Sayfan Shamim

Sayfan Shamim “রূপ দেখে তো সবাই প্রেমে পড়ে, কিন্তু সত্যিকারের প্রেমিক সে-ই, যে আপনার চরিত্র এবং ব্যক্তিত্বকে শ্রদ্ধা করতে জানে।” 🥀(Surjina)

12/08/2026
খাবারের অভাবে শুকিয়ে শুকিয়ে মা**রা যাচ্ছে এক অসহায় পরিবার! কত দিন ধরে মাছ-ভাত খায়নি, তা ভুলে গেছে। জমি থেকে শাক তুলে আনে...
11/08/2026

খাবারের অভাবে শুকিয়ে শুকিয়ে মা**রা যাচ্ছে এক অসহায় পরিবার! কত দিন ধরে মাছ-ভাত খায়নি, তা ভুলে গেছে। জমি থেকে শাক তুলে আনে, আর সেই শাক সেদ্ধ করে খেয়ে বেঁচে আছে। কিন্তু তাদের শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে, কখন জানি মা**রা যায় তারা! নিজের ঘরবাড়ি কিছুই নেই; চরে খড়কুটো দিয়ে বানানো একটি জরাজীর্ণ ঘরে থাকেন অসহায় বোনটি, তাঁর বাবা, ছেলে ও স্বামী।

ঘরটি অসহায় বোনটির বাবার। তাদের জীবনের অন্ধকারের মতোই ঘরে নেই বিদ্যুৎ। অসহায় বোনটি বলেন, ‘চাল-ডালই কিনতে পারি না, আবার বাচ্চাকে খাওয়াব কী দিয়ে?’ বোনটির মুখের দিকে তাকালেই বোঝা যায়, তারা না খেয়ে খেয়ে কতটা শুকিয়ে গেছে! ছোট্ট শিশুটি ক্ষুধার জ্বালায় ছটফট করছে, কিছুক্ষণ পর পর শুধু পানি খাচ্ছে। কিন্তু সে তো বোঝে না যে পানি খেয়ে পেটের ক্ষুধা মিটবে না।

আমি এত পোস্ট করেছি, কিন্তু এত কষ্টে থাকা মানুষ কোথাও দেখিনি! বলার মতো ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না; শিশুটির মুখের দিকে তাকালে কতটা মায়া আর কষ্ট লাগছে, তা নিজের বুকের মধ্যে অনুভব করছি, কিন্তু বোঝাতে পারব না।

এক হাতে জীবনের হাল অন্য হাতে সন্তানের ভবিষ্যৎ। কোলজুড়ে ছোট্ট শিশুকে নিয়ে ভাড়ার রিকশা চালিয়ে জীবনযুদ্ধ করছেন এক সংগ্র...
10/08/2026

এক হাতে জীবনের হাল অন্য হাতে সন্তানের ভবিষ্যৎ। কোলজুড়ে ছোট্ট শিশুকে নিয়ে ভাড়ার রিকশা চালিয়ে জীবনযুদ্ধ করছেন এক সংগ্রামী মা। তিনি বলেন বাচ্চাকে নিয়ে রিকশা চালাই না চালালে খাব কী? ভিক্ষা করতে খুব লজ্জা লাগে। তাই কষ্ট হলেও পরিশ্রম করেই বাঁচতে চাই।

সংসারের অভাব, সন্তানের মুখে দু'মুঠো খাবার তুলে দেওয়ার দায় আর নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে শিশুকে সব সময় নিজের সঙ্গেই রাখতে হয়। সারাদিন রিকশা চালিয়ে যা আয় হয়, তার মধ্যে প্রতিদিন ৬০০ টাকা রিকশার ভাড়া দিতে হয়। সব খরচ শেষে বাচ্চার খাবারের জন্য মাত্র ২০০–৩০০ টাকা থাকে।

তিনি জানান,আমার কোনো ঘর নেই। অনেকের কাছে গিয়েছি, অনেক অনুরোধ করেছি, কিন্তু কেউ থাকার জন্য একটা ঘরের ব্যবস্থা করে দেয়নি। তাই রাতে দোকানের সামনে বা রাস্তায় থাকতে হয়। সারাদিনের ক্লান্তির পরও ঠিকমতো বিশ্রাম নিতে পারি না। সব সময় বাচ্চাকে নিয়ে ভয় লাগে কখন চুরি হয়ে যাবে বা হামাগুড়ি দিয়ে রাস্তায় চলে যাবে।

