Good News

Good News সবুজ ও পরিস্কার শহর চাই

31/05/2025

ডাউকির নতুন আধুনিক ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস। বিএসএফ এর চেক পোস্টোর পাশে বাস দাড়িয়ে থাকে কাস্টমস নিয়ে যাবার জন্য।

আফ্রিকান সাহিত্যবিপ্লবী লেখক নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গোর প্রয়াণনগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো শুধু লেখকই নন, বিপ্লবীও। নিজের লেখায় গেঁথেছেন ...
30/05/2025

আফ্রিকান সাহিত্য
বিপ্লবী লেখক নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গোর প্রয়াণ

নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো শুধু লেখকই নন, বিপ্লবীও। নিজের লেখায় গেঁথেছেন অন্তর্লীন দ্বন্দ্ব ও সংগ্রামী চেতনা। তাঁর সাহিত্যিক পরিচয় শুধু ঔপন্যাসিকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তিনি একাধারে নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সমালোচক, সমাজ-রাজনৈতিক কর্মী এবং জাতীয়তাবাদী ও বিপ্লবী চেতনার ধারক। এই ভিন্ন ভিন্ন দিকগুলো একত্র হয়ে তাঁর ব্যক্তিত্ব ও কাজের মধ্যে উপনিবেশ–উত্তর ভাষারাজনীতি ও সাহিত্যিক প্রতিরোধের হাতিয়ার নির্মাণ করেছে।

বন্দিজীবনে নৃশংসতার শিকার, আত্ম-পরিচয়ের সংকট, শোষণ ও শ্রমিকশ্রেণির অধিকারের প্রশ্ন কিংবা নব্য-উদারনীতির প্রভাব—এসব রাজনৈতিক বিষয়কে নগুগি তাঁর উপন্যাস, প্রবন্ধ ও তত্ত্বে হাজির করেছেন বৈপ্লবিক কণ্ঠে। তাঁর সাহিত্যের ভাষা প্রাণ পেয়েছে দ্বন্দ্ব তাত্ত্বিক চেতনায়। ২০২১ সালে এক সাক্ষাৎকারে নগুগি বলেন, ‘আমি সংগ্রামের কথা বলি—ডায়ালেকটিক্যাল সংগ্রাম, মার্ক্সের দ্বন্দ্বতত্ত্ব, হেগেলের দ্বন্দ্বতত্ত্ব।’ এই দ্বন্দ্ব তাত্ত্বিক চেতনা শুধু তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নয়, তাঁর সাহিত্যিক কাঠামো, ভাষা নির্বাচন ও চিন্তার পরিসরকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।

১৯৩৮ সালে কেনিয়ার লিমুরু অঞ্চলে জন্ম নেওয়া জেমস নগুগি পরে হয়ে ওঠেন ‘নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো’। কিকুয়ু শহরের মিশনারি বোর্ডিং স্কুল অ্যালায়েন্স হাইস্কুলে পড়াশোনা শেষে ১৯৫৯ সালে উগান্ডার মাকেরেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপে পড়তে যান। প্রাথমিক পর্যায়ে নগুগির সাহিত্য ‘জাতীয়তাবাদী কল্পনাশক্তি’ দ্বারা বেশ প্রভাবিত ছিল। প্রথম দিকের উপন্যাসগুলোতে তিনি আধুনিকতাবাদের উদ্বেগ ও জাতীয়তাবাদী স্ব-স্বীকৃতির মধ্যে অদ্ভুত সংঘাত নির্মাণ করেছেন—চরিত্রগুলো পরিবার ও সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক দাবির বিরুদ্ধে নিজের আত্মচেতনা অর্জনে সংগ্রাম করে। তিনি জীবনভর আফ্রিকার উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক মুক্তির স্বপ্ন দেখছেন।

নাইরোবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ বিলুপ্ত করার দাবি করে ম্যানিফেস্টো ‘অন দ্য অ্যাবলিশন অব দ্য ইংলিশ ডিপার্টমেন্ট’ প্রকাশ করেন নগুগি। ১৯৭৩ সালে এক বক্তব্যে তিনি বলেন, কানাডীয় কাহিনি নিজেই আফ্রিকা ও আফ্রিকানদের তথাকথিত বর্বরতা ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এমনকি ইউরোপের শ্রেষ্ঠ মনও তাতে কলুষিত হওয়ার আশঙ্কায় থাকে।

