jamia salafiya11

jamia salafiya11 I am shepon

04/12/2024

টাকা নিয়ে কিছু কথা, ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন।

১. যখন টাকা থাকে, সবাই পাশে থাকে। কিন্তু টাকা না থাকলে পরিচিত মানুষগুলোও অপরিচিত হয়ে যায়।

২. প্রতিটি সুখ টাকা দিয়ে কেনা যায় না। এর জন্য প্রিয়জনের সঙ্গ প্রয়োজন।

৩. টাকা থাকলে পৃথিবী কেনা যায়, আর টাকা না থাকলে পৃথিবী চেনা যায়।

৪. সুখী হতে যদি টাকা লাগে, তবে আপনার সুখের সন্ধান কখনও শেষ হবে না।

৫. এটা স্বার্থপর দুনিয়া, যেখানে বুকভরা ভালোবাসার থেকে পকেটভরা টাকার মূল্য অনেক বেশি।

৬. যখন কাছে টাকা থাকে, তখন ভালোবাসার মানুষের অভাব হয় না।

৭. অতিরিক্ত টাকা একজন মানুষকে স্বার্থপর এবং অহংকারী করে তোলে।

৮. প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ কোনো মানুষের মঙ্গল আনতে পারে না।

৯. আপনার যদি টাকা না থাকে, সম্পদ না থাকে, এবং কোনো আশা না থাকে, তবে বিশ্বাস করুন আপনি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ।

১০. বেকার ছেলেটাও বোঝে, টাকা ছাড়া ভালোবাসার কোনো মূল্য নেই এই সমাজে।

১১. যখন আমাদের টাকা থাকে, তখন আমরা ভুল করা শুরু করি।

১২. মানুষ তখনই ভুলে যায় কে আপন আর কে পর, যখন সে টাকার ঘোরে থাকে।

১৩. লোকে বলে, টাকা এলে কিছু করে দেখাবো। আর টাকা বলে, কিছু করলে আমি আসবো।

১৪. যে পৃথিবীতে টাকার বিনিময়ে আপন মানুষ কেনা যায়, সেখানে টাকাই সবচেয়ে আপন।

১৫. একটি বাস্তব সত্য হলো, যেখানে অর্থ নেই, সেখানে ভালোবাসা দুর্লভ।

১৬. টাকায় টাকা আনা যায়, কিন্তু সম্মান আনা যায় না।

১৭. যার টাকা আছে, তার কাছে আইন খোলা আকাশের মতো। আর যার টাকা নেই, তার কাছে আইন মাকড়সার জালের মতো।

১৮. টাকা মানুষকে সুখী করে না, এটি কেবল তাকে ব্যস্ত করে রাখে।

১৯. নিজের উপার্জিত টাকা হয়তো ধনী করবে না, কিন্তু এটি আপনাকে স্বাধীন হতে সাহায্য করবে।

২০. যারা খেটে খায়, তারা টাকার মূল্য বোঝে। আর যারা পরের টাকা মেরে খায়, তারা শুধু টাকার গরম দেখায়।

২১. টাকা মানুষকে পরিবর্তন করে না, এটি কেবল তাদের আসল চেহারা প্রকাশ করে।

২২. বাস্তব এটাই, নিজের পকেটে টাকা না থাকলে পৃথিবীর কেউ আপন হয় না।

২৩. টাকা ছাড়া জীবন, জল ছাড়া মাছের মতো।

২৪. যখন একজন ব্যক্তির কাছে টাকা থাকে, তখন সে ভুলে যায় কে সে। কিন্তু টাকা না থাকলে, পৃথিবী ভুলে যায় কে সে।

২৫. যার খুব কম আছে, সে কখনও গরীব নয়। যে বেশি চায়, সেই আসলে গরীব।

২৬. জীবনে অনেক টাকা থাকা জরুরি নয়, কিন্তু শান্তিতে থাকা অত্যন্ত জরুরি।

২৭. আগে টাকা কামাও, তারপর ভালোবাসো। কারণ গরীবের ভালোবাসা নিলামে ওঠে চৌরাস্তার মোড়ে।

২৮. একজন ধনী ব্যক্তি অর্থ-বিশিষ্ট গরীব ছাড়া আর কিছুই নয়।

২৯. আপনি যত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন, তত বেশি সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

