OnlineBarta24

OnlineBarta24 Delivering fast, fair, and factual News - 24/7. Stay informed, stay ahead

 #ইসলামী  #ব্যাংক  #টাওয়ারের  #সামনে  #গ্রাহক  #ফোরামের  #হামলা,  #আহত  #শতাধিক #চাকরি  #ফেরতের  #দাবিতে  #অবস্থান,  #গ্...
14/09/2026

#ইসলামী #ব্যাংক #টাওয়ারের #সামনে #গ্রাহক #ফোরামের #হামলা, #আহত #শতাধিক

#চাকরি #ফেরতের #দাবিতে #অবস্থান, #গ্রাহক #ফোরামের #হামলায় #রণক্ষেত্র; #নারীদের #শ্লীলতাহানির #অভিযোগ

#ঢাকা #প্রতিনিধি OnlineBarta24: চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে শান্তিপূর্ন অবস্থান কর্মসূচি পালনরত চাকরিচ্যুত কর্মীদের ওপর গ্রাহক ফোরামের সদস্যদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, এ হামলায় শতাধিক কর্মী আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে কয়েকজন নারী কর্মীকে শ্লীলতাহানি ও হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, চাকরিচ্যুত কর্মীরা তাদের চাকরি পুনর্বহালসহ বিভিন্ন দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছিলেন। এ সময় গ্রাহক ফোরামের বিপুলসংখ্যক সদস্য সেখানে এসে তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়। হামলায় পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনের এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

ঘটনার ভিডিও ফুটেজে হামলায় গ্রাহক ফোরামের সদস্যদের অংশগ্রহণের দৃশ্য দেখা গেছে বলে আন্দোলনকারীরা দাবি করেছেন। ফুটেজে নারী-পুরুষ কর্মীদের ওপর হামলা ও ধস্তাধস্তির দৃশ্যও রয়েছে বলে জানা গেছে।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, হামলায় নারী-পুরুষসহ শতাধিক চাকরিচ্যুত কর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকজন নারী কর্মীর সঙ্গে অশালীন আচরণ ও শ্লীলতাহানি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

‘চাকরি ফেরতের দাবি জানাতে এসে হামলা ও অপমানের শিকার’
চাকরিচ্যুত কর্মীরা গ্রাহক ফোরামের এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ন্যায্য দাবি নিয়ে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কর্মীদের ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তারা হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা, নারী কর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ তদন্ত এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনার পর ইসলামী ব্যাংক টাওয়ার ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। চাকরিচ্যুত কর্মীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

OnlineBarta24

 #আমলাতন্ত্রের  #সংস্কার:  #দলবাজি ও  #মব  #সংস্কৃতির  #বৃত্ত  #ভাঙার  #এখনই  #সময়‎‎মেহরাব, সিনিয়র রিপোর্টার | OnlineBa...
14/07/2026

