Savar news

Savar news ঘটনার পিছনের ঘটনা

18/08/2026

রাজনৈতিক পতিতা

07/08/2026

নানা অভিযোগে অভিযুক্ত সাভার মডেল থানার বিতর্কিত এসআই মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহর সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ী শামীম রেজার স্ত্রীর কল রেকর্ড ফাঁস!

কারাগারে থাকা আসামী শামীম রেজাকে জামিন করিয়ে দেওয়ার কথা বলে বিনিময়ে তার স্ত্রীকে কাছে ডাকছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। পর্ব-১

চাঁদা না পেয়ে লন্ডনাস রেস্টুরেন্টের এসির মেশিন খুলে নিয়ে গেল বিএনপি নেতা গিল্টু মামলত সাভার প্রতিনিধি:মার্কেট দখল ও চাঁদ...
10/07/2026

চাঁদা না পেয়ে লন্ডনাস রেস্টুরেন্টের এসির মেশিন খুলে নিয়ে গেল বিএনপি নেতা গিল্টু মামলত

সাভার প্রতিনিধি:মার্কেট দখল ও চাঁদার দাবিতে স্বনামধন্য খাবার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান লন্ডনার্স রেস্টুরেন্টের এসির যন্ত্রাংশ খুলে নেওয়া ও মার্কেটে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে স্থানীয় বিএনপি নেতা গিল্টু মামলত ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী।

সাভারের হেমায়েতপুর এলাকার ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আলী হোসেন অভিযোগ করেন,বিএনপি নেতা গিল্টু মামলত ৫০ লাখ টাকা চাদা দাবি করে,যা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নাগর আলী মার্কেট দখলে নিতে একাধিকবার হামলা ও ভাঙচুর করে দীর্ঘদিন যাবৎ মার্কেট দখল নিতে পায়তারা চালাচ্ছে তারা।

বিদ্যুৎ,গ্যাস,পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ পানির টাংকিসহ মাকেটে একাধিকবার ভাঙচুর হয়েছে। যার আইনি প্রতিকার চেয়ে একাধিকবার সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। থানা পুলিশরে সহযোগিতা না পেয়ে পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।কিন্তু অদৃশ্য শক্তিতে কোন আইনি প্রতিকার পায়নি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে পুলিশের কোন সহযোগিতা পাননি।

অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মেহেদী হাসান বলেন,তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিব।

সবশেষ গত ৭ জুলাই চাঁদা না পেয়ে মার্কেটে অবস্থিত লন্ডনাস রেস্টুরেন্টের তিনটি এসির যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে যায় তারা। রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার জানান আমাদের পুরো ফ্লোর এসি বিকল হয়ে রয়েছে যার কারণে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।আমরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাচ্ছি ইতিপূর্বে আমাদের সিসি ক্যামেরাও ভাঙচুর করা হয়েছে।

তবে স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন,গিল্টু মামলত তার দলবল নিয়ে এলাকায় বিভিন্ন গার্মেন্টস,জুতা ফ্যাক্টরি সহ ফুটপাত ও সিএনজিতে চাঁদাবাজি করেন।
চাঁদাবাজি,আধিপত্য বিস্তার ও ভাগ বাটযারাকে কেন্দ্র করে হেমায়েতপুর একালায় একাধিকবার সংঘর্ষে সেসব নিয়ে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ থানায় জানিয়েছে এবং পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় মিমাংসা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চায়লে, সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত)নূর মোহাম্মদ বলেন,বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তা সম্ভব হয়নি।

চাঁদার টাকা তুলতে গিয়েই গণপিটুনি? শামীম রেজা কাণ্ডে ফেঁসে যাচ্ছেন এসএ টিভির সাভার প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেনসাভার প্রতিনিধ...
26/06/2026

চাঁদার টাকা তুলতে গিয়েই গণপিটুনি? শামীম রেজা কাণ্ডে ফেঁসে যাচ্ছেন এসএ টিভির সাভার প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন

