Muhammad Arafat Rahman

Muhammad Arafat Rahman "নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে"
- 94:6

"আমার পৃথিবী,স্বর্গের মতোই চির অদেখা!" " সাতান্তাহি আল-হার্‌ব ইয়াওমান, ওয়া আঊদ ইলা ক্বাসিদাতি "

26/04/2026

আমার একটা রিয়ালাইজেশন হচ্ছে পৃথিবীতে 'স্বপ্নপূরণ' করে ফেলেছি বলে ফুল-স্টপ দেয়ার মতো কোনো সুযোগ নেই। আজকে যদি আপনার আইস-ক্রিম খেতে ইচ্ছা করে আর আপনি যদি আইস-ক্রিমটা খেতে পারেন, তাহলে কয়েক মিনিট বা কয়েক ঘণ্টার জন্য এটা আপনার সফলতা। মানসিক যে একটা তৃপ্তির ফিলিং কাজ করবে সেটাই হচ্ছে সফলতা বা অর্জন।
আমরা মূলত এই তৃপ্তির লক্ষ্যে দৌড়াই সবসময়। এই ছোট ছোট তৃপ্তিগুলো হরহামেশাই পেতে পারেন। কিন্তু বড় তৃপ্তিগুলো অনেক পরিশ্রমের পর পাওয়া যায়, যেটা কয়েক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। আবার অনেক সময় বড় তৃপ্তিগুলো অর্জন করতে গিয়ে মানুষ তার জীবটাই দিয়ে দিচ্ছে।
পরিশ্রমটাও কিন্তু তৃপ্তি অর্জনের একটা বড় উৎস, আপনি যখন জানেন আপনার প্রতিটা ঘামের মূল্য আছে তখন পরিশ্রমটা আর কষ্টের হয় না।
আমেরিকার উচ্চ শিক্ষার জন্য ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (USF) শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন এবং নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিও আমার বিশ্বাস তারা এরকম তৃপ্ত মন নিয়েই অনেকগুলো বছর কাটিয়েছে।
অথচ নি*খোঁজ হওয়ার পর তাদের হ**ত্যা নিশ্চিত করে পুলিশ। ১০ দিনেরও বেশি সময় নিখোঁজ থাকার পর ২৫ এপ্রিল তাদের মৃ*ত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া যায়। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানায়, এটি একটি পরিকল্পিত খু*নের ঘটনা, যেখানে দেহ খ*ণ্ড বি*খণ্ড করে আলামত লোপাটের চেষ্টা করা হয়েছিল।
Now they signed off the Earth, an unfortunate farewell.....
মানুষের ন্যাচারাল instinct হচ্ছে মানুষ মরতে চায় না, আমিও তো মৃ*ত্যুর কাছাকাছি আসলে শুধু বাঁচতে চেষ্টা করবো। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে মরণ একবার ঘটে গেলে ইট ডাজেন্ট ম্যাটার এনিমোর।
মূলত তাদের পরিবারের জন্য ব্যাপারটা আনফেয়ার, আমাদের জন্যেও আনফেয়ার। পরিবার ট্রমার মধ্যে থাকবে, আর আমাদের দেশ ২জন মেধাবীকে হারালো যারা দেশে অনেক বড় বড় অবদান রাখতে পারতো।
আমরা আসলে কাদের বিশ্বাস করব..!!
আমরা যাদেরকে বিশ্বাস করি তারা আমাদের আশেপাশের লোকজন আবার আমরা যাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তারাও আমাদের আশেপাশের লোকজন।