#আমলাতন্ত্রের #সংস্কার: #দলবাজি ও #মব #সংস্কৃতির #বৃত্ত #ভাঙার #এখনই #সময়
‎
‎মেহরাব, সিনিয়র রিপোর্টার | OnlineBarta24
‎
‎একটি সফল গণ-অভ্যুত্থানের পর যেকোনো নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ থাকে রাষ্ট্রের মেরামত। কিন্তু বাংলাদেশে পটপরিবর্তনের পর ২০২৬ সালের নির্বাচনী পরবর্তী সময়ে এসেও প্রশাসনে যে স্থবিরতা এবং 'মব-প্রप्रभावিত' পদায়নের হিড়িক দেখা যাচ্ছে, তা বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের মূল চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। প্রশাসনকে political প্রভাবমুক্ত করার যে সদিচ্ছা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেখিয়েছিল এবং বর্তমান নির্বাচিত সরকারের কাছে জনগণের যা প্রত্যাশা, তার বাস্তবায়ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও সুযোগসন্ধানী গোষ্ঠীর চাপে আজ প্রশ্নবিদ্ধ।
‎
‎ইতিহাস সাক্ষী, বাংলাদেশে ক্ষমতার পরিবর্তন হলে আমলাতন্ত্রের খোলস বদলানোর একটি চিরাচরিত সংস্কৃতি রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এর সাথে যুক্ত হয়েছে এক নতুন মাত্রা—'মব' বা বিশৃঙ্খল গোষ্ঠীর চাপকে পুঁজি করে বিশেষ রাজনৈতিক আদর্শের লোকজনের সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা। অতীতে বঞ্চিত হওয়ার তকমা লাগিয়ে কিংবা রাতারাতি নিজেদের নতুন শাসকগোষ্ঠীর অনুগত প্রমাণ করে যারা আজ প্রশাসনের নীতি-নির্ধারণী পদগুলো দখল করছেন, তারা প্রকৃতপক্ষে মেধা বা যোগ্যতার বিচারের কতটুকু উপযুক্ত, তা নিয়ে জনমনে সংশয় তৈরি হয়েছে।
‎
‎এই পরিস্থিতির একটি বস্তুনিষ্ঠ ও গঠনমূলক সমালোচনা নিচে তুলে ধরা হলো:
‎
‎১. বঞ্চনা মোচনের নামে নতুন বৈষম্য
‎বিগত সরকারের আমলে যারা রাজনৈতিক কারণে বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাদের পুনর্বাসন করা অবশ্যই ন্যায়বিচারের অংশ। কিন্তু বঞ্চনা দূর করার এই প্রক্রিয়াটি যদি কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তিতে রূপ নেয়, তবে তা নতুন ধরনের বৈষম্যের জন্ম দেয়। মেধা ও জ্যোষ্ঠতা (Seniority) লঙ্ঘন করে কেবল তদবির বা বিশেষ গোষ্ঠীর চাপে ঢালাও প্রমোশন ও পদায়ন আমলাতন্ত্রের চেইন অব কমান্ডকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
‎
‎২. নীতিগত সিদ্ধান্তহীনতা ও স্থবিরতা
‎যখন আমলারা দেখেন যে পেশাদারিত্বের চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয় বা মবের সন্তুষ্টিই পদোন্নতির মূল চাবিকাঠি, তখন তারা দায়িত্ব এড়ানোর নীতি গ্রহণ করেন। কোনো দল বা গোষ্ঠীর রোষানলে পড়ার ভয়ে রুটিন ফাইল আটকে রাখা এবং সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগার কারণে পুরো দেশের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক গতিশীলতা থমকে দাঁড়ায়। আমলাতন্ত্রের এই ভীতি ও জড়তা দূর করতে না পারলে সরকারের কোনো উন্নয়ন এজেন্ডাই সফল হবে না।
‎
‎৩. সুযোগসন্ধানীদের দৌরাত্ম্য ও প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষতি
‎দুর্ভাগ্যজনকভাবে, যে আমলারা অতীতে দলীয়করণের মূল কারিগর ছিলেন, তাদের অনেকেই আজ খোলস বদলে নতুন ব্যবস্থার সুবিধাভোগী। এই সুযোগসন্ধানী কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করতে না পারা সরকারের গোয়েন্দা ও নজরদারি ব্যবস্থার একটি বড় ব্যর্থতা। এর ফলে একদিকে যেমন সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তারা কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন, অন্যদিকে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মূল লক্ষ্য ব্যাহত হচ্ছে।
‎
‎উত্তরণের উপায়: সরকারের করণীয়
‎জনপ্রশাসনকে যদি আমরা একটি কার্যকর ও পেশাদার কাঠামোয় দেখতে চাই, তবে বর্তমান সরকারকে অবিলম্বে কিছু কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে:
‎ * স্বাধীন ক্যাডার কমিশন গঠন: রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত নিয়োগ ও পদায়নের জন্য উচ্চ আদালতের বিচারক এবং নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি স্থায়ী ও স্বাধীন কমিশন গঠন করতে হবে।
‎ * পারফরম্যান্স-ভিত্তিক মূল্যায়ন: কর্মকর্তাদের পদায়নের ক্ষেত্রে তাদের অতীতের ট্র্যাক রেকর্ড, সততা এবং কার্যদক্ষতাকে একমাত্র মাপকাঠি করতে হবে; কোনো দলীয় সুপারিশ বা মবের চাপ নয়।
‎ * সারপ্রাইজ অডিট ও জবাবদিহিতা: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ সেল গঠন করা প্রয়োজন, যা সাম্প্রতিক সময়ে হওয়া বিতর্কিত পদায়নগুলো পুনর্বিবেচনা (Review) করবে এবং সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তা বাতিল করবে।
‎
‎
‎আমলাতন্ত্র কোনো রাজনৈতিক দলের লাঠিয়াল বাহিনী কিংবা সুযোগসন্ধানীদের আড্ডাখানা হতে পারে না। জুলাই-আগস্টের গণ-আন্দোলনের শহীদদের রক্ত আর জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন আমরা দেখছি, তার প্রথম শর্তই হলো একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন। সরকার যদি এখনই এই মব-সংস্কৃতি এবং দলীয় প্রভাবের বৃত্ত ভাঙতে না পারে, তবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার এই চোরাবালিতেই আটকে যাবে রাষ্ট্রের সব সংস্কার উদ্যোগ। এখনো সময় আছে, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রশাসনকে পুনর্গঠন করে সুশাসনের পথ সুগম করা হোক।
‎

