S.R. Channel

S.R.  Channel "সময় প্রতি মুহূর্তে কিছু না কিছু শিক্ষা দিয়ে যায় "

"Time teaches us something every moment."

28/12/2025

ওরা যাতে রিচ ডাউন করে দিতে না পারে,
তাই পোস্ট সামনে পড়লে রেসপন্স করবেন ইনশাআল্লাহ।

এই ছবিটা ভালো করে দেখুন—এটাই আজকের শাহবাগ।হাজার হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে আছে হাদির ন্যায়বিচারের দাবিতে। কাউকে ভাড়া করে আনা হ...
26/12/2025

এই ছবিটা ভালো করে দেখুন—এটাই আজকের শাহবাগ।
হাজার হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে আছে হাদির ন্যায়বিচারের দাবিতে। কাউকে ভাড়া করে আনা হয়নি, কোনো প্যাকেট বিতরণ হয়নি—মানুষ এসেছে নিজের বিবেকের ডাকে। কারণ মানুষ বুঝে গেছে, দেশে এখন আর নিয়ম চলে না—চলে দাদাবাবুদের দাপট।

এখন প্রশ্নটা সোজা—দেশটা কার কন্ট্রোলে?
এমন অবস্থা যে অনেকেই বলছে, “ড. ইউনুসও কি সত্যিই কন্ট্রোলে আছেন?”
কারণ বাস্তবতা বলছে—কন্ট্রোল অন্য জায়গায়, যেখানে আইন কথা বলে না, দাদাবাবুদের দাপট চলে

এখন যদি এখান থেকেই সতর্ক না হন, তাহলে জুলাইয়ের বিপ্লবে যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, তাদেরকে একে একে নিষ্ক্রিয় করা হবে। আজ পোস্ট উধাও, কাল পেজ উধাও, পরশু বিপ্লবীরাও উধাও—এই হচ্ছে ধাপে ধাপে প্ল্যান। তাই এই প্রতিবাদ থামানো যাবে না। থামালেই তারা বুঝে নেবে—“ভয় পাইছে, ঘরে ঢুকছে।”

হাদির ওপর হামলার বিচার না হলে মনে রাখবেন—আর কারও বিচার হবে না। যাকে খুশি তুলে নিয়ে যাবে, কেউ কিছু করতে পারবে না। ২দিন আগে ২০ বছেরের জুলাই অগ্নি কন্যা নাম খেতো এক মেয়েকে বাসা থেকে নিয়ে গেছে, সে নাকি চাঁদা বাজি করছে আর ওয়াকের বিরুদ্ধে বলছে, আপনার পালা এলে পাশে তাকিয়ে দেখবেন—ভিড় আছে, কিন্তু পাশে কেউ নাই।

আর হাদিকে কে টেকডাউন করল—এটা নিয়ে গোয়েন্দাগিরির দরকার নাই। সোজা হিসাব:
হাদির ভিডিও প্রধান উপদেষ্টার পেজ থেকেও উধাও।
হাদিকে নিয়ে যত কনটেন্ট—সব ক্লিন।
মানে যারা এই কাজ করছে, তারা এমন লেভেলে যে প্রশ্ন করলেই আপনাকেও থামিয়ে দেওয়া হবে

আসিফ মাহমুদের ৩ মিলিয়ন ফলোয়ারের পেজ উধাও, বড় বড় পেজ উধাও।
আর যে লোক হাদিকে মারতে লেগেছিল, তার অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার লেনদেন—কিন্তু ব্যাংক নাকি “কিছুই দেখেনি”!
আমরা ৫০ লাখ ঘোরালেই ব্যাংক ফোন দেয়, আর দাউদ ফয়সালের অ্যাকাউন্টে ১৬৭ কোটি টাকা লেনদেন হয়, অথচ ব্যাংক থেকে কোনো ধরনের প্রশ্নই তোলা হয় না! এবার বুঝছেন, খেলা কোন লেভেলে চলছে?
এতেই বোঝা যায়—খেলা এমন জায়গায় গেছে, যেখানে সরকারের হাতও ছোট।

ইনকিলাব মঞ্চ এখন স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছে—তারা থামবে না।
আজ রাতেও সিটিং চলবে, কাল থেকে আরও বড় হবে। সামনে ৩ জানুয়ারী জামাতের নেতৃত্বে জোটদের নিয়ে মহাসমাবেশ—সব মাথায় রাখুন। এখন কিছু না করলে পরে আফসোস করার সুযোগও থাকবে না।

