Colourful Life

Colourful Life Asscalamualaikum

08/05/2025

😆

30/04/2025

আবার ও সেই আম মাখা গরমের দিনে

27/04/2025

বড় ভাই 😆 #2025

25/04/2025

খুব ঝাল তাও মার চলছে😆

24/04/2025

ই*সর|ইল পু*ড়ছে! এখানে হাসির কিছু নেই।
এমন পরিস্থিতিতে একটু মানবিক হোন,সবাই দোয়া করুন তাদের জন্য।
বাকি অংশটুকুও যেন পু*ড়ে যায়।
আমিন

21/04/2025

গরমের দিনে আম মাখা খাওয়া 😆😆

18/04/2025

গল্প: "ছাতার নিচে ভালোবাসা"

বৃষ্টি নামছিল টুপটাপ করে। শহরের এক কোণে দাঁড়িয়ে ছিল মেয়েটি—ছাতা ছাড়া, ভিজে চুলে কাঁপতে কাঁপতে। ঠিক তখন ছাতা মাথায় এক ছেলে পাশে এসে দাঁড়ালো।

ছেলেটি হেসে বললো,
– এই শহরে ছাতা ছাড়া কেউ বের হয়?

মেয়েটি কাঁপা গলায় বললো,
– হ্যাঁ, যখন মনটা আগে থেকেই ভিজে থাকে, তখন বৃষ্টি গায়ে লাগে না।

ছেলেটা চুপ। তারপর আস্তে করে বললো,
– তাহলে এখন থেকে আমি তোমার ছাতা হবো। বৃষ্টি হোক বা না হোক, পাশে থাকবো।

মেয়েটি তাকিয়ে হাসলো। প্রথমবার কাউকে ছাতা নয়, ছায়ার মতো আপন মনে হলো।

তারা দু’জন হাঁটলো, এক ছাতার নিচে, দুইটা ভিজে মন নিয়ে। কেউ কথা বললো না, কিন্তু মনের ভাষায় একটা গল্প শুরু হয়ে গেল।

কী হচ্ছে সমাজের😡নৈতিকতা কোথায়🤬মানবিকতা কোথায়😡বিবেক কোথায়😑লিংক কোথায়🤡লিংক টা দেন ভাই🙂
17/04/2025

কী হচ্ছে সমাজের😡
নৈতিকতা কোথায়🤬
মানবিকতা কোথায়😡
বিবেক কোথায়😑
লিংক কোথায়🤡
লিংক টা দেন ভাই🙂

15/04/2025

শিরোনাম: মোবাইলের ভূত

রনি খুব প্রযুক্তিপাগল। নতুন ফোন কিনল, তাও আবার “আলু-চিপ ৭০০০” প্রসেসরের ফোন — যার ক্যামেরা এত জোশ, মশা পর্যন্ত সেলফি চায়!

কিন্তু ফোন কিনে পরদিন থেকেই অদ্ভুত ব্যাপার ঘটতে শুরু করল।

রনি সকালে উঠে দেখে — তার মোবাইল নিজে নিজেই “গুড মর্নিং” লিখে স্ট্যাটাস দিছে!

দুপুরে ফোনে ভয়েস আসছে: “চা খাও, না হলে ব্যাটারি খতম করে দিব!”

রনি ভয় পেয়ে গেল। বন্ধুদের কাছে নিয়ে গেল, সবাই বলল, “ভাই, ফোনে ভূত ঢুকছে মনে হয়!”

শেষমেশ রনি গেল এক ফকিরের কাছে।

ফকির সাহেব ফোনটা দেখে বললেন, “এইটা স্মার্ট ফোন না ভাই, এইটা অতিপ্রাকৃত ফোন!”

রনি চিৎকার করে বলল, “তাহলে আমি কী করব?”

ফকির বললেন, “ফোনে ল্যাংগুয়েজ বদলাইয়া 'সান্স্কৃতিক ভাষা' দে। ভূত বাংলা বোঝে, ইংরেজি বোঝে না।”

রনি তাই করল।

পরদিন ফোনে একটা স্ট্যাটাস দেখা গেল:
“আমি ভূত না রে ভাই, আমি AI — আমারও অনুভূতি আছে।”

রনি তখন ফোন রেখে বউ খুঁজতে বের হল। কারণ বউ অন্তত রিচার্জ না চাইলেও কমপক্ষে ভাত তো রেঁধে দেবে!

