bd politics

bd politics Bangladesh Politics

23/08/2026

মনিরুল নাকি ২০২৩ সাল থেকে জানে জঙ্গিরা ক্ষমতা দখল করবে। অথচ এই ভারতের চর এটা জানেনা তিনটা নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে না পেরে তিব্র ক্ষোভ জমা হইছে হাসিনার উপর।

21/08/2026
09/08/2026

With Bangladesh Islami Chhatrashibir – I just got recognized as one of their rising fans! 🎉

09/08/2026

With Dainik Sokal – I just got recognized as one of their rising fans! 🎉

আমি ঠিক জানিনা এই লেখাটা আমার জন্যে কতটুকু নিরাপদ। তবে ব্যবসায়িক মাফিয়া তন্ত্রের যে ভয়ংকর থাবার মুখে আমার দেশ ও দেশের মা...
08/08/2026

আমি ঠিক জানিনা এই লেখাটা আমার জন্যে কতটুকু নিরাপদ। তবে ব্যবসায়িক মাফিয়া তন্ত্রের যে ভয়ংকর থাবার মুখে আমার দেশ ও দেশের মানুষ পড়তে যাচ্ছে তা জানানোর জন্যে এই লেখাটা গুরুত্বপূর্ণ।

২০১৬ সালের ১৫ জুন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের পানগাঁওয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা অয়েল অ্যান্ড গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (বিওজিসিএল) দেশের প্রথম বেসরকারি বিটুমিন প্ল্যান্ট স্থাপনের অনুমতি পায়।

সে সময় প্রচার করা হয়েছিল, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত বিটুমিন নিম্নমানের এবং দেশের আবহাওয়ার উপযোগী নয়।

তাই দেশীয় টাকা সাশ্রয় ও টেকসই সড়ক নির্মাণে স্থানীয় শিল্পের বিকাশে ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি এই প্ল্যান্টের বাণিজ্যিক উদ্বোধন করা হয়।

প্ল্যান্ট চালু করার পরপরই বসুন্ধরা বুঝতে পারে যে মুক্ত বাজারে মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তারা বেশি মুনাফা করতে পারবে না, কারণ আমদানিকৃত বিটুমিনের দাম ছিল তুলনামূলক কম।

সেই স্বার্থে দেশীয় শিল্পের 'সুরক্ষা' দোহাই দিয়ে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে (BTTC) ব্যবহার করে তৎকালীন সরকার আমদানিকৃত বিটুমিনের ওপর ড্রামের ক্ষেত্রে ৪৭% এবং বাল্কের ক্ষেত্রে ৩৭% অতিরিক্ত শুল্ক ও কর আরোপ করে।

এর সাথে আমদানিকৃত প্রতিটি বিটুমিন চালানের মান বুয়েট বা ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকে বাধ্যতামূলক পরীক্ষার নতুন নিয়ম করা হয়।

অত্যাধিক শুল্ক এবং ল্যাব টেস্টের দীর্ঘসূত্রতার কারণে বেসরকারি আমদানিকারকদের খরচ ও জটিলতা আকাশচুম্বী হয়ে যায়। প্রতিযোগীরা বাজার থেকে ছিটকে পড়তে শুরু করলে বসুন্ধরা তাদের বিটুমিনের দাম বাড়িয়ে দেয়।

ফলে টন প্রতি ৩৯,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৫৬,০০০-৫৯,০০০ টাকা হয়ে নির্মাণ ব্যয় ১৫%-৩০% পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

এভাবেই দেশের বিটুমিনের চাহিদার ৭০% এর বেশি বসুন্ধরার হাতে তুলে দেয়া হয়।

ক্রুড অয়েল থেকে বিটুমিন তৈরির সময় বাই-প্রোডাক্ট হিসেবে ন্যাপথা, ফার্নেস অয়েল এবং উচ্চমানের ডিজেল উৎপাদিত হয়।

আইনের মূল বিধান অনুযায়ী, এই সমস্ত জ্বালানি তেল কেবল রাষ্ট্রীয় সংস্থা বিপিসির কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার কথা।

কিন্তু বসুন্ধরা গ্রুপ ২০২১ সালের মার্চ মাসে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে আবেদন করে যে, তারা এই বাই-প্রোডাক্ট সরাসরি খোলা বাজারে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করবে।

বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা বুঝে ২০২১ সালের আগস্টে জ্বালানি বিভাগ সরাসরি জানিয়ে দেয়, আইন অনুযায়ী বিপিসি ছাড়া অন্য কারও স্থানীয় বাজারে তেল আমদানির বা সরাসরি বিতরণের আইনি অধিকার নেই।

সরকারি আমলারা আইন মেনে বাধা দিলেও বসুন্ধরা তাদের রাজনৈতিক লবিং জোরদার করে।

২০২২ সালের ৩১ মার্চ তারা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা তৌফিক–ই–ইলাহী চৌধুরীর কাছে সরাসরি আবেদন করে।

উপদেষ্টার অফিস থেকে চাপ আসার পর ওই বছরের জুনে জ্বালানি বিভাগ পুনরায় বিপিসির মতামত চায়। এবার আমলারা সুর নরম, "সীমিত পরিসরে" বেসরকারি খাতকে এই বিপণনের সুযোগ দেওয়ার কথা বলেন।

বসুন্ধরাকে এই বিশেষ সুবিধা দিতে ২০২৩ সালের নভেম্বরে সরকার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নীতিমালায় বড় সংশোধন আনে।

২০২৪ সালের জুন মাসে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ চূড়ান্ত যে নীতিমালা জারি করে, সেখানে বলা হয় কোনো বেসরকারি রিফাইনারি বা প্ল্যান্ট প্রথম ৩ বছর তাদের উৎপাদিত জ্বালানির ৪০% সরাসরি নিজস্ব ডিস্ট্রিবিউশন চেইনের মাধ্যমে খোলা বাজারে বিক্রি করতে পারবে। বাকি ৬০% বিপিসির কাছে বিক্রি করবে।

এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বসুন্ধরা তাদের বিটুমিন প্ল্যান্টের বাই-প্রোডাক্ট ডিজেল ও ফার্নেস অয়েল সরাসরি পাম্প ও শিল্প-কারখানায় বিক্রির আইনি বৈধতা পেয়ে যায়।

বাই-প্রোডাক্ট বা উপজাত বিক্রির সফলতার পর বসুন্ধরার ক্ষুধা আরও বেড়ে যায়। তারা শুধু নিজেদের প্ল্যান্টের উপজাত তেল বিক্রিতেই ক্ষান্ত হয়নি, বরং সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে বিদেশ থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বাজারজাতকরণের জন্য বড় ধরনের মুভ নেয়।

দেশে যেখানে বাৎসরিক ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৫০ লাখ টন, সেখানে একটা বেসরকারি গোষ্ঠীর হাতে এর বিশাল অংশের আমদানি একচেটিয়াভাবে তুলে দেয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

এর আগে এলপি গ্যাস (সিলিন্ডার গ্যাস) খাতকে পুরোপুরি বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পর বড় করপোরেট কোম্পানিগুলোর সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে প্রতি মাসে দাম বাড়তে থাকে। একদিকে খনির গ্যাস গৃহস্থালিতে বন্ধ অন্যদিকে এলপিজি বেসরকারী কোম্পানির কবলে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (BERC) দাম বেঁধে দিলেও বেসরকারি কোম্পানিগুলো তা তোয়াক্কা করে না। মূলধারার জ্বালানি (ডিজেল-পেট্রোল) তাদের হাতে গেলেও ঠিক একই দশা হবে।

এই অনুমোদন দেয়া হলে যাস্ট একটা ভয়াবহ ভবিষ্যতের সম্ভাবনা বলি।

যেকোনো যুদ্ধের সময় বা বৈশ্বিক সংকটে বেসরকারি কোম্পানি কখনোই লস দিয়ে তেল আনবে না। ফলে পুরো পরিবহন ও কৃষি খাত (সেচ পাম্প) স্থবির হয়ে পড়ার মাধ্যমে দেশে এক দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হবে।

একটা কোম্পানিই পুরো দেশ অচল করে দিবে। তারেক রহমানের চেয়ার তখন ওদের ইশারায় নড়বে।

যে কোম্পানি তাদের পত্রিকায় টানা ৮ বছর তারেক রহমানের সাজার নিউজ পিনড করে রেখেছিল সেই কোম্পানির হাতেই তারেক রহমানের ক্ষমতার চাবি তুলে দেয়ার সকল আয়োজন সম্পন্ন করা হচ্ছে।

