19/08/2026
মিডিয়াতে দেখলাম, সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির মেয়ে মা'কে প্যারোলে মুক্ত করার জন্য আদালত প্রাঙ্গনে ছুটে বেড়াচ্ছেন।পরে নিউজে দেখলাম, দীপু মনির হাজব্যান্ড মারা গেছেন।বাবার লাশ ঢাকায়, মেয়ে ছুটছেন মুন্সীগঞ্জের আদালত চত্বরে।একদিকে বাবা মারা গেছেন অন্যদিকে মা জেলখানায় বন্দী। এটা খুব কষ্টের হলেও এই পথটা দীপু মনিরাই দেখিয়েছে।
এর আগে দেখেছি সাঈদী সাহেবের মা এবং ছেলে রফিক বিন সাঈদী মারা যাওয়ার পরে আল্লামা সাঈদীকে প্যারোলে মুক্ত করার জন্য শামীম সাঈদী ও মাসুদ সাঈদী কে আদালতের চত্বরে ছুটতে।এমনকি তৎকালীন জালেম সরকার আল্লামা সাঈদী কে হাসপাতালে হত্যা করার পরে লাশ নিয়েও রাজনীতি করেছিল। ঢাকার কোথাও জানাযার নামাজ পড়তে দেয়নি।এমনকি সাঈদী সাহেবের ওসিয়াতকৃত জায়গা খুলনা সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসায় দাফন করতে দেয়নি।
সাবেক আমিরে জামাত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর লাশ ছেলে মেয়ে স্ত্রী আত্মীয়স্বজন কাউকে দেখার সুযোগ দেয়নি।সামনে যে আসছিল গন গ্রেফতার করেছিল।প্রশাসন নিজ হাতে দাফন করেছিল অল্প সংখ্যক লোক নিয়ে।
জামাত নেতা কাদের মোল্লা ও কামরুজ্জামানের লাশ কাউকে দেখতে দেয়নি। জানাযা পর্যন্ত পড়তে দেওয়া হয়নি। তড়িঘড়ি করে প্রশাসন কাদের মোল্লা ও কামরুজ্জামানের লাশ দাফন করেছিল। তাদের স্ত্রী সন্তানদের গ্রেফতার করে হুম করে রেখেছিল।
বিএনপি'র সাকা চৌধুরী কে প্যারোলে মুক্ত করার জন্য তার ছেলে বর্তমান এমপি হুম্মাম কাদের চৌধুরীকেও আদালতে ছুটতে দেখেছি।
দীপু মনির মেয়ে তো জীবিত মানুষের জামিনের জন্য ছুটছেন। আর জালেম সরকার এর আমলে জামায়াত নেতাদের লাশের জামিনের জন্য জামাত নেতার ছেলেরা ছুটেছিল।এইতো অল্প কিছুদিন আগের কথা।মনে রাখতে হবে প্রকৃতি কাউকে ক্ষমা করে না।
এখান থেকে বর্তমান সরকারি দলকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। এমন কোন দুর্গম রাস্তা তৈরি করে দিয়ে যাবেন না যে রাস্তায় আপনাদেরকেও হাটা লাগতে পারে।