Worker's Gadget

Worker's  Gadget বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক ফোরাম , রংপুর এর

05/12/2025
মার্কসবাদ-লেনিনবাদের আলোকে যেটুকু বুঝেছি তাতে আমাদের যে উপলব্ধি হয়েছে তা হল, একটি কমিউনিস্ট পার্টি অর্থাৎ, প্রলেতারীয় ...
05/12/2025

মার্কসবাদ-লেনিনবাদের আলোকে যেটুকু বুঝেছি তাতে আমাদের যে উপলব্ধি হয়েছে তা হল, একটি কমিউনিস্ট পার্টি অর্থাৎ, প্রলেতারীয় শ্রেণীর পার্টি গঠন কোনরূপ ঐক্য, প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণার ব্যাপার নয়, তা হচ্ছে কর্মের নির্দেশনা এবং তা গঠিত হতে পারে কেবল অর্থনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে রাজনৈতিক সংগ্রামের অচ্ছেদ্য সম্মেলনের কর্ম-প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই, অর্থনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামকে রাজনৈতিক সংগ্রামে রূপান্তরণের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই।

গত ৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭ টায়  রংপুর নগরীর নিউক্রস রোডস্থ সুমি কমিউনিটি সেন্টারে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হ...
05/12/2025

গত ৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭ টায় রংপুর নগরীর নিউক্রস রোডস্থ সুমি কমিউনিটি সেন্টারে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচ্য বিষয়-
#গ্রাহক হয়রানির প্রিপেইড মিটার স্থাপন বন্ধে কর্মসূচি নির্ধারণ ।

সড়ক পরিবহন ২০১৮ আইন বাতিল করে নতুন আইনের খসড়া তৈরি করতে আমরা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃত্বে
23/11/2025

সড়ক পরিবহন ২০১৮ আইন বাতিল করে নতুন আইনের খসড়া তৈরি করতে আমরা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃত্বে

25/06/2025

মানুষের প্রকৃত অবস্থা ছিল স্বাধীন, শান্তিপূর্ণ ও নৈতিকভাবে পরিশীলিত। কিন্তু উৎপাদিকা শক্তির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সম্পত্তির ধারণা আসে , এবং এর ফলে অসাম্য ও দাসত্ব তৈরি হয়েছে। সভাবতই সৃষ্টি হয়েছে শ্রেনি বৈষম্যের। আর বৈষম্য মানেই অন্যায় শোষণ। এই যে সামাজিক অন্যায় ও শোষণ তাকে পরিশিলিত রাখতে মানুষ যেসব সামাজিক চুক্তি গঠন করতে প্রবৃত্ত হত। যেখানে সবাই সম্মিলিতভাবে একটি সাধারণ ইচ্ছা গঠনের আকাঙ্ক্ষা করেছিলো যুগে যুগে তাই আইন নামে পরিচিত হয়ে আসছে।
এক্ষেত্রে রাষ্ট্র দাবি করে থাকে যে, সমাজে প্রত্যেকে তাদের স্বতন্ত্র ইচ্ছা রাষ্ট্রকে দিয়ে দিয়েছে, এবং সেই রাষ্ট্রের মধ্যে গঠিত হয়েছে সাধারণ ইচ্ছা যা সকলের কল্যাণ নিশ্চিত করবে। এখানে আইন কেবল তখনই বৈধ হতে পারে, যখন তা সাধারণ ইচ্ছা থেকে উৎসারিত হয়। কিন্তু এসব সাধারন ইচ্ছা মূলত নিয়ন্ত্রন করে আসছে মালিক শ্রেণীর পোষা বুদ্ধিজিবীরা। এখন যেমনটা চলছে,বিশেষ করে আমাদের দেশে, এগুলো অতিত শাসকদের ধারাবাহিকতা ছাড়া আর কিছুই না।
অথচ সমাজে প্রকৃত ক্ষমতা থাকা উচিৎ জনগনের মধ্যে, শাসকের মধ্যে নয়। শাসক বা সরকার হল জনগণের ইচ্ছার একটি কার্যনির্বাহী মাধ্যম মাত্র। শাসক যদি সাধারণ ইচ্ছার বিরুদ্ধাচরণ করে, তবে জনগণ তাকে বাতিল করার অধিকার রাখে। আর এই সাধারন নিয়ম গুলো শাসক ও শোষিতের যৌথ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছে, আজ আর সেগুলো কাজ করছে না।
কাজেই বরজুয়া গনতন্ত্র যে আইন ও স্বাধীনতার যে রুপ বিবৃত করে, সেখানে প্রকৃত স্বাধীনতা মানে হলো সেই নিয়ম মানা, যা মানুষ নিজে নিজেই সকলের মঙ্গলের জন্য তৈরি করে। তাই আইন মানাও এক ধরনের স্বাধীনতা, যদি সেই আইন সাধারণ ইচ্ছা থেকে আসে।
আর এটি একটি গনতান্ত্রিক চিন্তা, যা একক শাসক বা ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর কর্তৃত্বের বিপরীতে জনগণের শাসন ও সমতা ভিত্তিক সমাজের পক্ষে খুবই জরুরী।