সাভার প্রতিনিধি: সাভারের আলোচিত শামীম রেজা কাণ্ডে আহত হওয়া এসএ টিভির সাভার প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেনকে ঘিরে নতুন অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে প্রথমে দুই লাখ টাকা নেওয়ার পর আরও ছয় লাখ টাকা দাবির জেরেই শেষ পর্যন্ত গণপিটুনির শিকার হন তিনি। ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি, পুরো ঘটনাটি ছিল অর্থ আদায়কে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উত্তেজনারই পরিণতি।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, শামীম রেজার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম দফায় দুই লাখ টাকা গ্রহণ করেন সাদ্দাম হোসেন। পরে হোয়াটসঅ্যাপে একটি সংবাদ পাঠিয়ে আরও ছয় লাখ টাকা দাবি করা হয়। এ দাবির সমর্থনে অডিও রেকর্ডিং, হোয়াটসঅ্যাপের কথোপকথন, স্ক্রিনশট এবং মোবাইলের স্ক্রিন রেকর্ডিং সংরক্ষিত রয়েছে।

সূত্রের দাবি, ছয় লাখ টাকার পরিবর্তে আড়াই লাখ টাকা দিতে সম্মতি জানালেও তাতে রাজি হননি সাদ্দাম হোসেন। অভিযোগ রয়েছে, বাকি টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে তিনি দেশ টিভির সাংবাদিক তাইফুর রহমান তুহিনকে সঙ্গে নিয়ে শামীম রেজার গ্যারেজে যান।

এ সময় সেখানে উপস্থিত হয় সাভারের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী"সামির ভাই" গ্রুপের প্রধান মাহাবুব হোসেন সামির ওরফে ফেন্সি সামিরের বাহিনীর লোকজন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা, বাকবিতণ্ডা এবং ধস্তাধস্তির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সাদ্দাম হোসেন ও তাইফুর রহমান তুহিন ঘটনাটি ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন। অভিযোগ রয়েছে, উপস্থিত লোকজন তাদের মাহাবুব সামিরের সহযোগী মনে করে মারধর করে। এতে দুই সাংবাদিকই আহত হন।

সূত্রের দাবি, এটি কোনো আকস্মিক হামলা ছিল না; বরং অর্থ দাবিকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিরোধেরই বহিঃপ্রকাশ। তাদের ভাষ্য, সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত চাঁদা দাবির অভিযোগের পক্ষে ডিজিটাল তথ্য-প্রমাণ রয়েছে, যার মধ্যে অডিও কথোপকথন, হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা, স্ক্রিনশট ও স্ক্রিন রেকর্ডিং উল্লেখযোগ্য।

ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত হলে চাঁদা দাবি, যোগাযোগ এবং ঘটনাপ্রবাহের বাস্তব চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন সচেতন বাসিন্দা প্রশ্ন তুলেছেন, " দুই দফা সংবাদ প্রকাশের পর সাদ্দাম হোসেন আসলে শামীম রেজার গ্যারেজে কী উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন?" তাদের দাবি, যদি তিনি শুধুই সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে থাকেন, তাহলে ঘটনার আগে ও পরে তার ভূমিকা এবং সেখানে উপস্থিত থাকার কারণও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া উচিত।

পুলিশের একটি তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনাটির সার্বিক তদন্তে এসএ টিভির সাভার প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও অর্থ গ্রহণের অভিযোগের বিষয়টিও সামনে এসেছে। তদন্তে প্রাপ্ত সব তথ্য-উপাত্ত ও আলামত যাচাই-বাছাই করেই এগোনো হচ্ছে। তবে সাদ্দাম হোসেনের ওপর হামলার ঘটনাকে কোনোভাবেই সমর্থন করে না পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিক পক্ষের মামলার ভিত্তিতে ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে শামীম রেজার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সাদ্দাম হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার দাবি, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ঘটনার সঙ্গে চাঁদা দাবি বা অর্থ লেনদেনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও তিনি দাবি করেন।

শামীম-মাহাবুব-সাংবাদিক কাণ্ডে ওসি-সহ ৪ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নেপথ্যে সাভার প্রেসক্লাব সভাপতি নাজমুল হুদার চাঁদাবাজ...
29/05/2026