19/04/2026

মানুষ সফলতা বলতে ঠিক কি বুঝে তা আমার জানা নেই।তবে শুনেছি মানুষ সফলতা বলতে বিসিএস ক্যাডার, জাজ ব্যারিস্টার, ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার, অনেক বেশি ইনকাম করা, নাম খ্যাতি, পাবলিসিটি, সেলিব্রেটি ইত্যাদিকে বুঝে-জানে।
আমি এমন অনেক মানুষকে দেখেছি যারা নাম যশ খ্যাতি টাকা পয়সা ইনকাম করার পরেও জীবনে একটু সুখ, একটু শান্তি খুঁজে পায়নি।
লাইফের সেন্টার পয়েন্ট এসে যখন ফিল করে, যে সুখ-শান্তির জন্য যে সফলতাকে খোঁজে বেড়াচ্ছে, সেই সফলতাই
সুখ-শান্তিকে লাইফ থেকে কেড়ে নিয়েছে। এমন বহু মানুষ আছে, শেষ প্রান্তে এসে শেষ ঠিকানাটুকু হয়নি নিজের বাসস্থানে; জীবনের শেষ প্রান্তে এসে হয় অন্যের ঘরে, না হয় বৃ*দ্ধাশ্রমে জায়গা হয়েছে।
সফলতা এগুলো লাইফের অর্জন, সেটা প্রয়োজন আছে কিন্তু এগুলো একটা মানুষের চূড়ান্ত সফলতা না।
এমন বহু মানুষ সমাজে আছে যাদের বুড়ী বুড়ী সফলতা থাকার পরেও শেষটা সুন্দর হয়নি। আবার ঝড়ের দিনে বৃষ্টির পানি টিনের ফোটা দিয়ে আসা মানুষটাও সুখে শান্তিতে নিভৃতে জীবন কাটিয়ে দিয়েছে।
মানুষ মনে করে টাকা থাকলে মানুষ চিরকালই সুখী কিন্তু Without honesty সুখ বেশিদিন একজিস্ট করে না।আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে যদি নিজের চেহারাটা দেখে নিজের কাছে অনেস্টে মনে না হয়....
তাহলে আপনি সুখী মানুষ না।
যারা সফলতার পিছনে গিয়ে হয়তো অর্থবিত্ত হয়েছে, তারা হয়তো বাহ্যিক দিক থেকে সুখী কিন্তু খোঁজ নিন.... মনে দিক থেকে তারা একাকিত্ব আর অসহায়ত্বে দিন কাটাচ্ছে।
স্রেফ "An honest human being" হয়ে উঠতে না পারা।
মানুষ লাইফে চূড়ান্ত পর্যায়ে সফলতা চেয়েছে কিন্তু কখনোই লাইফে চূড়ান্ত পর্যায়ে "An honest human being" হয়ে বেঁচে থাকতে চায়নি! মানুষ কখনো মানুষ হতে চায় না!
Be honest and be happy. 

19/04/2026

একবার মাওলানা জালালউদ্দিন মোহাম্মদ রুমি বললো....
" স্রষ্টার থেকে তুমি যাকে'ই বেশি ভালোবাসবে... তিনি তাকে'ই তোমার কাছ থেকে দূরে নিয়ে যাবে এবং তোমাকে একা করে রাখব।"
রুমি আরও বলেছেন.....
" কখনো বলবে না আমি তাকে ছাড়া বাঁচবো না"
স্রষ্টা তাকে ছাড়াই তোমাকে বাঁচাবো এবং পেছনের অনুগত সব আবেগ কেড়ে নিয়ে, তোমাকে দিব্যি সামনে নিয়ে যাব!"

তুমি কী দ্যাখো না? ঋতুরাও বদলাতে থাকে।
ছায়া দেয়া গাছের পাতাও যায় শুকিয়ে।
ধৈর্য্যে হারিয়ে যায় কিন্তু তোমার স্রষ্টা ধৈর্যশীল ও পরম দয়ালু, সেই ঝরে যাওয়া পাতার ডাল থেকেই আবার সবুজ পাতা গজায়, তুমি কী দ্যাখো না তোমার স্রষ্টার এই নিদর্শন?
যে মানুষটাকে তুমি নিজের অংশ ভাবতে, সেই মানুষটাই একদিন অচেনা হয়ে যায়।

তোমার মন ভে*ঙে যায়!
এমনকি তোমার বন্ধুও শ*ত্রুতে পরিণত হয়
আর শ*ত্রুও খানিক সময় পরে পরিণত হয় বন্ধুতে।
যে মানুষটাকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি
ভালোবাসতে সেও প্রতারণা করে।
তবে তুমি কেন স্রষ্টা বিমুখ হয়ে মানুষকে ভরসা করো?
অদ্ভুত এই পৃথিবী!

