Unique Unveils

Unique Unveils Digital creator
(10)

30/04/2026


এফআইআর করতে চলেছেন প্রিয়াঙ্কা সরকার….
02/04/2026

এফআইআর করতে চলেছেন প্রিয়াঙ্কা সরকার….

আগেই বলেছিলাম এখানে কিছু একটা খটকা আছে,, রাহুলকে জলের নিচে থেকে তাড়াতাড়ি তোলা হলো না, অথচ অভিনেত্রী শ্বেতাকে সহজেই তোল...
31/03/2026

আগেই বলেছিলাম এখানে কিছু একটা খটকা আছে,, রাহুলকে জলের নিচে থেকে তাড়াতাড়ি তোলা হলো না, অথচ অভিনেত্রী শ্বেতাকে সহজেই তোলা হলো? কিন্তু কেন? চিকিৎসকেরাও প্রাথমিক ময়নাতদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন, দীর্ঘক্ষণ জলের তলায় ছিলেন রাহুল। তাঁর শরীরে যে পরিমাণ বালি আর নোনা জল পাওয়া গিয়েছে, তা অল্পক্ষণ জলের তলায় থাকলে সম্ভব নয়। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, ১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জলের তলায় ছিলেন রাহুল।কিন্তু কেন এতটা দেরি হল রাহুলকে খুঁজে পেতে?
এই ঘটনায় মুখ খুলেছেন, রাহুলের ব্যক্তিগত গাড়িচালক। বাবলু দাস। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে রাহুলের গাড়ি চালাচ্ছেন তিনি। তাঁর গাড়িতে করেই কলকাতা থেকে দীঘায় শ্যুটিংয়ে গিয়েছিলেন রাহুল। যখন শ্যুটিং হচ্ছে, সেখানে ছিলেন তিনি নিজেও। এবিপি আনন্দের প্রতিনিধিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'আমরা বুঝে উঠতে পারিনি এরকম কোনও ঘটনা ঘটবে। সেও (রাহুল) বুঝে উঠতে পারেনি জলের গভীরতা এতটা। তার মধ্যে জোয়ার এসেছিল। হাঁটু অবধি জলেই ওঁকে দেখছিলাম। তারপরে হঠাৎ দেখলাম, ওঁর শুধু মাথাটা ভাসছে।
টেকনিশিয়ান্সরা জলে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সঙ্গে সঙ্গে।'বাবলু দাস আরও বলেন, 'যে চড়ে শ্যুটিং হচ্ছিল, সেখানে যাওয়ার জন্য একটা মোটর বোট ছিল। রাহুলদারা ডুবে যাচ্ছে দেখে সঙ্গে সঙ্গে মোটর বোটটা কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া হয়। আমরাও অন্যান্য নৌকা ডাকি। কিন্তু ঠিক ওই জায়গাটাতে অসম্ভব জলের টান। একবার করে সামনে আসার চেষ্টা করছিলেন উনি, কিন্তু ফের জল ওঁকে টেনে নিয়ে চলে যাচ্ছিল। একটু যদি সুযোগ দিতেন, ওঁকে বাঁচাতে পারতাম। কিন্তু একটু ও সুযোগ দিলেন না আমাদের। সেই সময়ে জোয়ার চলে এসেছে, জল বাড়ছে।'
বাবলু দাস বলেন, প্রথমে নায়িকাকে জল থেকে তোলা হয়। কিন্তু রাহুলদাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না কিছুতেই। সবাই অনেক চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ওঁকে খুঁজে পেতেই অনেকটা দেরি হয়ে যায়। তলিয়ে যান রাহুলদা। বাবলু গাড়ি করে নিয়ে এসেছিলেন রাহুলকে। আজ কলকাতায় ফিরছেন ফাঁকা গাড়ি নিয়ে। শববাহী শকটের পিছু পিছু।



পুত্র সহজকে লেখা 'রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জী'র শেষ চিঠি 🙏💌"এই চিঠিটা আজকে ‘ফাদারস ডে’ বলে লিখতে বসা। যদিও তোমার বাবা নিজে ...
30/03/2026

পুত্র সহজকে লেখা 'রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জী'র শেষ চিঠি 🙏💌

"এই চিঠিটা আজকে ‘ফাদারস ডে’ বলে লিখতে বসা। যদিও তোমার বাবা নিজে বেহদ্দ বাংলা মিডিয়াম। জীবনেও ‘ফাদারস ডে’, ‘মাদারস ডে’— এ গুলো আলাদা করে জানত না, কিন্তু কুঁজোর যেমন চিৎ হয়ে শুতে ইচ্ছে করে, আমারও আজকাল এ সব উদযাপন করতে ইচ্ছা করে। আসলে কিছুই না, তোমাকে কাছে পাওয়ার অজুহাত।