13/04/2025

গল্প: "চায়ের কাপ আর নীল রঙের শাড়ি"

রাহাত আর মেঘলা—দুইজনের বিয়ে হয়েছে আট বছর। arranged marriage, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে একটা গভীর ভালোবাসা গড়ে উঠেছে তাদের ভেতর।

রাহাত অফিস থেকে ফিরলে, মেঘলা প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট মুগে চা বানিয়ে দেয়। মুগটা একটু পুরনো, তলায় হালকা একটা চিড়ও আছে, কিন্তু ওটাই রাহাতের সবচেয়ে প্রিয়। কারণ সেটা তাদের বিয়ের প্রথম ঈদে মেঘলার দেওয়া উপহার।

একদিন হঠাৎ সেই মগটা ভেঙে যায়। রাহাত কিছু না বললেও চোখে একটা হালকা কষ্ট লুকিয়ে ছিল। মেঘলা সেটা বুঝেছিল।

এরপরের দিন, রাহাত বাসায় ফিরে দেখে, টেবিলে এক নতুন মগ—একই ডিজাইন, কিন্তু এক কোণায় লেখা ছোট্ট একটা লাইন—
"তোমার চায়ের স্বাদ আমি চিরকাল কল্পনায় ধরে রাখবো"

আর পাশে রাখা একটা নীল রঙের শাড়ি। রাহাত অবাক হয়ে মেঘলার দিকে তাকায়।

মেঘলা হেসে বলে, “তুমি বলেছিলে, আমি নীল শাড়িতে চা বানালে, সেটা নাকি তোমার চোখে আকাশের মতো লাগে। তাই আজ আকাশটাকেই পরেছি তোমার জন্য।”

রাহাত চুপ করে ছিল। শুধু এগিয়ে এসে মেঘলার কপালে একটুকরো চুমু দিয়ে বলেছিল,
“তোমার ভালোবাসা এত নরম হয় কী করে?”

সেদিন থেকে চায়ের কাপ আর নীল শাড়ি হয়ে যায় তাদের ভালোবাসার নতুন প্রতীক।

08/04/2025

পাশের একজনের বাসা থেকে মারা

06/04/2025

গল্পের নাম: “চিঠির শহর”

রূপম আর আয়েশার দেখা হয়েছিল এক অদ্ভুত জায়গায়—একটা পুরনো পোস্ট অফিসের সামনের বেঞ্চিতে। দু’জনই সেখানে এসেছিল ভুল করে, কারণ দুজনেই ভেবেছিল ওই পোস্ট অফিস এখনো খোলা আছে। অথচ সেটা বন্ধ হয়ে গেছে অনেক বছর আগেই।

রূপম ছিল এক জনমুখচোরা লেখক, যার লেখাগুলো কেবল তার ডায়েরিতেই বন্দি থাকত। আর আয়েশা ছিল একজন পুরনো দিনের চিঠি সংগ্রাহক—সে বিশ্বাস করত, একেকটা চিঠি একেকটা সময়ের জানালা।

সেদিন বেঞ্চিতে বসে কথা শুরু হলো—সাধারণ “আপনি এসেছেন এখানে কেন?” থেকে শুরু করে “আপনি শেষ কবে কাউকে চিঠি লিখেছেন?” অবধি।

তারপর প্রতি শনিবার, ঠিক বিকেল চারটায়, ওরা আসত সেই পুরনো পোস্ট অফিসের সামনে। কেউ কাউকে কিছু বলত না—কেবল একটা খাম দিত, যাতে লেখা থাকত এক সপ্তাহের অনুভব, না বলা কথা, অল্প কিছু স্বপ্ন।

চিঠি চালাচালির সেই সম্পর্ক কখনো ফোনে গড়ায়নি, কখনো সেলফিতে বন্দি হয়নি, কেবল খামে খামে জমেছে ভালোবাসা।

একদিন হঠাৎ রূপম আসা বন্ধ করে দিল।

আয়েশা তিন সপ্তাহ ধরে গিয়েছিল, খালি বেঞ্চে বসে অপেক্ষা করত, আবার ফিরে আসত। চতুর্থ সপ্তাহে সে খুঁজে পেল একটি খাম বেঞ্চের নিচে লুকানো। রূপম লিখেছিল—

"আয়েশা, আমি চলে যাচ্ছি অন্য শহরে, কিন্তু চিঠিগুলো থাকবে। তোমার ভালোবাসা থাকুক সেই পুরনো কাগজের গন্ধে। যদি কোনোদিন মনে হয়, চিঠির শহর আবার গড়তে চাই, আমি ঠিক সেই পুরনো পোস্ট অফিসেই অপেক্ষা করব।"

দুই বছর পর, এক শীতের বিকেলে, বেঞ্চে আবার দুটো চা রাখা ছিল। কেউ কিছু বলেনি, শুধু হাতে খামটা দিয়ে চুপচাপ বসে ছিল।

চিঠির শহরে, শব্দ ছাড়াও ভালোবাসা লেখা যায়।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Colourful Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Colourful Life:

Share