যখন তুমি ভাবো এটা হবেনা কখনো, কিন্তু পরোক্ষণে সেটাই হয়। সেটাই হবার নয় কী?
তুমি বলো, 'আমি পড়বোনা' অথচ তুমি পড়ো।
তুমি বলো, 'আমি বিস্মিত হবোনা!'
অথচ তুমি রোজ বিস্মিত হও এবং সবচেয়ে বিচিত্র বিষয় হচ্ছে- তুমি বলতে থাকো 'আমি মরে গেছি' অথচ তুমি বাঁচো, তুমি বেঁচে থাকো। তোমার স্রষ্টা তোমাকে বাঁচায়, তোমার স্রষ্টা তোমাকে বাঁচিয়ে রাখে॥

18/04/2026

মেয়েরা তার জীবনে সবচেয়ে বেশি কথা শুনতে হয় গায়ের রং আর শরীরের গঠন নিয়ে। এগুলো নিয়ে সম্ভবত সবচে বেশি কথা শুনতে হয় তাদের পরিবার, আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে, বিশেষ করে নিজের র*ক্তের সম্পর্কের লোকজন।
আমি যদি দেখি বাইরের কেউ কাউকে কা*লো বলে তুচ্ছ তা*চ্ছিল্য করছে তাহলে এটা আমার কাছে স্বাভাবিক ঘটনায় লাগে।
যেখানে নিজের আপন মা তার মেয়ের গা*য়ের রং, শরীরের গঠন নিয়ে নোং*রা কথা বলতে দেখেছি সেখানে বাহিরে লোকজন ডালভাত। বর্তমানে দুই একজন মানুষ পাবেন যারা গায়ের রং দেখে মানুষ কে যাচাই করে না, সর্ম্পকও করেনা। আমি অনেক এলিট ক্লাস বন্ধুদের দেখেছি তারা কতটা নিম্ন স্তরের মন মানসিকতা নিয়ে মিশে... জাস্ট গায়ের রং কা*লো বলে তারা তাদেরকে এড়িয়ে গেছে পুরো ইউনিভার্সিটি লাইফ।
আমি এমনও দেখেছি ক্লাসের সবচেয়ে মোটা যে মেয়েটা তার সাথে কেউ কথা না বলতে মাসের পর মাস।
নীরবে-নিভৃতে বুকের মধ্যে চাপা কষ্ট নিয়ে পুরো সেমিস্টার শেষ করে বিদায় নিয়েছে। তাদেরকে কখনো sympathy দেখাইনি, আমি তাদেরকে বুঝিয়েছি যে বাস্তবতা মেনে নিয়ে নিজেকে অনেক দূর এগিয়ে যেতে।

এ ধরনের ছোটলোকের সংখ্যা আমি মনে করি প্রতিটি ঘরেই কিংবা প্রতিটি পরিবারের কোনো না কোনো সদস্য থাকেই। আমার বড় বোনের গায়ের রঙ শ্যাম কালো হওয়াতে বোনের ননদ, দেবর সহ আত্মীয় স্বজনের অনেকেই আমার (১০ বছর বয়স তখন) সামনেই আমার বোনকে কা*লো ইত্যাদি বলে অপমান করছিল, এটা দেখে এটা দেখে আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলেছিলাম আমার পায়ের তালু টা আপনাদের চেয়ে বেশি সুন্দর। এই বলে তাদের বাড়ী থেকে বেড়িয়ে আসলাম। তারপর ২০ কেটেছে কিন্তু ঔ সব মানুষগুলোকে মাফ করতে পারেনি, এমনকি নিজ থেকে তাদের সামনেও যায় না। এতো বছর কেটে গেল কিন্তু আমি এখনও ওই সমস্ত মানুষগুলোর সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক করিনি। সমাজে অনেকে আছে নিজের ছেলে কিংবা ভাইকে বিয়ে করার পড়ে তাদের রং সৌন্দর্য যাচাই-বাছাই করে।
সেটা আপনার অধিকার আছে কিন্তু আপনি বিয়ে পরে কেন সেটা করবেন?
আগে কী কাঠের চশমা পড়ছিলেন…?