আর তুলনা দেখুন—ডেইলি স্টার বা প্রথম আলোর ঘটনায় ১২ ঘণ্টায় গ্রেফতার হয় ৩৩ জন।
আর হাদির ঘটনায় দিন পেরোয়, সপ্তাহ পেরোয়—কেউ ধরা পড়ে না।
এখন আবার প্রশ্ন—নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

১৭ বছরেও হাসিনার আমলে ইলিয়াসের পেইজ বন্ধ হয়নাই, আর এখন তার পেইজ নাই, বাংলাদেশ থেকে তার কনটেন্ট দেখা যায় না, আর এখন বড় বড় পেজ উধাও। আপনি আমি তো তাদের কাছে মশার মতো।

একটা জিনিস চিন্তা করুন—খালেদা জিয়া যখন সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন, তখন তারেক জিয়া আসতে পারেননি। তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তিনি বলেছিলেন, “এটা আমার হাতে নেই।” এখন প্রশ্ন হলো, এই দুই সপ্তাহে এমন কী হলো যে এখন তারেক জিয়া আসতে পারলেন? যেদিন তিনি ল্যান্ড করলেন, দেখলেন ৩০০ ফিট এলাকায় সেনাবাহিনী, পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজারের মতো লোক তাকে ঘিরে নিরাপত্তা দিচ্ছে। এত সিকিউরিটি যদি এখন দেওয়া যায়, তাহলে খালেদা জিয়া সংকটে থাকার সময় দেওয়া যেত না? তখনো তো তিনি আসতে পারতেন! কিন্তু না, তিনি আসেননি, কারণ তখন হয়তো কোনো ডিল হয়নি। এখন ডিল ফাইনাল হয়ে গেছে বলেই তিনি আসতে পারছেন। বোঝাই যাচ্ছে, ভেতরে কী ডিল হয়েছে। তখন যদি একই সিকিউরিটি দেওয়া যেত, তাহলে তখন আসতে সমস্যা ছিল না। আর তখন তিনি বলেছিলেন নিয়ন্ত্রণ তার হাতে নেই—এখন কীভাবে এই নিয়ন্ত্রণ ফিরে এলো? এটা ভেবেই দেখুন।

চোখ বন্ধ করে ভাবলেই সব পরিষ্কার।
আজ হাদির পালা, কাল আপনার পালা—এই সাইকেলটাই চলছে।
কন্ট্রোল এখন সরকারের হাতেও নেই

তাই এখনই আওয়াজ তুলুন।
আমরা কমরেড—হার মানার জন্য না।
যেখানে কণ্ঠ আছে, সেখান থেকেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠবে।
এই সুযোগ হাতছাড়া করলে, পরে আর সুযোগ থাকবে না।

ভাড়া করে যদি লোক আনাই হলো,তাহলে প্রতিদিন দূর দূরান্ত থেকে  শহীদ হাদির কবর যিয়ারত করতে কারা আসছে: ঢাবি শিক্ষিকা শেহেরিন আ...
26/12/2025

ভাড়া করে যদি লোক আনাই হলো,তাহলে প্রতিদিন দূর দূরান্ত থেকে শহীদ হাদির কবর যিয়ারত করতে কারা আসছে: ঢাবি শিক্ষিকা শেহেরিন আমিন ভুঁইয়া

মু আ হা ইবনে জালাল
সহকারী অধ্যাপক

বিএনপি নেত্রী সাবেক সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি শহীদ ওসমান প্রসঙ্গে বলেছিলেন হাদি আমাার কাছে একজন গুরুত্বপূর্ন গিনিপিগ ছাড়া আর কিছুই নয়।তিনি আব্দুর নূর তুষারের টকশোতে আরো বলেছিলেন,হাদির জানাজায় এতো লোক ভাড়া করে আনা হয়েছে।

এরই জবাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচনে আলোচিত শিক্ষক শেহেরিন আমিন ভুঁইয়া ফেসবুক বার্তায় বলেন,

আমার ভাই কে গিনিপিগ বললেন,
বললেন, ভাড়া করে লোক আনা হয়েছে জানাজায়....

