগিয়ে নেওয়ার একটি দৃশ্যমান অঙ্গীকার।

সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ-এর ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উন্মোচিত “থিম লোগো”====================১লা অক্...
29/08/2026

সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ-এর ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উন্মোচিত “থিম লোগো”
====================
১লা অক্টোবর, বেতার শ্রোতা সংগঠন “সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ”-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছর একটি বিশেষ লোগো প্রকাশ এবং সেই সাথে যে কোন বিষয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে একটি প্রতিপাদ্য/ থিম নির্বাচন করে থাকে। এবং সেই থিম/ প্রতিপাদ্যকে লক্ষ্য রেখে পরবর্তী এক বছর ক্লাবের বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। তেমনি এবার সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ-এর ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি চমৎকার লোগো ও প্রতিপাদ্য/ থিম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ বেতার-সিলেটের সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠানে এই ‘থিম লোগো’ উন্মোচন করা হয়।

সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও রেডিও অ্যাক্টিভিস্ট দিদারুল ইকবাল (S21DAL)-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বেতারের সাবেক পরিচালক ও সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মির শাহ আলম (S21MIR), বাংলাদেশ বেতার সিলেটের আঞ্চলিক পরিচালক (১) শাহজাহান জামান চৌধুরী এবং আঞ্চলিক পরিচালক (২) মো: মোমিনুর রহমান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী পরিচালক প্রদীপ চন্দ্র দাস, সহকারী পরিচালক (অনুষ্ঠান) মো: ইকবাল হোসাইন, সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক)- শাহপরান ইউনিট, সিলেটের সহ-সভাপতি মো: আফজল চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক মো: নোমান উদ্দিন রায়হান, সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক)- সিলেট সিটি ইউনিটের সভাপতি এম এ ওয়াদুদ আল মামুন, বেসরকারী সংস্থা সুবাস এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ আছলাম হোসেন প্রমুখ।

বিশেষ লোগোটি তৈরি করেছেন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও রেডিও অ্যাক্টিভিস্ট দিদারুল ইকবাল (S21DAL)।

লোগোটিতে সংগঠনের আদর্শ, রেডিওর ঐতিহ্য এবং সম্প্রীতির এক চমৎকার মেলবন্ধন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ লোগোটির ডিজাইনগত কাঠামো এবং এর পেছনের মূল উদ্দেশ্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। একটি লোগো বা প্রতীক শুধুমাত্র কিছু রঙের সমষ্টি নয়, বরং এটি সংগঠনের দীর্ঘদিনের দর্শনকে ধারণ করে।
নিচে লোগোটির উদ্দেশ্য, প্রতিটি অংশের বিশদ ব্যাখ্যা ও ডিজাইনের দর্শন তুলে ধরা হয়েছে।

লোগোর প্রধানত তিনটি উদ্দেশ্য:
(০১) ঐতিহ্য ও দীর্ঘ পথচলা উদযাপন: ১৯৯৭ সালের ১লা অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ১লা অক্টোবর পর্যন্ত দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে অলাভজনক, স্বেচ্ছাসেবী, সামাজিক, বন্ধুত্ব, তথ্য ও যোগাযোগ ভিত্তিক শ্রোতা সংগঠন হিসেবে সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ-এর সফল যাত্রাকে স্মরণীয় করে রাখা।

(০২) বেতার সংস্কৃতির প্রচার ও আধুনিকায়ন: দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল যুগেও গণমাধ্যম ও তথ্য বিনিময়ের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে রেডিওর গুরুত্ব সাধারণ মানুষের কাছে বজায় রাখা।

(০৩) আঞ্চলিক ও সামাজিক মেলবন্ধন: দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে বেতার শ্রোতা, ক্লাব সদস্য এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ও সৌহার্দ্য তৈরি করা।

লোগোর নকশা দর্শনের গভীর ব্যাখ্যা (Explanation of Design Philosophy):
লোগোর নকশা বা ডিজাইনটি খুব নিখুঁতভাবে বেশ কিছু প্রতীকী উপাদানের সাহায্যে সাজানো হয়েছে, যা বার্তাটিকে সহজে মনে রাখার মতো করে তোলে।