সত্তরের দশকে নগুগি সিদ্ধান্ত নেন, তিনি কেবল মাতৃভাষা গিকুয়ুতেই সাহিত্যচর্চা করবেন। এ সিদ্ধান্ত কেবল তাঁর সাহিত্যিক অভিমুখ বদলই নয়, তাঁর স্পষ্ট রাজনৈতিক প্রতিবাদও। এই ভাষারাজনীতির তাত্ত্বিক ভিত্তি নির্মাণ করে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ডিকলোনাইজিং দ্য মাইন্ড’। ‘ভাষা হলো সংস্কৃতির বাহন। তাই উপনিবেশমুক্তির প্রথম পদক্ষেপ ভাষার মুক্তি’—মূলত ভাষার মধ্য দিয়ে ঔপনিবেশিকতা কীভাবে মানুষের মানস ও আত্মপরিচয় নির্মাণ বা শৃঙ্খলিত করে, তা-ই গ্রন্থটিতে বিশদ আলোচনা করেছেন। উপনিবেশ–উত্তর চিন্তায় এই তত্ত্ব বৈপ্লবিক সূত্র বাক্যে পরিণত হয়েছে। জাতীয়তাবাদ থেকে বিপ্লব, ভাষার রাজনৈতিক ব্যবহার থেকে সাংস্কৃতিক মুক্তি এবং ব্যক্তিগত সংগ্রাম থেকে বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রতিরোধ—শুধু পূর্ব আফ্রিকার নয়, পুরো উপনিবেশ–উত্তর বিশ্বের স্বাতন্ত্র্য ও সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিচ্ছবি।

২০০২ সালে নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে ক্যালিফোর্নিয়ার ইরভিন বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পর নিগুগি আন্তর্জাতিক লেখালেখি ও অনুবাদকেন্দ্র ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর রাইটিং অ্যান্ড ট্রান্সলেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল, পৃথিবীর নানা সংস্কৃতি কীভাবে পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছে, তা তুলে আনা—‘তুমি যেখানে আছ, সেখান থেকেই শুরু করো। তারপর বিশ্বকে যুক্ত করো।’ তিনি মনে করেন, উপনিবেশবাদ মানুষকে নিজের স্থান থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়, এমনকি উপনিবেশকারীদের দেশেও। তিনি ঐতিহ্যের সংকট ও বিকল্প ঐতিহ্যের সন্ধান করেছেন।

নিগুগি তাঁর সাহিত্যকর্মকে ভাবার্থে ‘পুওর থিওরি’ হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। তাঁর এই দর্শনের মূলকথা সৃষ্টিশীল সীমাবদ্ধতা থেকে উৎকর্ষ সাধনের দর্শন। তিনি বলেন, দারিদ্র্য মানে সীমিত সম্পদের মধ্যে থেকেও বেঁচে থাকতে শিল্প ও চিন্তায় সর্বোচ্চ সৃজনশীলতা দেখানো। গিকুয়ু ভাষায় লেখা তাঁর সাহিত্যের মধ্যে এর স্পষ্ট প্রভাব দেখা যায়, যেখানে তিনি ন্যূনতম উপাদান দিয়ে সর্বাধিক সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক সৃজন ঘটান।

নগুগির উপন্যাসগুলোতে আফ্রিকান সমাজের ভাঙন, শোষণ, প্রতিরোধ ও পুনর্গঠনের প্রতিচ্ছবি পাওয়া যায়। বিশেষত ২০০৪ সালে প্রকাশিত তাঁর ‘উইজার্ড অব দ্য ক্রো’ উপন্যাসে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ, বর্তমান বিশ্বের করপোরেট উপনিবেশবাদকে সংজ্ঞায়িত করেন ‘করপোলোনিয়ালিজম’ শব্দে। ২০১৮ সালে রচিত তাঁর মহাকাব্যিক কবিতা ‘দ্য পারফেক্ট নাইন’-এ গিকুয়ু জাতিগোষ্ঠীর আদি কথার কেন্দ্রীয় নায়িকা হিসেবে একজন প্রতিবন্ধী নারীকে স্থাপন করেন, যা কিনা নারীবাদ ও সাংস্কৃতিক পুনরুদ্ধারের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

