হৃদয়ে ভান্ডারী

হৃদয়ে ভান্ডারী নিন্দুকেরা নিন্দা করুক নিন্দা করা স্বভাব যার নিন্দা করলে ক্ষতি কি আমার;
আমার প্রাণে খুঁজে মাইজভান্ডার
দিলে খুঁজে মাইজভান্ডার
নিন্দা করলে ক্ষতি কি আমার ❤️

সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা।
25/12/2025

সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা।

একজন কমেন্ট করেছে এবং সেখানে অনেকগুলি প্রশ্ন আছে যা ওই ভীতির কারণ যা ওই ভয়েরই কারণ। আমি বোঝানোর চেষ্টা করব  তাকে, উনি য...
24/12/2025

একজন কমেন্ট করেছে এবং সেখানে অনেকগুলি প্রশ্ন আছে যা ওই ভীতির কারণ যা ওই ভয়েরই কারণ। আমি বোঝানোর চেষ্টা করব তাকে, উনি যেটা কমেন্টে লিখেছেন যে কবর আজাব বলতে আলমে বরজখের আজাবকে বুঝি। আলমে বরজখের আজাব আর তা তো আত্মারে হবে দেহের নয়। আমি বলেছিলাম যে দেহ পঁচে যাবে দেহের কোন আজাব হবে না, কবর আজাব হবে না। সেই ব্যাপারে বলেছে যে আত্মার আজাব হবে দেহের নয়। আর যদি তা মিথ্যা হয় তবে তো বেইমান, কাফের, মুশরিক, নাস্তিক সবাই বেঁচে যাবে।