08/08/2026

বিএনপি সবসময় সমর্থকদের দল, আর এই দলে মন্ত্রীরা কোনদিন রাজপথে আন্দোলন করে মন্ত্রী হয় না। এরা কেউ খালেদা জিয়া কোঠায়, কিংবা বড় ব্যাবসায়ী এলিটরা মন্ত্রী পদ দখল করে। অথচ এদের অধিকাংশ গত ১৭ বছর দেশেই ছিলো না।

জুলুম নির্যাতন সজ্য করা কর্মী সমর্থকরা মুখ ফিরিয়ে নিলে ভোটের মাঠে বিএনপি সামনে টিকতে পারবে না।

08/08/2026

ক্ষমতায় আসলে বিএনপির এক পলিটিকাল এমনিসিয়া হইয়া যায়। তারা মনে করে যে উন্নয়নই (আর এডমিনিস্ট্রেশান) রাজনীতি। আমি বুঝে পাই না আপনার দলের তিন চারজন নেতার এই যে এত বসুন্ধরা আর এস আলম প্রীতি - এটাতে আপনাদের দলের কী লাভ? কোন আক্কেলে আপনারা এদেরকে নর্মালাইজ করতেছেন?

আপনাদের কি হুশ আছে যে হাসিনার এই ফাইনান্সিয়াল ব্যাকারগুলারে বিএনপির নেতাকর্মীরা কী মনে করে? কয়েকজন নেতা মালপানি কামাইতে পারে - কিন্তু আপনারা নিজের পার্টিমেনদের সামনে কেমনে মুখ দেখাবেন? পার্টির পলিটিক্সটা তো ঠিক রাখতে হবে।

প্রতিটা জায়গায় এরা আপনাদের বিপদে ফেলবে। বড়লোকের একটা ছেসড়া ক্লাসলেস ওয়ানাবি প্লেবয়রে স্পেইস দিতে গিয়ে আপনার নিজের দলের রাজনীতি যে খোয়ায় ফেলতেছেন - এই হুশ কি আপনাদের আছে?

বসুন্ধরা, এস আলম জাস্ট আপনাদের তিন-চারজন নেতার ভালো করবে। আর পুরা পার্টির রাজনীতি করবে কম্প্রোমাইজ। দেশের প্রয়োজনে এদেরকে টলারেট করতে হবে - ঠিক আছে; কিন্তু এতো পিরিতি কেন? মেরিটোক্রেসির উপর আস্থা রাখেন। এই দেশের নতুন জেনারেশনের লেজিট ব্যবসায়ী আসবে যারা এইসব বাটপার আর ভূমিদস্যুদের থেকে তিনগুণ বড় ব্যবসায়ী হবে। একটু সবর করেন।

একটা কথা বলি ভাই আপনাদের ! যখন বিএনপির কথা ভাববেন - যেই চেহারাটা সামনে ভাসাবেন - সেইটা যেন পাটক্ষেত, ধানক্ষেতে ঘুমানো যুবদল কর্মীটা হয়। আমার তাই ভাসে। ছাত্রদলের সেই ছেলে যার জীবন জেলে পচছে, বাপের মৃত্যুশয্যায় পার্টিসিপেট করতে পারে নাই কিন্তু হাসিনার এগেন্সটে দাঁড়ায় গেছে। ছাত্রদলের সেই মামলা খাওয়া ছেলেটা আমার ভাই। দুর্দিনে সেই ছেলেটারেই পাবেন - ট্রাইস্টেট এলাকার বড়লোকরা আসবে না ভাই। তারা ১৫ বছর কী করছে - আমি দেখছি। শুধু নিজেরে জিজ্ঞেশ করবেন - ঐ মামলা খাওয়া, পার্টির জন্য জীবন নষ্ট করা ছেলেটারে কেমনে মুখ দেখাবেন?

এস আলম, বসুন্ধরার মতো বাটপার আর হাসিনার দালালদের আপনারা যে নর্মালাইজ করতেছেন - আপনারা ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপির অগণিত নেতাকর্মীর ত্যাগরে পানিতে ফালায় দিতেছেন।

ফাহাম আব্দুস সালাম

08/08/2026

বিএনপির বিরুদ্বে অভিযোগ আছে তারা নাকি সরকার পরিচালনা করতে পারে না। সম্প্রতি যা শুরু করছে তাতে তাদের পুরোনো চিত্রই সামনে চলে আসছে।

07/08/2026

দেশের স্বার্থে কাজ করা একামাত্র রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

Address

Banani
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when bd politics posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share