আলোর পথ "ইসলাম"

আলোর পথ "ইসলাম" ইসলাম এসেছে মানবতার কল্যাণের জন্য।

Mind it!!
30/09/2025

Mind it!!

21/09/2025
21/09/2025

মুহাম্মাদ ইবনে বিশর আল-হারিসী বলেছেন: আমি (সুফিয়ান) ইবনে উয়াইনা رحمه الله কে বলতে শুনেছি:

أَوَّلُ الْعِلْمِ الاسْتِمَاعُ، ثُمَّ الْإِنْصَاتُ، ثُمَّ الْحِفْظُ ، ثُمَّ الْعَمَلُ، ثُمَّ النَّشْرُ

❝জ্ঞান অর্জনের সূচনা হলো শোনা। এরপর মনোযোগ দেওয়া। এরপর মুখস্থ করা। তারপর এর উপর আমল করা। তারপর তা ছড়িয়ে দেওয়া।❞

[ হিল্যাতুল আওলিয়া, আবু নু’ঈম আল-আসফাহানী, ৫/৬]

21/09/2025

নারী হলো 'আওরাত' (যার সৌন্দর্য ঢেকে রাখা উচিত)। যখন সে ঘর থেকে বের হয় (নিজেকে মানুষের সামনে প্রকাশ করে) তখন শয়তান তার দিকে বিশেষ দৃষ্টি দেয়।

- বই : সৌন্দর্য প্রদর্শন

20/09/2025

আর আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তার মাধ্যমে যারা ফয়শালা করে না তারাই কা-ফে-র।
[সূরা আল-মায়েদা ৫:৪৪]

20/09/2025

কতবার ডাকা হলো কল্যাণের দিকে আসো, অথচ তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েই রইলে। কতবার তোমাকে ডাকা হলো সালাতের দিকে আসো। অথচ তুমি ফাসাদের ওপরই অনড় থাকলে!

- বই : সময়কে কাজে লাগান, পৃষ্ঠা : ২৪

🤲🤲
20/09/2025

🤲🤲

ইনশাআল্লাহ!
20/09/2025

ইনশাআল্লাহ!

19/09/2025

অত:পর বুঝতে পারি নিজেকে বুঝাতে যতটুকু সান্ত্বনা প্রয়োজন তা কেবল সত্যটুকু মানিয়ে নিতে ক্ষতের জ্বালাপোড়া। এইটুকু আশ্বাস যে আমি যা গুরুত্বপূর্ণ ভাবতাম তা নিছক আমার বোকামি ছিল৷ আর চালাকি করে যা অর্জন করতে চেয়েছিলাম তা ছিল নিজেকে দু:খ দেবার নিকৃষ্ট উপায়। তবুও ভুলি, স্মরণ করি দু:খ পুনরাবৃত্তি হয়।
- নাবা।

19/09/2025

ইস্তেগফার, দরূদ, সবর, দু'আ।
জীবনে যতো সমস্যাই আসুক, যতো দুঃখই আসুক। এই চারটি জিনিস যেন সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এগুলোই যেন জীবনে ভালো থাকার সবচেয়ে উত্তম প্রেসক্রিপশন। দুনিয়া এবং আখিরাতকে সহজ করতে এই চারটি জিনিসের জুড়ি মেলা ভার।

আপনি ইস্তেগফার করছেন, পূর্বের গুনাহ মাফ তো হচ্ছেই, সেই সাথে আপনি আপনার বর্তমান সমস্যা সমাধানের পথেও হেঁটে চলছেন।
দরূদ পড়ছেন, নবিজীর (ﷺ) সান্নিধ্যের আশা করার সাথে সাথে দুনিয়াবি জীবনেও রহমত আর বারাকাহ লাভ করছেন।
যখন সবর করছেন, সবরের বিনিময় তো আল্লাহ আপনাকে দেবেনই। তার সাথে দুঃখ-কষ্ট উপেক্ষা করে আপনি আপনার জীবনকেও সহজ করে তুলছেন।
দু'আ করছেন, দু'আ কবুলের আশা তো আছেই, সেই সাথে দু'আ করার মধ্য দিয়ে রবের সাথে সুন্দর সম্পর্কও গড়ে তুলছেন।

রবের সাথে সুসম্পর্ক হয়ে গেলে তার আর দুনিয়া কিংবা আখিরাত নিয়ে কিসের পেরেশান?

- সাদিয়া মারজান।

অতএব  ধৈর্য ধরুন!
19/09/2025

অতএব ধৈর্য ধরুন!