দেশের  #ছয়টি  #ইসলামী  #ধারার  #ব্যাংক থেকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুনর্বহাল এবং ব্যাংকিং খাতে সুশা...
22/06/2026

দেশের #ছয়টি #ইসলামী #ধারার #ব্যাংক থেকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুনর্বহাল এবং ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়, চট্টগ্রাম এর সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা...

OnlineBarta24

#দশ #দফা #দাবি #সমুহঃ

১. অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তাদের পূর্বের পদে পুনর্বহাল করতে হবে এবং পূর্ণ নিরাপত্তার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

২. ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদ ও শীর্ষ ব্যবস্থাপনায় দক্ষ, অভিজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হয়।

৩. ব্যাংকের সব পর্যায়ে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে এবং চাকরিচ্যুতির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. অত্যাবশ্যক করপোরেট সুশাসন, নৈতিক প্রশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে; অন্যায় ও প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রোধ করতে হবে।

৫. গ্রাহকদের আমানতের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

৬. ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বাধাদানকারী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং ব্যাংককে স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।

৭. ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর সংঘটিত আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ পাচার, ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

৮. ব্যাংকের মানবসম্পদ (HR) নীতিমালা অনুসরণ না করে নিয়োগপ্রাপ্ত দুর্নীতিগ্রস্ত ও অযোগ্য ব্যক্তিদের অপসারণ করতে হবে এবং ভবিষ্যৎ নিয়োগ ও পদোন্নতিতে স্বচ্ছতা, যোগ্যতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

৯. শাখা ব্যবস্থাপক থেকে শুরু করে ক্যাশ অফিসার পর্যন্ত যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ বা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

১০. ব্যাংকের সার্বিক কাঠামো, গ্রাহকসেবা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত, কার্যকর ও দৃষ্টান্তমূলক আইনগত পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে হবে।

19/06/2026

#শোনার #অনুরোধ #রইলো
OnlineBarta24

14/06/2026

#এক্সক্লুসিভ: "আগারগাঁও শাখায় আমার সাথে যা ঘটেছে" - তাসলিমা ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী

অনলাইন বার্তা ২৪ এর সাথে আলাপে #তাসলিমা #ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী আমেনা বেগম তার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ইসলামী ব্যাংক আগারগাঁও শাখায় লেনদেনের সময় তার সাথে অশোভন আচরণ করা হয়।

"উনারা আমার সাথে..." - বলেন #আমেনা #বেগম।

#সম্পুর্ণ #ভিডিও #দেখুন

OnlineBarta24

বিস্তারিত আসছে...চোখ রাখুন OnlineBarta24 পেইজে
11/06/2026

বিস্তারিত আসছে...
চোখ রাখুন OnlineBarta24 পেইজে

10/06/2026

#চাঞ্চল্যকর #ফোনালাপ

প্রার্থীকে চাপ ও আর্থিক লেনদেনে #ইসলামী #ব্যাংক #ম্যানেজারের সম্পৃক্ততার অভিযোগ-- OnlineBarta24