জানো সহজ, আমি আর তোমার মা তখন থেকে বন্ধু যখন তোমার মায়ের ১৪ বছর বয়স ছিল, আর আমার ২১। সব ধারাবাহিকে আমরা ভাই-বোন। যে হেতু ছোট, তাই অন্যদের ছেড়ে শেষে আমাদের শট নেওয়া হতো। আর আমরা দু’জন সেটের কোনায় বসে আড্ডা মেরে যেতাম। তোমার মা ছিল বেহালার একজন অ্যাকাউন্টস শিক্ষকের মেয়ে আর আমি খুব সাধারণ এক সরকারি চাকুরের ছেলে। আমরা দু’জন এই ইন্ডাস্ট্রির কিছুই জানতাম না। শুধু জানতাম, মন দিয়ে অভিনয়টুকু করতে।

তোমাকে এই গল্প কেন বলছি জানো? যদি কখনও তুমি আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করো, তা হলে তুমি জানবে তুমি প্রিভিলেজড, যে প্রিভিলেজ একটি ১৪ বছরের মেয়ে এবং একটি ২১ বছরের ছেলে দিনের পর দিন অপমানিত হতে হতে অর্জন করেছে— ঘটনাচক্রে যারা তোমার বাবা মা। এই ইন্ডাস্ট্রিতে সত্যিই যদি কাজ করতে ইচ্ছে হয় তোমার, আমি তোমাকে অনুরোধ করব প্রত্যেকটা মানুষকে তার প্রাপ্য সম্মান দিও। কারণ যে মানুষটি তোমাকে চা দিচ্ছেন, তিনি হয়তো তোমার বাবা-মাকেও ছোট দেখেছেন। উপার্জন আর ক্ষমতার আতসকাঁচ দিয়ে যারা মানুষকে দেখে, তাদের মতো অশিক্ষিত এই পৃথিবীতে কেউ নেই। এ রকম অশিক্ষায় তুমি বড় হবে না, এটুকু আশা তো করতেই পারি, কী বলো?

পরিবার
পরিবার
যে দিন আমরা প্রথম খবর পাই, তুমি আমাদের জীবনে আসছো, আমরা আনন্দে পাগল হয়ে গিয়েছিলাম জানো? তোমার মা গুচ্ছের সব অ্যাপ ডাউনলোড করে ফেলল। রোজ আমাকে আপডেট দিত, ‘এখন ওর সাইজ আপেলের মতো’, ‘এখন ওর সাইজ আনারসের মতো’, আরও কত কী! তার পর যখন তুমি হলে, তোমার মায়ের আর একটা রূপ দেখলাম। তুমি জানো না হয়তো, তোমার মা তোমাকে কোনও দিন বাজার চলতি বেবিফুড কিনে খাওয়ায়নি। সব নিজের হাতে বানাত। তাতে যদি সারা দিন লাগে, তো লাগুক। তোমার মায়ের তোমার জন্য অনেক সংগ্রাম, অনেক আত্মত্যাগ। তুমি কতটা মনে রাখবে, তা তোমার সিদ্ধান্ত।

আজ তোমার মা ইনস্টাগ্রামে যথেষ্ট এস্থেটিক ছবি দেওয়ার পরেও উড়ো কমেন্ট ভেসে আসে ‘লজ্জা করে না আপনার? আপনি কিনা মা?’ না, এ নিয়ে কোনও দুঃখবোধ আছে ভেবো না, গন্ডারের চামড়া ধার নিয়ে তবে সেলিব্রিটি হওয়া যায়, এ আমরা শিখে গিয়েছি। শুধু তোমাকে বলছি, তোমার মায়ের লড়াইয়ের একটা আন্দাজ দেওয়ার জন্য। আমরা, সন্তানেরা শুধু মায়ের বুকের ওমটুকু টের পাই, পিঠে কতগুলো ছুরি গাঁথা আছে দেখতে পাই না। মায়েরা তা সযত্নে লুকিয়ে রাখেন। তোমার মাও রেখেছে। কিন্তু আমি চাইব, তুমি সেই ক্ষতগুলোর শুশ্রূষা করবে। মায়ের পিঠের ছুরিগুলো যদি সরাতে নাও পারো, তোমার একটু আদরই মায়ের জন্য যথেষ্ট হবে।
রাহুল, প্রিয়াঙ্কা এবং সহজ
রাহুল, প্রিয়াঙ্কা এবং সহজ