নগুগির জন্য রাজনীতি ও শিল্প কখনোই বিচ্ছিন্ন নয়। তবে তাঁর শিল্প–রাজনীতি কোনো ‘আইডেনটিটি পলিটিকস’-এ সীমাবদ্ধ নয়। দরিদ্র মানুষ, কৃষক, নারী, কৃষ্ণাঙ্গ—এই নিপীড়িতদের নিয়ে লেখা মানেই তাঁর মতে জনগণের পক্ষ হয়ে লেখা। সাহিত্যের মাধ্যমে মানুষের জীবনের সম্মান, সংগ্রাম ও সম্ভাবনা ফুটিয়ে তোলাই তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ। এ জন্যই নগুগির সাহিত্য হয়ে ওঠে জনগণের ইতিহাস ও আত্মার ভাষ্য।

নগুগির সাহিত্য কখনোই কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি নিজে বলেছেন, একটি ‘পেপার ওয়ার’-এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু করেছেন তিনি। ১৯৭৭-৭৮ সালে কুখ্যাত কামিতি ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি প্রিজনে বন্দী থাকাকালে তিনি ‘ডেভিল অন দ্য ক্রস’ উপন্যাসটি টয়লেট পেপারে লিখেছিলেন। আরও ভয়ংকর অভিজ্ঞতা হচ্ছে, তিনি যখন ১৯৮২ সালে এই উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ নিয়ে ইংল্যান্ডে আসেন, কেনিয়ার সরকার তাঁকে হুমকি দিয়ে ‘রেড কার্পেট ওয়েলকাম’ জারি করেন, অর্থাৎ দেশে ফিরলে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড বা গ্রেপ্তার করা হবে।

১৯৮৭ সালে তাঁর উপন্যাস ‘মাতিগারি’ নিষিদ্ধ হয়। মজার ব্যাপার হচ্ছে, উপন্যাসের চরিত্র ‘মাতিগারি’র নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। ২০০৪ সালে নির্বাসন-পরবর্তী সময়ে দেশে ফিরে ‘উইজার্ড অব দ্য ক্রো’ উপন্যাসের গিকুয়ু ভাষার সংস্করণ প্রকাশের সময় সস্ত্রীক সশস্ত্র হামলার শিকার হন। এ রকম নানা ক্ষুদ্র-বৃহৎ ঘটনায় জর্জরিত নগুগির সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক জীবন, লেখালেখি তাঁর অস্তিত্ব ও সংগ্রামের অস্ত্র।

উপনিবেশ–উত্তর সাহিত্যতত্ত্বে নগুগি বহুল চর্চিত, এমনকি প্রতিবছর নোবেল গুঞ্জনে প্রথম সারিতে থাকেন। কিন্তু পশ্চিমা সাহিত্যাঙ্গনে নগুগি প্রায়ই উপেক্ষিত থেকে যান। গিকুয়ু ভাষায় লেখার কারণে হয়তো তাঁর সাহিত্যের রাজনৈতিক অবস্থানকে ‘মাইনর লিটারেচার’ হিসেবে দেখা হয়। হয়তো উত্তর-উপনিবেশ তত্ত্ব–চিন্তাকে অতীতনির্ভর বলে ভ্রান্ত ভাবা হয়, কিন্তু আমরা কি এখনো উপনিবেশ–উত্তর বাস্তবতায় বাস করছি না? সমসাময়িক সাহিত্যে যেখানে কেবল শ্রেণি বিশ্লেষণের কোমল চিত্র আঁকা হয়, সেখানে নগুগির মতো গভীর রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিসম্পন্ন সাহিত্য অনেক পাঠকের জন্য স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। তিনি মার্ক্সবাদী চিন্তাবিদ, আরামকেদারায় বসে বুদ্ধিজীবিতা করেন না।

নগুগি এমন এক ধরনের বৈপ্লবিক কাজ করেন, যা কেবল একজন প্রকৃত শিল্পীর পক্ষেই সম্ভব। তিনি সময়ের চেয়ে এগিয়ে—অনাগত সময়ের প্রতিনিধি। অনাগত সময়ের পূর্বাভাস তাঁর সাহিত্যে প্রতিধ্বনিত হয়। তিনি আফ্রিকান জনজীবনের ভাষ্যই কেবল রচনা করেছেন, তা নয়, একটা বিকল্প কিংবা ন্যায্যতাভিত্তিক বিশ্বের স্বপ্ন দেখার সাহসও তিনি দিতে পেরেছেন। সাহিত্যে সংযোগ করেছেন সংগ্রাম ও বিপ্লবের বীজ।

নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো
নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো কেনিয়ান লেখক, ভাষাতাত্ত্বিক, নাট্যকার এবং সাহিত্যক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উত্তর-ঔপনিবেশিক চিন্তাবিদ। তিনি ১৯৩৮ সালে কেনিয়ার লিমুরুতে জন্মগ্রহণ করেন। ইংরেজি ভাষায় সাহিত্যচর্চা শুরু করলেও পরবর্তীকালে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কারণে নিজের মাতৃভাষা গিকুয়ু ভাষায় লেখালেখি শুরু করেন। তাঁর কাজের মূল পটভূমি উপনিবেশ, ভাষা, পরিচয় ও প্রতিরোধ। উল্লেখ্যযোগ্য গ্রন্থগুলো হচ্ছে ‘উইপ নট, চাইল্ড’ (১৯৬৪), ‘দ্য রিভার বিটুইন’ (১৯৬৫), ‘পেটলস অব ব্লাড’ (১৯৭৭), ‘ডিকলোনাইজিং দ্য মাইন্ড’ (১৯৮৬) ও ‘উইজার্ড অব দ্য ক্রো’ (২০০৬)।

কেনিয়ার স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে কারাবরণ এবং যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত জীবন কাটান।

২৯ মে রাতে (২০২৫) ৮৭ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার বেডফোর্ডে মৃত্যুবরণ করেছেন নিগুগি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। জীবনের শেষ বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন তিনি।

30/05/2025

নীল আকাশ, সাদা মেঘ কিংবা পাহাড়ী পথে আরামদায়ক ট্র্যাকিং এর সবকিছুই খুঁজে পাবেন বান্দরবানের অন্যতম পর্যটন স্পট নীলাচলে।

আউটসোর্সিং সেবাগ্রহণ নীতিমালা জারিআউটসোর্সিং সেবাগ্রহণ নীতিমালা-২০২৫ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) ...
15/04/2025

আউটসোর্সিং সেবাগ্রহণ নীতিমালা জারি
আউটসোর্সিং সেবাগ্রহণ নীতিমালা-২০২৫ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নীতিমালা জারির কথা জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস নোটে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকে নববর্ষের উপহার হিসেবে এ নীতিমালা জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাঁচটি ক্যাটাগরির সেবা ও তিনটি বিশেষ সেবা জনপ্রতি মাসিক সেবামূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ছাড়া এক মাসের সমপরিমাণ সেবামূল্যের অর্ধেক (৫০ শতাংশ) হারে দুটি ও এক পঞ্চমাংশ (২০ শতাংশ) হারে বৈশাখী প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি সেবাকর্মীদের বার্ষিক ১৫ দিনের ছুটি ও মৌলিক কাজ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এতে বলা হয়, প্রতি সেবাকর্মীকে প্রতি অর্থবছরে দুটি করে ইউনিফর্ম সরবরাহ করা হবে এবং দায়িত্ব পালনের সময় তা পরিধান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নারী কর্মীদের জন্য রয়েছে ৪৫ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং নারীবান্ধব কাজে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের অধীনে পরিচালিত সর্বজনীন পেনশন সুবিধার অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে পেনশন সুবিধা গ্রহণ করার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় ক্রয়কৃত সেবামূল্য সেবাকর্মীর নিজ নামীয় ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রদেয় হবে।

সর্বোপরি, সেবা কর্মীগণ তার মাসিক সেবামূল্য কর্মকালীন মাসের পরবর্তী মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রদান নিশ্চিত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সকালের নাশতার স্বাস্থ্যকর যে ৫ খাবারআমরা অনেকে সকালের নাশতায় অবহেলা করি। অনেকের সকালে খেতে ভালো লাগে না কিংবা ঘুম থেকে দ...
15/04/2025

সকালের নাশতার স্বাস্থ্যকর যে ৫ খাবার
আমরা অনেকে সকালের নাশতায় অবহেলা করি। অনেকের সকালে খেতে ভালো লাগে না কিংবা ঘুম থেকে দেরি করে উঠেই দ্রুত বের হয়ে যেতে হয়। তবে বিজ্ঞান বলে সকালে আমাদের স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। কারণ শরীর সঠিকভাবে পুষ্টি পেলে কাজ করার ক্ষমতাও বেড়ে যায় কয়েক গুণ। আর সেই কারনে সকালের খাবার এড়িয়ে যাওয়া ঠিক না। তাহলে সকালে নাশতায় কোন ধরনের খাবার গুলো আমরা খেতে পারি?

