31/07/2026
কথা,কাজ,আচরণ দ্বারা কেউ আমার হক নষ্ট করলে, হৃদয় ক্ষতবিক্ষত করলে আমি প্রতিশোধ নেওয়ার চেয়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সবরের সাথে নীরব থাকার উপর আমল করি এবং ফায়সালা মহান আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার উপর ছেড়ে দিই!
কারণ আমি জানি,বান্দা যখন তাঁর হক নষ্টের ব্যাপারে ব্যথিত হৃদয় নিয়ে নিরবতা পালন করে তখন সেই হক নষ্টের যথোপযুক্ত প্রতিশোধ গ্রহণ কারী হয়ে যান স্বয়ং মহান রব।বহু প্রমাণ আমার এই ছোট্ট জীবনে আমি পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ,সুম্মা আলহামদুলিল্লাহ্।
তাই কারো সাথে অন্যায় হয়ে গেলে যদি সে নিজে প্রতিশোধ নিয়ে নেয় তবে তাকে ভয় করার দরকার নেই,সে তাঁর হক আদায় ই করে ফেলেছে।
ভয় তো তাঁকে করা উচিত যে প্রতিশোধ না নিয়ে নীরব থেকেছে।এমন নিরবতা আপাত চোখে মনে হতে পারে ভীরুতা,মনে হতে পারে টক্কর দিতে না পেরে পালিয়ে যাওয়া বা যার সাথে অন্যায় করা হয়েছে সে ভুল,
আমিই সঠিক।
না,এই চুপ থাকা মানে দূর্বলতা নয়,এই চুপ থাকা মানে হেরে যাওয়া নয়।বরং এই চুপ থাকা মানে মাজলুমের হৃদয়ে ঘুরতে থাকা অভিযোগ সাত আসমান ভেদ করে আরশে আজীমের অধিপতির সর্বোচ্চ আদালতে পৌঁছে যাওয়া।যে আদালতের মালিক নিজেই সাক্ষী নিজেই বিচারক।যার বিচার অতি সূক্ষ্ম,যার বিচারে কেউ ঠকে না!(সুবহানাল্লাহ,আল্লাহু আকবার)
তবে ফলাফল আসতে কখনো কখনো বেশ দেরি হতে পারে!আর দেরি হওয়া মানে কিছুই হবে না,সব ঠিক হয়ে গেছে,সবাই সব ভুলে গেছে এমন নয়।আমরা ভুলে গেলেও,আমার রব কিছুই ভোলেন না!
উপরের লেখা পড়ে ভাববেন না আমি ক্ষমা করতে জানি না।আমি তো আলহামদুলিল্লাহ এ কথার উপরও আমল করার চেষ্টা করি,মানুষকে ততবার ক্ষমা করা উচিত আল্লাহর কাছে যতবার আমার ক্ষমা প্রয়োজন।
তবে হ্যা,নিজ ভুলের উপর স্থির থাকা,হৃদয়ে বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত বোধ না আসা ইবলিশের মত অহংকারীকে আমি কখনো ক্ষমা করি না।তার জুলুমের ফায়সালা আমি আমার রবের দিকেই নিসবত করি!
নিশ্চয় প্রতিশোধ গ্রহণকারী হিসেবে আমার রব ই যথেষ্ট
শামছুন্নাহার রুমি