Kawkhali Tanbir

Kawkhali Tanbir digital islami guideline

02/09/2023

ইলমে দ্বীন অর্জন করা প্রতিটি মুসলমানের উপর ফরয

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন ,,,
আর সমস্ত মু’মিনের অভিযানে বের হওয়া সঙ্গত নয় । তাই তাদের প্রত্যেক দলের একটি অংশ কেন বের হলো না , যাতে দ্বীনি জ্ঞান লাভ করে এবং সংবাদ দান করে স্বজাতিকে , যখন তারা তাদের কাছে প্রত্যাবর্তন করবে,যেন তারা বাঁচতে পারে?( সূরায় তাওবা আয়াত নং ১২২)
ইমাম কুরতুবী (রহ:) বলেন ,
এ আয়াতটি দীনের ইলম হাসিলের মৌলিক দলিল। চিন্তা করলে বুঝা যাবে যে , এতে দীনী ইলমের এক সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচী ইলম হাসিলের পর আলিমদের দায়িত্ব ও কর্তব্য কি হবে তাও বলে দেওয়া হয়েছে। এখানে বিষয়টি কিছু বিস্তারিত আলোচনা করা একান্ত দরকার।
দীনী ইলমের ফযীলত :
ইসলামি জ্ঞান অর্জন করা অনেক ফযিলত আছে। এ সম্পর্কে ওলামায় কিরাম ছোট বড় অনেক কিতাব লিখছেন। এখানে কয়েকটি হাদীস বর্ননা করা হলো …
তিরমিযী শরীফে হযরত আবু দারদা ( রা ) রিয়াত করেছেন যে , হযরত রাসূলে করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে ব্যক্তি ইলম হাসিল করার উদ্দেশ্যে কোন পথে দিয়ে চলে , আল্লাহ এই চলার সওযাব হিসাবে তার রাস্তাকে জান্নাতমুখী করে দেবেন। আল্লাহর ফেরেস্তাগন দীনী জ্ঞান আহরণকারীর জন্য নিজেদের পালক বিছিয়ে রাখেন । আরিমদের জন্য আসমান-যমীনের সমস্ত সৃষ্টি এবং পানির মৎসকুল দোয়া ও মাগফিরাত কামনা করে । অধিক হারে নফল ইবাদাতকারী লোকের উপর আলিমের ফযীলত অপরাপর তারকারাজির উপর পূর্ণিমা চাঁদের অনুরুপ।আলিম সমাজ নবীগনের ওয়ারিস।নবীগন সোনারুপার মীরাস রেখো যান না । তবে ইলমের মীরাস রেখে যান। তাই যে ব্যাক্তি ইলমের মীরাস পায় , সে যেন মহা সম্পদ লাভ করলো । ( কুরতুবী )
অপর হাদীসে এসেছে ...........
ইমাম দারেমী ( র ) স্বীয় মুসনাদ গ্রন্থে বর্ণনা করেন , যে জৈানিক সাহাবী নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করেন । বনী ইসরাঈলের দু’জন লোক ছিলেন, যাদের একজন ছিলেন আলিম । তিনি শুধু নামাজ ও লোকদের দীনী তা’লীম দানে ব্যাস্ত থাকতেন । অপরজন সারাদিন রোযা রাখতেন এবং সারারাত ইবাদাতে নিযোজিত থাকতেন । এ দু’জনের মধ্যে কার ফযীলত বেশী ? হুজুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওযাসাল্লাম বলেন , সেই আলিমের ফযীলত আবেদের উপর এমন , যেমন আমার ফযীলত তোমাদের সাধারণ মানুষের উপর । ( কুরতুবী )