তিনি আরও বলেন আমার স্বামী এক লাখ টাকার ঋণ করে আমাকে ফেলে চলে গেছে। পরে জানতে পারি, তার আরেকটি স্ত্রীও আছে। সে নে/শা করত এবং একসময় একটি অটোরিকশা চুরি করে পালিয়ে যায়। তখন আমি অসহায় হয়ে পড়ি। একবার ভিক্ষা করার কথাও ভেবেছিলাম, কিন্তু লজ্জায় পারিনি। তাই ভাড়ার রিকশা চালানো শুরু করি।

কষ্টের মধ্যেও তিনি স্বপ্ন দেখেন আমি চাই আমার মেয়েটা হাফেজি পড়ুক, ইসলামের পথে বড় হোক। আমি কুরআন পড়তে পারি না, কিন্তু জানি ইসলাম শান্তির ধর্ম আমার মেয়ে যেন একদিন বুঝতে পারে তার মা কত কষ্ট করে তাকে মানুষ করেছে।

তার একটাই আবেদন আমাকে শুধু একটি নিরাপদ আবাসস্থানের ব্যবস্থা করে দিন, যাতে আমি আমার সন্তানকে নিয়ে নিরাপদে থাকতে পারি।

অভাবের সংসারে দু'মুঠো ভাতের জন্য প্রতিদিনই চলছে এই সংগ্রামী মায়ের নিরন্তর জীবনযুদ্ধ।

সবাই বেশি করে শেয়ার করে দিবেন প্লিজ 🙏🙏

মাথার চুল বিক্রি করে সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন এক অভাগী মা। আবার সেই চুল বিক্রির টাকাতেই পরিশোধ করেছেন ঘর ভাড়া।...
10/08/2026

মাথার চুল বিক্রি করে সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন এক অভাগী মা। আবার সেই চুল বিক্রির টাকাতেই পরিশোধ করেছেন ঘর ভাড়া।
স্বামী নেই, নেই নিজের ঘর কিংবা জমি। দুই সন্তানকে নিয়ে এখন রেললাইনের পাশে খোলা আকাশের নিচে দারিদ্র্যের চরম নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি কাটছে বাগেরহাটের রেহেনা খাতুনের দিন-রাত।
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামে খুলনা-মংলা রেললাইনের পাশেই এখন রেহেনার ঠিকানা। নেই কোনো স্থায়ী আবাসন, নেই বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচার উপায়। স্থানীয়দের সহায়তায় বাঁশের খুঁটি দিয়ে একটি ঘরের কাঠামো দাঁড় করালেও, অর্থভাবে টিন বা বেড়া দিতে পারেননি তিনি। ফলে রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়েই দুই সন্তানকে নিয়ে খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবন কাটছে তার। একসময় একটি ঝুপড়ি ঘরে ভাড়া থাকলেও, ৫০০ টাকা ভাড়া দিতে না পারায় সে আশ্রয়টুকুও হারাতে হয়েছিল তাকে।
ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েনে পাশে নেই স্বামী, নেই কোনো মাথা গোঁজার ঠাঁই। তাই সন্তানদের নিয়ে পথে পথে ঘুরে মানুষের দ্বারে দ্বারে হাত পাততে বাধ্য হন এই অসহায় নারী। খাবারের জন্য মানুষের কাছে সাহায্য চেয়েও সবসময় সহায়তা মেলে না। অনেক সময় ছোট ছোট সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতে না পেরে অসহায় হয়ে পড়েন তিনি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে রেহেনা জানান, তখন নিরুপায় হয়েই ১,০০০ টাকায় নিজের মাথার চুল বিক্রি করেছেন। এর অর্ধেক টাকা বাড়িওয়ালাকে দিয়ে ঘরভাড়া পরিশোধ করেছেন, আর বাকি টাকা দিয়ে সন্তানদের জন্য খাবার কিনেছেন। এখন তার একটাই আকুতি, সরকার ও সমাজের বিত্তবান মানবিক মানুষরা যেন তার দুই সন্তানকে নিয়ে নিরাপদে বেঁচে থাকার জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা করে দেন।
রেহেনার এই অসহায়ত্ব দেখে ব্যথিত স্থানীয়রা। অসহায় এই পরিবারটির পাশে যেন সমাজের মানবিক মানুষরা এগিয়ে আসেন, তার জন্য তাদের আহ্বান জানান তারা।
রেহানা খাতুনের সাথে যোগাযোগের নম্বর:
01934868927🙏🙏

আহা কি নির্মমতা, একজন মানুষ কিভাবে এতটা পাষান, হিংস্র হতে পারে 😭 ৯ টি প্যাকেটে মোড়ানো ছবিটি দেখে মনে হতে পারে এগুলো গরু...
09/08/2026