১. মূল আকৃতি ও রঙের ব্যবহার:
লাল ও সবুজ রঙ (জাতীয় চেতনার প্রতিফলন): বৃত্তাকার লাল অংশ এবং ভেতরে সংখ্যা প্রতীক ২ এবং ৯ এর যৌথ সমন্বয়ে অর্থাৎ ২৯ দিয়ে তৈরী বিশেষ সবুজ নকশাটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙের প্রতীক। এটি প্রকাশ করে যে, ক্লাবটি ২৯ বছর ধরে ইথার বা বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যোগাযোগ রক্ষা, তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, সংস্কৃতির আদান-প্রদান, বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্বের সেতু গড়ে তোলা, রেডিও এবং শ্রোতা ও শ্রোতা ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করা নিয়ে কাজ করলেও এর মূল চেতনা ও দেশপ্রেম বাংলাদেশে প্রোথিত।
সাদা রঙের বৃত্ত: লোগোর ভেতরের সাদা অংশটি শান্তি, পরিচ্ছন্নতা এবং নিরপেক্ষতার প্রতীক হিসেবে কাজ করছে।

২. কেন্দ্রীয় প্রতীকসমূহ:
হ্যান্ডশেক বা করমর্দন: লোগোর ঠিক মাঝখানে/ কেন্দ্রে থাকা (২৯ এর মাঝে) দুটি হাত মেলানোর দৃশ্যটি বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক ঐক্যের প্রতীক। এটি সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে, শ্রোতাদের সাথে, দেশ-বিদেশ এবং বেতারের সাথে সুদৃঢ় বন্ধন নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
রেডিও ও মাইক্রোফোন/ তরঙ্গ ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন (সার্ক লোগো): করমর্দনের ঠিক ওপরে একটি ছোট লাল বৃত্তের ভেতর সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশের মূল লোগো যুক্ত করা হয়েছে। যেখানে- রেডিও তরঙ্গের সংকেত, টাওয়ার এবং একটি মাইক্রোফোন দেখা যাচ্ছে। এটি মূলত সংগঠনের মূল ভিত্তি অর্থাৎ ‘রেডিও’ এবং এর সম্প্রচার কার্যক্রমের প্রতিনিধিত্ব করে, যা আধুনিক যুগের প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে। পাশে 'SARC' লেখাটি সংগঠনের সংক্ষিপ্ত নামকে নির্দেশ করে।

৩. প্রতিপাদ্য/ থিম:
ইতিবাচক অংশীদারিত্ব বা Positive Partnership-এর মূল বার্তা: লোগোর লাল বৃত্তের ওপরের অংশে বাংলা ও ইংরেজিতে সংগঠনের এবারের মূল প্রতিপাদ্য "POSITIVE PARTNERSHIP বা ইতিবাচক অংশীদারিত্ব" লেখা রয়েছে। এটি পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো—কোনো একক প্রচেষ্টা নয়, বরং সবাই মিলে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বেতার সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণে ভূমিকা রাখা।
সংগঠনের নাম: নিচের অংশে বড় অক্ষরে "SOUTH ASIA RADIO CLUB (SARC) BANGLADESH" লেখা রয়েছে, যা সংগঠনের পূর্ণ নামকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

৪. গুরুত্বপূর্ণ সময়কাল:
১লা অক্টোবর ১৯৯৭ – ১লা অক্টোবর ২০২৬: লোগোর সাদা অংশে সংগঠনের যাত্রার শুরুর তারিখ (১লা অক্টোবর ১৯৯৭) এবং ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর তারিখ (১লা অক্টোবর ২০২৬) উল্লেখ করা হয়েছে। এটি দেশি এবং বিদেশী বেতার ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে সংগঠনের দীর্ঘ ২৯ বছরের সফল পথচলা এবং ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

৫. সহজপাঠ্যতা ও বৃত্তাকার ভারসাম্য:
লোগোটিকে একটি নিখুঁত বৃত্তের ফ্রেমে আবদ্ধ করা হয়েছে। বৃত্তাকার নকশা চিরন্তনতা ও অবিচ্ছিন্নতার প্রতীক। বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় স্পষ্ট ফন্ট ব্যবহারের উদ্দেশ্য হলো যাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক—উভয় স্তরের বেতার কর্তৃপক্ষ, অন্যান্য গণমাধ্যম, শ্রোতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা এর উদ্দেশ্য সহজে বুঝতে পারেন।

এই বিশেষ লোগোটি “সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ”-এর শুধুমাত্র একটি জন্মদিনের স্মারক নয়, বরং এটি আগামী দিনগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা বা অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বেতারের সোনালী দিনগুলোকে টিকিয়ে রাখার এবং ক্লাবের সমাজসেবামূলক লক্ষ্যকে এগিয়ে নেওয়ার একটি দৃশ্যমান অঙ্গীকার।

রেডিও এক্টিভিস্ট দিদারুল ইকবাল (S21DAL)-এর গৌরবময় অর্জনের ঝুলিতে যুক্ত হলো স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ (সিজন-২)=====...
05/05/2026