অন্য হাদীস আছে
হযরত রাসূলে করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন , শয়তানের মুকাবিলায় একজন ফিকাহবিদ এক হাজার আবেদের চাইতও শক্তিশালী ও ভারী । ( তিরমিযী, মাযহারী )
তিনি আরো বলেন , মানুষের মৃত্যু হলে তার সমস্ত আমল বন্দ হয়ে যায়. কিন্তু তিনটি আমলের সওয়াব মৃত্যুর পরেও অব্যাহত থাকে । এক সদকায়ে জারিয়া – ( যেমন মসজিদ, মাদ্রাসা ও জনকল্যান মূলক প্রতিষ্ঠান )। দুই . ইলম যার দ্বারা লোকেরা উপকৃত হয় । যেমন সাগরিদ রেখে গিয়ে ইলম দীনের চর্চা জারি রাখা বা কোন কিতাব লিখে যাওয়া । তিন. নেককার সন্তান – যে তার পিতার জন্য দোয়া করে এবং সওয়াব পাঠাতে থাকে । ( কুরতুবী )
দীনী ইলম ফরযে-আইন অথবা ফরযে-কিফায়া বিবরণ ………….
ইবনে আ’দী ও বয়হাকী বিশুদ্ব সনদে হযরত আনাস ( রা. ) কর্তিক বর্ণিত এ হাদীসটি আলোচনা করেছেন
’’প্রত্যেক মুসলমানের উপর ইলম শিক্ষা করা ফরয’’
এ হাদীস ও উপরোক্ত অপরাপর হাদীসে উল্লিখিত ‘ইলম’ শব্দের অর্থ দীনে ইলম । তবে অন্যান্য বিষয়ের মত দুনিয়াবী জ্ঞা-বিজ্ঞানও মানুষের জন্য জরুরী। কিন্তু হাদীস সমূহে সে সবের ফযীলত বর্ণিত হয়নি । অত:পর দীনী েইলম বলতে একটি মাত্র বিষয়েরই উপর পরিব্যাপ্ত এক বিরাট ব্যবস্থা । সুতরাং সমস্ত বিষয় একা আয়ত্ত করা প্রত্যেক মুসলমান নরনারীর পক্ষে সম্ভব নয় । কাজেই উল্লিখিত হদীসে যে প্রত্যেক মুসলমানের উপরই ফরয যে ইলমে দীন তলব করা ফরয হয়েছে, যা ঈমান ও ইসলামের জন্য জরুরী এবং যা অবর্তমানে মানুষ না পারে ফরযসমূহ আদায় করতে, আর না পারে হারাম বিষয় থেকে বাঁচাতে। এ ছাড়া অন্যান্য বিষয়, কোরআন-হাদীস থেকে আহরিত শরীয়তের হুকুম-আহকাম ও তার অসংখ্য শাখা-প্রশাখা আয়ত্তে আনা সকল মুসলমানের পক্ষে সম্ভবও নয় এবং ফরযে-আইনও নয়তবে গোটা মুসালিম বিশ্বের জন্য তা ফরযে কিফায়া । তাই প্রত্যেকটি শহরেই যদি শরীয়তের উপরক্ত ইলম ও আইন কানুনের একজন সুদিক্ষ আলিম থাকেন , তবে অন্যান্য মুসলমান এ ফরযের দায়িত্ব ধেকে অব্যাহতি লাভ করতে পারে । কিন্তু যে শহরে বা পল্লীতে একজন ও অভিজ্ঞ আলেম না থাকেন , তবে তাদের কাউকেই আলিম বানানো বা অন্য স্থান থেকে কোন আলিম কে ডেকে এনে এখানে রাখার ব্যাবস্থা করা স্থানীয় লোকের পক্ষে ফরয , যাতে করে যে কোন প্রয়োজনীয় মাস’আলা-মাসায়েল সম্পর্কে তার কাছ থেকে ফতোয়া নিয়ে সেমত আমল করা যায় ।
দীনী ইলম সম্পর্কে ফরজে আইন ও ফরযে কেফায়ার তাফসিল নিম্মরূপ:
ফরযে আইন :
ইসলামে বিশু্দ্ব আকীদাসমূহের জ্ঞান হাসিল করা , পাকী-নাপাকীর হুকুম-আহকাম জানা নামাজ-রোযা ও অন্যান্য ইবাদাত বা শরীয়তে যেসব বিষয় ফরয বা ওয়াজিব করে দিয়েছে, সেগুলোর জ্ঞান রাখা এবং যে সব বিষয় হারাম বা মাকরূহ করে ‍ুদিয়েছে, সেগুলো সম্পর্কে ওয়াকফহাল হওয়া মুসলমান নরনারীর উপর ফরয।

ইলমে দ্বীন অর্জন করা প্রতিটি মুসলমানের উপর ফরযমহান আল্লাহ তায়ালা বলেন ,,,আর সমস্ত মু’মিনের অভিযানে বের হওয়া সঙ্গত নয় । ত...
01/09/2023

