The TIME News

The TIME News Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The TIME News, Digital creator, Dhaka.

প্রকৃতির মাঝে মিশে যেতে হবে। হাসির দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! আমাদের পেইজে পাবেন নিত্যনতুন ফানি ভিডিও, মজার মিম, ও এমন সব কনটেন্ট যা আপনার মন ভালো করে দেবে। হাসির এই যাত্রায় আমাদের সঙ্গে থাকুন এবং প্রতিদিন নতুন নতুন মজার ভিডিও উপভোগ করুন!

সাথে ৩ বছরের কর্মজীবন 😄
25/08/2026

সাথে ৩ বছরের কর্মজীবন 😄

এটা বাংলাদেশের কোন জায়গা?
25/08/2026

এটা বাংলাদেশের কোন জায়গা?

14/08/2026

পুরোপুরি সুস্থ একজন মানুষ আমি। জাস্ট নরমাল একটা চেকআপে গিয়েছিলাম সেদিন ডাক্তারের কাছে।
ডাক্তার বলছিলেন, "আপনি তো আলহামদুলিল্লাহ সুস্থই আছেন। তবুও যেহেতু আপনি ধারণা করছেন আপনার থাইরয়েড হয়েছে নাকি, তাহলে সাথে আরও কিছু টেস্ট দেই, একবারে করে যান।" মনে মনে বিরক্ত হলাম যে, এই তো শুরু হয়ে গেল অযথাই টেস্টের পালা।

তো যাই হোক, পরবর্তীতে ব্লাডের কয়েকটা টেস্ট, ইসিজি প্লাস আল্ট্রাসাউন্ডও দিল। এটা দেখে তো আমি আরও হতাশ যে, আল্ট্রা কেন? আমার তো পেটে আল্লাহর রহমতে একটু গ্যাসের সমস্যাও নেই। যাই হোক, দিয়েছে যেহেতু করেই যাই।

একশো নম্বর সিরিয়ালে আমাকে ডাকলেন আল্ট্রাসাউন্ড রুমে। স্ক্রিনে তাকিয়েই আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, পেটে ব্যথা কেমন, ডায়াবেটিস আছে কিনা, আরও বেশ কিছু প্রশ্ন।

এদিকে এসবের কিচ্ছুটিই আমার নেই। তখন আল্ট্রাসাউন্ডের ডাক্তার বললেন, "তাহলে কেন আসছেন ডাক্তারের কাছে?" পরে বললাম যে নরমাল চেকআপে।

উনাকে জিজ্ঞেস করলাম, "আমার কি সিরিয়াস কিছু হয়েছে কিনা?" উনি কোনো উত্তর দেননি। পরবর্তীতে যখন সব রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারকে দেখাই, তখন উনি ইমারজেন্সিভাবে হোল অ্যাবডোমেন সিটি স্ক্যান দেন। তখনও আমি একদমই ভাবিনি কী হতে যাচ্ছে আমার সাথে। পরদিন সিটি স্ক্যান করে চলে আসি। একদিন পর রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গেলে ডাক্তার জানান যে, আমার ক্যান্সার হয়েছে। দ্রুত যেন ঢাকায় ডাক্তার দেখাই।

এই খবর শোনার পর মানসিক অবস্থা কেমন হতে পারে, সেই প্রসঙ্গে আর না গেলাম। রাতে বাসায় ফিরে ভীষণ কান্নাকাটি করে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। পরদিন সকালে উঠে থেকে কিভাবে যেন শক্ত হয়ে গেছি। আর খোঁজ শুরু করলাম, কী আমল করলে আমার রব্ব আমাকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে দিবেন।

সূরা ফাতিহা পড়া শুরু করলাম অগণিত বার। তাহাজ্জুদ, ইস্তিগফার, দরূদ—সবই বাড়িয়ে দিলাম। এর মধ্যেই ঢাকায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া হলো। প্রথম সাক্ষাতে ডাক্তার বলছেন, "তোমার কিভাবে এই ক্যান্সার হতে পারে? এটা তো প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। আর এতটা সুস্থ থাকাও সম্ভব না, যদি হয়েও থাকে।"