১ম কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল – একটি ঐতিহাসিক শ্রমিক আন্দোলনের সূচনাঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ইউরোপ ও আমেরিকায় পুঁজিবা...
25/06/2025

১ম কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল – একটি ঐতিহাসিক শ্রমিক আন্দোলনের সূচনা
ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ইউরোপ ও আমেরিকায় পুঁজিবাদী শোষণের বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণির মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ ও প্রতিরোধ গড়ে উঠতে শুরু করে। এই প্রেক্ষাপটে ১৮৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় একটি ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক সংগঠন — ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার্কিংমেন'স অ্যাসোসিয়েশন (IWA), যাকে সাধারণভাবে ১ম কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল বলা হয়। এটি ছিল শ্রমিকদের আন্তর্জাতিক ঐক্য গঠনের প্রথম সফল প্রয়াস, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল পুঁজিবাদী শোষণের অবসান ঘটিয়ে একটি সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা গঠন করা।
২৮ সেপ্টেম্বর, ১৮৬৪ সালে, লন্ডনের সেন্ট মার্টিন হলে শ্রমিক সংগঠক, সমাজতন্ত্রী এবং বিপ্লবীরা একত্রিত হয়ে IWA গঠন করেন। এ সংগঠনের পেছনে কার্ল মার্কস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি সংগঠনের গঠনতন্ত্র, নীতিমালা ও লক্ষ্য নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন।
এই সংগঠন এমন এক সময় গঠিত হয়েছিল যখন ইউরোপজুড়ে পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক পরিবর্তনের ফলে শ্রমিকদের শোষণ বেড়ে যাচ্ছিল এবং তারা বিভিন্ন দেশে বিচ্ছিন্নভাবে আন্দোলন করছিল। IWA-এর মাধ্যমে এই আন্দোলনগুলোকে আন্তর্জাতিক স্তরে ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়াস নেওয়া হয়।
IWA-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল:
আন্তর্জাতিক শ্রমিক শ্রেণির ঐক্য গঠন
পুঁজিবাদ ও শোষণমূলক সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রাম
শ্রমিক শ্রেণির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা
সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করা
এই সংগঠন শ্রমিকদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালায় এবং বিভিন্ন দেশে গঠিত সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।
কার্ল মার্কস, যিনি এই সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন, IWA-এর অনেক নীতি ও দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করেন। তার লেখা "Inaugural Address" এবং "Provisional Rules of the International" ছিল সংগঠনের মূল দলিল।
"Inaugural Address of the International Working Men's Association"-এর মূল বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো:
"শ্রমিক শ্রেণির দুঃখ-কষ্ট ১৮৪৮ থেকে ১৮৬৪ পর্যন্ত কমেনি, অথচ এই সময়কালে শিল্প ও বাণিজ্যের ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে। ইংল্যান্ডের আমদানি-রপ্তানি ১৮৬৩ সালে প্রায় ৪৪৪ মিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছেছে, যা ১৮৪৩ সালের তুলনায় তিনগুণ বেশি। তবুও, শ্রমিকদের মজুরি বাড়েনি; জীবনযাত্রা ছিল কষ্টকর।"
"শ্রমিক শ্রেণির অর্থনৈতিক মুক্তির প্রথম শর্ত হলো ৮ ঘণ্টার কর্মদিবস। এটি শ্রমিকদের বিশ্রাম, শিক্ষা ও রাজনৈতিক সচেতনতার সুযোগ প্রদান করবে।"
"শ্রমিক শ্রেণির মুক্তি কেবল একটি দেশের আন্দোলনের মাধ্যমে সম্ভব নয় — দরকার আন্তর্জাতিক ঐক্য। পুঁজিবাদ বৈশ্বিক, তাই এর বিরুদ্ধে লড়াইও হতে হবে আন্তর্জাতিকভাবে।"
