15/07/2026
খেজুরে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক শর্করা থাকার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও মিনারেল থাকে যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
এই পুষ্টিকর ফলের মধ্যে আছে থায়ামিন (বি১), নিয়াসিন (বি৩), পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন, সালফার, সোডিয়াম এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণে জল।
এর সমৃদ্ধ পুষ্টিগুণের কারণে বহু শতাব্দী ধরে খেজুরকে শক্তির একটি চমৎকার উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
তবে, শুধুমাত্র খেজুর ও পানি খেয়ে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব—এই ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
খেজুরে শরীর সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সব উপাদান, যেমন—পর্যাপ্ত প্রোটিন, অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড (হেলদি ফ্যাট) এবং ভিটামিন বি১২-এর মতো জরুরি পুষ্টি উপাদান নেই।
তাই দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতা ও সুষম পুষ্টির জন্য সুষম খাদ্য তালিকার অংশ হিসেবেই খেজুর খাওয়া উচিত।