কারণ মৃত্যুর পর যদি কোন সাজা না থাকে এরা তো কোন এবাদত করে না। তাহলে এরা এই যে বেঈমান কাফের মুশরিক যারা আছে নাস্তিক যারা আছে এরা সব বেঁচে যাবে? তাহলে আর ঈমানদার হওয়ার দরকার কি? এত কষ্ট করে ধর্মকর্ম করার দরকার কি? কবর আযাব অস্বীকার করলে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে। আত্মারই আযাব হবে দেহের নয়—শেষে এসে বলল আত্মারই আজাব হবে।
​দেখুন আজকে নাস্তিকের কথা বলুন, কাফেরের কথা বলুন, মুশরিকের কথাই বলুন আর বেঈমানের কথাই বলুন বা যারা দুনিয়াতে নানান রকমের অপকর্মের সঙ্গে জড়িত সেই সমস্ত ব্যক্তিদের কথা বলুন—এরা কেউ কি আজাবের বাইরে? প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে একটা ত্রিতাপ যন্ত্রণা আছে। ত্রিতাপ যন্ত্রণা—আদিভৌতিক, আদিদৈবিক, আদি আধ্যাত্মিক। এই যে আদিভৌতিক অর্থাৎ ভৌত অর্থাৎ দেহের, আমাদের যে দেহ এটা ভৌত দেহ, পাঁচটা এলিমেন্ট দিয়ে তৈরি করা হয়েছে—ভৌত পদার্থ। এই যে আগুন, পানি, বাতাস, মাটি এগুলো সব ভৌত পদার্থ। তাই আদি ভৌতিক যন্ত্রণা এই দেহগত যন্ত্রণা আছে। আমরা প্রত্যেকটা মানুষ কোন না কোন সময় কোন না কোন রোগে আমরা ভুগছি।
​কিন্তু দুই নাম্বার হচ্ছে দৈবিক যে যন্ত্রণা, এই যন্ত্রণা থেকে আধ্যাত্মিক ব্যক্তি অর্থাৎ ধর্ম করনে ওয়ালা ব্যক্তি ওই আজাব থেকে মুক্ত এখনই হতে পারে। দৈবিক যন্ত্রণা কি? মানসিক, মনের মধ্যে যন্ত্রণা। চাওয়া-পাওয়ার যন্ত্রণা, হারানোর ভয়—তা মনের মধ্যে আছে।
পাওয়ার লোভ—তা মনের মধ্যে আছে। এমনকি মৃত্যুর পরে আমাকে জীবন পেতেই হবে, মৃত্যুর পর আমার জীবন আছে ব্যক্তিত্ব আছে এটাও জান্নাত পেতে হবে এটা লোভ। জাহান্নামে পুড়তে হবে এটা ভয়। এগুলো সব মানসিক যন্ত্রণা, সব মনের মধ্যে। এগুলো সব চিন্তাতে বসে আছে। আমরা অভাবী না হলেও আমাদের চিন্তা অভাবশীল প্রত্যেকটা মুহূর্তে করে রেখেছে।
​আল্লাহ কোরআনে স্পষ্টভাবে বলেছে একটা জায়গায় যে—আমি অভাবমুক্ত তোমরা অভাবগ্রস্ত। এই যে কথাটা বলে দিল, আল্লাহ বলল আমি অভাবমুক্ত আর তোমরা অভাবগ্রস্ত। তাহলে আল্লাহ অভাবমুক্ত আমরা অভাবগ্রস্ত। অভাবমুক্তর সঙ্গে অভাবগ্রস্তের কখনো বন্ধুত্ব হতে পারে না, কখনো সুসম্পর্ক হতে পারে না। রাজার সঙ্গে ভিখারীর সুসম্পর্ক হয় না। আমাকেও প্রত্যেক ব্যক্তিকেও অভাব মুক্ত হতে হয়। অভাব কোথায় বসে আছে? প্রত্যেকটা মুহূর্ত খুব বিবেচনা করে দেখবেন, অভাবই বসে আছে আমাদের মনে। কিছু না কিছু গবেষণা কিছু না কিছু সে চাইছে, আর ওই চাওয়া থেকেই তার চিন্তা উদিত হয় এবং প্রত্যেকটা চিন্তা কর্মে লিপ্ত হতে চায়। প্রত্যেকটা চিন্তা কর্ম করতে চায়। কেন কর্ম করতে চাইছে? কর্ম করেই এই মনের অভাব সে পূর্ণ করতে চাইছে। অভাব প্রত্যেকটা মুহূর্তে আমাদের মধ্যে আছেই। তাহলে আমাদের অভাব চিন্তাতে, আমাদের দুঃখ কষ্ট চিন্তাতে, আমাদের আতঙ্ক ভয় চিন্তাতে।