"শুধু অর্থনৈতিক আন্দোলন নয়, শ্রমিকদের নিজেদের রাজনৈতিক সংগঠন গঠন করাও জরুরি — যাতে তারা নিজস্ব স্বার্থ রক্ষা করতে পারে এবং রাষ্ট্রীয় নীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।"
"শ্রমিক শ্রেণির মুক্তি, শ্রমিক শ্রেণিকেই অর্জন করতে হবে।
("Provisional Rules of the International")সংগঠন কাঠামো ও কার্যাবলী:
নাম:
সংগঠনের নাম হবে “International Working Men’s Association”।
সদস্যপদ:
কোনো দেশের শ্রমিক বা শ্রমিক সংগঠন যারা এই আদর্শে বিশ্বাস করে, তারা সদস্য হতে পারবে।
বার্ষিক কংগ্রেস:
প্রতি বছর একটি আন্তর্জাতিক কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সব সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা মিলিত হবেন।
সেন্ট্রাল কাউন্সিল:
লন্ডনে একটি কেন্দ্রীয় পরিষদ থাকবে যা সংগঠনের আন্তর্জাতিক কার্যক্রম ও যোগাযোগ পরিচালনা করবে।
স্থানীয় স্বাধীনতা:
প্রতিটি দেশের শ্রমিক সংগঠন নিজেদের স্থানীয় আইন ও বাস্তবতা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে কাজ করবে, তবে তারা আন্তর্জাতিক ঐক্যের অংশ হিসেবে কেন্দ্রের সাথে যুক্ত থাকবে।
শ্রমিকরা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং সহযোদ্ধা।
একটি দেশের শ্রমিকদের অন্য দেশের শ্রমিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।
জাতীয়তাবাদ নয়, আন্তর্জাতিকতাবাদ—এটাই শ্রমিক শ্রেণির মূল অস্ত্র।
"The economical subjection of the man of labour to the monopoliser of the means of labour... lies at the bottom of servitude in all its forms."
(শ্রমজীবী মানুষদের শ্রমের উপকরণ থেকে বঞ্চিত করাই সব ধরনের দাসত্বের মূল ভিত্তি।)
এটি শুধু সংগঠন পরিচালনার নিয়ম নয়, বরং একটি রাজনৈতিক ঘোষণাপত্র, যা শ্রমিক শ্রেণির একতা ও মুক্তির রূপরেখা দেয়।পরবর্তী সমাজতান্ত্রিক ও কমিউনিস্ট আন্দোলনের আদর্শিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
তবে IWA-এর ভেতরে মতাদর্শগত বিভাজনও ছিল। বিশেষত মার্কসবাদীদের সঙ্গে মিখাইল বাকুনিনের নেতৃত্বাধীন অ্যানার্কিস্টদের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ দেখা দেয়।
১ম ইন্টারন্যাশনাল ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শ্রমিক আন্দোলনে প্রভাব ফেলে। ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, স্পেন ও ইংল্যান্ডে এর শাখা গঠিত হয়। এটি বিভিন্ন ধর্মঘট, শ্রমিক অধিকার রক্ষা আন্দোলন এবং রাজনৈতিক দাবির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তবে সংগঠনের সবচেয়ে বড় অবদান ছিল শ্রমিকদের মধ্যে আন্তর্জাতিকতাবাদের বোধ গড়ে তোলা। এটি সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের ভবিষ্যৎ ভিত্তি স্থাপন করে।
১৮৭২ সালে হেগ কংগ্রেসে মার্কস ও বাকুনিনের মতবিরোধ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়। কংগ্রেসে বাকুনিন ও তার অনুগামীদের বহিষ্কার করা হয় এবং সংগঠনের সদর দপ্তর নিউ ইয়র্কে স্থানান্তরিত করা হয়. ১৮৭৬ সালে ফিলাডেলফিয়ার কংগ্রেসে IWA আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
১ম কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল বা ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার্কিংমেন'স অ্যাসোসিয়েশন শ্রমিক শ্রেণির আন্তর্জাতিক ঐক্যের একটি ঐতিহাসিক সূচনা। যদিও এটি দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়নি, তবে এর প্রভাব পরবর্তী শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনে ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হয়। এটি শ্রমিকদের মধ্যে আন্তর্জাতিক সংহতির ধারণা ছড়িয়ে দেয়, যা পরবর্তীকালে ২য় ও ৩য় ইন্টারন্যাশনালের ভিত্তি তৈরি করে।