রেডিও এক্টিভিস্ট দিদারুল ইকবাল (S21DAL)-এর গৌরবময় অর্জনের ঝুলিতে যুক্ত হলো স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ (সিজন-২)
====================

চট্টগ্রাম সন্দ্বীপের কৃতি সন্তান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক একাধিক পুরস্কারপ্রাপ্ত রেডিও এক্টিভিস্ট দিদারুল ইকবাল (S21DAL)-এর গৌরবময় অর্জনের ঝুলিতে যুক্ত হলো আরো একটি সম্মাননা। ‘খ্যাতিমান রেডিও ডিএক্সার (DXer) ও মানবাধিকার কর্মী’ ক্যাটাগরিতে এবার তিনি অর্জন করলেন “স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ (সিজন-২)”।

২৫ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, রাজধানী সেগুনবাগিচা কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচা মিলনায়তনে স্টার বাংলাদেশ মিডিয়ার প্রথম এবং বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস)-এর পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে যৌথ ভাবে আয়োজিত “স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ (সিজন-২) প্রদান ও ফ্যাশন শো সহ জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এ পদক তুলে দেওয়া হয়।

দিদারুল ইকবাল (S21DAL) অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণের কথা থাকলেও তিনি অনুষ্ঠানের আগের দিন শুক্রবার সকালে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শনিবার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল সিলেটে করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ)-তে চিকিৎসাধীন থাকায় তিনি ঢাকায় উপস্থিত হতে পারেননি। ফলে দিদারুল ইকবাল (S21DAL)-এর পক্ষে পদকটি গ্রহণ করেন সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ এর মহাসচিব নুর মোহাম্মদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্রে মার্শাল আর্টের জনক ও জনপ্রিয় অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালক ও উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মাসুকা নাসরিন রাকা, চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপন নির্মাতা জ্যাম্বস কাজলসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির চেয়ারম্যান এবং স্টার বাংলাদেশ মিডিয়ার সিইও খন্দকার আছিফুর রহমান তোতা।

দিদারুল ইকবাল-S21DAL (যিনি মোহাম্মদ দিদারুল আলম নামেও পরিচিত) একজন বাংলাদেশি সক্রিয় রেডিও ডিএক্সার ও অ্যাক্টিভিস্ট, তরুণ সমাজকর্মী এবং মানবাধিকারকর্মী। তিনি বাংলাদেশের রেডিও শ্রোতা কমিউনিটি ও অ্যাক্টিভিজম ক্ষেত্রে অত্যন্ত পরিচিত ও প্রভাবশালী নাম এবং ডিএক্সিং (দূরপাল্লার রেডিও শোনা) বিশ্বের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র।

৯০ এর দশক থেকে দিদারুল ইকবাল (S21DAL) প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত শৌখিন শখ হিসেবে রেডিও ডিএক্সিং (দূরপাল্লার রেডিও শোনা) শুরু করেন। তিনি কেবল তথ্য বা গান শোনার জন্য রেডিও ডিএক্সিং করেননা, বরং এটি বায়ুমণ্ডলের আয়নোস্ফিয়ারের আচরণ বোঝা, সিগন্যাল প্রপাগেশন স্টাডি করা এবং উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে হাজার হাজার মাইল দূরের ক্ষীণ সংকেত ধরার একটি রোমাঞ্চকর বৈজ্ঞানিক চর্চা করেন। ফলে বেতারের কারিগরি এবং এর সামাজিক প্রভাব নিয়ে গবেষণা ও লেখালেখি যা তার নেশায় পরিণত হয়েছে। তার কাছে আধুনিক ইন্টারনেটের যুগেও রেডিও ওয়েভ এবং বেতার প্রযুক্তির আবেদন আজও অনেক গভীর।