এবং খুব আশ্বাস দিলেন যে, অন্তত ক্যান্সার না।

এরপর উনি আরও কিছু টেস্ট দিলেন। এর মধ্যে এমআরসিপি রিপোর্টে প্যানক্রিয়াসে বেশ বড়সড় একটা টিউমারই দেখা দিল। তখনও ডাক্তার আমাকে কনফিডেন্টলি বললেন যে, এটা ক্যান্সার না। তবুও আমি এফএনএসি দিচ্ছি। এটা করিয়ে কনফার্ম হয়ে ট্রিটমেন্ট করব তোমার। অপারেশনও নাও লাগতে পারে। যথারীতি এফএনএসি করা হলো এবং রিপোর্ট আসল ৪ দিন পর। খুবই আগ্রাসী ক্যান্সারের। কেন যেন এই রিপোর্ট দেখে তেমন আর মন খারাপ হয়নি। মানে খুব সহজেই মেনে নিচ্ছিলাম। কিন্তু ভাবছিলাম, অবশ্যই আল্লাহ আমাকে সুস্থ করবেন, পরিপূর্ণভাবে।

তারপর পিজি সহ ঢাকার সনামধন্য দুই-তিন হাসপাতালে ডাক্তার দেখালাম। পিজিতে বোর্ডও বসল যে, এটা কিভাবে সম্ভব এই বয়সে? কিন্তু রিপোর্ট তো এই কথাই বলে।

শেষ অবধি আমার কেমোথেরাপি শুরু হলো। আগে টিউমার ছোট করতে হবে, এরপর অপারেশন।

এর মধ্যে আমি একদম ভেঙে পড়িনি। এসব কিছুই আমি নিজে ফেস করেছি, আলহামদুলিল্লাহ। আমার তখন একটাই চিন্তা ছিল, আমার রব্বের কাছ থেকে চেয়ে নেব।

তখন একটা মোটামুটি রুটিন বানিয়ে নিলাম। এমন—

প্রতি ৫ ওয়াক্ত নামাজের পর

৩ বার দরূদে ইবরাহিম

৭ বার সূরা ফাতিহা

৩ বার দরূদে ইবরাহিম

১ বার ইসমে আজম

আয়াতে শিফা

এরপর যত ইচ্ছা সূরা আন'আমের ১৭ নম্বর আয়াত।

এইটুকু ছিল ফিক্সড। তা ছাড়া অসংখ্য বার সূরা ফাতিহা, দরূদে ইবরাহিম, সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার পড়েছি। আইয়ুব (আ.)-এর দোয়া পড়েছি। আরও আরও শিফার যত দোয়া যেখানে যা পেয়েছি, তাই পড়েছি।

আজান-ইকামতের মাঝখানের সময়টাতে অঝোরে কেঁদে দোয়া করেছি। তাহাজ্জুদে কান্নাকাটি করে চেয়েছি।

শুধু বলতাম, "ইয়া রব্ব, ইয়া শাফি, আপনি আমাকে সূরা ফাতিহার উসিলায় এমনভাবে পরিপূর্ণ শিফা দান করুন, যেন আমার শরীরে কোনো রোগই ছিল না।"

যত রকমভাবে আকুতি ভরে আল্লাহকে বলা যায়, সেভাবেই বলেছি। এভাবে করতে করতে অর্ধেক কেমোথেরাপি শেষ হওয়ার পর টেস্ট করতে দিল, কতটুকু ছোট হলো টিউমার। ফলাফল—ছোট তো হয়ইনি, বরং আরও একটু বড় দেখাচ্ছে।

ডাক্তার সহজ ভাষায় জানিয়ে দিলেন, "আপনার ট্রিটমেন্ট কাজ করেনি। সার্জারি ডাক্তারের সাথে কথা বলে দেখেন। অপারেশন করে ফেলেন এভাবেই।" রিপোর্ট নিজেই প্রথমে দেখেছি এবং একটুও বিচলিত হইনি, আলহামদুলিল্লাহ।

আমার আব্বু আমার সাথে ছিলেন। খুবই ভেঙে পড়েছিলেন। আমি বলছিলাম, "আব্বু, আমার ক্যান্সারই হয়নি। এই জন্য কেমোথেরাপি কাজ করেনি।"

তখন আব্বু বলছিলেন, "এত পজিটিভ ভাবো কিভাবে, আম্মু?"