গ্রামীণ নারী, আরডিএস ঋণ ও ‘ভোট খরিদ’ বিতর্ক: তথ্যের লড়াইয়ে উত্তপ্ত রাজনীতি, প্রশ্নের মুখে ২২ হাজার কোটি টাকার হিসাববিশেষ...
10/06/2026

গ্রামীণ নারী, আরডিএস ঋণ ও ‘ভোট খরিদ’ বিতর্ক: তথ্যের লড়াইয়ে উত্তপ্ত রাজনীতি, প্রশ্নের মুখে ২২ হাজার কোটি টাকার হিসাব

বিশেষ প্রতিবেদক | ঢাকা
OnlineBarta24

নির্বাচনকে ঘিরে অর্থের প্রভাব, গ্রামীণ নারীদের আর্থিক কর্মকাণ্ড এবং ব্যাংকিং খাতের তথ্যের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ—সবকিছু মিলিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প (RDS)। সরকারের দুই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী কর্তৃক উত্থাপিত ২২ হাজার কোটি টাকার তথাকথিত ‘ভোট খরিদ’ অভিযোগকে কেন্দ্র করে এখন উত্তপ্ত রাজনীতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের আলোচনা।

#মন্ত্রীদের #বিস্ফোরক #অভিযোগ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি অভিযোগ করেন, গ্রামীণ নারীদের আর্থিকভাবে ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ অর্থ নির্বাচনী প্রভাব বিস্তারে কাজে লাগানো হয়েছে। তাদের দাবি, প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার একটি বড় অঙ্কের অর্থের উৎস, ব্যবহার ও প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে, যা তদন্তের দাবি রাখে।
অভিযোগটি সামনে আসার পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয় তীব্র প্রতিক্রিয়া। একপক্ষ এটিকে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কেলেঙ্কারির ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে, অন্যপক্ষ একে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

' #রেসকিউ #মিশন ’ #নাকি #তথ্যভিত্তিক #জবাব?

অভিযোগের জবাবে জামায়াতে ইসলামীপন্থী বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টা প্রচারণা শুরু হয়। সেখানে দাবি করা হচ্ছে, আরডিএস প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ নারীদের মধ্যে মোট ঋণ বিতরণের পরিমাণ মাত্র ৬,৮৬৬ কোটি টাকা, ফলে ২২ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তবে এই দাবির বিরুদ্ধেও প্রশ্ন তুলছেন অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাতের পর্যবেক্ষকরা। তাদের ভাষায়, এখানে সংখ্যার কারসাজির মাধ্যমে একটি ভিন্ন বাস্তবতা উপস্থাপনের চেষ্টা চলছে।
সংখ্যার খেলায় কোথায় বিভ্রান্তি?
ব্যাংকিং খাতের ভাষায় দুটি শব্দ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—Total Disbursement (সর্বমোট বিতরণকৃত ঋণ) এবং Investment Outstanding (বর্তমানে বকেয়া বা মাঠে থাকা ঋণ)।

ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস প্রকল্পের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়—
• সর্বমোট বিতরণকৃত ঋণ ( ): প্রায় ৬৭,২৪৩ কোটি টাকা
• বর্তমান বকেয়া বিনিয়োগ ( ): প্রায় ৬,৭৬১ কোটি টাকা

অর্থাৎ, প্রকল্পটি চালুর পর থেকে গ্রাহকদের মাঝে যে মোট অর্থ বিতরণ করা হয়েছে, তার পরিমাণ ৬৭ হাজার কোটিরও বেশি। কিন্তু এর বড় অংশ সময়মতো আদায় হয়ে আবার নতুন গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ হয়েছে। বর্তমানে মাঠে যেটুকু অর্থ বকেয়া রয়েছে, সেটিই প্রায় ৬,৭৬১ কোটি টাকা।
বিশ্লেষকদের মতে, বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু এখানেই। কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই বর্তমান বকেয়া ঋণের অঙ্ককে মোট বিতরণকৃত ঋণ হিসেবে উপস্থাপন করছেন, যা প্রকৃত চিত্রকে আড়াল করতে পারে।

#২২ #হাজার #কোটি #টাকার #প্রশ্ন #কেন #উঠছে?