শামীম-মাহাবুব-সাংবাদিক কাণ্ডে ওসি-সহ ৪ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নেপথ্যে সাভার প্রেসক্লাব সভাপতি নাজমুল হুদার চাঁদাবাজি

সাভার প্রতিনিধি: সাভারে বহুল আলোচিত ‘শামীম-মাহাবুব-সাংবাদিক কাণ্ড’ ঘিরে নতুন করে নানা প্রশ্ন ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সাভার প্রেসক্লাবের সভাপতি ও নিউজ টুয়েন্টিফোর টেলিভিশনের সাভার প্রতিনিধি কথিত সাংবাদিক নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে চাঁদার টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ এবং দাবিকৃত টাকার বাকি অর্থ না পাওয়ায় সাভার মডেল থানার ওসি-সহ চার পুলিশ কর্মকর্তাকে বলির পাঠা বানানো হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, সাভার প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হুদা তিন পুলিশ কর্মকর্তার কাছে চাহিদা মতো ১০ লাখ টাকা না পেয়ে ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন। যদিও দাবিকৃত অর্থ না পেলেও আহত দুই সাংবাদিকের চিকিৎসা ব্যয়ের কথা বলে তিন পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

অভিযোগকারীদের দাবি, ওই অর্থ চিকিৎসায় ব্যয় না করে আত্মসাৎ করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপিংয়ের প্রভাবেও পুলিশ কর্মকর্তারা বিতর্কের মুখে রোশনালে পড়েন। পরে এক পক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওসি-সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মিডিয়া ট্রায়াল শুরু করে এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইজিপির কাছে অভিযোগ করতে থাকেন।

অন্যদিকে, ঘটনার নেপথ্য নিয়ে ভিন্ন তথ্যও সামনে এসেছে। সাভার সদর ইউনিয়নের দেওগাঁও পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত মতিউর রহমানের দুই ছেলে মাহাবুব হোসেন সামির ওরফে ‘ফেন্সি সামির’ এবং মো. হৃদয় হোসেন ওরফে ‘ফর্মা হৃদয়’-এর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রিকশা গ্যারেজ ব্যবসায়ী শামীম হোসেনের বিরোধ চলে আসছিল বলে স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে বলেও স্থানীয়দের ভাষ্য।

সূত্রমতে, সাভারের এক শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে শামীম হোসেনের কাছে অর্থ দাবি করে আসছিল মাহাবুব সামির ও তার অনুসারীরা। অর্থ না পেয়ে শামীমকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দেখাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু সাংবাদিককে ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এতে ব্যর্থ হয়ে পরবর্তীতে শামীমকে পরিকল্পিতভাবে বিপুল পরিমাণ হেরোইন দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে উল্টো মাহবুব এর সহোদর হৃদয় হোসেন ওরফে ‘ফর্মা হৃদয়’ আটক হন।

জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাভার থানাধীন পশ্চিম রাজাসন বিরুলিয়া রোডের আমতলা পালোয়ানপাড়া এলাকায় শামীম হোসেনের গ্যারেজের সামনে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ হৃদয় হোসেনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। এরপর থেকেই মাহাবুব সামির ও শামীম হোসেনের বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে হৃদয়ের জামিনের কথা বলে শামীমের কাছে ৩০ লাখ টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। চাহিদামতো অর্থ না দেওয়ায় চাপ ও হয়রানি বাড়তে থাকে। এ সময় এসএ টিভির সাভার প্রতিনিধি কথিত সাংবাদিক সাদ্দাম হোসেনের সম্পৃক্ততার অভিযোগও ওঠে। সূত্রের দাবি, তিনি ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি শামীম হোসেনকে ‘শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী’ হিসেবে উপস্থাপন করে একাধিক সংবাদ প্রকাশ করেন এবং প্রশাসনিক ভাবে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করেন।