​ঠিক তদ্রূপ আমাদের চিন্তাতেই বসে আছে আমার জন্ম। এবার একটু বোঝা যাক, সত্যিই কি আমাদের জন্ম হয়েছে? আমরা তো জানি সকলেই জানি হ্যাঁ আমাদের জন্ম তো হয়েছে। কিন্তু এই জন্মটা কোথায়? একটু আমরা পর্যবেক্ষণ করে দেখি, গভীর চিন্তা করে দেখি। একটা সদ্যজাত শিশু কেবলমাত্র পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হয়েছে, এ জানে ওর জন্ম হয়েছে? ওর পিতামাতা জানে। ওর পিতামাতা জানলে ওর তো জানা হলো না। ও জানে কি যে ওর জন্ম হয়েছে? ও জানে ও ছেলে না মেয়ে, ও কালো না ফরসা, ও বড়লোক ঘরে এসেছে না গরীব ঘরে এসেছে? কোন ধারণা কোন কিছু ওর মধ্যে আছে? আসলে ওর মধ্যে এখনো চিন্তা উদিত হয়নি। ধীরে ধীরে যখন চিন্তা উদিত হবে এবং এই চিন্তা বাড়তে থাকবে, একটা সময় ওই চিন্তার মধ্যে থেকেই ও বুঝতে পারবে আমি জন্ম নিয়েছি এবং তখন সে বুঝতে পারবে আমি ছেলে না আমি মেয়ে, সব টোটাল কিছুই বুঝতে পারবে। তাহলে কখন বুঝতে পারলো? যখন তার ভিতরে চিন্তা উদিত হলো, চিন্তা শুরু হয়ে গেল, চিন্তাভাবনা তার ভিতরে যখন চলে এলো, ওই চিন্তার মধ্যে দিয়ে সে বুঝতে পারল আমার জন্ম।
​আপনারা এমন অনেক আলসে ছেলে দেখতে পান যাদের ২০ বছর ২৫ বছর পর্যন্ত বয়স হওয়ার পরেও তার মস্তিষ্কে চিন্তা আসে না, আলসে অনেকটা পাগল টাইপের বলতে পারেন। এরকমের অনেক সন্তানের জন্ম হয় যদিও তারা খুব বেশি বাঁচে না। সে কি বুঝতে পারে আমার জন্ম হয়েছে? আমার ঘর কোথায়, আমার বাড়ি কোথায়, আমার বাবাকে আমার মাকে? এমনকি কারো মাথায় যদি একটা সেইভাবে যদি আঘাত করা হয় সে যদি কমায় চলে যায়, সে কি আর বুঝতে পারবে তার নাম কি, তার বাড়ি কোথায়, তার ঠিকানা কি, তার পিতা কে তার মাতা কে? এমন পাগল আপনারা অনেকেরাই দেখেছেন, সে কি জানে তার ঠিকানা কি? তার মানে চিন্তা যার লোপ পেয়ে যায়, চিন্তা যার থেমে যায়, তার আর জন্মবৃত্তান্ত কোন কিছুই আর থাকে না।
​তাহলে এটা কি স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে চিন্তা আমাদের জন্ম? এমনকি আরেকটা প্রমাণ দিই তাহলে ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন। আমরা যখন গভীর ঘুমে চলে গেলাম ওই ঘুমে কি হলো? আমার চিন্তা বন্ধ হয়ে গেল। চিন্তা যেইমাত্র বন্ধ হয়ে গেল, আর আমি দাবি করতে পারি এই আমি বলে আর কেউ আছে? আমার জোশ, খ্যাতি, সম্মান, আমার ছেলে মেয়ে আত্মীয়স্বজন আর কিছু আছে? যেইমাত্র চিন্তার ড্রপ আর আমি ভ্যানিশ। 'আমি' বলে আর আছে কি? খুব ভালো করে বুঝে দেখেন তো। যেইমাত্র আবার সকালে আপনি উঠলেন, মানে আপনি উঠলেন মানে কি আপনার চিন্তা জাগরিত হলো। এই চিন্তা যেমন জেগে উঠলো আবার 'আমি' বোধ হলো। এবার আমার দায়িত্ব, আমার অভাব পূরণ, আমার পূর্ণতা পাওয়া, আমার কর্তব্য এবার নানান কিছু আতঙ্ক ভয় নানান কিছু আমার কর্তব্য পালনে আবার রত হলাম।