অর্থনীতিবিদদের একটি অংশের মতে, সরকারের মন্ত্রীদের উত্থাপিত প্রশ্নটি মোট বিতরণকৃত অর্থের নির্দিষ্ট একটি অংশকে ঘিরে। অর্থাৎ, ৬৭ হাজার কোটি টাকার সামগ্রিক লেনদেনের ভেতরে কোনো পর্যায়ে ২২ হাজার কোটি টাকার ব্যবহার, প্রবাহ বা উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।
ফলে শুধু ৬-৭ হাজার কোটি টাকার বর্তমান বকেয়া ঋণের তথ্য সামনে এনে পুরো বিতর্ককে খণ্ডন করার চেষ্টা করলে প্রকৃত প্রশ্নটি আড়াল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

#ফ্যাক্ট #চেকের #সুযোগে #রাজনৈতিক #কাদা #ছোড়াছুড়ি

ব্যাংকিং খাতের তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে সহজবোধ্য নয়। ‘বিতরণ’, ‘পুনঃবিতরণ’, ‘আদায়’, ‘আউটস্ট্যান্ডিং’—এসব পরিভাষা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
বিশ্লেষকদের অভিযোগ, এই জটিলতার সুযোগ নিয়েই একপক্ষ তথ্যের নির্বাচিত অংশ তুলে ধরছে, আরেকপক্ষ রাজনৈতিক বক্তব্যকে আরও চড়া ভাষায় উপস্থাপন করছে। এর ফলে মূল প্রশ্নের উত্তর খোঁজার বদলে বিতর্ক সরে যাচ্ছে ব্যক্তিগত আক্রমণ, ট্রল এবং পুরোনো রাজনৈতিক ইস্যুর দিকে।
বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যের জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ, বিদ্রূপ এবং অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রসঙ্গ টেনে আনার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

#ব্যাংকিং #খাত #নিয়ে #নতুন #উদ্বেগ

এই বিতর্ক শুধু একটি রাজনৈতিক অভিযোগে সীমাবদ্ধ নেই; এর প্রভাব পড়েছে দেশের ব্যাংকিং খাত নিয়েও। সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে—ব্যাংকিং খাতের ওপর রাজনৈতিক প্রভাব কতটা, আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা কতটা নিশ্চিত, এবং বৃহৎ প্রকল্পগুলোর ওপর কার্যকর নজরদারি আদৌ রয়েছে কি না।
পর্যবেক্ষকদের মতে, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকলেই ব্যাংক নিরাপদ থাকবে—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। ব্যাংকিং খাতকে সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজন শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো, স্বাধীন তদারকি এবং জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান।

#তদন্তই #দিতে #পারে #উত্তর

২২ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ সত্য নাকি রাজনৈতিক বক্তব্য—সেই প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর এখনো অমীমাংসিত। তবে অভিযোগের গুরুত্ব, অর্থের পরিমাণ এবং এর সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাব বিবেচনায় বিষয়টি নিয়ে একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের দাবি জোরালো হচ্ছে।

09/06/2026

#চাঁদা #দিতে #অস্বীকৃতি, #তারপর #বদলি - #চাকরিচ্যুতি: #ইসলামী #ব্যাংকের #এক #কর্মকর্তার #বিস্ফোরক #অভিযোগ

আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক #জুলকার #নাইন-এর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম নিয়ে। ভিডিওটিতে ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল আলম এমন কিছু অভিযোগ তুলে ধরেছেন, যা শুধু একটি শাখার প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রভাবের প্রশ্নও সামনে এনে দিয়েছে।

সাইফুল আলমের দাবি, ইসলামী ব্যাংকের কিশোরগঞ্জ শাখায় কর্মরত থাকা অবস্থায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কিশোরগঞ্জ জেলা কর্মী সম্মেলনের জন্য তাঁর কাছে ৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, চাঁদা সংগ্রহের দায়িত্বে ছিলেন একই শাখার তৎকালীন জুনিয়র অফিসার (ক্যাশ ইনচার্জ) রফিকুল ইসলাম।