প্রতিবাদের জায়গাটা স্পেসিফিক করে কিছু প্রতিত্তোর দিতে হয়, তা না হলে কাল তারা বাহিরে গিয়ে এই সমস্ত কথাগুলো বলবে। এই সমস্ত ব্যপারে আমি তো একদম সুন্দর ভাষায় মোটামুটি একটা ক্লাস নিয়ে বসে থাকি, সাউন্ড করার কোনো অপশন রাখি না। এইসব হলো পারিবারিক শিক্ষার অভাব, তাই সাথে সাথে শিখিয়ে দেয়া লাগে। তোমরা যারা কলেজ ভার্সিটিতে পড়বা কিংবা পড়ছো, তোমাদের উদ্দেশ্যে ১টা লাইন বলে যাই:
ইদানীং কালে কলেজ, ভার্সিটি লাইফে সবচেয়ে biggest scam হচ্ছে প্রথমে কয়েকটা গ্রুপ হয়, তাদের মধ্যে একটা গ্রুপ হচ্ছে ভালো স্টুডেন্টদের সমন্বয়ে আরেকটা গ্রুপ হচ্ছে সুন্দর স্মার্ট স্টুডেন্টদের সমন্বয়ে। ওরা জগতে মেধা ও সৌন্দর্য দিয়ে বন্ধুত্ব ক্রিয়েশন করে যেটা আমরা কম বেশি সবাই ফেস করেছি বা করছি।শিক্ষাটা আসলে পরিবার থেকে বেশি জরুরি প্রাতিষ্ঠানিক থেকে শিখা।
আমার কলেজের স্যার একটা কথা প্রায় বলতেন......
পরীক্ষার খাতায় পাঁচ নম্বর কম পাইলে সমস্যা নাই কিন্তু মনুষ্যত্বের খাতায় যদি পাঁচ নম্বর কম আসে তাহলে মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে না। লাইফে মানুষ হওয়াটা বেশি জরুরি এবং সেটা মানুষকে সম্মানের মধ্যে নিহিত॥

16/04/2026

শুনুন..!!!

লাইফে ‘Indifference’ ব্যাপার থাকাটা খুব প্রয়োজন, আমি প্রায় প্র্যাকটিস করি এটা, ভালোই আয়ত্ব করতে পেরেছি। এই ধরুন, কেউ চুলে কালার করলে বা গায়ে ট্যাটু কিংবা Piercing করলেও তাতে আমি তাদেরকে ধর্ম তত্ত্ব দিয়ে এগুলো নিয়ে তর্ক বির্তক করি না।
আমি কিন্তু চুলে কালার বা গায়ে ট্যাটু করিনা, এটা আমার তেমন পছন্দ না। তারা করে করুক, তাতে আমার কিছু যায় আসে না।
আবার ধরুন, কেউ ছোট ছোট পোশাক পরিধান করলে তাতে আমি বিন্দু পরিমাণ খোঁচা দিয়ে কথা বলার চেষ্টা করিনা। এটা তার ইচ্ছে, আমার যখন মনে হয় কোনো সমস্যা হতে পারে তখন আমি তার দিকে তাকায় না, চোখ নিচে নামিয়ে এড়িয়ে যাই।
আমার লিস্টে এমন অনেকেই আছে সেমিস্টার শেষ হওয়ার আগে তাদের প্রেমের ব্রেকআপ হয় আবার নুতন সেমিস্টারে নতুন প্রেমে জড়িয়ে যায়, আমি প্রেজেন্ট সিচুয়েশন দেখে তাদের ক্যারেক্টার জাজ করিনা। কারণ আমি বিশ্বাস করি মানুষ চাইলেও খুব বেশি খারাপ হতে পারে না।
ফ্রেন্ড সার্কেলে Tomboy বা মেয়েলী স্বভাবের কিছু ফ্রেন্ডস্ আছে, আমি তাদেরকে কখনো সেই সৃষ্টিকর্তার দেওয়া হরমোনাল ইনভ্যালেন্স নিয়ে কথা বলি না।
আমি এমন অনেক মানুষকে জানি যারা পূর্বের কৃতকর্মের জন্য রাত হলে আফসোর আর ডিপ্রেশনে ভুগে। আমি তার পূর্বের কৃতকর্মের টু শব্দও করিনা।
আমার কোনো পোষা প্রাণী নেই, কারণ আমার সেই এনার্জি বা এবিলিটি নেই। কেউ পাললে আমি তাদেরকে ‘বিলাইয়ের মা, কু*কুরের বাবা ’ এইসব বলিনা।
স্পেশালি “ মানুষ খাইতে পায়না আর উনি পশু পাখিকে খাবার দিচ্ছে, যত্তসব নাটক ” এইসব অবান্তর মন্তব্য করি না।
এমন অনেক কিছু আছে যা শেষ নেই লিস্টে। এই Indifference ব্যাপারটা আমি আস্তে আস্তে আয়ত্ব করেছি।
লাইফে অনেক ভুলভাল কথা ও কাজ করেছি এই ‘Indifference’ ব্যাপারটা না থাকাতে। নিজের খেয়ে অন্যকে নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে লাইফে বহু সময় নষ্ট করেছি।
সৃষ্টিকর্তা তাদের বিবেক বুদ্ধি দিয়েছে এবং সে তার ভালো মন্দ বোঝার ক্ষমতাও রয়েছে, এমনকি তার পরিবার রয়েছে। সে ভালো খারাপ যা খুশি করতে পারেন, সৃষ্টিকর্তাই তাকে বিচার বিশ্লেষণ করবে।
আমি দু’পয়সার মানুষ হয়ে তাকে জাজ করার এখতিয়ার রাখিনা। আমি যেটা করি তাকে প্রথমেই দু একটা কথা সফট ওয়্যেতে বলার চেষ্টা করি।
মানলে মানবে, না মানলে সেটা তার বিষয়, ২য় বার তাকে কিছু বলার চেষ্টাও করিনা।
চাইলে আপনিও প্র্যাকটিস করতে পারেন, ট্রাস্ট মি, আপনার প্রচুর সময় বাঁচবে এবং পাপ কমবে। মনে অনেক মানসিক শান্তিও পাবেন।
লাইফে বহু সময় নষ্ট করেছি অন্যকে নিয়ে, বাকি অর্ধেক লাইফ নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে চাই।
আর হ্যাঁ
“ Life is beautiful when you are beautiful from your heart ”