৩০. অর্থ মানুষের অবস্থান পরিবর্তন করলেও স্বভাব বদলাতে পারে না।

৩১. টাকা যদি অন্যের উপকারে লাগে, তবে এর কিছু মূল্য আছে। অন্যথায় তা মন্দের স্তূপ।

৩২. সব সময় টাকা সবকিছু করতে পারে না। মাঝে মাঝে মনুষ্যত্বের কাছে টাকাও হেরে যায়।

৩৩. এই পৃথিবীতে আপন মানুষ, কাছের মানুষ, পাশের মানুষের অভাব হবে না, যদি আপনার টাকা থাকে।

৩৪. টাকা ধার দেওয়ার সময় নিজেকে মহান মনে হয়, আর পাওনা চাইতে গেলে নিজেকে ভিক্ষুক মনে হয়।

৩৫. এই পৃথিবীতে সবাই টাকা আর প্রশংসা নিতে চায়, কিন্তু দিতে চায় না।

৩৬. যে ব্যক্তি টাকার অহংকার করে, তার সর্বনাশ হতে বেশি সময় লাগে না।

৩৭. যদি একজন ব্যক্তির কাছে শুধুমাত্র টাকা থাকে, তবে সে পৃথিবীর সবচেয়ে গরীব।

৩৮. টাকায় ভরা হাতের চেয়ে বিশ্বাসে ভরা হাত বেশি দামি।

৩৯. কিছু মানুষের অনেক টাকা থাকলেও, মানুষের উপকার করার মন থাকে না। আর কিছু মানুষের টাকা কম থাকলেও তারা অন্যকে সাহায্য করার চেষ্টা করে।

৪০. টাকাই সব নয়, কিন্তু সব কিছুর জন্যই টাকা দরকার।

৪১. টাকা লবণের মতো প্রয়োজনীয়। তবে অতিরিক্ত হলে তা জীবনের স্বাদ নষ্ট করে।

৪২. টাকা রোজগার করা বড় কথা, কিন্তু পরিবারের সাথে বসে খাওয়া তার চেয়েও বড়।

৪৩. আজকের যুগে যার টাকা আছে, সবাই তার বন্ধু।

৪৪. টাকার প্রশ্ন হলে সবাই একই ধর্মের।

৪৫. অনেকে বলে আমি নাকি টাকা ভালোবাসি। কিন্তু আমি টাকা ভালোবাসি না, অভাবকে ভয় পাই।

৪৬. টাকা দিয়ে খুশি কেনা যায়, কিন্তু শান্তি কেনা যায় না।

৪৭. পার্থিব জীবনে টাকা ছাড়া সুখী হওয়া যায় না।

৪৮. টাকা ছাড়া প্রত্যেক পুরুষ অসহায়।

৪৯. জীবনে টাকা ইনকাম করতে না পারলে, কাউকে পাশে পাবে না।

৫০. স্বার্থ আর অর্থ ভালো মানুষকেও অমানুষ করে তোলে।

01/12/2024

২০২৫ সালে যারা আল-জামি'আহ আস-সালাফিয়্যাহ-তে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে চান, তাদের জন্য অনলাইন ভর্তি ফরম লিংক:

Collected
30/11/2024

Collected

24/11/2024
24/11/2024

পরপুরুষ, পরমহিলা, অমুসলিম ইত্যাদির নিকট কাপড় ধৌত করা, ইস্ত্রি করা বা সেলাই করা সংক্রান্ত শরঈ মাসায়েল
প্রশ্ন:
১. কাজের মহিলা যে বাসায় কাজ করে সেই বাসার পুরুষদের আন্ডারওয়্যার ধুতে পারবে কী?
২. কোনও মহিলা তার স্বামী-সন্তান ব্যতিরেকে তার শ্বশুর, দেবর-ভাসুর ইত্যাদি বাড়ির অন্যান্য পুরুষদের আন্ডারওয়্যার ধুতে পারবে কী?
৩: মহিলাদের জামা-কাপড়, শাড়ি, ব্লাউজ, বোরকা ইত্যাদি পোশাক আয়রন/ইস্ত্রি করার জন্য দোকানে দেওয়া জায়েজ হবে‌ কী?
৪. পাক অথবা নাপাক কাপড় বিধর্মী পরিচালিত লন্ড্রিতে ধৌত করতে দিলে তা কি পবিত্র হবে? অর্থাৎ সেই কাপড়ে নামাজ আদায় করা জায়েজ হবে কী?