ইলমে দ্বীন অর্জন করা প্রতিটি মুসলমানের উপর ফরয

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন ,,,
আর সমস্ত মু’মিনের অভিযানে বের হওয়া সঙ্গত নয় । তাই তাদের প্রত্যেক দলের একটি অংশ কেন বের হলো না , যাতে দ্বীনি জ্ঞান লাভ করে এবং সংবাদ দান করে স্বজাতিকে , যখন তারা তাদের কাছে প্রত্যাবর্তন করবে,যেন তারা বাঁচতে পারে?( সূরায় তাওবা আয়াত নং ১২২)
ইমাম কুরতুবী (রহ:) বলেন ,
এ আয়াতটি দীনের ইলম হাসিলের মৌলিক দলিল। চিন্তা করলে বুঝা যাবে যে , এতে দীনী ইলমের এক সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচী ইলম হাসিলের পর আলিমদের দায়িত্ব ও কর্তব্য কি হবে তাও বলে দেওয়া হয়েছে। এখানে বিষয়টি কিছু বিস্তারিত আলোচনা করা একান্ত দরকার।
দীনী ইলমের ফযীলত :
ইসলামি জ্ঞান অর্জন করা অনেক ফযিলত আছে। এ সম্পর্কে ওলামায় কিরাম ছোট বড় অনেক কিতাব লিখছেন। এখানে কয়েকটি হাদীস বর্ননা করা হলো …
তিরমিযী শরীফে হযরত আবু দারদা ( রা ) রিয়াত করেছেন যে , হযরত রাসূলে করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে ব্যক্তি ইলম হাসিল করার উদ্দেশ্যে কোন পথে দিয়ে চলে , আল্লাহ এই চলার সওযাব হিসাবে তার রাস্তাকে জান্নাতমুখী করে দেবেন। আল্লাহর ফেরেস্তাগন দীনী জ্ঞান আহরণকারীর জন্য নিজেদের পালক বিছিয়ে রাখেন । আরিমদের জন্য আসমান-যমীনের সমস্ত সৃষ্টি এবং পানির মৎসকুল দোয়া ও মাগফিরাত কামনা করে । অধিক হারে নফল ইবাদাতকারী লোকের উপর আলিমের ফযীলত অপরাপর তারকারাজির উপর পূর্ণিমা চাঁদের অনুরুপ।আলিম সমাজ নবীগনের ওয়ারিস।নবীগন সোনারুপার মীরাস রেখো যান না । তবে ইলমের মীরাস রেখে যান। তাই যে ব্যাক্তি ইলমের মীরাস পায় , সে যেন মহা সম্পদ লাভ করলো । ( কুরতুবী )
অপর হাদীসে এসেছে ...........
ইমাম দারেমী ( র ) স্বীয় মুসনাদ গ্রন্থে বর্ণনা করেন , যে জৈানিক সাহাবী নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করেন । বনী ইসরাঈলের দু’জন লোক ছিলেন, যাদের একজন ছিলেন আলিম । তিনি শুধু নামাজ ও লোকদের দীনী তা’লীম দানে ব্যাস্ত থাকতেন । অপরজন সারাদিন রোযা রাখতেন এবং সারারাত ইবাদাতে নিযোজিত থাকতেন । এ দু’জনের মধ্যে কার ফযীলত বেশী ? হুজুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওযাসাল্লাম বলেন , সেই আলিমের ফযীলত আবেদের উপর এমন , যেমন আমার ফযীলত তোমাদের সাধারণ মানুষের উপর । ( কুরতুবী )

অন্য হাদীস আছে
হযরত রাসূলে করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন , শয়তানের মুকাবিলায় একজন ফিকাহবিদ এক হাজার আবেদের চাইতও শক্তিশালী ও ভারী । ( তিরমিযী, মাযহারী )
তিনি আরো বলেন , মানুষের মৃত্যু হলে তার সমস্ত আমল বন্দ হয়ে যায়. কিন্তু তিনটি আমলের সওয়াব মৃত্যুর পরেও অব্যাহত থাকে । এক সদকায়ে জারিয়া – ( যেমন মসজিদ, মাদ্রাসা ও জনকল্যান মূলক প্রতিষ্ঠান )। দুই . ইলম যার দ্বারা লোকেরা উপকৃত হয় । যেমন সাগরিদ রেখে গিয়ে ইলম দীনের চর্চা জারি রাখা বা কোন কিতাব লিখে যাওয়া । তিন. নেককার সন্তান – যে তার পিতার জন্য
ইলমে দ্বীন অর্জন করা প্রতিটি মুসলমানের উপর ফরয