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমি কোন হরিদাস পাল যে তোমাকে এত জ্ঞান দিচ্ছে? আমি তোর বাপ (হাঃ হাঃ), দূর সম্পর্কেরই হই, বাপ তো বটে! সেই উপলক্ষে একটু জ্ঞান দেওয়ার অধিকার জন্মে যায়ই। আমি তোমাকে আমার ভাগের সব ক'টা নদী, পাহাড়, জঙ্গল উত্তরাধিকার সূত্রে দিয়ে যাচ্ছি। বইমেলার ধুলো, কলেজ স্ট্রিটের ফুটপাথগুলোকেও পৈতৃক সম্পত্তি ভাবতে পারো এর পর থেকে। আর হ্যাঁ, তোমাকে দিয়ে দিলাম আমার একটা প্রচণ্ড অহংকারের জিনিস। আমার ভাষা। বাংলা। হ্যাঁ, বাংলা ভাষা। আর শুধু সেই বাংলা ভাষা নয়, যেটা আমরা দক্ষিণ কলকাতায় বলি। বাংলা তার সমস্ত উপভাষা, ডায়ালেক্ট নিয়ে যে প্রবল ঐশ্বর্যের অধিকারী, সেই সব ঐশ্বর্য তোমাকে দিয়ে দিলাম। সবই দিয়ে দিলাম, যা যা আমার.." ।

এই চিঠির লেখাগুলো যেন শুধু একজন বাবার কথা নয়, এটা একজন মানুষের জীবনের সবচেয়ে নির্মল উপলব্ধি। যেখানে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর দায়িত্ব একসাথে মিশে গেছে নিঃশব্দ এক অঙ্গীকারে।

সন্তানের কাছে মায়ের পরিচয় শুধু জন্মদাত্রী নয়, তিনি এক অবিরাম ত্যাগের অন্য নাম। তাঁর ক্লান্তি থাকে আড়ালে, তাঁর কষ্ট থাকে নিঃশব্দে, তাঁর লড়াইগুলো হয় অদৃশ্য, তবুও তিনি থামেন না। একজন সন্তান যদি সত্যিই বড় হতে চায়, তবে সবচেয়ে আগে তাকে শিখতে হবে এই অদেখা ত্যাগগুলোকে চিনতে, সম্মান করতে।

বাবা হয়তো পথ দেখায়, কিন্তু মা সেই পথকে নিরাপদ করে দেয় নিজের সমস্তটা উজাড় করে। তাই সন্তানের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব, মায়ের সেই নীরব যুদ্ধগুলোকে অবহেলা না করা, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসাকে কখনো স্বাভাবিক ভেবে না নেওয়া।

শেষ পর্যন্ত, এই চিঠি আমাদের একটা সহজ কিন্তু গভীর সত্য শেখায়। জীবনে বড় হওয়া মানে শুধু সফল হওয়া নয়, বরং যারা আমাদের জন্য নিজেদের ভেঙে গড়ে তুলেছে, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা। বিশেষ করে মা, যার ভালোবাসা কোনো ভাষায় সম্পূর্ণ করে লেখা যায় না, কিন্তু যার সম্মান দেওয়াটাই সন্তানের সবচেয়ে বড় পরিচয়। আর সমাজে এমন বাবাই বা কয়জন যারা সন্তানের মাকে এতটা উপলব্ধি করে সম্মান দিতে পারে ❤️

থাকুক লেখাটা টাইমলাইনে। এসব লেখাই তো আমাদের ভুলে যাওয়া কিছু সত্যের আয়নাকে সামনে ধরে রাখে।



দীঘার তালসারিতে জলে ডুবে মৃত্যু অভিনেতা রাহুলের 😭
29/03/2026

দীঘার তালসারিতে জলে ডুবে মৃত্যু অভিনেতা রাহুলের 😭


স্বামী কানাডা থেকে ভিডিও কলে পুলিশকে দেখিয়ে দিচ্ছে—"হ্যাঁ,ঠিক ওখানেই লাশ,আরো একটু খুঁড়লেই পাবেন।"​(কল্পনা করুন সেই হাড়হি...
17/03/2026

স্বামী কানাডা থেকে ভিডিও কলে পুলিশকে দেখিয়ে দিচ্ছে—"হ্যাঁ,ঠিক ওখানেই লাশ,আরো একটু খুঁড়লেই পাবেন।"​(কল্পনা করুন সেই হাড়হিম করা দৃশ্য!)

নিজের দীর্ঘদিনের জীবনসঙ্গিনী আফরোজাকে নির্মমভাবে হত্যা করে হাত কাঁপেনি পাষণ্ড স্বামী আশরাফুল আলম সুমনের। রক্ত লেগে থাকা হাত নিয়েই বাড়ির আঙিনায় গর্ত খুঁড়ে প্রিয়তমার নিথর দেহটা মাটিচাপা দিয়ে দেয় সে।