05/09/2024

মার্কসবাদ-লেনিনবাদের আলোকে যেটুকু বুঝেছি তাতে আমার যে উপলব্ধি হয়েছে তা হল, একটি কমিউনিস্ট পার্টি অর্থাৎ, প্রলেতারীয় শ্রেণীর পার্টি গঠন কোনরূপ ঐক্য, প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণার ব্যাপার নয়, তা হচ্ছে কর্মের নির্দেশনা এবং তা গঠিত হতে পারে কেবল অর্থনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে রাজনৈতিক সংগ্রামের অচ্ছেদ্য সম্মেলনের কর্ম-প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই, অর্থনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামকে রাজনৈতিক সংগ্রামে রূপান্তরণের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই। এ প্রসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কমিউনিজমের তত্ত্বকার ও প্রথম আন্তর্জাতিকের সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি থেকে কিছু উদ্ধৃতি দিচ্ছিঃ
“মালিক শ্রেণীগুলির মিলিত শক্তির বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণী একমাত্র তখনই শ্রেণী হিসেবে সক্রিয় হতে পারে যখন মালিক শ্রেণীগুলির পুরনো সমস্ত পার্টির বিরোধী পৃথক একটি রাজনৈতিক পার্টিতে শ্রমিক শ্রেণী সামিল হয়।” (প্রথম আন্তর্জাতিক)
“সমাজ-বিপ্লব তার চূড়ান্ত লক্ষ্য- সকল শ্রেণীর বিলোপ সাধন—বিজয়মণ্ডিত করার জন্যে অবশ্যই চাই একটি রাজনৈতিক পার্টিতে শ্রমিক শ্রেণীর সামিল হওয়া।” (প্রথম আন্তর্জাতিক)
“প্রলেতারিয়েতের একটি স্বাধীন রাজনৈতিক পার্টির এবং অর্থনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে রাজনৈতিক সংগ্রামের অচ্ছেদ্য সম্মেলনের আবশ্যকতা।” (প্রথম আন্তর্জাতিক)
“শ্রমিকদের পৃথক পৃথক অর্থনৈতিক আন্দোলনের মধ্য থেকে সর্বত্র গড়ে ওঠে রাজনৈতিক আন্দোলন, অর্থাৎ শ্রেণীর আন্দোলন যার উদ্দেশ্য হল সাধারণরূপে অর্থাৎ সমগ্রভাবে সমাজের পক্ষে বাধ্যতামূলক আকারে সে শ্রেণীর স্বার্থসাধন।” (মার্কস)
“শ্রমিক শ্রেণীর রাজনৈতিক আন্দোলনের চরম লক্ষ্য, অবশ্য, শ্রমিক শ্রেণীর জন্য রাজনৈতিক ক্ষমতা জয় এবং তার জন্য স্বভাবতই প্রয়োজন শ্রমিক শ্রেণীর এমন একটি প্রাথমিক সংগঠন যা তার অর্থনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে উদ্ভুত হয়ে কিছুটা পর্যন্ত বিকশিত হয়ে উঠেছে।” (মার্কস)....এম আর চৌধুরী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি গঠন- প্রক্রিয়া।

প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ আর নেই।তেল গ্যাস বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহবায়ক প্রকৌশলী শহীদুল্লাহ্ আজ বাংলা...
09/08/2024