​যখন গভীর ঘুমে গেলাম, কই তখন তো আমার কোন আলমে বরজকের কথা, আত্মার সাজার কথা, ওই যে নাস্তিক বেঈমান কাফের কিছুই হবে না তাদের কথা ইভেন আমার নিজের কথা যে তাহলে ধর্মকর্ম করবই বা কেন—কোন কিছু দায় দায়িত্ব ওখানে আমরা খুঁজে পাবো কি? কেন? আপনি তো আছেন, আপনার দেহতে শ্বাসকার্য চলছে, আপনার বডিতে প্রাণ আছে, হজম চলছে সবকিছুই তো। আপনি তো জেন্তো, আপনি তো মরা নন। কেবলমাত্র আপনার চিন্তাটা ড্রপ হয়েছে, চিন্তাটা থেমেছে। এই চিন্তাটা থামাতেই সবকিছুই ভ্যানিশ, আপনি নিজেও ভ্যানিশ।
​তাহলে এটা কি স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে এই চিন্তার মধ্যেই আমার জন্ম হয়েছে? এই চিন্তাই আমাকে জন্ম দিয়েছে। যদি চিন্তা আমার না আসতো তো আমার জন্ম হয়েছে এটা আমি বুঝতাম না। আর ভালো করে বুঝে দেখুন এই চিন্তাতেই আপনার মৃত্যু ভয় বসে আছে। এই চিন্তাতেই আপনার মৃত্যুর পরের যত কিছু কথা এখানে তুলে ধরেছেন সব আপনার এই চিন্তাতেই ভরা আছে। যদি চিন্তা উদিত না হতো আর কিচ্ছু থাকতো না। এই চিন্তাটাকে ফলো করুন। এই যে চিন্তা আপনার, এই যে দেহ আপনার, যে মন আপনার, যে বুদ্ধি—এ সবই তো প্রকৃতির অংশ। সবই তো প্রকৃতি দান করেছে। আর সবই প্রকৃতি আল্লাহ প্রকৃতিকে বানিয়েছে আর প্রকৃতি থেকে এগুললা পাওয়া গিয়েছে। এগুললা প্রকৃতির সঙ্গেই আবার মিশে যাবে।
​তাহলে আপনি কে? আপনি একটা আত্মাই এটা ঠিক কিন্তু ব্যক্তিগত আত্মা নয়। ব্যক্তিগত আত্মাটা কেন মনে হয় জানেন? ধরুন একটা বড় নদী বেয়ে যাচ্ছে এটা পরমাত্মা। আল্লাহ তো এরাবিক কথা, ওই এরাবিক কথায় ওই আল্লাহকেই বলা হয় পরমাত্মা, ওই আল্লাহকেই বলা হয় পরমেশ্বর। নদীটা ধরুন পরমাত্মা। এখন নদীর মধ্যে একটা কলসী ডুবিয়ে দেওয়া হল, তাহলে নদীর পানি কলসের মধ্যে ঢুকে গেল। কিন্তু কলস যেহেতু আকার আছে একটা বডি আছে, এই কলসী মনে করছে আমি ভেঙে গেলে আমার কি হয়? আমি যদি ভেঙে যাই খয়ে যাই চলে যাই তাহলে কি হবে? কলসী যখন আকার পেয়েছে তখন তার ভিতরে ব্যক্তি চিন্তা উদিত হয়, আসলে সে পরমাত্মাতেই আছে।
​এই যে আমরা ঘুমিয়ে যাচ্ছি না, আমাদের ইচ্ছায় আমরা ঘুমাতে পারি না। আমাদের ইচ্ছায় আমরা উঠতে পারি না। আমরা ঘড়ি ধরে বলতে পারবো যে আমি ১০:৩৫ এ ঘুমাবো? ইহ ঘটে। আমরা কি বলতে পারবো ভোর ৪:৩৫ এ আমি উঠবো? ঠিক ওই সময়তেই উঠতে পারবো? কোনটা আমার হাতে আছে? আমরা একই চিন্তার উপরে কতক্ষণ পর্যন্ত স্থির থাকতে পারবো? ইভেন এই চিন্তাও কি আমাদের ব্যক্তিগত? এই চিন্তাও কি আমরা আমাদের কন্ট্রোলে রাখতে পারি? এক চিন্তা থেকে আরেক চিন্তা ফটাফট পাল্টে যাবে। আপনি চিন্তাকে যদি পর্যবেক্ষণ করেন আপনি বুঝতে পারবেন আপনার চিন্তাও আপনি থামাতে পারবেন না। যদি আপনার চিন্তা হয়ে থাকে, আপনি যদি ওই চিন্তার মালিক হয়ে থাকেন তাহলে চিন্তাকে ড্রপ করে দেখান, সুইচ অফ করে দেখান। পারবেন না। কারণ চিন্তা ড্রপ হলে আপনার অস্তিত্বই থাকছে না। চিন্তাতেই আপনার অস্তিত্ব। চিন্তা শুধু উঠছে বলে আপনি দাঁড়িয়ে আছেন। এই চিন্তা ওঠা বন্ধ হলেই আপনার অস্তিত্ব আর খুঁজে পাওয়া যাবে যাবে না। যত ভয় আতঙ্ক ডিপ্রেশন যা কিছু সব এই চিন্তাতে।