ভিডিওতে সাইফুল আলম বলেন, তিনি ওই চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে দাবি করা অর্থের চেয়ে কম পরিমাণ অর্থ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। বরং তাঁকে সরাসরি শাখা ব্যবস্থাপকের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই ঘটনাকে তিনি একটি সংগঠিত চাপ প্রয়োগের অংশ হিসেবে দেখছেন।

অভিযোগের এখানেই শেষ নয়। সাইফুল আলমের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার কিছুদিন পরই তাঁকে কিশোরগঞ্জ শাখা থেকে হোসেনপুর শাখায় বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর কোনো কারণ উল্লেখ না করেই তাঁর চাকরি বাতিল করা হয়। কেন তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হলো, সে বিষয়ে কোনো লিখিত ব্যাখ্যা বা সন্তোষজনক কারণ তাঁকে জানানো হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার ধারাবাহিকতায় এখন কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে—চাঁদা প্রদানে অস্বীকৃতি জানানোর সঙ্গে বদলি ও চাকরিচ্যুতির কোনো সম্পর্ক ছিল কি? একজন ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এত বড় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল কি? নাকি ভিন্নমতের কারণেই তাঁকে মূল্য দিতে হয়েছে?

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন মহলেও এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ভেতরে রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক কার্যক্রমের জন্য চাঁদা আদায়ের অভিযোগ কতটা সত্য, আর সেই অভিযোগের জেরে একজন কর্মকর্তাকে প্রশাসনিকভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে কি না—সেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন অনেকেই।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানা গেলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

 #ইসলামী  #ব্যাংকে  #ক্ষমতার  #লড়াই:  #ভারপ্রাপ্ত  #এমডিকে  #হটাতে চার কর্মকর্তার গোপন মিশন’, অচল করার নেপথ্যে কারা?নিজস...
07/06/2026

#ইসলামী #ব্যাংকে #ক্ষমতার #লড়াই: #ভারপ্রাপ্ত #এমডিকে #হটাতে

চার কর্মকর্তার গোপন মিশন’, অচল করার নেপথ্যে কারা?

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
তারিখ: ৭ জুন, ২০২৬
OnlineBarta24

দেশের বৃহত্তম শরিয়াহভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি যেন এখন এক গভীর অভ্যন্তরীণ সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে। অভিযোগ উঠেছে, ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের চার প্রভাবশালী কর্মকর্তা পরিকল্পিতভাবে ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ আলতাফ হোসেনকে কোণঠাসা করে ক্ষমতার কেন্দ্র দখলের লক্ষ্যে একের পর এক বিতর্কিত পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। ফলে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে এবং গ্রাহকদের মধ্যেও বাড়ছে উদ্বেগ।

ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ একাধিক সূত্র এবং ‘ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স’-এর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে বিস্ফোরক সব তথ্য, যা দেশের ব্যাংকিং খাতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে যাঁরা

#অভিযোগের #তীর #যাদের #দিকে, #তারা #হলেন—

• মাহবুবুল আলম — ডিএমডি ও চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার
• মুহম্মদ সাইদুল্লাহ — ডিএমডি
• মো. আমিনুর রহমান — এসইভিপি ও অপারেশন উইং প্রধান
• হাবিবুর রহমান — এসইভিপি ও কোম্পানি সেক্রেটারি

সূত্রগুলোর দাবি, এই চার কর্মকর্তাকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ বলয়, যারা ব্যাংকের বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামোকে অকার্যকর করে নিজেদের প্রভাব সুসংহত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

#বোর্ডরুমে #তালা, #ইন্টারনেট #বিচ্ছিন্ন, #প্রশাসন #অচল!