প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ আর নেই।
তেল গ্যাস বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহবায়ক প্রকৌশলী শহীদুল্লাহ্ আজ বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৯৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
জাতীয় সম্পদ রক্ষা আন্দোলনের সিপাহসালার এই বীরের প্রয়ানে আমাদের গভীর শোক।
তাঁর অসাধারণ জীবনের স্মৃতির প্রতি অপার শ্রদ্ধা।
৯ আগস্ট ২০২৪

আইন,সংবিধান,নির্বাহী ও বিচার বিভাগ প্রসঙ্গে২য় অংশদেশের সর্বপ্রকারের ঘুষ-দুর্নীতি, অনিয়ম, অরাজকতা, অপচয়, বিশৃঙ্খলা, অপরাধ...
09/08/2024

আইন,সংবিধান,নির্বাহী ও বিচার বিভাগ প্রসঙ্গে
২য় অংশ
দেশের সর্বপ্রকারের ঘুষ-দুর্নীতি, অনিয়ম, অরাজকতা, অপচয়, বিশৃঙ্খলা, অপরাধমূলক কার্যকলাপ ইত্যাদি বন্ধের দায়িত্ব কার? সকলেই
একবাক্যে জবাব দেবেন, সরকারের। সরকার বলতে আমরা কাকে বুঝব? সরকার বলতে আমরা বুঝব এমন এক সংস্থাকে যে সংস্থা আইন তৈরি করে, সরকার গঠন করে, সরকারের আইন ও প্রশাসনযন্ত্র সহ সকল সংস্থাকে পরিচালনা করে। আমরা জানি যে একজন নির্বাচিত “প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তৃত্বে” বাংলাদেশের “নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে”। আবার সাংবিধানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ধারায় যা বলা হয়েছে তা হলো “যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন”। তাহলে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল সংস্থা কী? এর উত্তর একটাই তা হল, পার্লামেন্ট তথা জাতীয় সংসদ। এক কথায় রাষ্ট্রের ক্ষমতা পার্লামেন্টের হাতে ন্যস্ত। শুধু তাই নয়, আইন অনুযায়ী দেশের রাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপ্রধান), সংসদের স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারও সংসদ সদস্যগণই নির্বাচিত করে থাকেন। সংবিধানের ৫৫(২) ধারা মতে “প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তৃত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে” যেমন বলা আছে, তেমনি ৫৭(২) ধারা মতে বলা হয়েছে যে “সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারাইলে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করিবেন”। আবার সেখানেই শেষ নয়, সংবিধানের ৫৫(৩) ধারায় বলা
হয়েছে যে “মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন”। সহজেই অনুমেয় যে রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়টি এক ব্যক্তির ক্ষমতা জাহির বা খেয়ালখুশি প্রদর্শন বুঝায় না। যার ফলাফল আমরা দেখলাম। তাছাড়াও, একটি বিশেষ বিষয় হল এই যে, জনগণ সংসদ সদস্য ছাড়া আর কাউকেই নির্বাচিত করেন না⎯না প্রধানমন্ত্রী, না মন্ত্রী⎯এঁদের নির্বাচন ও রাখা বা না রাখার দায়িত্ব সংসদ সদস্যগণের। তাহলে আমরা খুব সঠিকভাবেই বলতে পারি যে সকল প্রকারের ঘুষ-দুর্নীতি, অনিয়ম, অরাজকতা, অপচয়, বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি সহ সকল প্রকারের অপরাধমূলক কার্যকলাপ ইত্যাদি সহ সকল প্রকারের সামাজিক অনাচার-অবিচার,
অযথার্থ ও আপ্রত্যাশিত দ্রব্যসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি ইত্যাদি ইত্যাদি থেকে জনগণ ও রাষ্ট্রকে রক্ষার দায়িত্ব হল জাতীয় সংসদের তথা সংসদ-সদস্যগণের। যা বর্তমানে অনুপস্থিত। জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্বও সংসদ-সদস্যগণের। জনগণের কর্মের সংস্থান করার দায়িত্বও সংসদ-সদস্যগণের, কারণ, রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিতে
নাগরিকগণের জন্যে “কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার” সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত বিষয়। বর্তমান পর্বে এটাই মূল প্রাসঙ্গিক বিষয় হওয়া উচিৎ। বাংলাদেশে এখন যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু আছে তা হল বুর্জোয়া তথা পুঁজিবাদী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা হল বুর্জোয়া অর্থাৎ, ধনীক শ্রেণীর রাজনৈতিক প্রভুত্বের এক ধরন। বুর্জোয়া তথা পুঁজিবাদী গণতন্ত্র হল সংখ্যালঘু শোষকদের গণতন্ত্র, পুঁজিপতি তথা ধনিক শ্রেণীর স্বার্থরক্ষার যন্ত্রস্বরূপ। আমরা এও জানি যে আমাদের দেশে যে পার্লামেন্ট কার্যকরী তা হল বুর্জোয়া পার্লামেন্ট অর্থাৎ, পুঁজিবাদী পার্লামেন্ট। এ পার্লামেন্ট ধনীক শ্রেণীর অর্থনীতির তথা
মুনাফার নামে লুটপাটের বিলোপ করবে না, পুঁজিবাদের বিলোপ করবে না, শ্রেণীতে শ্রেণীতে, ধনী দরিদ্রে, বুর্জোয়া প্রলেতারিয়েতে (শ্রমিক শ্রেণী) সমাজের বিভাগ তা লোপ করবে না। আমরা জানি যে, এ ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক সমাজের বুর্জোয়া ভিত্তির বদল ঘটায় না, পুঁজির প্রভুত্ব বিলোপ করে না। আমরা আরও জানি যে, পুঁজিবাদের আমলে রাষ্ট্রের অন্যান্য রূপের মতোই গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রও শ্রমিক শ্রেণী সহ মেহনতী জনগণকে দমনের যন্ত্র ছাড়া কিছুই নয়। কারণ, পুঁজিবাদী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র তা যত ‘সার্বজনীন’, ‘দেশপ্রেমিক’, ‘অবাধ ও নিরপেক্ষ’, ‘কল্যাণব্রতী’ আর ‘বিশুদ্ধ’ই হোক না কেন, তা পার্লাামেন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে কয়েক বছরে (বাংলাদেশের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর) একবার করে নিপীড়িতদের স্থির করতে দেয়া হয় নিপীড়ক শ্রেণীর তথা শাসক শ্রেণীর ঠিক কোন প্রতিনিধিটি পার্লামেন্টে তাদের প্রতিনিধিত্ব করবে ও তাদেরই দমন করবে। আর এখন তারা সেটাও মেনে চলতে পারছে না। অর্থাৎ অসাংবিধানিক ভাবে তা চলছে।