উত্তর:
নিম্নে উপরোক্ত প্রশ্ন সমূহের সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রদান করা হল:
وبالله التوفيق

◈ প্রশ্ন ১. কাজের মহিলা যে বাসায় কাজ করে সেই বাসার পুরুষদের আন্ডারওয়্যার ধুতে পারবে কী?
উত্তর:
কাজের মহিলা যে বাড়িতে কাজ করে সে বাড়ির কর্তা ও ছেলেদের আন্ডারওয়্যার ধৌত করতে পারে। এতে কোনও বাধা নেই। তবে যদি আন্ডার ওয়্যারে বীর্য দৃশ্যমান থাকে তাহলে যারা তা ব্যবহার করে তাদের উচিৎ, সে অবস্থায় কাজের মহিলাকে ধোয়ার জন্য না দেয়া বরং তাদের উচিৎ, বীর্য লেগে শুকিয়ে গেলে তা আঙ্গুল দ্বারা ঘষে ফেলা বা ঐ অংশটুকু পানি দ্বারা পরিষ্কার করে নেওয়া। কারণ এটি স্বভাবত: একজন নারীর জন্য লজ্জাবোধের কারণ। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, হাম্মাম ইবনে হারিস রাহ. বর্ণনা করেন যে,
ضَافَ عَائِشَةَ ضَيْفٌ فَأَمَرَتْ لَهُ بِمِلْحَفَةٍ صَفْرَاءَ فَنَامَ فِيهَا فَاحْتَلَمَ فَاسْتَحْيَا أَنْ يُرْسِلَ بِهَا وَبِهَا أَثَرُ الاِحْتِلاَمِ فَغَمَسَهَا فِي الْمَاءِ ثُمَّ أَرْسَلَ بِهَا فَقَالَتْ عَائِشَةُ لِمَ أَفْسَدَ عَلَيْنَا ثَوْبَنَا إِنَّمَا كَانَ يَكْفِيهِ أَنْ يَفْرُكَهُ بِأَصَابِعِهِ وَرُبَّمَا فَرَكْتُهُ مِنْ ثَوْبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِأَصَابِعِي ‏
একবার আয়েশা রা. এর কাছে একজন মেহমান আগমণ করলো। তিনি তাকে একটি হলুদ রঙ্গের চাদরে বিশ্রাম করতে দিলেন। উক্ত মেহমান তা গায়ে জাড়িয়ে ঘুমালেন। কিন্তু ঘুমের মধ্যে তার স্বপ্নদোষ হলে বীর্যের দাগসহ চাদরটি আয়েশা রা.-এর কাছে ফেরত পাঠাতে তার খুব লজ্জাবোধ হল। তাই এটি পানিতে চুবিয়ে ধুয়ে তিনি তা ফেরত পাঠালেন।
আয়েশা রা. তা দেখে বললেন, সে আমাদের কাপড়টা নষ্ট করল কেন? আঙ্গুল দিয়ে তা ঘষে ফেললেই তো যথেষ্ট হতো। অনেক দিনই তো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাপড় থেকে আমি তা অঙ্গুল দিয়ে রগড়ে ঘষে সাফ করে দিয়েছি।" [ইবনে মাজাহ ৫৩৮, মুসলিম, তিরমিযি হা/১১৬-আল মাদানি প্রকাশনী]

◈২ . প্রশ্ন: কোনও মহিলা কি তার স্বামী-সন্তান ছাড়া শ্বশুর, দেবর, ভাসুর ইত্যাদি বাড়ির অন্যান্য পুরুষদের আন্ডারওয়্যার ধুতে পারবে কী?
উত্তর:
ইসলামের দৃষ্টিতে একজন স্ত্রীর জন্য তার স্বামী ছাড়া স্বামীর বাবা (শ্বশুর), ভাই (দেবর-ভাসুর) ইত্যাদি লোকজনের বিভিন্ন ধরণের সেবা করা, কাপড় ধৌত করা ইত্যাদি আবশ্যক না হলেও এটি আমাদের সমাজের প্রচলিত রীতি। অর্থাৎ আমাদের সমাজে যৌথ পরিবারে সাধারণত বৌরাই বাড়ির সকল সদস্যের জামা-কাপড় ধৌত করে থাকে।
তাই স্বামী যদি এতে অনুমতি বা নির্দেশ দেয় তাহলে স্ত্রী তার স্বামী-সন্তান ছাড়া পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কাপড়-চোপড়ও ধৌত করতে পারে। এ ক্ষেত্রে অন্য পুরুষদের আন্ডার ওয়্যারও ধৌত করতে পারে যদি ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকে। কিন্তু স্বামী ব্যতিরেকে অন্য কোন পুরুষের আন্ডারওয়ার ধৌত করার বিষয়টি সামাজিকভাবে ঘৃণিত এবং আত্মমর্যাদা পরিপন্থী কাজ। তাই কোন মহিলাকে এই দায়িত্ব দেওয়া অনুচিত।
অবশ্য বর্তমান আধুনিক যুগে ওয়াশিং মেশিনের সাহায্যে কাপড় ধৌত করা হলে এ ক্ষেত্রে সমস্যা আরও কমে যায় আল হামদুলিল্লাহ।