আহা কি নির্মমতা, একজন মানুষ কিভাবে এতটা পাষান, হিংস্র হতে পারে 😭
৯ টি প্যাকেটে মোড়ানো ছবিটি দেখে মনে হতে পারে এগুলো গরুর মাংস। কিন্তু কথা হচ্ছে এগুলো মাংস ঠিকই তবে গরুর না। এগুলো হচ্ছে আস্ত মানুষের মাংস 😭😭

৫০০ টাকা ঘরভাড়া দিতে না পারায় হারিয়েছেন মাথা গোঁজার ঠাঁই। দুই সন্তানকে নিয়ে এখন রেললাইনের পাশে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটছ...
08/08/2026

৫০০ টাকা ঘরভাড়া দিতে না পারায় হারিয়েছেন মাথা গোঁজার ঠাঁই। দুই সন্তানকে নিয়ে এখন রেললাইনের পাশে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটছে রেহানা খাতুনের।

সন্তান দুটির মাথার ওপর একটু নিরাপদ ছাদ জোটাতে শেষ পর্যন্ত নিজের মাথার চুলও বিক্রি করতে হয়েছে তাকে। একজন মায়ের কাছে নিজের চুলের চেয়েও সন্তানের নিরাপত্তা যে কতটা মূল্যবান—রেহানার জীবন যেন তারই নির্মম বাস্তব উদাহরণ।

দারিদ্র্য মানুষকে কতটা অসহায় করে দিতে পারে, এই ঘটনা তারই এক বেদনাদায়ক চিত্র। রেহানা ও তার দুই সন্তানের জন্য প্রয়োজন নিরাপদ একটি আশ্রয় এবং মানবিক সহযোগিতা।

একটি পরিবার যেন শুধু ৫০০ টাকার অভাবে খোলা আকাশের নিচে না থাকে—এটাই হোক আমাদের মানবিক আবেদন। ❤️

ঠিকানাঃ বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার সন্তোষপুর গ্রাম।

#রেহানা_খাতুন #মায়ের_ত্যাগ #মানবিকতা #অসহায়_মা #দুই_সন্তান #নিরাপদ_আশ্রয় #মানবতার_জন্য #সহযোগিতার_আহ্বান #বাংলাদেশ

মায়ের অভাব যে কতটা ভারী, তা আজ ৪র্থ শ্রেণির মরিয়মের কাঁধ দেখলে বোঝা যায়... 💔মাত্র ৫ বছর আগে বাবাকে হারিয়েছিল ছোট্ট ম...
08/08/2026

মায়ের অভাব যে কতটা ভারী, তা আজ ৪র্থ শ্রেণির মরিয়মের কাঁধ দেখলে বোঝা যায়... 💔
মাত্র ৫ বছর আগে বাবাকে হারিয়েছিল ছোট্ট মরিয়ম। তখনো মা ছিলেন মাথায় ছাদ হয়ে, বুকে আগলে রেখেছিলেন দু’টি সন্তানকে। কিন্তু মাত্র ২২ দিন আগে সেই আশ্রয়টুকুও কেড়ে নিলো নিষ্ঠুর নিয়তি। এক লহমায় এতিম হয়ে গেল দুটো অবুঝ প্রাণ।

যে বয়সে সহপাঠীদের সাথে হেসে-খেলে আর বই-খাতা নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা, সেই বয়সে অবুঝ ছোট ভাইটির মুখে দু'বেলা একমুঠো ভাত তুলে দেওয়ার চিন্তায় ঘুম আসে না মরিয়মের। মায়ের শূন্যতা আর অভাবের তীব্র কষ্টের কথা বলতে গিয়ে সাংবাদিকদের সামনে আর চোখের জল ধরে রাখতে পারেনি এই ছোট্ট মেয়েটি। তার অঝোর কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছিল চারপাশের বাতাস।

মা নেই মানে তো বাড়ি ফেরার তাগিদ দেওয়ার কেউ নেই, বুকে টেনে নিয়ে সব কষ্ট ভুলিয়ে দেওয়ার মতো কেউ নেই। আজ এই ছোট্ট বয়সেই জীবনের সবচেয়ে নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি তারা।

হে আরশসমূহের মালিক আল্লাহ! এই অসহায় ও এতিম দুই ভাই-বোনের কষ্টের দিনগুলো তুমি সহজ করে দাও। মরিয়ম ও তার ছোট ভাইটির রহমতের ব্যবস্থা করে দাও, তাদের হেফাজত করো। 🤲💔

(আসুন, আমরা যার যার অবস্থান থেকে এই নিষ্পাপ শিশু দুটির পাশে দাঁড়াই এবং তাদের জন্য দোয়া করি।)

゚

Address

Dhaka
1130

Telephone

+8801620727321

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sayfan Shamim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sayfan Shamim:

Shortcuts

Share