ভাড়া করে যদি লোক আনাই হলো, তাহলে প্রতিদিন দুর দুরান্ত থেকে শহীদ হাদির কবর যিয়ারাত করতে কারা আসছে? কেন আসছে??

ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকছে, একটা বার ভিতরে ঢুকার জন্য কান্নায় ভেঙে পরছে, আমাদের সিকিউরিটি টিম এই মানুষ গুলোর আবেগ সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে, আমাদের কল দিচ্ছে।

আমাদেরও মায়া লাগছে, এতো ভালোবাসা , এতো মায়া মানুষের!! আমরা তো সিকিউরিটির দায়িত্বে , আমাদের না চাইতেও কঠোর হতে হচ্ছে। সবাইকে ঢুকতে দিতে পারছিনা, কিন্তু তাই বলে কেউ চলে যাচ্ছে না। গ্রিল ধরে কান্না করছেন, দোয়া করছেন... আমাদের শহীদ ভাই এর জন্য।

তাই,আপনারা এসব কথা বলার আগে ভেবে চিন্তে, বলিয়েন। এসব বিবেকহীন কথায় আমার ভাই শহীদ হাদির প্রতি ভালোবাসা এক বিন্দুও কমবে না, তবে আপনাদের প্রতি মানুষের ঘৃণা ঠিকই জন্মাবে , জন্মাচ্ছে।

😍জিএস ফরহাদ এর বিয়েতে আমিরে জামায়াতের ৩টি উপদেশ😍 💕💕সবাইকে পড়ার অনুরোধ💕💕ফরহাদ ভাইয়ের আকদ সম্পন্ন হলো আজ। জামায়াতে ইসলামের...
25/12/2025

😍জিএস ফরহাদ এর বিয়েতে আমিরে জামায়াতের ৩টি উপদেশ😍
💕💕সবাইকে পড়ার অনুরোধ💕💕

ফরহাদ ভাইয়ের আকদ সম্পন্ন হলো আজ। জামায়াতে ইসলামের আমীর তার বক্তব্যে শহীদ হাদী ভাইয়ের জন্য দোয়া করলেন এবং ফরহাদ ভাইকে তিনটা উপদেশ দিলেন।

১. মা-বাবাকে কখনো মনে করবা না তোমার সাথে থাকে। বরং তুমিই তোমার মা-বাবার সাথে থাকবে৷

২. আজকে যেই নারীকে তুমি নিকাহ করলে তাকে তার মা দীর্ঘদিন গর্ভে ধারণ করেছে; তাকে জন্ম দিয়েছে। বুকে আগলে বড়ো করেছে, শিক্ষিত করেছে। সে তার পরিবারের সেবা করেনি, তার পরিবারই এতোদিন তাকে সেবা করে এসেছে। আজ সে বিকশিত। এখন তার সময় তার পরিবারকে সেবা করার৷ কিন্তু এই সময়ে তার পরিবার তাকে তুলে দিচ্ছে তোমার হাতে৷ তাকে সর্বোচ্চ সম্মান করবা, ভালোবাসবা৷ তার ইজ্জত-আব্রুর খেয়াল রাখবা। দায়িত্ব তোমার।

৩. শ্বশুর-শ্বাশুড়ি, বাবা-মায়ের সম্মান করবা৷ বাবা-মায়ের হকের প্রতি সর্বোচ্চ খেয়াল রাখবা৷ তবে খেয়াল রাখবা বাবা-মায়ের হক আদায় করতে গিয়ে স্ত্রীর প্রতি অবিচার না হয়ে যায়। দুটোর মধ্যে ব্যালেন্স করবা৷

আমার মনে অল্প কথায় মোটামুটি করণীয় সংক্রান্ত মৌলিক ব্যাপারগুলো চলে এসেছে তার বক্তব্যে। খুবই ব্যালেন্সড বক্তব্য।

হাদী ভাই সবসময় বলতেন আমি মরে গেলে আমার সন্তানকে দেইখেন। একজন বাবার কাছে সবচেয়ে প্রিয় হল তার সন্তান।
20/12/2025

হাদী ভাই সবসময় বলতেন আমি মরে গেলে আমার সন্তানকে দেইখেন। একজন বাবার কাছে সবচেয়ে প্রিয় হল তার সন্তান।

20/12/2025
সাদেক কায়েমরা মনে হয় ভাবছে এটাই তাদের (শিবিরের) জীবনের শেষ ডাকসু বিজয়, তাই ৫০ বছরের কাজ এক বছরেই করে ফেলতেছে। 😋যাই হোক, ...
04/12/2025