আমাদের দেশে যা ঘটছে তা গনবিস্ফোরন। এর গুরুত্ব অনেক। অন্তত বাংলাদেশের শ্রমিক শ্রেণীর কাছে অনেক। যেহেতু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্...
08/08/2024

আমাদের দেশে যা ঘটছে তা গনবিস্ফোরন। এর গুরুত্ব অনেক। অন্তত বাংলাদেশের শ্রমিক শ্রেণীর কাছে অনেক। যেহেতু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের স্তরে জনগন সামিল হয়েছে। আর এক দিকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীরা বিসস্ত তাবেদার পেয়ে গাছে, যা এখন গেলাতে হচ্ছে জনগণকে। তারা ভাবছে, আর কোনও বিকল্প সম্ভব নয় বলে। আমি মনে করি, এটি একটি আন্তর্জাতিক বরজুয়া সরকার, যা নিছক জাতিয় নয়। যার জন্য এখন জনগনের প্রয়োজন আন্তর্জাতিক সংগঠন। এদিকে সাম্প্রতিককালের শ্রীলঙ্কা বার্মা বাংলাদেশ ফ্রান্স ইংল্যান্ড লাতিন আমেরিকার একের পর এক লড়াই আমাদের এটাই শেখায় যে , মেহনতীরা লড়তে পারে। যা নেই তা হল সাবজেক্টিভ ফোর্স অর্থাৎ কমিউনিস্ট পার্টি। সেটা গড়ে তোলাই আজকের দিনে মুক্তিকামী মানুষের একমাত্র কর্তব্য।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Worker's Gadget posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Worker's Gadget:

Share

Category