রেডিও ডিএক্সিং এর মাধ্যমে ডিএক্সার হিসেবে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রেডিও স্টেশন থেকে অসংখ্য কিউএসএল (QSL) কার্ড, সার্টিফিকেট এবং আকর্ষণীয় বিভিন্ন পুরস্কার ও উপহার অর্জন করেছেন। তিনি চীন আন্তর্জাতিক বেতার (CRI) সহ বিশ্বের বিভিন্ন নামী রেডিও স্টেশনের বাংলাদেশ চ্যাপ্টারে নিয়োগকৃত 'লিসনার্স মনিটর' বা পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার কাজ হলো ফ্রিকোয়েন্সি বা সিগন্যালের মান এবং অনুষ্ঠানের মান সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট বেতার কেন্দ্রকে রিসেপশন রিপোর্ট-এর মাধ্যমে ফিডব্যাক দেওয়া। বড় স্টেশনগুলো তাদের ভাষা সার্ভিস এবং সিগন্যালের মান ঠিক রাখতে তার মতো অভিজ্ঞ ডিএক্সারদের রিসেপশন রিপোর্টের ওপর নির্ভর করে। তিনি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (BTRC) কর্তৃক একজন লাইসেন্সধারী অ্যামেচার রেডিও অপারেটর বা হ্যাম (HAM), তার কলসাইন হলো S21DAL- সিয়েরা টু ওয়ান ডেল্টা আলফা লিমা। এর মাধ্যমে তিনি বেতার তরঙ্গে দেশি-বিদেশি হ্যামদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেন এবং কিউএসএল (QSL) কার্ড আদান-প্রদান করেন। ডিএক্সিংয়ের মতো একটি বিরল ও মেধাবী শখের প্রতি তার এই অদম্য নেশা ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়। বর্তমান স্যাটেলাইট এবং ইন্টারনেটের যুগে যেখানে এনালগ রেডিও অনেকটা হারিয়ে যেতে বসেছে, সেখানে দিদারুল ইকবাল (S21DAL) এই ঐতিহ্যবাহী মাধ্যমটিকে বাঁচিয়ে রাখতে নতুন প্রজন্মকে প্রতিনিয়ত উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছেন। এখনও তিনি রেডিওর মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান, বিশ্বসংযোগ স্থাপন, প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে সামাজিক সমস্যার সমাধান, মানবিক মূল্যবোধের প্রচার, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির কাজে গণ মানুষের কাছে এই মাধ্যমটিকে জনপ্রিয় করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। ফলে দেশি-বিদেশি বেতার কেন্দ্রগুলোর সাথে শ্রোতাদের সেতুবন্ধন তৈরিতে তার ভূমিকা তাকে এই অঙ্গনে এক কিংবদন্তী পর্যায়ে নিয়ে গেছে।

বহির্বিশ্বের রেডিও স্টেশন থেকে ডিএক্সিংয়ের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ও অভিজাত শ্রেণির পুরস্কার জয়লাভ করে অর্থাৎ রেডিও রিপাবলিক অব ইন্দোনেশিয়া (RRI) ওয়ার্ল্ড সার্ভিস- ভয়েস অব ইন্দোনেশিয়া (VOI) ও মিনিস্ট্রি অব ট্যুরিজম এন্ড ক্রিয়েটিভ ইকোনমি অব দ্য রিপাবলিক অব ইন্দোনেশিয়া থেকে “ওয়ান্ডারফুল ইন্দোনেশিয়া কুইজ ২০১২”, চীন আন্তর্জাতিক বেতার (CRI) থেকে “চীনের পর্যটন দ্বীপ হাইনান জ্ঞান যাচাই প্রতিযোগিতা ২০১২” আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়ে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ইন্দোনেশিয়া ও চীন এবং রেডিও ভেরিতাস এশিয়া (RVA)-এর আমন্ত্রণে (৫০ বছর পূর্তি সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য নির্বাচিত একমাত্র বাংলাদেশী ডিএক্সার, এটি ছিলো RVA-এর ইতিহাসে প্রথম এবং শেষ উদ্যোগ) ফিলিপাইন ভ্রমণ করেছেন দিদারুল ইকবাল (S21DAL)। একজন শ্রেষ্ঠ ডিএক্সার হিসেবে রেডিও জগতে তার যে অর্জন বাংলাদেশে আর দ্বিতীয়টি নেই। ফলে শ্রোতা জগতে তিনি ডিএক্সিং হিরো হিসেবে সর্বত্র সমাদৃত।

বহু প্রতিভার অধিকারী দিদারুল ইকবাল (S21DAL) শখের রেডিও ডিএক্সিংকে শুধু বিনোদন কিংবা সংবাদ শোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একে নির্ভরযোগ্য সামাজিক তথ্য যোগাযোগের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলেছেন। তার সৃজনশীল নেতৃত্ব এবং প্রযুক্তিবান্ধব চিন্তাধারার মাধ্যমে তিনি শতশত রেডিও শ্রোতাকে একত্রিত করে সামাজিক উন্নয়ন, তথ্য, সেবা, কল্যাণ ও সচেতনতামূলক কাজে যুক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। ১৯৯৯ সাল থেকে জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় লেখালেখির পাশাপাশি দরিদ্র, অসহায়, দুস্থ, প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনমান উন্নয়ন এবং মানবাধিকার নিয়ে কাজ শুরু করেন দিদারুল ইকবাল (S21DAL)। বিভিন্ন এনজিও, সমাজসেবা অধিদফতর, ইউএনডিপি, ইউনিসেফ ইত্যাদি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি সমাজের সকল স্তরে শিশুদের অধিকার, সুরক্ষা এবং সব ধরনের সহিংসতা রোধে জনসচেতনতা তৈরিতে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। সমাজসেবা এবং মানবাধিকার বিষয়ে লব্ধ কর্মদক্ষতা এবং বেতারের মাধ্যমে অর্জিত তথ্য বা শিক্ষাকে সমন্বয় করে সামাজিক পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার ইতিবাচক দক্ষতা দিদারুল ইকবাল (S21DAL)-কে নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে একজন আদর্শ, দূরদর্শী পথপ্রদর্শক বা মেন্টর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