তবে সকালে নাশতা হতে হবে একই সাথে স্বাস্থ্যকর ,সুস্বাদু এবং উপকারী। তাই প্রাণবন্ত থাকতে সকালের নাশতায় কোন খাবারগুলো রাখবেন চলুন জেনে নিই-

১. ডিম
ডিমে প্রোটিনের একটি শক্তিশালী উৎস হিসেবে কাজ করে। ডিমে প্রোটিনের পাশাপাশি ভিটামিন বি, ভিটামিন এ, আয়রন, ক্যালসিয়াম সহ অনেক প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান খাকে। তাই সকালের খাবার হিসেবে থাকতে পারে ডিম। এটি যে কোন বয়সীদের জন্যই উপকারী। বিশেষ করে শিশুর খাবারে ডিম রাখা বেশি প্রয়োজন।

২. হোল গ্রেইন টোস্ট
সাদা রুটির তুলনায় হোল গ্রেইন টোস্টে ফাইবার ও জটিল কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না। তাই সকালে সাদা রুটি বা নরমাল টোস্টের বদলে হোল গ্রেইন রুটি খেতে পারেন।

৩. চিয়া বীজ
চিয়া বীজ ফাইবার ও পুষ্টির একটি অন্যতম উৎস। যার সঙ্গে দই, পনির মিশিয়ে খেতে পারেন। বা কোনো প্রোটিন শেক তৈরি করেও খেতে পারেন। যেভাবেই খান না কেন, চিয়া বীজ শরীরের জন্য উপকারী হিসেবে বিবেচিত হবে।

৪. বাদাম
বাদাম প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি একাধারে ফাইবারের একটি সমৃদ্ধ উৎস। বাদামে ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়ামের মতো উপাদানও রয়েছে। এটি দই, ওটমিলে বা সরাসরি খেতে পারেন অথবা আলাদাও খেতে পারেন। তবে বেশি খাওয়ার প্রয়োজন নেই, একমুঠোই যথেষ্ট।

৫. পনির
পনিরে প্রোটিন বেশি এবং ক্যালোরি কম থাকে। এটি সকালের অন্য খাবারে ব্যবহার করা যেতে পারে। দিনের শুরুতে খাবারগুলো যেন স্বাস্থ্যকর হয় সেদিকে নজর রাখুন।

জাদুকরি ঘি শট: প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই গরম পানিতে ঘি মিশিয়ে পান করলে পাবেন ৬ উপকার--হজমক্রিয়ার উন্নতিঘি হজমশক্তিকে উন্নত ...
13/04/2025

জাদুকরি ঘি শট: প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই গরম পানিতে ঘি মিশিয়ে পান করলে পাবেন ৬ উপকার--

হজমক্রিয়ার উন্নতি
ঘি হজমশক্তিকে উন্নত করে, যা আপনাকে সারাদিনের কাজের স্পৃহা যোগায়। এটি আপনার হজমকে ঝামেলামুক্ত করে এবং অ্যাসিডিটি বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দূর করে। আর গরম পানি পরিপাকতন্ত্রকে সচল করতে সাহায্য করে এবং সুস্থ অন্ত্রের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।

প্রাকৃতিক ডিটক্স
শরীরের সৃষ্ট অপাচ্য খাবারের বিষাক্ত অংশ শরীর থেকে বের করে দিতে ভূমিকা রাখে এই মিশ্রণ। এই ডিটক্সিফিকেশনের নিয়মিত প্রক্রিয়া আপনার দীর্ঘস্থায়ী রোগ, অসুস্থতা, ক্লান্তি ও অলসতা প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

ওজন কমাতে সাহায্য করে
বিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, এই মিশ্রণটি আপনার বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে। সেই সঙ্গে পেটের অংশের চর্বি কমিয়ে আপনার ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে। এটি আপনার শরীরে তৃপ্তি প্রদান করে এবং খাওয়ার অযথা ক্রেভিং কমাতে সাহায্য করে।

ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে
ঘিয়ের নিজস্ব ময়েশ্চারাইজিইং প্রভাব ত্বককে ভেতর থেকে আর্দ্র ও উজ্জ্বল রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ মিশ্রণের সমৃদ্ধ ফ্যাটি এসিড ও ভিটামিন আপনার ত্বককে উজ্জ্বলতা ও কোমলতা দেয়। এছাড়াও, ঘিয়ে রয়েছে ভিটামিন এ, ই আর প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড, যা কোষের পুনর্জন্মকে উৎসাহিত করে এবং অকাল বার্ধক্য থেকে রক্ষা করে।

