25/12/2025
তারেক রহমান সাহেব আপনাকে এই বাংলায় স্বাগতম!
দেশে ফিরে শুধু বক্তৃতার মঞ্চতে নয়, বাস্তবে এই বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে হেঁটে দেখবেন। কোথায়ও আর গ্রাম-গঞ্জের আনাচে-কানাচে কাচা রাস্তা পাবেন না। সব রাস্তাতেই সুন্দর আর পিচঢালা করে দেয়া হয়েছে।
কোনো ট্রাফিকের ধৈর্যপরীক্ষা নয়, বরং আকাশছোঁয়া ট্রেনের জানালা দিয়ে দেখুন রাজধানীর বদলে যাওয়া চেহারা। উঁচু সড়কের উপর দিয়ে ছুটতে ছুটতে বুঝবেন, ঢাকা আর আপনার রেখে যাওয়া সেই পিছিয়ে পরা ঢাকা নেই।
শহরের বিভিন্ন প্রান্তে যেখানে ভবিষ্যৎ সাজানো হচ্ছিল নকশায়, পরিকল্পনায়,সেখানে বসে এক কাপ চা খেলে হয়তো বুঝবেন রাষ্ট্র কীভাবে চালিয়েছে আমার নেত্রী শেখ হাসিনা। কল্পনায় নয়, কাজের মাধ্যমে,দিন রাত পরিশ্রম করে। এরপর সময় করে দেখুন, আধুনিক বিমানবন্দরের বিস্তার, রেলের নবজন্ম, নদী পেরোনোর সাহসী সংযোগ পদ্মাসেতু, যেখানে একসময় সন্দেহ ছিল, আজ সেখানে শুধুই গর্ব।
দক্ষিণে যাবেন প্লীজ.
পাহাড় কেটে নয়, নদীর নিচ দিয়ে চলাচলের গল্প শুনবেন।
সমুদ্রের ধারে দাঁড়িয়ে দেখবেন পর্যটন আর অবকাঠামো কীভাবে একসাথে এগিয়ে নিয়েছে শেখ হাসিনা।
আকাশপথে আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছানোর প্রস্তুতিও চোখ এড়াবে না। এসব কোনো হঠাৎ পাওয়া সাফল্য নয়।
১৬ বছরের নিরবচ্ছিন্ন নেতৃত্ব, ধারাবাহিক সিদ্ধান্ত আর রাজনৈতিক সাহসের ফল। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে উঠে আসা শেখ হাসিনার হাতেই এই রাষ্ট্র নতুন ভাষা শিখেছে,আর তা হলো শুধুই উন্নয়নের ভাষা।
তবুও আপনারা একে শাসন বলেন, ফ্যাসিস্ট বলেন,
ক্ষমতাকে বলেন দমন। কিন্তু ইট-পাথর, সেতু, রেল আর রানওয়ে মিথ্যে বলে না। দেশের মানুষ দেখেছে,
কর্মজীবী সমাজ বিচার করছে, ইতিহাস নোট নিচ্ছে।
সেই বিশ্বাস ও আস্থা নিয়েই সামনে এগোনোর সাহস আর স্বপ্ন এখোনো দেখি আমরা। কারন আমাদের একজন ক্যাপ্টেন জননেত্রী শেখ হাসিনা আছেন, আমাদের ফিরবার আশার একমাত্র বাতিঘর।✊🏽