সাদেক কায়েমরা মনে হয় ভাবছে এটাই তাদের (শিবিরের) জীবনের শেষ ডাকসু বিজয়, তাই ৫০ বছরের কাজ এক বছরেই করে ফেলতেছে। 😋

যাই হোক,
আউল কবি আবিদ, হামিম, ওবায়দুল কাদের প্রো ম্যাক্সদের সমালোচনা এক পাশে রেখে ডাকসু যা করে চলেছে

শহীদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে গতকাল (১ ডিসেম্বর, ২০২৫) যে সকল কার্যক্রম সংযুক্ত হয়েছে সেগুলো হল:
★ একটি অ্যাম্বুলেন্স
★ ১০টি এয়ার কন্ডিশনার
★ এক্স-রে মেশিন
★ ইসিজি মেশিন
★ এনালাইজার, মাইক্রোস্কোপ
★ হাসপাতাল বেড, আলমিরা, চেয়ার, ডেস্ক প্রভৃতি

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কাজটি হয়েছে তা হল ইমার্জেন্সি ইউনিট দুই তলা থেকে নিচতলায় স্থাপনের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় যাওয়ার আগে যে ওয়েলফেয়ার পলিটিক্স করতেছে! ক্ষমতায় যাওয়ার পর তা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। এটা অলরেডি ডাকসুতে প্রমাণিত। সাদিক কায়েম পুরা ডাকসুকেই চেঞ্জ করে দিয়েছে।

আজকে দেখলাম ঢাবির নাপা সেন্টারকে বড়সড় একটা হাসপাতালে রুপান্তর করেছে। তুরস্কের অর্থায়নে প্রায় ৩ কোটি টাকা দিয়ে ঢাবির নাপা সেন্টারকে পুরাটাই চেঞ্জ করে দিয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীও যদি ক্ষমতায় আসতে পারে! তাহলে পুরা দেশটাকেই এইভাবে চেঞ্জ করে দিবে।

এবার আপনিই সিদ্ধান্ত নিন, কাকে ভোট দিবেন।
S.R.Channel

একজন প্রচন্ড সুন্দরী কে "এইট পাস" করার পর সেনাবাহিনীর একজন ক্যাপ্টেনের সাথে বিয়ে দিয়ে দিলো। গ্রাম-গঞ্জের খুব স্বাভাবিক ঘ...
02/12/2025

একজন প্রচন্ড সুন্দরী কে "এইট পাস" করার পর সেনাবাহিনীর একজন ক্যাপ্টেনের সাথে বিয়ে দিয়ে দিলো। গ্রাম-গঞ্জের খুব স্বাভাবিক ঘটনা।

"খালেদা জিয়া" তো কোন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান ছিলেন না। ছিলেন খুব সাধারণ একজন মেয়ে।

তার স্বামী ছিলেন সেনাবাহিনীর সবচেয়ে চৌকস সেনাদের একজন। বাঙালি হিসাবে বৈষম্যের স্বীকার হওয়ার পরেও তার দক্ষতার প্রমান রেখেছেন সব সময়। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পুরো প্লাটুন ধ্বসিয়ে লাহোর বাচানোর পরে পেলেন "হেলাল-ই-জুরুত" পদক এবং হলেন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড ইন কমান্ড।

স্বামী মেজর জিয়া তার স্বপ্নের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট কে তৈরি করে আর লাহোরে খালেদা জিয়া একজন গৃহবধূ হিসাবে দিন কাটান। তার কাজ পাগল দেশপ্রেমিক স্বামীকে আগেই দেশের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। তাই খুব সাধারণ গৃহবধূর জীবন কাটান একা একাই।

১৯৭১ য়ে খালেদা জিয়া ছিলেন ক্যান্টনমেন্টে। তার স্বামী তার স্বপ্নের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করলো। যার একমাত্র শাস্তি ছিল মৃত্যুদণ্ড। খালেদা জিয়া ক্যান্টনমেন্টে বন্দী হলেন তার দুই শিশুপুত্র কে নিয়ে। সে সময় নিয়মিত মানসিক নির্যাতনের শিকার ছিলেন তিনি।