​খুব ভালো করে গবেষণা করবেন শাস্ত্র নিয়ে একটু ঘাটুন। আর তাছাড়া যে ভয়টা করছেন যে বিষয়গুলো আপনি তুলে ধরেছেন যে তাদের কি হবে— এই দুনিয়াতে কেউ শান্তিতে নাই। ওই যে মানসিক কথা বললাম না দৈবিক যন্ত্রণা, মনের যে যন্ত্রণা চাওয়া পাওয়ার কামনার বাসনার যে যন্ত্রণা, আমাদের মধ্যে যে ভয় আতঙ্ক ডিপ্রেশন এর যে যন্ত্রণা—ইহা থেকে মুক্ত করতে পারে একমাত্র কোন সদগুরু কোন কামেল মুর্শিদ।
পূর্ণরূপে আপনাকে এই জগত থেকে সে বার করে আনতে পারে। পূর্ণরূপে আপনার মধ্যে শান্তি স্থাপন করে দিতে পারে, আপনার মনকে স্থির করে দিতে পারে। আর তখনই আল্লাহ কোরআনের ওই ডাক দিয়েছে—হে প্রশান্তকারী আত্মা। আসলে মন যখন প্রশান্ত হয়ে যায় তখনই তাকে প্রশান্তকারী আত্মা বলে দেওয়া হয়, তুমি তোমার রবের জান্নাতে প্রবেশ করো।
​আরেকটা কোরআনের কথা আছে এটা সূরা বনী ইসরাইলের ৭২ নাম্বার আয়াতে—আল্লাহর নূর দর্শনে এহকালে যে অন্ধ থাকিল পরকালে তাকে অন্ধ হইয়া উঠিতে হইবে। এটা তো কোরআনেরই কথা। আল্লাহর নূর দর্শনে এহকালে যে অন্ধ, আল্লাহর নূর এখানে দর্শন যে করলো না পরকালে সে অন্ধ। তার মানে এখানে যা ওখানে তাই। এখানে যে অন্ধ ওখানে সে অন্ধ, এখানে যে অশান্ত ওখানে সে অশান্ত, এখানে যে জাহান্নামী ওখানে সে জাহান্নামী, এখানে যে জান্নাত অর্থাৎ এখানে যে শান্তিতে আছে ওখানে সে শান্তিতে থাকবে। এটা তো কোরআনের ভাষা।
​সত্যিই কি আপনার মনে থেকে কোন ডিপ্রেশন গিয়েছে কোন ভয় আতঙ্ক গিয়েছে? আপনি কি সত্যিই বুঝেছেন যা যা আপনি এখানে তুলে ধরেছেন?
এই যে আলমে বরজক এর সম্বন্ধে আপনি কি সত্যি জানেন? আত্মার যে আত্মার সাজা হবে—এই আত্মার সম্বন্ধে আপনি জানেন? ব্যক্তিগত আত্মা বলে কিছু আছে? আত্মাকে না ধরা যায় না ছোঁয়া যায় না পোড়ানো যায় না কাটা যায়। সেটা নিয়ে আমাদের মনে হয় ব্যক্তিগত আমরা আত্মা। তাহলে ব্যক্তিগত আত্মা আপনার চিন্তা তো আত্মা নয়। আপনার চিন্তা ড্রপ হলে আপনার অস্তিত্ব নাই কেন? কে আপনি? আপনি তো কেবলমাত্র একটা চিন্তার উপরে দাঁড়িয়ে আছেন।
​একটু চিন্তাভাবনা করে দেখবেন, রিসার্চ করুন একটু গবেষণা করুন। অবশ্যই এবাদত তো করতেই হবে ধর্ম তো করতেই হবে। কিন্তু কেন ধর্ম কেন এবাদত? মৃত্যুর পরে কিছু পাওয়ার জন্য? জান্নাত জাহান্নাম আমার হাতে তো নয় কিন্তু আল্লাহ তো কিছু নমুনা দিয়েছে যে এখানে যা ওখানে তাই। বাকির আশায় নগদ পাওনা কে ছাড়ে এই ভুবনে? আপনি যদি ব্যবসা করেন যদি নগদ নগদ ব্যবসা করতে পারেন তাহলে আপনি কি বাকিতে ব্যবসা করবেন? করবেন না। কারণ নগদের মজাই আলাদা। কোন কামেল মুর্শিদের কাছে যান এবং দেখুন না নগদ পাওয়া যায় কিনা। যদি নগদে তিনি দিতে না পারেন, এই বাস্তবে এখনই প্রশান্তকারী আত্মায় পরিণত করতে না পারেন আপনি দু মাস তিন মাস বাদ দিয়ে তার কাছ থেকে পালিয়ে যাবেন। গিয়ে দেখুন না একবার কোন কামেল মুর্শিদের কাছে।