কিন্তু আমি পূর্ণ তাওয়াক্কুল রেখেছিলাম রব্বের প্রতি।

এরপর গেলাম সার্জারি ডাক্তারের কাছে। উনি রিপোর্ট দেখে কিছুটা বিচলিত হলেও বুঝতে না দিয়ে বললেন, ইমারজেন্সি ভর্তি হয়ে যেতে।

ভর্তি হওয়ার পর ১ সপ্তাহ অবজারভেশনে রেখেছিলেন। এর মধ্যে সব ডাক্তার বোর্ড বসল। আমাকে সহ গার্ডিয়ান ডাকল এবং বুঝিয়ে বলল যে, এমনও হতে পারে পেটে কেটে আবার সেলাই করে দিব। আমাদের কিছুই করার থাকবে না। আবার এমনও হতে পারে, হাফ টিউমার এখন কাটব, আবার পরবর্তীতে হাফ কাটব। অন্য আরেক রোগীর উদাহরণ দিলেন, যেন ওদের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিই। ওদেরও দুইবার অপারেশন লেগেছে।

সবাই মোটামুটি ভেঙে পড়েছে ততদিনে। আমি শুধু একটা কথাই বলতাম যে, দেখবেন অপারেশন শেষে ডাক্তার বলবেন, "আপনার মেয়ের অপারেশন এত সহজ আর সুন্দর হয়েছে, আমাদের কল্পনার বাইরে।" আর বলতাম আম্মুকে যে, আমি সুস্থ হয়ে আমার দোয়া কবুলের গল্প সবাইকে বলব, ইনশা আল্লাহ।

অপারেশনের দিন আসল। আমাকে নেওয়া হলো অপারেশন থিয়েটারে। নেওয়ার পরেও প্রায় দেড় ঘণ্টা পর আমার অপারেশন শুরু হয়। এই দেড় ঘণ্টা বোধহয় আমি দেড় মিনিটও দরূদে ইবরাহিম পড়া বাদ দিইনি।

আমার বিন্দুমাত্র কোনো ভয় লাগেনি, আল্লাহর রহমতে।

অলমোস্ট ৫ ঘণ্টার অপারেশন শেষে বের হয়ে ডাক্তার সেইম এই কথাটাই বলছিলেন যে, "তোমার মেয়ের অপারেশন এত সহজ আর সুন্দর হয়েছে, আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল এটা। পুরো টিউমার আমরা উঠিয়ে এনেছি এবং ওর সবকিছু ভালো আছে।" আলহামদুলিল্লাহ এভাবে করে অপারেশনের ৩ দিন পর আমার বায়োপসি রিপোর্ট আসে। আমি তখনও পোস্ট-অপারেটিভ রুমেই।

আমার হাসবেন্ড রিপোর্ট পেয়েই অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাক্তারকে দেখিয়ে আমার কাছে এসে বলল, "তোমার বায়োপসি রিপোর্ট এসেছে এবং আলহামদুলিল্লাহ, এতে কোনো ক্যান্সার নেই।"

আমার তখন মনে হচ্ছিল যে, হ্যাঁ, এটাই তো হওয়ার ছিল। আমার রব্ব তো আমাকে নিরাশ করবেন না। আমি জানতাম।

তারপর রিপোর্ট নিয়ে মেইন ডাক্তার পুরো টিমসহ এসে সে কী উচ্ছ্বাস! বারবার বলছিলেন, "It's a miracle from Allah."

এরপর প্রতিবার ফলোআপে ডাক্তার একই কথা বলেন, "It's a miracle from Allah."

"আমরা অনেক রিস্ক নিয়ে তোমার অপারেশনে গিয়েছিলাম। ঠিক যেভাবে সুতার ওপর ভর দিয়ে মানুষ হাঁটে। কিন্তু আল্লাহ যে তোমাকে কই থেকে কই এনেছেন, এটা কল্পনাতীত।"

আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ।

(এমনকি আমার সাথে ওই সময়েই আরও কয়েকটা রোগীর এরচেয়ে ছোট টিউমারও পুরোপুরি উঠে আসেনি, আর আমার টিউমার ছিল বেশ বড়।)

আজ এই গল্পটা লিখলাম শুধু একটা কথাই বলার জন্য—

মানুষের রিপোর্ট শেষ কথা নয়, শেষ কথা একমাত্র আল্লাহর। আল্লাহ যখন "কুন" বলেন, তখন অসম্ভবও সম্ভব হয়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ।

আমি আমার রব্ব এর এই "কুন" এর অপেক্ষায় ছিলাম আর প্রতিবার এই আয়াত পড়তে নিলেই আমার খুশি লাগতো।

* সংগ্রহীত

অর্থনীতিতে ‘মিষ্টি’ অভ্যুত্থান! ​অবশেষে মিলল দেশের অর্থনীতি ও গণতন্ত্রকে টেনে হিমালয়ের চূড়ায় তোলার সেই অমূল্য রেসিপি! স্...
10/08/2026

অর্থনীতিতে ‘মিষ্টি’ অভ্যুত্থান!