১৯৭২'য়ে স্বামী আবার শুরু করলেন স্বাধীন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর পুনর্গঠনের কাজ। খালেদা জিয়া তার মত সংসার করেন, বাচ্চা মানুষ করেন।

এরপরে পচাত্তরে আগস্টে মুজিব হত্যাকাণ্ডের পরে ক্ষমতা দখল করলো আওয়ামী লীগের খন্দকার মুশতাক গ্রুপ, মুশতাক কে সরিয়ে দিয়ে ক্ষমতা দখল করলো খালেদ মোশারফ আর খালেদ মোশারফ কে হটিয়ে দিলো কর্ণেল তাহের। তাহের নিজে ক্ষমতায় থাকার মত জনপ্রিয় ছিলেন না কিন্তু জনতার কাছে জিয়াউর রহমানের গ্রহণযোগ্যতার কারনে ক্ষমতায় আসলেন জিয়া।

এরপরে জিয়াউর রহমান নিহত হলেন দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রে আর আজন্ম কষ্ট পাওয়া খালেদা জিয়া মাত্র ৩৬ বছর বয়সে দুইটা বাচ্চা সহ বিধবা হলেন। জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পরে বিএনপি পাঁচ টুকরো হলো তখন হাল ধরার জন্য রাজনীতিতে আসলেন "এইট পাস" খালেদা জিয়া।

দেশে তখন এরশাদের স্বৈরশাসন। স্বৈরশাসন থেকে দেশ মুক্ত করার লড়াইয়ে নামলেন খালেদা আর জনগণ তাকে সমর্থন দিলো প্রাণ ভরে। বিভিন্নজন বিভিন্ন রকম আপোস করে, নির্বাচন করে। আর গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আপোসহীনভাবে লড়াই করে যান একজন খালেদা জিয়া।

আপোসহীন নেত্রীর সাথে তার দলের অনেকে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে অসংখ্যবার কিন্তু খালেদা জিয়া কারো সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন নি। আপোসহীন নেত্রী সমস্ত প্রলোভন কে জয় করে শেষ সময় পর্যন্ত লড়াই করেছেন স্বৈরাচার পতনে।

এরপরে ১৯৯১ এ দেশের প্রধানমন্ত্রী হলেন, ১৯৯৬ সালে বিরোধীদলীয় নেত্রী হিসাবে নব্য-বাকশাল বিরোধী লড়াইয়ে ছিলেন পরিচিত মুখ। ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সরকার যখন দেশছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছিল তখন বলেছিলেন "মরতে হলে বাংলাদেশেই মরবেন, দেশ ছাড়বেন না"।

২০০৯ থেকে বাকশালী নব্য-ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের এ-ই মুখকে অসংখ্য খারাপ পরিস্থিতির ভিতর দিয়ে যেতে হয়েছে। কিন্তু কখনোই তিনি আপোস করেন নি। ছোট ছেলের মৃত্যু কিংবা কিংবা বড়ছেলের নির্বাসনের পরেও দেশছাড়ার সমস্ত সুযোগ পায়ে পিষে লড়াই করেছেন বাকশাল ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক সংগ্রামে।

ফলাফল হিসাবে এ-ই আপোসহীন নেত্রী এখন কারাগারে বন্দী। আদালত কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নির্লজ্জ ব্যবহারের ফল হিসাবে বন্দী আছেন শেষ বয়সেও। এ-ই সময়েও গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে আপোসহীন নেত্রীকে এতটুকু টলানো যায়নি।

খালেদা জিয়াকে ভালবাসতে হলে আপনাকে বিএনপি হতে হবে না। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যদি গণতান্ত্রিক মনন আপনার তৈরী হয় তবে বুঝবেন আপনার গণতন্ত্র আজ নাজিমুদ্দিন রোডের জেলখানায় বন্দী। আপোসহীন একজন চির দুঃখী মহিলা আপনার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন অবিরত।

আল্লাহ উনার উপর রহম করুন, উনাকে সুস্থতা দান করুন। আমিন🤲

লিখেছেন-
Molla Mohammad Faruque Ahsan ভাই

কারা যেনো বলে হা'মাস নেতারা, তাদের সন্তানেরা কাতারে বিলাসবহুল জীবন কাটায়, আর সাধারণ মানুষ গা'যায় কষ্ট করে।খাবার নেই, পান...
02/12/2025