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ভালো রাখে
আয়ুর্বেদের মতে, ঘি মস্তিষ্কের স্বাস্থের জন্য একটি টনিক হিসাবে কাজ করে। এটি ব্রেনের কার্যকারিতা, একাগ্রতা ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। এটি যদি আপনি দিনের শুরুতেই খান, তবে এটি আপনার সারাদিনের কাজের জন্য শক্তি ও কর্মস্পৃহা তৈরি করবে। নিয়মিত এ মিশ্রণটি সেবন করলে শিশুদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি ও শেখার আগ্রহ বাড়ে। এ মিশ্রণে থাকা বিউটেরিক এসিড মস্তিষ্কের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

হরমোন ও প্রজনন স্বাস্থের উন্নতি করে
ঘি ইস্ট্রোজেন আর প্রোজেস্টেরনের মতো প্রজনন হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে, যা মাসিক চক্র নিয়ন্ত্রণ করতে আর পিএমএসের লক্ষণগুলি কমাতে সাহায্য করে। এর প্রদাহরোধী বৈশিষ্ট্য পিরিয়ডের সময় ক্র্যাম্প, ফোলাভাব আর ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও, বলা হয় যে ঘিয়ে থাকা স্বাস্থ্যকর চর্বি নিয়মিত ডিম্বস্ফুটন আর হরমোন ভারসাম্যের জন্য অপরিহার্য।

কীভাবে বানাবেন ঘি শট
এক টেবিল চামচ খাঁটি ঘি এক কাপ গরম পানির সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে পান করবেন। আপনি যদি সবচেয়ে ভালো ফল পেতে চান তবে সকালবেলা খালি পেটে ধীরে ধীরে এ মিশ্রণটি পান করবেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই ঘি শটের সুফল পেতে হলে অন্তত আট সপ্তাহ ধরে এটি রোজ পান করতে হবে।

সাতবাড়ীয়া পদ্মা নদীর পাড় এখন সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্রকথায় বলে, সাগরপাড়ে দাঁড়ালে সমুদ্রের বিশালতায় নিজেকে খুব ক্ষুদ্র মনে...
11/04/2025

সাতবাড়ীয়া পদ্মা নদীর পাড় এখন সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র
কথায় বলে, সাগরপাড়ে দাঁড়ালে সমুদ্রের বিশালতায় নিজেকে খুব ক্ষুদ্র মনে হয়। সাগরের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য আর বিশালতা উপভোগ করতে হলে সাগরপাড়ে যাওয়া সম্ভব না হলে ঘুরে আসা যায় পাবনার সুজানগরের পদ্মার ওপাড় থেকে। ইতিমধ্যে উপজেলার সাতবাড়ীয়া সংলগ্ন বিশাল বিস্তীর্ণ পদ্মার পাড় মিনি কক্সবাজার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
নদীর অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে শুক্র, শনি ও ছুটির দিনে সুজানগরসহ আশপাশের মানুষ জন পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব নিয়ে ছুটে আসছেন এখানে। নৌকা বা স্পিড বোটে ঘুরে বেড়াচ্ছে নদীতে। অনেকে আসছেন বনভোজনে। তারা বলছে, সরকারি উদ্যোগ নিয়ে এই স্থানটি দর্শনীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
ইতিমধ্যে স্থানীয় কিছু যুবক পদ্মা নদীর ওপাড়ে ছোট্ট পরিসরে পদ্মা পার্ক প্রতিষ্ঠা করেছে। এতে পদ্মাপাড়ের গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে। তবে পদ্মা পার্কের চেয়ে পর্যটকদের টান শুধু পদ্মাপাড়ের সৌন্দর্য উপভোগের দিকে। বিশেষ করে শুক্র এবং শনিবার ছুটির দিন সুজানগর উপজেলা এবং আশপাশের উপজেলার শত শত ভ্রমণপিপাসু নারী-পুরুষ পর্যটক পদ্মাপাড়ে ছুটে আসেন।

পদ্মাপাড়ের নারুহাটি গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান বলেন, প্রতিদিন কম-বেশি পর্যটক আনন্দভ্রমণে সাতবাড়ীয়া পদ্মা নদীর পাড়ে আসেন। তবে শুক্র এবং শনিবার ছুটির দিন বিকাল ৪টা থেকে শত শত নারী-পুরুষ পর্যটক মাইক্রোবাস, সিএনজি এবং মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনযোগে পদ্মা নদীর পাড়ে আনন্দভ্রমণে আসেন।