আমার এইসব একদম ভালো লাগে না। এই ঘর,নগরীর দেয়াল, রাস্তা, মানুষ কিছুই না।সমস্যা হলো, অন্য কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই।পৃথিবীটা ...
16/04/2026

আমার এইসব একদম ভালো লাগে না।

এই ঘর,
নগরীর দেয়াল, রাস্তা, মানুষ কিছুই না।

সমস্যা হলো, অন্য কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই।
পৃথিবীটা মাঝেমধ্যে অনেক ছোট।

আমার এইসব একদমই ভালো লাগে না।
এই দুঃস্বপ্ন,না পাওয়া,পিছুটান, ভালোবাসা কিছুই না।

আমার শুধু আকাশ ভালো লাগে।
সমস্যা হলো, আকাশে শুধু মৃ*তরা যেতে পারে।

যারা নিজে ভিতরে ভিতরে একা, পৃথিবীর কোনো উৎসবই তাদের স্পর্শ করে না!

16/04/2026

হৃদয়ের বহু ক্ষ'ত, আত্মার বহু ব্য'থা শুকিয়ে যাচ্ছে কোনো পরিচর্যা ছাড়াই- সময়গুলো অতিত হবে, আমিও সেরে উঠব। কিন্তু মনে থেকে যাবে লোকের দেয়া যত ক্ষত, ব্যাথা আর অপমানের লজ্জা।
মানুষ আসলে কখনোই জানে না সে কতটা সহ্য করতে পারে। যেদিন সে জেনে যায়, সেদিন হয় সে মরে যায় আর নাহয় একদম অনুভূতিহীন হয়ে যায়। পৃথিবীর মঞ্চে অনুভূতিহীন মানুষের চেয়ে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ২য় আর একটাও নেই।।

13/04/2026

নিজের চেয়ে বেশি যোগ্য কাউকে বিয়ে করবেন না, সেটা সৌন্দর্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বংশ মর্যাদা কিংবা আর্থিক অবস্থা যেটাই হোক না কেন। যদি আপনি নিজের চেয়ে বেশি যোগ্য ব্যক্তিকে বিয়ে করেন তাহলে সারাক্ষণ বিপরীত মানুষকে নিয়ে ইনসিকিউর ফিল করবেন। আস্তে আস্তে toxic mindset তৈরি হয়ে যায় দিন দিন।

ধরেন সে আপনার চেয়েও বেশি সুন্দর,স্মার্ট বা গুণবতী..
তাহলে দেখবেন সারাক্ষণ মনে হবে ভার্চুয়ালি আপনার পার্টনারকে কেউ ম্যাসেজ করছে বা আপনি তাকে স্টক করছেন কোনো একটা পয়েন্টে এসে।
Overthinking & হালকা Trust Issues তৈরি হলে partner কে সন্দেহ করা, phone check করা, unnecessary fear তৈরি হওয়া ইত্যাদি দেখা দেয়।
এগুলা relationship slowly toxic করে তুলে আস্তে আস্তে। আপনি তাকে দূরে পাঠালে মনে হবে তাকে আপনার কাছ থেকে কেউ কেড়ে নিচ্ছে। নিজেকে ছোট মনে করা + comparison mindset ভুগতে হয়। মোটামুটি বলা যায় আপনার লাইফটা সন্দেহের উৎপত্তি স্থলে থাকবে।

