01/01/2025
আজকে এক বন্ধুর স্টুডেন্ট এর কাহিনি শুনলাম। সম্পর্কে ভাগ্নী হয়। বাকরুদ্ধ..... এডমিশনের স্টুডেন্ট।
ঢাকায় ফার্মগেটে আসছে মেডিকেলের কোচিং করতে। ভালো স্টুডেন্ট। কোচিং এর এক্সামে প্লেস করছে। মামার মত ডিএমসিতে পড়তে চায়। মামাও আশাবাদী।
শনিবার হঠাৎ ব^মি শুরু হয়, পরে ঔষুধ খেলে কন্ট্রোল হয়ে যায়। পরে রাত ৯ টায় জ্বর আসে। তখন বন্ধু আশ্বাস করে। জ্বর এর ঔষুধ খেয়ে রাত টা পার করে সকালে প্রয়োজনে ডাক্তার দেখাবে।
হঠাৎ বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে।দ্রুত হাসপাতালে নেয়। অক্সিজেন সেচুরেশন ৯২ এ আসে। খুব খারাপ না। তারপরও ইমিডিয়েট আইসিইউ তে নেয়া হয়। যাওয়ার সময় মামাকে প্রশ্ন ও করে কতক্ষন থাকা লাগবে ভিতরে? মামা উত্তর দেয় বেশি সময় থাকা লাগবে না। জাস্ট রাত টা থাকবে।সকালেই বের হয়ে যাবা ইন শা আল্লাহ।
এই শেষ কথা। রাতে হঠাৎ অবস্থার আরো অবণতি হয়। হঠাৎ সব ০। ............. ০..............
লাস্ট সময়ে ভিতরের ডাক্তার, মেয়ের বাবা আর মামাকে ডেকে নেয়। শেষ সময় টা সাথে থাকার জন্য তাদের আহবান করে। কেউ বিশ্বাস করতে পারছিলো না। এই তো অল্প সময়ের ব্যবধান। একটু আগেও কথা বলছিলো।
অই বাবা শুধু চিৎকার করছিলো আমার মেয়ের আর পড়াশুনা করতে হবে না। আমার মেয়েকে এনে দাও....
এই তো জীবন। সবকিছুর ভিড়ে মাথায় রেখো মৃ'ত্যু সবচেয়ে সুনিশ্চিত। এডমিশন নিয়েও খুব বেশি প্যারা নেয়ার কিছু নেই। তোমার দ্বারা যতটুকু সম্ভব ততটুকুই। নিজের ইবাদত ঠিক রেখো। যেন মৃ'ত্যুর পুজি থাকে।
Short uncertain human life....
|Tawsif