খুন করে সুমন পালিয়ে যায় সুদূর কানাডায়। চারদিন পর যখন নিখোঁজ আফরোজার সন্ধান পেতে পরিবার পাগলপ্রায়, তখন সুদূর প্রবাস থেকে ঘাতক স্বামী ভিডিও কলে অবলীলায় দেখিয়ে দেয়—ঠিক কোথায় সে তার স্ত্রীকে পুঁতে রেখেছে! পুলিশ যখন মাটি খুঁড়ে পচন ধরা মরদেহ উদ্ধার করছিল, তখনো কেউ বিশ্বাস করতে পারছিল না কোনো মানুষ এতটা নৃশংস হতে পারে।

ভেবেছিল সময়ের স্রোতে সব ধামাচাপা পড়ে গেছে। ভেবেছিল ২০২৪-এর নির্বাচনের হট্টগোলে তাকে কেউ চিনবে না। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অতি আত্মবিশ্বাসে দেশে পা রেখেছিল সুমন। কিন্তু বিধিবাম! হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পার হওয়ার আগেই ‘লুকআউট ওয়ারেন্ট’-এর জালে ধরা পড়ে এই নরপিশাচ।

গ্রেপ্তারের খবর লুকিয়ে চুপিচুপি জামিন নেওয়ার এক হীন চেষ্টাও চালিয়েছিল ঘাতক পক্ষ। কিন্তু সত্য লুকানো যায়নি। বর্তমানে মামলাটি জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। আগামী ৩০ মে মামলার অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য করা হয়েছে। সুমনের সাথে তার বাবা, ভাই ও খালাসহ মোট ৫ জন আসামি এখন বিচারের কাঠগড়ায়।

"আইনের হাত থেকে রেহাই মেলেনি,এবার চাই সর্বোচ্চ শাস্তি।" আফরোজার পরিবারের বুকফাটা আর্তনাদ আর এই নৃশংসতার বিচার কি আমরা পাবো? এই পিশাচদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যা দেখে পুরো সমাজ শিউরে উঠে !



"মা, একটু পরেই তো আসবা, তবে কেন দোলনাটা খালি করে দিলা?"​গত ৫ই ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টা। চার মাসের ফুটফুটে শিশু আশরাফুলক...
06/03/2026

"মা, একটু পরেই তো আসবা, তবে কেন দোলনাটা খালি করে দিলা?"

​গত ৫ই ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টা। চার মাসের ফুটফুটে শিশু আশরাফুলকে দুধ খাইয়ে দোলনায় ঘুম পাড়িয়েছিলেন মা। ভেবেছিলেন একটু উঠানটা ঝাড়ু দিয়ে এসে আবার কোলে নেবেন। কিন্তু ফিরে এসে দেখলেন দোলনা শূন্য! কলিজার টুকরো নেই।

​দীর্ঘ ২৮টি দিন! বাবা-মায়ের চোখের জল শুকিয়ে গিয়েছিল ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আশায়। পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন—সবাই খুঁজেছে। কিন্তু কে জানত, আপন রক্তের সম্পর্কের আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক ভয়ঙ্কর 'ডাইনি'?

​ভয়ঙ্কর সেই সত্য:
পুলিশের জালে ধরা পড়ল আপন চাচী রুপা আক্তার। নিজের স্বামীর ওপর রাগ, আর বড় ভাইয়ের সন্তানদের প্রতি দাদাদাদির বেশি আদর সহ্য করতে না পেরে হিংসার আগুনে জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল তার বিবেক। মাত্র ২০ বছর বয়সী এই নারী একটি ৪ মাসের অবুঝ শিশুকে দোলনা থেকে তুলে নিয়ে বাড়ির পেছনের টয়লেটের ট্যাংকিতে ফেলে দেয়!

​২৮ দিন পর উদ্ধার:
টয়লেটের ট্যাংকির অন্ধকার আর পচা পানির নিচে পড়ে ছিল নিষ্পাপ আশরাফুলের দেহ। গত ৩রা মার্চ যখন ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে দাদাই নাতির গলিত মরদেহটি উদ্ধার করলেন, তখন পুরো আকাশ-বাতাস যেন কেঁদে উঠল। যে চাচী আদর করার কথা, সেই হাতেই শেষ হলো একটি ফুলের মতো জীবন।

​কিছু বিবেকবান প্রশ্ন:
​নিজের জেদ মেটানোর জন্য কি একটা ৪ মাসের দুধের শিশুকে মেরে ফেলতে হয়?

​পারিবারিক কলহের বলি কেন হবে এই নিষ্পাপ ফেরেশতা?
​এই পাষণ্ড ঘাতক চাচীর কি উপযুক্ত বিচার হবে না?

​হে আল্লাহ, আশরাফুলকে জান্নাতের পাখি হিসেবে কবুল করো আর ওর মা-বাবাকে এই শোক সইবার শক্তি দাও। ঘাতক রুপার যেন দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসি হয়। ⚖️😭
#সংগৃীত


Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Unique Unveils posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Unique Unveils:

Shortcuts

Share