​অবশেষে মিলল দেশের অর্থনীতি ও গণতন্ত্রকে টেনে হিমালয়ের চূড়ায় তোলার সেই অমূল্য রেসিপি! স্কুল-কলেজের শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির রাজকীয় প্রত্যাবর্তনকে একদল হিংসুক "দুর্নীতি" আখ্যা দিচ্ছে, অথচ তারা দেখতে পাচ্ছে না এর পেছনের সুদূরপ্রসারী ‘চা-সিঙাড়া অর্থনীতির’ বিশাল মহিমা।

​নিয়োগ উপলক্ষে কমিটি মহোদয়দের পকেটে যে লাখ লাখ টাকার ‘সালামি’ আদান-প্রদান হবে, তার এক কানাকড়িও তো আর বিদেশে পাচার হচ্ছে না! সব টাকা খরচ হবে খাঁটি দেশি চা, চিনি আর মিষ্টির পেছনে। এতে করে:
​১. চিনি আর পাতির চাহিদা এত দ্রুত বাড়বে যে, এতদিন ঝিমিয়ে পড়া আখ চাষিরা এক রাতেই কোটিপতি হওয়ার স্বপ্নে ঘুমাতে যাবেন।
২. চা-পাতা তুলতে তুলতে দেশের প্রান্তিক চা-শ্রমিকদের হাতে চলে আসবে স্বপ্নের আর্থিক স্বাধীনতা।
৩. পাড়ার চায়ের দোকানগুলোতে তৈরি হবে অভাবনীয় কর্মসংস্থান—চা ছাঁকার লোক খুঁজে পাওয়া দায় হয়ে যাবে!
​আর গণতন্ত্রের কথা তো না বললেই নয়! এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন মানেই গ্রামে গ্রামে ঢাক-ঢোল, মিষ্টির প্রলোভন আর রাজকীয় মারামারি। একদম তৃণমূল পর্যায় থেকেই গণতন্ত্রের এমন চর্চা বিশ্বের আর কোন দেশে আছে? নরওয়ে-সুইডেন তো আমাদের কাছে এসে গণতন্ত্রের ট্রেনিং নিয়ে যাবে। বিশ্ব গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশ এখন শীর্ষে ওঠা শুধু সময়ের ব্যাপার!

​অতএব, যারা এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন, তারা নিশ্চিতভাবেই দেশের চিনি শিল্প, চা শিল্প এবং গ্রামীণ চা-চক্রের প্রকাশ্য শত্রু! এদের চায়ের কাপে চিনি কম দিয়ে বয়কট করার জোর দাবি জানাচ্ছি!

বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে আর্জেন্টিনায় মেসির একটা ভাস্কর্য উদ্বোধন করা হয়েছে। ৮৫ ফুট উচ্চতা ও ৭০ টন ওজন বিশিষ্ট এই ভাস্কর্যটা ব...
30/06/2026

বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে আর্জেন্টিনায় মেসির একটা ভাস্কর্য উদ্বোধন করা হয়েছে। ৮৫ ফুট উচ্চতা ও ৭০ টন ওজন বিশিষ্ট এই ভাস্কর্যটা বিশ্বে মেসির সর্ববৃহৎ ভাস্কর্য, যা বানাতে খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

তবে কথা সেটা না, কথা হচ্ছে, এত দামী আর এত বড় একটা ভাস্কর্য উদ্বোধন করার পর থেকে সেটা নিয়ে প্রশংসার চেয়ে সমালোচনাই বেশি হচ্ছে।

কারণ, প্রথমত, বাংলাদেশের মৃণাল হকের ভাস্কর্যগুলোর মতো এই ভাস্কর্যেও মেসির চেহারা দেখে বোঝার উপায় নাই এটা আসলেই মেসি কি না।

অনেকেই দাবি করছে, মেসিকে নাকি এখানে বরং রোনালদোর মতো দেখাচ্ছে।

আর দ্বিতীয়ত, মেসির সামনে কাপটা এমন জায়গায় রাখা হয়েছে, পেছন থেকে দেখতে সেটাকে, ইয়ে, মানে, তিন নম্বর পায়ের মতো মনে হচ্ছে 😄, অবশ্য দুই পাশে দুটি গোল্ডেন বল দিলে ১০০ তে ১০০ হতো।

#মেসিনুভূতি

28/06/2026

বাহ্ বান্ধবী বাহ্ 😄

28/06/2026

বুদ্ধি থাকলে ঘরজামাই থাকা লাগে না। 😄😎

সৌন্দর্য ❤️
28/06/2026

সৌন্দর্য ❤️

আব্বা আমি বাঁচতে চাই 😄😎
28/06/2026

আব্বা আমি বাঁচতে চাই 😄😎

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The TIME News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share