পদ্মাপাড়ে আনন্দভ্রমণে আসা পাবনা সরকারি অ্যাডওয়ার্ড কলেজের সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রচুর দর্শনার্থী আসায় এখানে বাণিজ্যিকভাবে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা যেতে পারে।

সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন, সাতবাড়ীয়া পদ্মা নদীর ঐ পাড়ে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সরকারিভাবে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার।

পান্তা ভাতের যত উপকারিতাপান্তা ভাত খাওয়ার প্রচলন আমাদের দেশে বহুকাল ধরেই। রাতের খাবারের পর রয়ে যাওয়া অতিরিক্ত ভাত পানি দ...
11/04/2025

পান্তা ভাতের যত উপকারিতা
পান্তা ভাত খাওয়ার প্রচলন আমাদের দেশে বহুকাল ধরেই। রাতের খাবারের পর রয়ে যাওয়া অতিরিক্ত ভাত পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখলেই হয়ে যায় পান্তা। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে সকালের খাবার হিসেবে পান্তা ভাত খাওয়ার চল রয়েছে আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চলে। তবে শহুরে জীবনে পান্তা ভাতের স্থান নেই বললেই চলে। যদিও শখের বশে নববর্ষ বা বিভিন্ন উৎসবে পান্তা ভাত খাওয়া হয়ে থাকে। পহেলা বৈশাখের সকালটা যেন জমেই ওঠে না পান্তা-ইলিশ ছাড়া।
তবে আপনি যদি পান্তা ভাতের উপকারিতা সম্পর্কে জানেন তখন আর এটি থেকে দূরে থাকতে চাইবেন না।
পান্তা ভাতের উপকারী দিক সম্পর্কে আলোচনা করেছেন ডাক্তার এম এন আলম। তিনি জানান, ১০০ মিলিগ্রাম সাধারণ ভাতে আয়রনের পরিমাণ থাকে ৩.৫ মিলিগ্রাম। তবে ১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে তৈরি করা পান্তা ভাতে এর পরিমাণ বেড়ে গিয়ে হয় ৭৩.৯ মিলিগ্রাম। একইভাবে ক্যালসিয়ামের পরিমাণও অনেক গুন বেড়ে যায়। ১০০ মিলিগ্রাম সাধারণ ভাতে যেখানে ক্যালসিয়াম থাকে ২১ মিলিগ্রাম, সেখানে পান্তা ভাতে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৫০ মিলিগ্রাম।

আসুন জেনে নিই পান্তা ভাতের যত উপকারিতা-
১.পান্তা ভাতের পুষ্টি
পান্তা ভাত মাইক্রোফ্লোরা সমৃদ্ধ, যা একটি প্রিবায়োটিক হিসাবে কাজ করে থাকে। এটি অন্ত্রের সংক্রমণ রোধ, শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, ভালো হজমশক্তি, ত্বকের উজ্জ্বলতা এবং সুন্দর চুলের জন্য কাজ করে। পান্তা ভাত একটি ইলেক্ট্রোলাইট হিসাবেও কাজ করে থাকে। তাই এটি ক্লান্তি, দুর্বলতা এবং ডিহাইড্রেশন নিরাময় করে।

২. অন্ত্রের প্রদাহ কমায়
পান্তা ভাত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্যে ভরপুর যা আপনার পেট ঠাণ্ডা করে, প্রদাহ কমায়, ফোলাভাব এবং অ্যাসিডিটি প্রতিরোধ করে।

৩. ভিটামিনের উৎস
শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিনের উপস্থিতি রয়েছে পান্তা ভাতে। এটি ভিটামিন বি-৬ এবং ভিটামিন বি-১২ এর ভালো উৎস। আর এ দুই ভিটামিনই আমাদের সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।