আবার শিক্ষাগত যোগ্যতা বেশি হলে কথায় কথায় 'তুমি আমার থেকে বেশি বোঝো ' এই ডায়লগের উপরে থাকা লাগবে। সেটা সে ভুল করলে শুনতে হবে।
Ego Clash বা যখন একজন বেশি educated / successful হয় তখন অন্যজন নিজেকে ছোট মনে করে, ছোট ছোট বিষয়েও argument হয় এতে এগুলা relationship destroy করে।

অন্য দিকে বংশ মর্যাদা ব্যাপারটা ঝ*গড়া বিবাদ হলেই আপনার বংশকে ছোট করে কথা শুনাবে।
সেটা আপনার সাথে কিংবা বাবা মায়ের ঝ*গড়াঝাটি দেখলেই বুঝতে পারবেন। দেখবেন কথায় কথায় সেটা দিয়ে superiority দেখানো হয়, partner কে নিচু করা হয়, তার family কে disrespect করা কথা শুনাবে। Respect নেই যেখানে, সেখানে বংশ মর্যাদা শুধু একটা অহংকার।

জগতে সবচেয়ে স্কেম হচ্ছে 'ফ্রিনেন্সিয়াল' অস্বচ্ছতা।
যদি কোন ভাবে আপনার পার্টনার ফ্রিনেন্সিয়ালি সচ্ছল হয় আর আপনি তার থেকে একটু কম হন তাহলে সেটা আপনাকে চিরদিন ভোগাবে।
কথায় কথায় প্রতিবেশীদের উদাহরণ নিয়ে আসবে ইমুকে এটা করছে, এটা দিছে, তোমরা কী দিছো...!!!
টাকা বেশি হলে decision-making একপক্ষের হাতে চলে যায় অন্যজন dependent হয়ে যায়। আপনার মতান্তরের কোনো ভেল্যু নেই সেখানে।
জগতের সবাই ফেরেস্তা না আবার সবাই খারাপ না।
ইন জেনেরাল Healthy Relationship কেমন হয় তা ডিপেন্ড করে এই কয়টা ব্যাপারের উপর।
Mutual respect
Trust
Communication
Financial understanding
No comparison
এখানে “কে বেশি যোগ্য” matter করে না, matter করে তার মানসিকতার প্রকাশের উপর।
আবার যদি খারাপ mindset কপালে থাকলে same level হলেও relationship নষ্ট হয়।।

13/04/2026

জগৎসূত্রে সবাই আপনাকে পছন্দ করবে ব্যপার'টা কিন্তু এমন না। আবার সবাই অপছন্দ করবে; এমনও না। আপনি অনেকের "প্রিয়" মানুষ হবেন, আবার অনেকের অসীম ঘৃ'ণি'ত মানুষও হবেন। কেউ আপনাকে দেখেও না দেখার ভান করে এএড়িয়ে যাবে আবার কেউ একদিন দেখা না হলে কল দিয়ে আস্ক করবে।
সবসময় লোকের কথায় কান দিতে হয়না, কারো 'অ'প'ছন্দ কিংবা ঘৃ'না' নিয়ে জীবন থেমে থাকে না। আমরা সবাই যার যার প্লেস থেকে ডিপ্রেসড। কোন কিছু মতের অমিল বা না পেলেই বিপরীত মানুষদের সাথে আমাদের স্বাভাবিক সম্পর্ক টিকে থাকে না। মানুষের ন্যাচার হচ্ছে অন্য কাউকে নিয়ে খোঁচাখুঁচি করা। অথচ জগতে স্বার্থের সম্পর্কের ঊর্ধ্বে মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক হওয়ার কথা ছিল! তারপরও মানুষ কত শত জিনিস বলবে, পাত্তা দেওয়ার সময় কই?
চিল! প্যারা নাই তো!
মানুষকে প্যারা নিলেই প্যারা।
বি স্ট্রং!!
Put yourself first, life is beautiful.

Address

Mirpur

Opening Hours

Monday 09:00 - 00:00
Tuesday 09:00 - 00:00
Wednesday 09:00 - 00:00
Thursday 09:00 - 00:00
Friday 12:00 - 00:00
Saturday 09:00 - 00:00
Sunday 09:00 - 00:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muhammad Arafat Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Muhammad Arafat Rahman:

Share

Category