09/06/2026
ভাইরে ভাইরে!! হাসনাত আবদুল্লাহ উনার এলাকার জুনিয়র লেভেলের বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৫৩ জন বাচ্চাকে নিয়ে সোজা হাজির হয়ে গেলেন জাতীয় সংসদে। শুধু ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য না, লাইভ সংসদ অধিবেশন দেখানোর জন্য!
আজকে যে বাচ্চাটা দেবিদ্বারে বসে দেখল তার ক্লাসের ফার্স্ট বয় বা ফার্স্ট গার্লটা ঢাকায় গিয়ে সংসদ ভবন ঘুরে আসলো, তার মনের ভেতর কী চলবে ভাবেন? পরেরবার যখন সে পড়তে বসবে, তার মাথায় জাস্ট একটা জিনিসই ঘুরবে, পরেরবার ওই সিটটা আমার চাই-ই চাই।
পড়াশোনার এমন পজিটিভ কম্পিটিশন আর কোনোদিন কেউ তৈরি করতে পারছে?🥰
সবচেয়ে জোস লাগছে উনার মুখের একটা কথা। উনি বাচ্চাদের ডিরেক্ট বলছেন,এই সংসদ নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীর জায়গা না। যোগ্যতা থাকলে তোমরাও একদিন এখানে বসবা।
বাচ্চাদের মগজে ছোটবেলা থেকেই ঢুকিয়ে দেওয়া হলো যে, পলিটিক্স মানেই মা** মা** বা গডফাদারদের খেলা না; তুমি যদি যোগ্য হও, তুমিও দেশের ভাগ্য পরিবর্তন করার চেয়ারটায় বসতে পারো।
এক পিচ্চি যখন উনাকে প্রশ্ন করল, তখন হাসনাত আব্দুল্লাহর রিপ্লাইটা ছিল অনেক ইন্সপায়ারিং! উনি বললেন, আজ তোমরা ওপরের সারিতে দর্শক হিসেবে বসে আছো তো কী হইছে? কাল তোমাদের মধ্যেই কেউ কেউ নিচের সারিতে এমপি হিসেবে বসবা।
ভাইরে ভাই! চিন্তা করে দেখেন, এই ১৫৩টা বাচ্চার লাইফটাইম মেমোরি হয়ে গেল এটা। এরা যখন বড় হবে, এদের কনফিডেন্স লেভেলটা কোন লেভেলে থাকবে? এরা আর যা-ই হোক, জীবনে কখনো নিজেদের ছোট ভাববে না।
নেতা তো অনেকেই হয়, কিন্তু হাসনাতে মতো লিডার কয়জন হতে পারে? হাসনাত আব্দুল্লাহ ঠিক এই জায়গাতেই বাকিদের চেয়ে আলাদা হয়ে গেলেন।
এই ধারাটা জাস্ট চলতেই থাকুক। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এভাবেই স্বপ্নের সীমানাটা বড় করতে শেখানো উচিত।
স্যালুট, এমপি সাহেব! 🫡