কারা যেনো বলে হা'মাস নেতারা, তাদের সন্তানেরা কাতারে বিলাসবহুল জীবন কাটায়, আর সাধারণ মানুষ গা'যায় কষ্ট করে।

খাবার নেই, পানি নেই, অসহ্য ক্ষুধা আর তৃষ্ণায় দুর্বল, সম্পূর্ণ একা আব্দুল্লাহ গাযী হামদের মৃ'ত্যু খবর কাল নিশ্চিত করে ইস্রা'ইল। না বাবা আছে, না মা, না কোনো ভাইবোন। তিনি ছিলেন রাফাহর সুড়ঙ্গগুলোতে আটকা পড়া প্রায় দুইশোর মতো তরুণের একজন। তিনি ছিলেন যু'দ্ধবিরতি আলোচকদের এক সদস্যের ছেলে। যারা বলত, নেতাদের সন্তানরা নাকি বিদেশি হোটেলে বিলাসে থাকে আর গা'জার যুবকেরা শুধু কষ্ট পায়। তাদের সামনে আল্লাহ দিনের আলোর মত পরিষ্কার করে দিয়েছেন তাদের বলা কথা,ধারণা মিথ্যে । দোহা থেকে কায়রো, সেখান থেকে ইস্তাম্বুল এভাবে আলোচনায় ব্যস্ত থাকা সেই নেতার সন্তানটি আজ একটি বিধ্বস্ত শহরের নিচে, এক অন্ধকার সুড়ঙ্গে, হাড়ভাঙা ক্ষুধায়, এমনকি মাটির নিচে এক কণা খাবারও না পেয়ে রবের মুখোমুখি হলেন।

তাঁর বাবা স্টিভ ওয়াইটকফসহ এ অঞ্চলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসে থেকেও নিজের সন্তানের জন্য কোনো বিশেষ সুবিধা চাননি। না তাকে রাফাহ থেকে বের করে আনতে, না তার জন্য খাবার পাঠাতে। অথচ চাইলে অনায়াসেই তা করতে পারতেন। কিন্তু হা'মাস আন্দোলনের সেই দায়িত্বশীল নেতা নিজের ছেলেকে অন্যদের সঙ্গে একই ভাগ্যে ছেড়ে দিলেন। যদি তারা বাঁচে, তবে তারা একসাথে মুক্তির আনন্দ করবে; আর যদি স্রষ্টার ডাকে সাড়া দেওয়ার সময় আসে, তবে সবাই মিলেই সেই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করবে।

এমন এক সময়ে, যেখানে দুনিয়াজুড়ে নেতারা নিজেদের সন্তানদের ক্ষ'মতার জন্য যা করার সবকিছু করেন; যখন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস নিজের দুই ছেলে ইয়াসির ও তারিককে তামাক ব্যবসা এবং বিভিন্ন নির্মাণ চুক্তি থেকে কোটি কোটি ডলার হাতিয়ে দেন। এমন সময় আমরা দেখিছি গাজী হামদের মতো এক পিতা, যিনি তাঁর ছেলে আবদুল্লাহ গাজী হামদকে পবিত্রভূমির জন্য উৎসর্গ করলেন। মাসের পর মাস তিনি লড়েছেন, একদিকে শত্রুর বিরুদ্ধে, অন্যদিকে ক্ষুধা ও তৃষ্ণার বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত নিজের পরম প্রিয় রবের কাছে ফিরে গেছেন।

আল্লাহ তোমার প্রতি রহম করুক, হে আবদুল্লাহ। তুমি যে তৃষ্ণা নিয়ে সুড়ঙ্গে কষ্ট পেয়েছিলে, নবী যেন নিজ হাতে তা নিবারণ করেন। আল্লাহ তোমাকে ও সেই সব যুবকদের রহম করুন, যারা সত্যিই এই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ছিল।

দুনিয়ার চোখে তোমরা টানেলে আটকে পড়া একটা দল.

.R.