স্থানীয়দের দাবি, কথিত সাংবাদিক সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতা, ব্ল্যাকমেইলিং এবং আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগও তোলা হয় তার বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে শামীম হোসেনের কাছে ৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকে এসএ টিভির সাভার প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন, দেশ টিভির ঢাকা স্টাফ তাইফুর রহমান তুহিন, ক্যামেরাম্যান ও গাড়িচালকসহ কয়েকজন শামীম হোসেনের গ্যারেজে ৬ লাখ টাকার জন্য অবস্থান নেন। কিছুক্ষণ পর মাহাবুব সামিরের পক্ষের লোকজন ও কিশোর গ্যাং সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের ভিডিও ধারণের সময় সাদ্দাম হোসেন ও তাইফুর রহমান তুহিনকে প্রতিপক্ষের লোক মনে করে শামীমের লোকজন মারধর করলে আহত হয় তারা।

একই সময়ে গ্যারেজ মালিক শামীম হোসেন ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে ঘটনাস্থলে ডাকেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করে পুলিশ, মোবাইল টিমের মাধ্যমে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে সাভার মডেল থানার ওসি আরমান আলীর নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ সময় ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করে, পরবর্তীতে মামলা রুজু করে এবং আদালতে পাঠায়। একইসঙ্গে মামলার প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে শামীম হোসেনকে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এ ঘটনার পর অভিযানে থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের চাপ ও ব্ল্যাকমেইলিং শুরু করেন সাভার প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হুদা। তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাভার মডেল থানার এসআই (নি.) মো. মনিরুজ্জামান, এএসআই (নি.) মেরাজুল ইসলাম ও এএসআই (নি.) মো. আশিফুর রহমানের বিরুদ্ধে আসামি পালাতে সহায়তার অভিযোগ তোলেন এবং তাদের কাছে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করেন। একপর্যায়ে চাকরি খেয়ে ফেলার ভয় দেখিয়ে আহত দুই সাংবাদিকের চিকিৎসার কথা বলে তাদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। পাশাপাশি মোট ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয় বলেও সূত্র জানায়।
পরবর্তীতে ওসি আরমান আলী বিষয়টি জানতে পেরে ওই পুলিশ কর্মকর্তাদের টাকা দিতে নিষেধ করেন এবং আদায়কৃত টাকা নাজমুলকে ফেরত দিতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওসিকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত ভাবে দায়িত্ব অবহেলার প্রচারণা শুরু করেন নাজমুল হুদা।

সূত্র জানায়, নাজমুল হুদা সাভার মডেল থানার ওসি সহ চার পুলিশ কর্মকর্তাকে বিতর্কিত করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখেন। ঢাকার এক সহকর্মীর মাধ্যমে নাজমুল হুদা প্রেস ব্রিফিং চলাকালীন সময় বিষয়টি অতিরঞ্জিতভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেন এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের গাফিলতির অভিযোগ তুলেন। এর জেরে কোন কিছু বিবেচনা না করে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ওসি আরমান আলীসহ চার পুলিশ কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করা হয়। শুধু তাই নয় বাকি তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

নির্ভরযোগ্য আরো একটি সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, মাহাবুব হোসেন সামির পরবর্তীতে ঘটনাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে মামলার গতিপথ প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ রয়েছে, সাংবাদিকরা তার কাছে আসামিদের নাম ঠিকানা চেয়ে সহযোগিতা চাইলে মামলার বাদী মো. ফখরুল ইসলাম মজুমদারকে ভুল তথ্য দিয়ে মাহাবুব সামিরের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী কয়েকজনের নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়া শামীম হোসেন পলাতক থাকার সুযোগে তার রিকশা গ্যারেজ থেকে ১২টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে মাহাবুব সামির ওরফে ‘ফেন্সি সামির’-এর বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি দেখিয়ে প্রশাসন ও পুলিশকে পরিকল্পিতভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। একইসঙ্গে পুলিশকে দুর্বল করতে আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছেন সাভার প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হুদা।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সাভার প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হুদার কাছে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে কল কেটে দেন। পরে একাধিকবার তাকে মুঠো ফোনে কল করা হলেও তিনি আর রিসিভ করেননি।

এদিকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

সাভারে শামীম কান্ড: পুলিশকে বিতর্কিত করার চেষ্টা, ঘটনার নেপথ্যে যে রহস্য!সাভার প্রতিনিধি: ঢাকার সাভার পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্...
26/05/2026

সাভারে শামীম কান্ড: পুলিশকে বিতর্কিত করার চেষ্টা, ঘটনার নেপথ্যে যে রহস্য!