◈ ৩. প্রশ্ন: মহিলাদের জামা-কাপড়, শাড়ি, ব্লাউজ, বোরকা ইত্যাদি পোশাক আয়রন/ইস্ত্রি করার জন্য দোকানে দেওয়া জায়েজ হবে কী?
উত্তর:
মহিলাদের ব্যবহৃত পোশাক প্রয়োজনবোধে ধৌত ও ইস্ত্রি করার উদ্দেশ্যে পুরুষ পরিচালিত লন্ড্রিতে বা ছেঁড়া-ফাটা কাপড় সেলাই করার উদ্দেশ্যে পুরুষ দর্জির দোকানে দিতে কোন সমস্যা নেই ইনশাআল্লাহ। কেননা ইসলামি শরিয়তে এমন কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে কোনও নারী যদি ব্যক্তিগত আত্মমর্যাদার কারণে তার ব্যবহৃত পোশাক কোন পুরুষকে দেখাতে না চায় তাহলে তা‌ ধৌত করা, ইস্ত্রি/আইরন করা বা প্রয়োজনীয় সেলাইয়ের কাজ সম্ভব হলে কোন নারীর মাধ্যমে সম্পন্ন করবে অথবা নিজেই করবে।

◈ প্রশ্ন ৪. পাক অথবা নাপাক কাপড় বিধর্মী পরিচালিত লন্ড্রিতে ধৌত করতে দিলে কি তা পবিত্র হবে? অর্থাৎ সেই কাপড়ে নামাজ আদায় করা জায়েজ হবে কি?
উত্তর:
কোন অমুসলিমও যদি পাক পানি দ্বারা ভালোভাবে কাপড় ধৌত করে তাহলে তা পাক হবে। পক্ষান্তরে কোন মুসলিমও যদি নাপাক পানি দ্বারা কাপড় ধৌত করে তাহলে তা পাক হবে না।
মোটকথা, কোন পানি দ্বারা কাপড় ধৌত করা হয় সেটাই ধর্তব্য। যে ধৌত করল সে মুসলিম কি না তা ধর্তব্য নয়।
উল্লেখ্য যে, অমুসলিমরা ঈমান না থাকার কারণে বিধানগতভাবে নাপাক হলেও বাহ্যিকভাবে তাদের শরীর নাপাক নয় যদি তারা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে। সুতরাং তাদের সেলাই কৃত পোশাক-আশাক এবং তাদের তৈরি কৃত আসবাবপত্র ব্যবহার করা নাজায়েজ নয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাহাবিগণ তৎকালীন দামেশক (সিরিয়া) ও ইয়েমেন থেকে আমদানিকৃত অমুসলিমদের তৈরি কৃত পোশাক-আশাক এবং আসবাব সামগ্রী ব্যবহার করতেন।
আল্লাহু আলাম।
-আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল

21/11/2024

আবূ হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

الرِّبَا سَبْعُونَ حُوبًا، أَيْسَرُهَا أَنْ يَنْكِحَ الرَّجُلُ أُمَّهُ

সুদ হলো সত্তর প্রকার পাপের সমষ্টি। তার মধ্যে সবচেয়ে সহজটি হলো আপন মায়ের সাথে ব্যভিচার করা।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২২৭৪ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।

Address

52 Alaul Avenue
Dhaka
1230

Telephone

+8801670263447

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when jamia salafiya11 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to jamia salafiya11:

Share