Colourful Dream

Colourful Dream Welcome to our page

মাত্র ২২ বছর বয়সী সোহেল ফকির। গতকাল ছুটি হয়েছিল, তাই বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের বাড়িতে ফেরার আনন্দ ছিল চোখেমুখে। সাথে ছিলেন...
19/03/2026

মাত্র ২২ বছর বয়সী সোহেল ফকির। গতকাল ছুটি হয়েছিল, তাই বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের বাড়িতে ফেরার আনন্দ ছিল চোখেমুখে। সাথে ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রুবা। ট্রলার থেকে লঞ্চে ওঠার সময় অন্য একটি লঞ্চের ধা-ক্কায় নিমিষে-ই সব শে-ষ হয়ে গেল। দুই লঞ্চের মাঝে পি-ষ্ট হয়ে চিরতরে হারিয়ে গেলেন সোহেল। একই সাথে মা-রা গেছেন তার বাবা মজিদ ফকিরও।

হয়তো রুবা আর তার অনাগত সন্তান অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন। কিন্তু এই সন্তান কোনোদিন তার বাবাকে দেখবে না। বাবার সাথে কোনো স্মৃতিও থাকবে না তার। এক নিমিষে-ই একটি সাজানো সংসার বি-ষা-দের ছায়ায় ঢেকে গেল।

ওপারে ভালো থেকো সোহেল। এই শোক সইবার শক্তি আল্লাহ তার পরিবারকে দিক🙂

Collected

অন্তত বাচ্চাটার জন্য থেকে যেতে পারত, আত্মহত্যাই সবকিছুর সমাধান না প্রয়োজনে বাচ্চাটাকে নিয়ে সেপারেশন হয়ে যেত, শিক্ষিত একট...
06/03/2026

অন্তত বাচ্চাটার জন্য থেকে যেতে পারত, আত্মহত্যাই সবকিছুর সমাধান না প্রয়োজনে বাচ্চাটাকে নিয়ে সেপারেশন হয়ে যেত, শিক্ষিত একটা মেয়ে নিজে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বাচ্চাটাকে নিয়ে খুব ভালোভাবে বাঁচতে পারতো একটা characterless এর জন্য কেন নিজের জীবনটাই দিতে হবে😞 বাচ্চাটার জন্য খুবই খারাপ লাগছে😢

18/02/2026

আলহামদুলিল্লাহ
দেশের আকাশে পবিত্র মাহে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে,
আগামীকাল থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু।
আল্লাহ তা আলা আমাদের সকলকে একটি মাস সিয়াম পালনের তৌফিক দান করুণ।

স্ত্রীকে কখনো মেরেছেন?হয়তো না।কিন্তু কথা দিয়ে ভেঙেছেন?অপমান করেছেন?চুপ করিয়ে রেখেছেন?দিনের পর দিন মানসিক কষ্ট দিয়েছেন?তা...
16/02/2026

স্ত্রীকে কখনো মেরেছেন?

হয়তো না।

কিন্তু কথা দিয়ে ভেঙেছেন?
অপমান করেছেন?
চুপ করিয়ে রেখেছেন?
দিনের পর দিন মানসিক কষ্ট দিয়েছেন?

তাহলে শুনুন…
আপনি শুধু একটা মানুষকে কাঁদাননি —
ধীরে ধীরে তার শরীরটাকেও মেরে ফেলছেন।

একটা মেয়ে যখন বিয়ে করে,
সে তার বাবার বাড়ি, শৈশব, নিরাপত্তা —
সব ছেড়ে আসে শুধু একজন মানুষের ভরসায়।

সে মানুষটা আপনি।

সে ভাবে —
“এই মানুষটাই আমার জান্নাত।”

কিন্তু যদি সেই মানুষটাই তার কষ্টের কারণ হয়?

বাইরে সে হাসে…
অতিথিদের সামনে স্বাভাবিক থাকে…
কিন্তু রাতে চুপচাপ বালিশ ভিজায়।

আর এই কান্না শুধু চোখে থামে না —
তার শরীরের ভেতরে আগুন লাগায়।

প্রথম ক্ষতি —
তার মাথা ও মস্তিষ্ক।

অতিরিক্ত টেনশন, অপমান, ভয় —
ঘুম কেড়ে নেয়।
মাইগ্রেন, ডিপ্রেশন, ভুলে যাওয়া,
হাসতে না পারা…
সে ধীরে ধীরে জীবন্ত লাশ হয়ে যায়।

দ্বিতীয় ক্ষতি —
তার হরমোন ও জরায়ু।

স্ট্রেসে নারীর শরীর সবচেয়ে বেশি ভাঙে।
পিরিয়ড অনিয়মিত হয়,
দুর্বলতা বাড়ে,
মা হওয়ার ক্ষমতাও নষ্ট হয়ে যায় অনেক সময়।