সাভার প্রতিনিধি: ঢাকার সাভার পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড এবং সাভার সদর ইউনিয়নের ৩ ও ৪ নং ওয়ার্ডের চাঁপাইন, দেওগাঁও ও রাজাসন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কিশোর গ্যাং গঠন, রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, কনট্রাক্ট কিলিং, মাদক ব্যবসা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অপরাধ সাম্রাজ্য গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ ও একাধিক সূত্রের তথ্যমতে, সাভার সদর ইউনিয়নের দেওগাঁও পশ্চিমপাড়া এলাকার মতিউর রহমানের দুই ছেলে মাহাবুব হোসেন সামির ওরফে ‘ফেন্সি সামির’ এবং মো. হৃদয় হোসেন ওরফে ‘ফর্মা হৃদয়’ দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছে।

সূত্রের দাবি, তারা সাভার পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা সেলিম মিয়ার অনুসারী হিসেবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন এবং তাদের দ্বারা আওয়ামী লীগের ছত্রচ্ছায়ায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলনের পূর্ববর্তী সময়ে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের বাড়িতে গিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে মাহাবুব সামির ও হৃদয়ের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে তারা সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মনজুরুল আলম রাজীবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ থেকে আন্দোলন দমনে মাঠে সক্রিয় ছিলেন বলেও একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

পরবর্তীতে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর তারা কিছুদিন এলাকা থেকে গা ঢাকা দেন। এরপর টাকার বিনিময়ে নতুন রাজনৈতিক যোগাযোগ তৈরি করে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে এলাকায় পুনরায় প্রভাব বিস্তার শুরু করেন-এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।

সূত্রের দাবি, নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তে তারা বিতর্কিত কিছু বিএনপি নেতার হয়ে পুনরায় সক্রিয় হয়ে ওঠেন এবং এলাকায় আধিপত্য ফিরে পায়। অভিযোগ রয়েছে, এই সময় একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এবং চারটি হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলেও তিনটি অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দেওয়া হয়। একটি ঘটনায় মামলা হয়, সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আলোচিত রুবেল হত্যার মামলায় মাহবুব সামির ও ফর্মা হৃদয় এজাহার নামীয় আসামি এবং পরে উচ্চ আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মাধ্যমে এলাকায় ফিরে এসে পুনরায় অপরাধ কর্মকান্ডে সক্রিয় হয়।

এরপর এলাকায় চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি এবং অর্থ আদায়ের চাপ বৃদ্ধি পায় বলে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের অভিযোগ।

এই প্রেক্ষাপটে ব্যবসায়ী শামীম হোসেন, যিনি রিকশা গ্যারেজ ও ব্যাটারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, তার ব্যবসার ওপর নজর পড়ে মাহাবুব হোসেন সামির ও তার ভাই হৃদয়ের। শামীমকে ঘিরেও মাদক কান্ডের বিতর্ক রয়েছে।

সূত্রমতে, সাভারের এক শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার নাম ব্যবহার করে শামীম এর কাছে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ দাবি করে আসছিল মাহাবুব সামির ও তার বাহিনীর লোকজন। অর্থ না পেয়ে শামীম হোসেনকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দেখানোর জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু সাংবাদিককে ব্যবহার করে ব্যবসায়ী শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে অধিক প্রচারণা চালানো হয়।

এসব কান্ডে ব্যার্থ হয়ে পরবর্তীতে শামীমকে পরিকল্পিতভাবে এক কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের হিরোইন দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করে মাহাবুব, ঋদয় ও তার বাহিনীর লোকজন। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চতুরতায় উল্টো ধরা পড়ে যায় মূল অভিযুক্ত ঋদয়।