আলহামদুলিল্লাহ!মাইলস্টোন ট্রাজেডির ৫মাস পর অবশেষে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরল আমাদের মেহজাবিন।যে মেয়েটি মৃ-ত্যুশয্যায় লড়াই করেছে ...
02/12/2025

আলহামদুলিল্লাহ!
মাইলস্টোন ট্রাজেডির ৫মাস পর অবশেষে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরল আমাদের মেহজাবিন।

যে মেয়েটি মৃ-ত্যুশয্যায় লড়াই করেছে প্রতিটি নিশ্বাসে, আজ সে মায়ের কোলে ফিরে আবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে।

হাসপাতালের সাদা দেয়াল আর যন্ত্রের শব্দ পেছনে ফেলে আজ তার মুখে প্রথমবারের মতো হাসি—>
এই হাসিই যেন আশার আলো, জীবনকে জয় করার প্রমাণ।

মেহজাবিনের এই ফিরে আসা আমাদের শেখায়, দোয়ার শক্তি এখনো অমলিন।

আল্লাহ তাকে পূর্ণ সুস্থতা দিন।
আমিন।।
.R.Channel

মানুষ আজ প'শুর চেয়েও খারাপ হয়ে গেছে ! বাড়ির জমি নিয়ে বিরোধ থাকায়,,, আপন ভাইয়ের উপর প্রতিশোধ নিতে,, আপন ভাতিজাকে (৭...
02/12/2025

মানুষ আজ প'শুর চেয়েও খারাপ হয়ে গেছে !
বাড়ির জমি নিয়ে বিরোধ থাকায়,,, আপন ভাইয়ের উপর প্রতিশোধ নিতে,, আপন ভাতিজাকে (৭) গাছে ঝুলিয়ে হ*ত্যা করে চাচা,, 😢
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
হে আল্লাহ আপনি উত্তম ফয়সালা কারি। 🤲🤲 আপনি এই ছেলেটাকে শহীদি মর্জাদা দান করুন।
.R.Channel

মসজিদের মিনার থেকে ভেসে আসা ফজরের আজান—যে ধ্বনি ঘুমন্ত নগরীকে জাগিয়ে তোলে, আহ্বান জানায় কল্যাণের পথে। কিন্তু কে জানতো, এ...
02/12/2025

মসজিদের মিনার থেকে ভেসে আসা ফজরের আজান—যে ধ্বনি ঘুমন্ত নগরীকে জাগিয়ে তোলে, আহ্বান জানায় কল্যাণের পথে। কিন্তু কে জানতো, এই পবিত্র আহ্বানই কারো কাছে 'ঘুমের ব্যা*ঘা*ত' মনে হবে? আর সেই তুচ্ছ অজুহাতে ঝ*রে যাবে একটি তাজা প্রা*ণ!

শরীয়তপুরের জাজিরায় ঘটে যাওয়া ঘটনাটি আমাদের বিবেককে কাঁ*পি*য়ে দেয়। বিএনপি নেতা খবির সর্দার চেয়েছিলেন ন্যায়ের পথে থাকতে, ইমামের পাশে দাঁড়াতে। তার অপরাধ ছিল তিনি অন্যায়ের প্র*তি*বা*দ করেছিলেন। কিন্তু প্রতিদান হিসেবে পেলেন বুকে বিঁ*ধ*লো ধা*রা*লো ছু*রি। যেই বুকে তিনি আল্লাহর নাম জপতেন, সেই বুকই বি*দী*র্ণ হলো হিং*সা*র আ*ঘা*তে*ই।

যে মানুষটি মসজিদ কমিটির হয়ে কাজ করতেন, সমাজের ভালোর জন্য কথা বলতেন, আজ তিনি নেই। তার রক্তে ভিজে গেছে সেই মাটি, যেখানে তিনি সেজদা দিতেন। তার পরিবার হারালো তাদের অভিভাবককে, আর সমাজ হারালো একজন প্রতিবাদী কণ্ঠকে।

এই মৃ*ত্যু শুধু খবির সর্দারের নয়, এই মৃ*ত্যু আমাদের মানবিকতার, আমাদের সহনশীলতার। ফজরের আজান কি আসলেই এত বড় অপরাধ ছিল? নাকি আমাদের ভেতরের প*শু*ত্ব আজ এতই নিচে নেমে গেছে যে, সামান্য তর্কের জের ধরে আমরা মানুষ মারতেও দ্বিধা করি না?

আল্লাহ খবির সর্দারকে জান্নাতবাসী করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই শোক সইবার শক্তি দিন। আর আমরা, যারা বেঁচে আছি, অন্তত প্রশ্ন করি নিজেদের—আমরা কি সত্যিই মানুষ হতে পেরেছি?

✍️S.R.Channel✨

.R.Channel

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when S.R. Channel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share