যে নারী আপনার সন্তান জন্ম দেবে —
সে অসুস্থ হয়ে পড়ে আপনার আচরণে।

তৃতীয় ক্ষতি —
তার হৃদয়।

বুক ধড়ফড়,
লো প্রেসার,
ক্ষুধামন্দা,
শরীর শুকিয়ে কাঠ।

মানসিক কষ্ট ধীরে ধীরে তাকে ভিতর থেকে শেষ করে দেয়।

আর আপনি ভাবেন —
“আমি তো মারিনি!”

শুনুন…

নারী আল্লাহর দেওয়া আমানত।

0 বলেছেন,
“তোমাদের মধ্যে উত্তম সেই, যে তার স্ত্রীর সাথে উত্তম আচরণ করে।”

— 1

ভাবুন তো…
রাসূল ﷺ কখনো স্ত্রীকে কাঁদাননি,
আর আমরা সামান্য রাগে আগুন হয়ে যাই!

মনে রাখবেন —
স্ত্রীর অভিশাপ সরাসরি আসমানে যায়।
তার চোখের পানি আরশ কাঁপায়।

আজ তাকে ভালোবাসুন।
নরম কথা বলুন।
একটু পাশে বসুন।

কারণ একদিন হয়তো পাশে তাকিয়ে দেখবেন —
সে আছে…
কিন্তু আগের সেই হাসিটা নেই।

তখন আফসোস ছাড়া কিছুই থাকবে না।
---
ভালো লাগলে শেয়ার করুন প্রচুর পরিমানে।
এবং অন্যকে জানতে সাহায্য করুন।
©️

ওই যে সীল ছাড়া যে আঙ্গুলটা দেখতে পাচ্ছেনহ্যা ওটাই আমার
13/02/2026

ওই যে সীল ছাড়া যে আঙ্গুলটা দেখতে পাচ্ছেন
হ্যা ওটাই আমার

৯মাসের একটা শিশু কথা বলতে পারে না। এরা মাত্রই মায়ের বুকের দুধের উপর নির্ভরতা কমিয়ে অন্যান্য সাধারণ খাবারের উপর নির্ভর হত...
25/01/2026

৯মাসের একটা শিশু কথা বলতে পারে না। এরা মাত্রই মায়ের বুকের দুধের উপর নির্ভরতা কমিয়ে অন্যান্য সাধারণ খাবারের উপর নির্ভর হতে শেখে। ক্ষুধা পেলে অস্থির হয়ে খুব করে কাঁদে। এসময় এদেরকে আমাদের স্বাভাবিক এক থালা ভাতের জাস্ট একটা নলা খাইয়ে দিলেই এদের পেট ঠান্ডা। শান্ত হয়ে এই বয়সের বাচ্চারা ঘুমিয়ে যায়, নিস্পাপ একটা চেহারায় সুন্দর ঘুম। ঘুম ভাঙলে এরা আবার খেলে, হাসে। এভাবে সারাদিনে এরা এক মুঠো ভাত খায় কী না তাও সন্দেহ। এইটুকুন বাচ্চাও ক্ষুধা সহ্য করেছে, মা'টা পারেনাই। মনের দুঃখ, পেটের ক্ষুধা, দারিদ্র‍্যতায় জীবন কতটা বিপন্ন হলে মা তার সন্তানকে মেরে ফেলে!

আমার বন্ধুদের দেখেছি, ওরা যারা মা হয়েছে ওরা বাচ্চাকে কেমন করে বুকের মধ্যে আগলে নিয়ে থাকে। মা হলে একটা কাঁটাও যেন সন্তানকে স্পর্শ না করে সেজন্য কেমন সতর্ক থাকে! বাগেরহাটের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের স্ত্রী স্বর্ণালি মা হয়ে কেমনে পারলো বলেন তো? স্বর্ণালী তো একা একা সন্তানকে জন্ম দিয়েছিল, সন্তান ভূমিষ্ঠ হবার সংবাদ সাদ্দাম পেয়েছে জেলখানায়। এই বাচ্চাটাকে স্বর্ণালী একা একা ৯টা মাস দুনিয়ার বুকে আগলে রাখলো, আজ এসে আর পারলো না! শুনলাম বাচ্চাটাকে পানিতে ডুবিয়ে মেরে ফেলেছে সে। একটা মা কী করে এমন পিশাচে রূপান্তরিত হলো? মানুষ মা হয়ে কতখানি কষ্ট নিয়ে নাড়িছেঁড়া ধনের শেষ নিঃশ্বাসের কান্না নিজের কানে শুনলো? শেষবারের মতো এই মা কখন বাচ্চাটার ক্ষুধা নিবারণ করতে পেরেছিল? এমন অদ্ভুত সব প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