গত ১৩ এপ্রিল রাত ১১টা ৩০ মিনিটে সাভার থানাধীন পশ্চিম রাজাসন বিরুলিয়া রোড আমতলা পালোয়ানপাড়া এলাকায় শামীম হোসেনের গ্যারেজের সামনে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ মো. হৃদয় হোসেন ওরফে ‘ফর্মা হৃদয়’কে গ্রেফতার করে র্যাব। এরপর থেকেই মাহাবুব হোসেন সামির ওরফে ফেন্সি সামির ও শামীম হোসেনের মধ্যে বিরোধ চরমে পৌঁছে যায়।

পরবর্তীতে হৃদয়ের জামিনের কথা বলে শামীম হোসেনের কাছে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। চাঁদা না দেওয়ায় চাপ ও হয়রানি বৃদ্ধি পায়। এ সময় কথিত সাংবাদিক এস এ টিভির সাভার প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। সূত্রমতে, তিনি এবং তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি শামীম হোসেনকে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চটকদার উপস্থাপন করে একাধিক সংবাদ প্রকাশ করেন এবং প্রশাসনিক পর্যায়ে চাপ সৃষ্টি করেন।

স্থানীয়দের দাবি, সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতা, ব্ল্যাকমেইলিং এবং অর্থনৈতিক সুবিধা গ্রহণের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। তিনি সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে থাকেন। সাদ্দাম হোসেন এই ঘটনায় শামীম হোসেনের কাছে ৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।

সেই চাঁদার টাকা নেওয়ার জন্য গত শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকে কথিত সাংবাদিক এসএ টিভির সাভার প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন, দেশ টিভির ঢাকা স্টাফ তাইফুর রহমান তুহিন, ক্যামেরাম্যান ও গাড়িচালকসহ কয়েকজন শামীম হোসেনের গ্যারেজে অবস্থান নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এর কিছুক্ষণ পর মাহাবুব হোসেন সামিরের পক্ষের লোকজন ও কিশোর গ্যাং সদস্যরা ঘটনাস্থলে হাজির হয়। এ সময় দুই পক্ষের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে কথিত সাংবাদিক সাদ্দাম হোসেন ও তাইফুর রহমান তুহিনকে পিটিয়ে আহত করা হয়। এতে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়। এই সুযোগ কাজে লাগায় মাহাবুব সামির।

এরপর ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে গ্যারেজ মালিক শামীম হোসেন নিজেই ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে ঘটনাস্থলে ডাকেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজনকে আটক করে এবং আহত সাংবাদিকদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পরবর্তীতে মামলা রুজু করা হয় এবং আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়।

এই ঘটনার পর পরিকল্পিত ভাবে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, পুরো ঘটনাটি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং প্রভাব এবং সাংবাদিকতার অপব্যবহারের জটিল সমীকরণের ফল।

এদিকে সূত্রের দাবি, মাহাবুব হোসেন সামির পরবর্তীতে ঘটনার দায় এড়িয়ে ভিন্নভাবে ঘটনাকে উপস্থাপন করেন এবং মামলার দিক পরিবর্তনের চেষ্টা করেন। মূলত সাংবাদিকরা মাহবুব হোসেন সামিরের সহযোগিতা চাইলে সাংবাদিকদের পক্ষে মামলার বাদী মো: ফখরুল ইসলাম মজুমদারকে ভুল তথ্য দিয়ে মাহবুব হোসেন সামিরের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী একাধিক ব্যক্তিদের এই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মামলা হওয়ার পর ব্যবসায়ী শামীম হোসেন পলাতক থাকার সুযোগে তার রিকশা গ্যারেজ থেকে ১২টি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা জোরপূর্বক নিয়ে যায় মাহাবুব হোসেন সামির ওরফে ফেন্সি সামির।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ঘটনার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি দেখিয়ে প্রশাসন ও পুলিশকে পরিকল্পিত ভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে। তাদের মতে, এই পুরো পরিস্থিতিকে ঘিরে মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এলাকায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে প্রভাব বিস্তার বজায় রাখা। এসব অভিযোগ বিভিন্ন “স্থানীয় সূত্রের” বরাতে জানা গেছে, তবে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তরা তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

Address

Savar
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Savar news posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share