উপরে আলোচনা কথা গুলো তো আমার কাছে একজন কামেল গুরু থেকেই এসেছে।
ধন্যবাদ।

24/12/2025

সবচেয়ে সুন্দর একটা পবিত্র মন।
゚viralfbreelsfypシ゚viral


24/12/2025
23/12/2025

আজ থেকে নিজেকে সম্পুর্ন পরিবর্তন করে নিব ইনশাআল্লাহ

23/12/2025

কে ভন্ড তা প্রমাণ করে দিয়েছে দয়াল ভান্ডারী।
আলহামদুলিল্লাহ

চলে আসেন খাওয়া হবে।।
22/12/2025

চলে আসেন খাওয়া হবে।।

খোদাভিন্দেগার জালাল উদ্দিন রুমি রাঃ এই বিষয়গুলো বুঝিয়েছিলেন:​১. দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী প্রকৃতি​দুনিয়াকে একটি মুসাফিরখানার স...
17/12/2025

খোদাভিন্দেগার জালাল উদ্দিন রুমি রাঃ এই বিষয়গুলো বুঝিয়েছিলেন:
​১. দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী প্রকৃতি
​দুনিয়াকে একটি মুসাফিরখানার সাথে তুলনা করা হয়। তিনি বলেছিলেন, "একজন পথিক যেমন গাছের ছায়ায় কিছুক্ষণ জিরিয়ে নিয়ে আবার গন্তব্যের দিকে রওনা দেয়, মানুষের জীবনটাও ঠিক তেমন।" এখানকার সম্পদ, পদমর্যাদা বা জৌলুস কোনোটিই চিরস্থায়ী নয়।
​২. মরীচিকার পেছনে ছোটা
​জাগতিক মোহকে অনেক সময় মরীচিকার সাথে তুলনা করা হয়। মানুষ যত বেশি পাওয়ার চেষ্টা করে, তার তৃষ্ণা তত বাড়তে থাকে, কিন্তু শান্তি পায় না। তিনি হয়তো সাবধান করেছিলেন যে, "লোভ এমন একটি সমুদ্র যার তীর নেই।"
​৩. পরকালের পাথেয় বনাম পার্থিব সম্পদ
​তিনি এই সত্যটি স্পষ্ট করেছিলেন যে, আমরা খালি হাতে এসেছি এবং খালি হাতেই ফিরে যাব। কবরে বা পরকালে আমাদের সাথে আমাদের দামী গাড়ি, বাড়ি বা টাকা-পয়সা যাবে না; যাবে কেবল আমাদের নেক আমল বা ভালো কাজগুলো।
​৪. অন্তরের অন্ধত্ব
​জাগতিক মোহে অন্ধ হওয়া নিয়ে তিনি বলেছিলেন:
​অতিরিক্ত ধন-সম্পদের মোহ মানুষের বিবেককে নষ্ট করে দেয়।
​এটি মানুষকে স্বার্থপর করে তোলে এবং অন্যের হক (অধিকার) নষ্ট করতে প্ররোচিত করে।
​যখন মানুষের হৃদয়ে দুনিয়ার ভালোবাসা পূর্ণ হয়ে যায়, তখন সেখানে স্রষ্টার প্রতি ভালোবাসা বা আধ্যাত্মিকতার জায়গা থাকে না।
​৫. অল্পে তুষ্টির (কানাআত) গুরুত্ব
​জাগতিক মোহ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো 'তুষ্টি'। তিনি উপদেশ দিয়েছিলেন যে, যা আছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে শিখলে মনের অশান্তি দূর হয়। অন্যের সম্পদের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস না ফেলে নিজের নেয়ামতগুলোর দিকে তাকালে মোহের জাল ছিন্ন করা সহজ হয়।
​সংক্ষেপে তাঁর উপদেশের মূল কথা ছিল:
​"দুনিয়াকে হাতের তালুতে রাখো (ব্যবহার করো), কিন্তু মনের ভেতরে জায়গা দিও না। কারণ নৌকা যখন পানির ওপরে থাকে তখন তা চলে, কিন্তু পানি যখন নৌকার ভেতরে ঢুকে পড়ে, তখন তা ডুবে যায়।"
তিনি এটাও বলেছিলেন জীবন মাত্র দুইটি নিঃশ্বাস
জন্মের সময় নেয়া আর মৃত্যুর সময় ত্যাগ করা, জীবন খুব সল্প ও সীমিত সময়ের।।

Address

Kishoreganj
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হৃদয়ে ভান্ডারী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to হৃদয়ে ভান্ডারী:

Share