এদেশের রাজনীতি কতখানি নিকৃষ্ট, তার উদাহরণ হিসেবে সাদ্দামের স্ত্রী সন্তানের এই মৃত্যু আজীবন আমাদের মনে করিয়ে দেবে রাষ্ট্রের ব্যর্থতার উপাখ্যান। এই বাচ্চাটা জন্মের পর বাবাকে দেখেনি, বাবা সাদ্দাম তার বাচ্চাকে বুকে নেবার উষ্ণতা পায়নি। বাবা সন্তানের জীবনের প্রথম দেখা নিথর দেহে, নিঃশ্বাস নেই, প্রাণ নেই, কিচ্ছু নেই। ৫মিনিটের জন্য স্ত্রী সন্তানের লাশ এলো কারাগারের দরজায়। বাবা মা আর ছেলে শেষ সাক্ষাত হলো, এমন কষ্টের সময়ে রাষ্ট্রের রক্ষাকর্তারা কী করে? উনারা এখন আর কী কী দখলের প্ল্যান করে!? এনিমেটেড ঝুলন্ত লাশ আর, মেঝেতে পরে থাকা শিশুর ছবিটা সুন্দর। একটা ড্রোন শো করে নিয়েন, লোকে দেখে বাহবা দেবে। জুলাই জাদুঘরে মা আর শিশুর ছবিটাও রাখবেন, এসবও জুলাইয়ের অংশ। ফ্যাসিবাদের পতনে তো এইসব পাপী নেতা জেলে গেছে, ওদের বউ বাচ্চা না খেয়ে মরেছে, এইটাও তো ইতিহাস। এইসব ইতিহাসও মনে রাইখেন।

বড় বড় নেতারা পালায়, বিদেশে যায়, দেশ থেকে বিতারিত হয়। কিন্তু কোনোদিন দেখেছেন ক্ষুধার তাড়নায় এদের বউ-বাচ্চা মরে গেছে বা মরে যেতে চেয়েছে!? ধরা খেলে বড় বড় নেতাদের রাজকীয় বাড়ি-গাড়ি বাজেয়াপ্ত হয়, আর তৃণমূলের নেতাদের হয় এমন পরিণতি। ধিক্কার!

এদেশটায় আশার কিছু দেখতে পাইনা। প্লিজ একটু আশা দেখায়েন, যেন সবাই খেয়ে পড়ে বাঁচতে পারে। ক্ষুধা আর দারিদ্র্যতায় মানুষ দুধের বাচ্চা নিয়ে আত্মহত্যা করবে এই দিন দেখা খুব কষ্টের। বাবা তার সন্তানকে জীবন্ত বুকে নিতে পারে নাই এমন দিন শত্রুর জীবনেও না আসুক। মৃত স্ত্রী সন্তানকে বিদায় দিয়ে জেলখানায় থাকা সন্তানের বাবা সাদ্দামের আহাজারি বা নিরব চোখের জলও আমাদের জন্য অভিশাপ। সময় ক্ষণিকের ছাড় দিলেও ছেড়ে দেয় না কাউকে। আল্লাহ নিস্পাপ বাচ্চাটা আর তার মা'কে ওপারে একটু শান্তি দিক।

২৫জানুয়ারি, ২০২৬
ঢাকা।

বাঙ্গালির ২০২৬ সালের প্রথম ধোঁকা!!! (কমেন্টবক্সে ভিডিও) আপনার জন্য আবারো সতর্কতা যে 'কারো কান্না দেখে গলে যাইয়েন না!' এই...
14/01/2026

বাঙ্গালির ২০২৬ সালের প্রথম ধোঁকা!!! (কমেন্টবক্সে ভিডিও)
আপনার জন্য আবারো সতর্কতা যে 'কারো কান্না দেখে গলে যাইয়েন না!'
এই বাচ্চা ছেলেটা বরিশালের, গতোকাল তার একটা ভিডিও ভাইরাল হয়! সে বলে 'সে মানুষের পা ধরে ভিক্ষা চায়, একজন তাকে আঘাত করছে তার কাছে মুরগী চাওয়ায়। তার বাপ নাই। মা আছে শুধু!'