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ‘ইসলামী ব্যাংক ফোরাম’ ও ‘ইসলামী ব্যাংক রুকন পরিষদ’-এর ব্যানার ব্যবহার করে ব্যাংকের অভ্যন্তরে ধারাবাহিক অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, আন্দোলনের আড়ালে বোর্ডরুমে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া, গুরুত্বপূর্ণ ওয়াইফাই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম ব্যাহত করার মতো ঘটনাগুলোর নেপথ্যে রয়েছে একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনা।
ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা দাবি করেন, এসব কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করেছেন মাহবুবুল আলম ও আমিনুর রহমান। তাদের ভাষায়, “এটি শুধু প্রতিবাদ নয়, বরং প্রশাসনিক কাঠামোকে অচল করার সুপরিকল্পিত প্রয়াস।”

#কর্মবিরতির #আড়ালে #কার #নির্দেশ?

ব্যাংকজুড়ে চলমান কর্মবিরতি নিয়েও উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন। অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলোর দাবি, আন্দোলনের দৃশ্যমান মুখ অন্যরা হলেও এর নেপথ্য সমন্বয় ও কৌশল নির্ধারণে সক্রিয় রয়েছেন কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা।
অভিযোগ অনুযায়ী, আমিনুর রহমান ও মাহবুবুল আলম কর্মসূচির সার্বিক তদারকি করছেন, আর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে যোগাযোগ ও লবিংয়ের দায়িত্ব পালন করছেন ডিএমডি সাইদুল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা।

#পুনঃনিয়োগ #নিয়ে #ক্ষোভ, #মব #কালচার- #এর #অভিযোগ

ব্যাংকের অভ্যন্তরে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে কয়েকজন কর্মকর্তার পুনঃনিয়োগ। অভিযোগ রয়েছে, অবসরের বয়স অতিক্রম করার পরও বিশেষ প্রভাব ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে পুনরায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিশেষ করে ডিএমডি সাইদুল্লাহর পুনঃনিয়োগকে ঘিরে ব্যাপক অসন্তোষ রয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। একই সঙ্গে মাহবুবুল আলম ও আমিনুর রহমানের পুনঃনিয়োগ নিয়েও নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে ব্যাংকের অভ্যন্তরে।

#পুরোনো #কৌশলের #পুনরাবৃত্তি?

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতি নতুন কিছু নয়। এর আগেও একই ধরনের চাপ, অভ্যন্তরীণ বলয় এবং সাংগঠনিক কৌশলের মাধ্যমে সাবেক এমডি মুহাম্মদ মুনিরুল মওলাকে বেকায়দায় ফেলার অভিযোগ উঠেছিল।
তাদের মতে, বর্তমান ঘটনাপ্রবাহ সেই পুরোনো কৌশলেরই নতুন সংস্করণ।

#চেইন #অব #কমান্ড #ভেঙে #পড়ার #শঙ্কা

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ভারপ্রাপ্ত এমডির নির্দেশনা বাস্তবায়নে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে অনীহা বা অমান্য করার প্রবণতা। ফলে প্রশাসনিক চেইন অব কমান্ড কার্যত প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।
সূত্রগুলো আরও দাবি করেছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত বছরও আলতাফ হোসেনকে পদচ্যুত করার চেষ্টা হয়েছিল, যদিও শেষ পর্যন্ত তা সফল হয়নি।

#আস্থার #সংকটে #গ্রাহক, #উদ্বিগ্ন #সংশ্লিষ্ট #মহল

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামী ব্যাংকের মতো একটি বৃহৎ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা শুধু প্রতিষ্ঠানটির জন্য নয়, গোটা ব্যাংকিং খাতের জন্যই উদ্বেগের বিষয়।
তাদের আশঙ্কা, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব যদি দ্রুত সমাধান না হয়, তবে গ্রাহকদের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দেশের আর্থিক খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

#বাংলাদেশ #ব্যাংকের #হস্তক্ষেপের #দাবি

ব্যাংকের কর্মকর্তা, অংশীজন ও সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকেই পরিস্থিতি নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা হোক এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
তাদের ভাষায়, “এটি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সংকট নয়; এটি লাখো গ্রাহকের আমানত ও আস্থার প্রশ্ন।”

Address

Progati Sarani
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OnlineBarta24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category