একজন প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একের পর এক পুরস্কার অর্জন করে দিদারুল ইকবাল (S21DAL) সন্দ্বীপ তথা বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করে চলেছেন। রেডিও ডিএক্সিং (Radio DXing) এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় তাঁর এবারের এই পুরস্কার লাভ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

“স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ (সিজন-২)” প্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশে দিদারুল ইকবাল (S21DAL) বলেন, "এই পদক প্রাপ্তি স্রেফ একটি ধাতব স্মারক নয়; বরং, এর প্রতিটি পরতে মিশে আছে ডিএক্সিংয়ের প্রতি আমার গভীর ভালোবাসা এবং মানবকল্যাণে ব্যয় করা আমার দীর্ঘ পথচলার অজস্র নির্ঘুম রাত, নিরলস পরিশ্রম, নিষ্ঠা আর অগণিত ত্যাগের এক জীবন্ত প্রতিফলন। যা আমাকে আগামীর পথে আরও সৃজনশীল হতে প্রেরণা যোগাবে। ডিএক্সিং আমার কাছে কেবল একটি শখ নয়; এটি বিশ্বকে জানার, শোনার এবং দূর প্রান্তের মানুষের সাথে হৃদয়ের বন্ধন তৈরির এক সৃজনশীল মাধ্যম। সেই সাথে মানবকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার যে তাগিদ আমি অনুভব করেছি, এই পুরস্কারটি সেই দীর্ঘ যাত্রার প্রতিটি নির্ঘুম রাত এবং প্রতিটি ছোট-বড় সংগ্রামের সার্থক রূপ। আমি বিশ্বাস করি, যেকোনো অর্জনই একা সম্ভব নয়। তাই এই স্বীকৃতি আমি উৎসর্গ করছি সেই সকল মানুষকে, যারা পর্দার আড়াল থেকে আমাকে নিরন্তর উৎসাহ দিয়ে গেছেন এবং যাদের অনুপ্রেরণায় আমি সৃজনশীলতার নতুন নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পেরেছি। এই সম্মাননা আমার দায়িত্বকে আরও বাড়িয়ে দিল। আগামী দিনগুলোতেও যেন ডিএক্সিং এবং মানবসেবার এই ধারাকে আরও বেগবান করতে পারি-এই প্রার্থনা করি।”

দিদারুল ইকবাল (S21DAL)-এর জন্ম চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার হরিশপুর গ্রামে। তার পিতা মোহাম্মদ মানিক মিয়া, মাতা আনোয়ারা বেগম। ১ ভাই ৪ বোনের মধ্যে দিদারুল ইকবাল (S21DAL) সবার বড়। বোনেরা হলেন তাছলিমা বেগম, মুছলিমা বেগম, রিনা বেগম এবং উম্মে সালমা (মাছুমা)। তার স্ত্রী তাছলিমা আক্তার লিমা একজন গৃহিণী ও রেডিও শ্রোতা, তিনিও চীন আন্তর্জাতিক বেতার (CRI) থেকে আন্তর্জাতিক সর্বোচ্চ পুরস্কার পেয়ে ২০১৩ সালে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চীন ভ্রমণ করেছেন। তাদের এক ছেলে লাবীব ইকবাল সিলেট শাহপরানে দ্য লুমিনাস স্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত। ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর থেকে দিদারুল ইকবাল (S21DAL) তার পরিবার নিয়ে সিলেট শাহপরান বাহুবল গ্রীনল্যান্ড আবাসিক এলাকায় বসবাস করছেন।

সংবাদদাতা,
নুর মোহাম্মদ
মহাসচিব
সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ।

Address

House: 336, Section: 7, Road: 2, Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when South Asia Radio Club - SARC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to South Asia Radio Club - SARC:

Shortcuts

Share

Category