'ভাইরাল' হবার কারনেই সে সবার নজর আসে, কেউ তার জন্য টাকা দিতে চায়, কারো মারাত্মক মন খারাপ হয়, কেউ তার আজীবন দায়িত্ব নিতে চায়!
এরপরেই তার আরেকদিক ও বের হয়ে যায়!
বরিশালের কয়েকজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের ভিডিও ও আমি দেখলাম, সবাই বলতেছে এইভাবে কান্না করাটা ওর পেশা! সেকেন্ড এর মধ্যে কান্না করে দেওয়াটা ওর 'অভিনয় দক্ষতা!' তার দায়িত্ব নিতে চাইলেও সে রাজী হয়না, উলটা টাকা দিলেই খুশি! ওর অভিনয় ধরে ফেললে সে মানুষ কে উলটা গা***লি দেয়! সবচেয়ে বড়ো কথা, সে মানুষের থেকে টাকা নিয়ে আবার নাকি এই টাকা দিয়েই লুডো বাজি খেলে! তার বয়স কম কিন্তু সে এই কাজে এক্সপার্ট! একবার বলে তার মায়ের ক্যা****ন্সা****র, একবার বলে তার বাপ ফেলে চলে গেছে,আবার বলে তার বাপ দুনিয়াতে নাই!

মূলত কান্না করে সে মানুষের থেকে টাকা নেয়, এইটা তার 'বিজনেস!'
কান্না দেখে গলে যাইয়েন না, পরে বুঝবেন যে আপনাকে আসলে 'বেকুব' বানানো হইছে! :3

কিছু সিংহ মিলে একটি গাধাকে বন্দী করল। বুদ্ধিমান একটি সিংহ বলল, "একে মেরো না। আমার কাছে একে নিয়ে একটি পরিকল্পনা আছে।"এরপ...
10/01/2026

কিছু সিংহ মিলে একটি গাধাকে বন্দী করল। বুদ্ধিমান একটি সিংহ বলল, "একে মেরো না। আমার কাছে একে নিয়ে একটি পরিকল্পনা আছে।"

এরপর গাধাটিকে সিংহরা তাদের সাথে রেখে দিল। তাকে খাতির যত্ন করে তারা তার বিশ্বাসও জিতে নিল।

সিংহদের কাছে গুরুত্ব পেয়ে গাধাটি নিজেকে অনেক ক্ষমতাবান ভাবা শুরু করল। তখন একদিন সিংহরা তাকে গাধাদের সমাজে ছেড়ে দিল।

কিন্তু গাধাটি এবার আর গাধার মতো নয়, বরং সিংহের মতো আচরণ করা শুরু করল। যেহেতু তার সাথে সিংহদের বন্ধুত্ব ছিল, তাই অন্য গাধারা তাকে সমঝে চলতে লাগল। তার বিরুদ্ধে কোনো কথা বলতেও ভয় পেত।

সিংহরা যখন গাধাটির সাথে দেখা করতে আসত, তখন গাধাটি রাজার মতো তার পিছনে একটি গাধার দল নিয়ে সিংহদের সাথে দেখা করত। আর ফিরে যাওয়ার সময় তাদেরকে একটি গাধা উপহার দিত খাওয়ার জন্য।

এভাবে গাধাটি অনেক ক্ষমতাধর হয়ে গেলেও, সিংহের কাছে সে কিন্তু সেই গাধাই রয়ে গেল রয়ে গেল। সে গাধা সমাজে রাজা হয়ে গিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু তার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য শত শত নিরপরাধ গাধাকে বলি দিয়েছিল।

অচিরেই এমন একদিন এল যখন সমস্ত গাধা একজোট হয়ে সেই স্বার্থপর গাধার অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াল। তারা সিদ্ধান্ত নিল এরপর যখন সিংহের দল আসবে তখন তাদের কেউ গাধাটির সাথে যাবে না, তা এর পরিণাম যতই খারাপ হোক না কেন।

পরের বার যখন সিংহরা এল, তখন সেই গাধাটি একাই তাদের সাথে দেখা করতে গেল। গাধাটি সিংহদেরকে অনুযোগের সুরে বলল যে, তাকে এখন আর কেউ ভয় পায় না। তার কথাও কেউ শোনে না।

এই কথা শুনে সিংহরা সিদ্ধান্ত নিল, এই গাধা এখন আর কোনো কাজে আসবে না। তাই তারা ওই গাধাটিকে সাথে নিয়ে গেল তাকে খাওয়ার জন্য। এইভাবে শেষ পর্যন্ত সেই গাধাটিরও শিকারে পরিণত হল।

এই গল্পটি মানুষের জন্যও প্রযোজ্য। আমাদের চারপাশেও এমন অনেক গাধা আছে যারা স্বার্থসিদ্ধির জন্য বা ক্ষমতা দেখানোর জন্য, নিজের সমাজকেই বিপদে ফেলে দেয়।

Address

Dhaka
1215

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Colourful Dream posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share