05/06/2026
আমি ভিডিওটা দেখতেও পারিনি… 😭
বারবার চোখ সরিয়ে নিতে হচ্ছিল। একটা ছোট্ট নিষ্পাপ প্রাণ কতটা ভয়, ব্যথা আর অসহায়ত্ব নিয়ে বাঁচার জন্য আকুতি করছিল—ভাবতেই কলিজা টা কেপে ওঠে 😢
ও তো কথা বলতে পারে না… নিজের কষ্ট কাউকে বুঝাতেও পারে না। শুধু একটু বাঁচতে চেয়েছিল। একটু দয়া, একটু মায়া চেয়েছিল। কিন্তু মানুষ এতটা নির্মম কীভাবে হতে পারে?
একটা অবলা প্রাণীকে এভাবে নির্যাতন করে মারা কখনোই শক্তির পরিচয় না, এটা মানবতার মৃত্যু। মানুষ তখনই সত্যিকারের মানুষ, যখন তার হৃদয়ে দয়া, মমতা আর সহানুভূতি থাকে।
হ্যাঁ, গ্রামের খামারে হাঁস-মুরগি থাকে, আর ক্ষুধার্ত বিড়াল খাবারের খোঁজে সেখানে যেতেই পারে। এটা প্রকৃতিরই নিয়ম। কিন্তু তাই বলে একটা প্রাণকে এত কষ্ট দিয়ে হত্যা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না।
আমরা ভুলে যাই—রিজিকের মালিক একমাত্র Allah।
আজ কয়েকটা হাঁস-মুরগির জন্য একটা প্রাণ কেড়ে নিলেন… অথচ যদি আল্লাহ চান, মুহূর্তেই সবকিছু বদলে যেতে পারে।
ইসলাম আমাদের শুধু মানুষের প্রতিই না, পশু-পাখির প্রতিও দয়া করতে শিখিয়েছে।
একটা তৃষ্ণার্ত কুকুরকে পানি খাওয়ানোর জন্যও ক্ষমা পাওয়া যায়, আর অকারণে একটা প্রাণীকে কষ্ট দিলে তার বিচার অবশ্যই হবে।
আমি শুধু ভাবছি… শেষ মুহূর্তে ওই ছোট্ট প্রাণটা কত ভয় পেয়েছিল। কত কষ্ট পেয়েছিল। হয়তো বাঁচার জন্য শেষবারের মতো কারও দয়ার অপেক্ষা করছিল…
যে মানুষটা এই অসহায় বিড়ালটাকে এত কষ্ট দিয়েছে, আল্লাহ যেন এর উপযুক্ত বিচার করেন, এর থেকেও কষ্টের মৃত্যু দেয় ।
প্রাণীদের প্রতি দয়া করুন…
ওরাও অনুভব করে, ওরাও ব্যথা পায়, ওরাও বাঁচতে চায়।
কারণ ওরাও আল্লাহর সৃষ্টি।