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন ,,,
আর সমস্ত মু’মিনের অভিযানে বের হওয়া সঙ্গত নয় । তাই তাদের প্রত্যেক দলের একটি অংশ কেন বের হলো না , যাতে দ্বীনি জ্ঞান লাভ করে এবং সংবাদ দান করে স্বজাতিকে , যখন তারা তাদের কাছে প্রত্যাবর্তন করবে,যেন তারা বাঁচতে পারে?( সূরায় তাওবা আয়াত নং ১২২)
ইমাম কুরতুবী (রহ:) বলেন ,
এ আয়াতটি দীনের ইলম হাসিলের মৌলিক দলিল। চিন্তা করলে বুঝা যাবে যে , এতে দীনী ইলমের এক সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচী ইলম হাসিলের পর আলিমদের দায়িত্ব ও কর্তব্য কি হবে তাও বলে দেওয়া হয়েছে। এখানে বিষয়টি কিছু বিস্তারিত আলোচনা করা একান্ত দরকার।
দীনী ইলমের ফযীলত :
ইসলামি জ্ঞান অর্জন করা অনেক ফযিলত আছে। এ সম্পর্কে ওলামায় কিরাম ছোট বড় অনেক কিতাব লিখছেন। এখানে কয়েকটি হাদীস বর্ননা করা হলো …
তিরমিযী শরীফে হযরত আবু দারদা ( রা ) রিয়াত করেছেন যে , হযরত রাসূলে করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে ব্যক্তি ইলম হাসিল করার উদ্দেশ্যে কোন পথে দিয়ে চলে , আল্লাহ এই চলার সওযাব হিসাবে তার রাস্তাকে জান্নাতমুখী করে দেবেন। আল্লাহর ফেরেস্তাগন দীনী জ্ঞান আহরণকারীর জন্য নিজেদের পালক বিছিয়ে রাখেন । আরিমদের জন্য আসমান-যমীনের সমস্ত সৃষ্টি এবং পানির মৎসকুল দোয়া ও মাগফিরাত কামনা করে । অধিক হারে নফল ইবাদাতকারী লোকের উপর আলিমের ফযীলত অপরাপর তারকারাজির উপর পূর্ণিমা চাঁদের অনুরুপ।আলিম সমাজ নবীগনের ওয়ারিস।নবীগন সোনারুপার মীরাস রেখো যান না । তবে ইলমের মীরাস রেখে যান। তাই যে ব্যাক্তি ইলমের মীরাস পায় , সে যেন মহা সম্পদ লাভ করলো । ( কুরতুবী )
অপর হাদীসে এসেছে ...........
ইমাম দারেমী ( র ) স্বীয় মুসনাদ গ্রন্থে বর্ণনা করেন , যে জৈানিক সাহাবী নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করেন । বনী ইসরাঈলের দু’জন লোক ছিলেন, যাদের একজন ছিলেন আলিম । তিনি শুধু নামাজ ও লোকদের দীনী তা’লীম দানে ব্যাস্ত থাকতেন । অপরজন সারাদিন রোযা রাখতেন এবং সারারাত ইবাদাতে নিযোজিত থাকতেন । এ দু’জনের মধ্যে কার ফযীলত বেশী ? হুজুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওযাসাল্লাম বলেন , সেই আলিমের ফযীলত আবেদের উপর এমন , যেমন আমার ফযীলত তোমাদের সাধারণ মানুষের উপর । ( কুরতুবী )

অন্য হাদীস আছে
হযরত রাসূলে করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন , শয়তানের মুকাবিলায় একজন ফিকাহবিদ এক হাজার আবেদের চাইতও শক্তিশালী ও ভারী । ( তিরমিযী, মাযহারী )
তিনি আরো বলেন , মানুষের মৃত্যু হলে তার সমস্ত আমল বন্দ হয়ে যায়. কিন্তু তিনটি আমলের সওয়াব মৃত্যুর পরেও অব্যাহত থাকে । এক সদকায়ে জারিয়া – ( যেমন মসজিদ, মাদ্রাসা ও জনকল্যান মূলক প্রতিষ্ঠান )। দুই . ইলম যার দ্বারা লোকেরা উপকৃত হয় । যেমন সাগরিদ রেখে গিয়ে ইলম দীনের চর্চা জারি রাখা বা কোন কিতাব লিখে যাওয়া । তিন. নেককার সন্তান – যে তার পিতার জন্য

সবাই আমার পেইজ কে ফলো করেন
01/09/2023

সবাই আমার পেইজ কে ফলো করেন

31/08/2023

Well come to bangladesh 🇧🇩 kawkhali Tanbir

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kawkhali Tanbir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share