‘উমরাহ সফরের গল্প’ বইটি আমার খুব স্বপ্নের একটা কাজ ছিল। যে সফর ছিল আদ্যোপান্ত স্বপ্নময়, সেই সফরকে ঘিরে লেখা বইটিও স্বপ্ন...
19/09/2025

‘উমরাহ সফরের গল্প’ বইটি আমার খুব স্বপ্নের একটা কাজ ছিল। যে সফর ছিল আদ্যোপান্ত স্বপ্নময়, সেই সফরকে ঘিরে লেখা বইটিও স্বপ্ন-মোড়ানো হবে সেটাই স্বাভাবিক।

এই বইটি নিছক কোনো সফরনামা ধরণের বই নয়৷ বইটিকে বলা যেতে পারে একটুকরো সীরাহ—যেখানে পাঠক কল্পনার ডানায় ভর করে চলে যাবে সাড়ে চৌদ্দ’শ বছরের সুদূর অতীতে।

বইটি নিয়ে কয়েকজন পাঠকের মন্তব্য:

হালিমাতুস সাদিয়া নামের একজন আপু লিখেছেন,

‘অসম্ভব সুন্দর একটা বই। যেটা ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়। বইটা পড়ার সময় মনে হয়েছে যেন মদিনার অলিগলিতে ঘুরে বেড়াচ্ছি। মাঝে মাঝে চোখ ঝাপসা হয়ে আসত। কখনও রওজা আর নবীর মসজিদের সেই সুন্দর অনুভূতির গল্পগুলো পড়ে হৃদয়ে আনন্দের জোয়ার বয়ে যেত। কী যে ভালো লাগত পড়তে! এ পর্যন্ত দু’বার পড়েছি। আরও পড়তে ইচ্ছে করে, কেননা পড়ার সময় কল্পনায় সেই মদিনায় চলে যাই। মনে হয় যেন কল্পনাটা তখন বাস্তবে রূপ নেয়।

তাই আমার সাজেস্ট থাকবে—যারা বইটা পড়েননি, দ্রুত সংগ্রহ করে পড়ে নিন। আশা করি, আমার মতো সবারই ভালো লাগবে।

মিশকাতুল আযিয মাহিমা নামের একজন পাঠিকা বলেছেন,

‘উমরাহতে যাওয়ার কয়েকদিন আগেই একজনের পরামর্শে বইটি পড়েছিলাম। যখন পড়ছিলাম, লেখক ঘটনাগুলোকে এমনভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে, একটার পর একটা ইতিহাস জানতে জানতে মনে হচ্ছিল আমি যেন সাক্ষাৎ সেই ঘটনারই একটা অংশ। কী সুন্দর! আমার চোখে সবকিছু ফুটে উঠছিল, জীবন্ত মনে হচ্ছিল যেন কিছুদিন আগেই ঘটে যাওয়া বাস্তব ঘটনা।

তারপর, যখন উমরাহ সফর শুরু হলো—বইটি পড়ার কারণে আমার সফরটি আরও সুন্দর ও সহজ হয়ে গিয়েছিল, আলহামদুলিল্লাহ, সুবহানাল্লাহ।

তাওহিদুল ইসলাম জিহাদ নামের একজন ভাই বলেছেন,

‘উমরাহ সফরের গল্প’ বইটা যতবারই খুলে পড়ি ততবারই কান্নায় ভেসে যাই। আমার ছোট ছোট মাদ্রাসার স্টুডেন্টেরা আমাকে দেখে প্রশ্ন করে, “হুজুর, কি হয়েছে আপনার?” আমি বলি, বাবা, আমি আল্লাহর কাছে কোটি কোটি শুকরিয়া জানাই—এমন একজন লেখকের লেখা বই পড়ার সুযোগ পেয়েছি বলে।

আপনার এই বইটি পড়ে আমার হৃদয়ে নবীর দেশ, আল্লাহর ঘর দেখবার আকাঙ্ক্ষা এতদূর বেড়ে গেছে যে ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। ছোট থেকেই স্বপ্ন ছিল—আল্লাহর ঘর নিজের চোখে দেখব, নবীর রওজায় দাঁড়িয়ে সালাম জানাব। আপনার বইটা সেই চাহিদাকে আরও জ্বালায়। জানিনা আল্লাহ কখন কবুল করবেন, কিন্তু দোয়া করবেন ভাই—আল্লাহ যেন আমাকে সামর্থ্য দান করেন এবং সর্বপ্রথমই নবীর দেশে যেতে পারি।

Candle's Doll নামের আইডি থেকে একজন লিখেছেন,

‘বইটা তিনবার পড়ার চেষ্টা করলাম! তিনবারই বইটা ছুঁলেই কান্না আসে! কেঁদে ফেলি! পড়তে পারিনা!’

Mst Raseda নামের একজন পাঠিকা লিখেছেন,

‘আমি যখন বইটি হাতে পাই, তখন মনে হয়েছিল—আমি যেন “উমরাহ সফরের গল্প” বই হাতে পাইনি, বরং উমরাহ যাওয়ার টিকিটই হাতে পেয়ে গেছি। এতো ইমোশনাল হয়ে গিয়েছিলাম যে, বই পড়তে পড়তে চোখে শ্রাবণের ধারা বয়ে গেছে।

মদীনা যাওয়ার ইচ্ছা হাজার গুণ বেড়ে গেছে। এত আবেগমিশ্রিত গল্প আমি আগে কখনো পড়িনি।’
©আরিফ আজাদ ভাইয়ের ওয়াল থেকে

Address

Gazipur
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আলোর পথ "ইসলাম" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আলোর পথ "ইসলাম":

Share