07/09/2026
যে জিনিসগুলোতে আল্লাহ্ রহমত, বরকত রেখেছেন, মানুষ সেই জিনিসগুলোকে ইচ্ছা করে দূরে সরিয়ে রেখে তারপর আবার সফলতার পেছনে দৌড়ায়।
সময়ের স্রষ্টার জন্য তাদের কোনো সময় থাকে না। বয়স্ক মা-বাবার প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে, জীবনসঙ্গীকে ভালোবাসার কথা জানাতে হীনমন্যতা কাজ করে, রক্তের আত্মীয়দের ফোনকলটা ধরতেও বিরক্তি লাগে, মেহমান বেড়াতে আসবে শুনলে খরচের ভয়ে কলিজা শুকিয়ে যায়, দান করতে বললে হাতের মুঠি আর খোলে না! এতিম, অসহায় ও বিপদগ্রস্তদের তুচ্ছ করে কথা বলে। অথচ আল্লাহ্ বরকত রেখেছেন এগুলোর উল্টোপিঠেই!
ও আমার সঙ্গে খারাপ করছে তো আমিও ওর সঙ্গে খারাপ করবো- এই হচ্ছে তাদের মূলনীতি। অথচ আল্লাহ্ বলছেন, যদি ক্ষমা করে দিতে পারো তো সেটাই সবচেয়ে উত্তম।
দিনের মধ্যে মুয়াজ্জিন পাঁচবার করে সফলতার দিকে ডাকেন, কল্যাণের দিকে ডাকেন। অথচ তা শুনেও না শোনার ভান করে কাল্পনিক এক সফলতার পেছনে দৌড়ায় আর দিনশেষে কোনোকিছুতেই স্বস্তি খুঁজে পায় না। বস্তুগত সফলতা তো অর্জন হয়ে গেলেই শেষ। স্বস্তি কেবল আল্লাহর কাছে আত্মসমার্পণেই। সফলতা কেবল তাঁর দেখানো পথেই।
নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং তাঁর কাছেই ফিরে যাবো।