৪. শরীর সতেজ রাখে
গরমে ঘামের কারণে আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় অনেক উপাদান বেরিয়ে যায়। সেই অভাব মেটানো জরুরি। নয়তো নিস্তেজ হয়ে পড়ার ভয় থাকে। গরমে শরীরকে ভেতর থেকে ঠাণ্ডা ও সতেজ রাখতে কাজ করে পান্তা ভাত। এটি শরীরে পানির অভাব মেটানোর পাশাপাশি তাপমাত্রার ভারসাম্য রাখতেও কাজ করে।
৫. পেটের পীড়া দূর করে
নিয়মিত পান্তা ভাত খেলে তা পেটের নানা সমস্যা দূর করতে কাজ করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে শরীরকে সজীব করে তোলে। হজম ভালো হয় যে কারণে আরও অনেক অসুখ থেকে দূরে থাকা সহজ হয়।

৬. শক্তি যোগায়
সারাদিন কাজের জন্য আপনাকে শক্তি দেবে পান্তা ভাত। এটি খেলে শরীর হালকা লাগে এবং কাজের ক্ষেত্রে শক্তি বেশি পাওয়া যায়। এটি গাঁজানো বা ফারমেন্টেড খাবার। আমাদের শরীরের জন্য উপকারী অনেক ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায় এই ভাতে।

৭. হজমে সহায়তা করে
পান্তা ভাত খেলে তা আমাদের অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, যা আরও ভালো পুষ্টি শোষণ, হজম এবং বিপাক উন্নত করে।

গরমে অনন্য পানীয় আখের রস, তবে...চৈত্র-বৈশাখের প্রখর রোদে যখন শরীর ক্লান্ত ও জর্জরিত, তখন এক গ্লাস ঠাণ্ডা আখের রস যেন স্ব...
11/04/2025

গরমে অনন্য পানীয় আখের রস, তবে...
চৈত্র-বৈশাখের প্রখর রোদে যখন শরীর ক্লান্ত ও জর্জরিত, তখন এক গ্লাস ঠাণ্ডা আখের রস যেন স্বর্গীয় শান্তি। শুধু স্বাদেই নয়, আখের রস শরীরের জন্য এক অনন্য উপকারী পানীয়। এই সাধারণ পানীয়টির ভেতর লুকিয়ে আছে নানা স্বাস্থ্যগুণ। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া , ভারতীয় উপমহাদেশ, উত্তর আফ্রিকা, প্রধানত মিশর এছাড়াও দক্ষিণ আমেরিকা বিশেষ করে ব্রাজিলে এর চাহিদা ব্যাপক।

ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধে কার্যকর
গরমে ঘাম ঝরে প্রচুর, ফলে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে। আখের রস প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট হিসেবে কাজ করে, যা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।

এনার্জির দুর্দান্ত উৎস
আখে থাকা প্রাকৃতিক চিনি তাৎক্ষণিক শক্তি যোগায়। যারা দিনের বেশিরভাগ সময় বাইরে কাটান, তাদের জন্য আখের রস হতে পারে চটজলদি এনার্জি বুস্টার।

লিভারের জন্য ভালো
গরমে হেপাটাইটিস বা জন্ডিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। আখের রস লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে বলে পরিচিত এবং একে প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ার বলা হয়।

হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো
আখের রসে থাকা ক্যালসিয়াম, ও ফসফরাসের মতো পুষ্টি উপাদান হাড়কে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। এছাড়া প্রতিদিন আখের রস পান করলে বাতের ব্যথার মতো হাড় সংক্রান্ত সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে।

রক্তাল্পতা দূর করে
রক্তাল্পতা নিরাময়ে আখের রস দারুণ কার্যকর। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় এই রস শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।

চামড়ার জন্য উপকারী
আখের রসে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভনয়েডস ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং ব্রণ বা সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

ডায়াবেটিকদের জন্য সতর্কতা
যদিও আখের রস প্রাকৃতিক, তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি গ্রহণের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

তাই এই গরমে যদি মিষ্টি ও স্বাস্থ্যকর কিছু খুঁজে থাকেন, তবে এক গ্লাস ঠাণ্ডা আখের রস হতে পারে আপনার সেরা সঙ্গী।

সাবধানতা
এদিকে অসহ্য গরমে তৃষ্ণা মেটাতে চাহিদা বাড়ে আখের রসের। শরীর ও মনকে চাঙা করতে শহরের মানুষ হর-হামেসাই আখের রস বিক্রেতার কাছে ছুটে যাচ্ছেন। বিক্রেতারাও একটানা খণ্ড খণ্ড আখ মেশিনে চেপে রাস্তায় খোলা পরিবেশে ক্রেতাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন। আবার ক্রেতাদের তৃপ্তি দিতে অনেকেই এই রসের সঙ্গে মেশাচ্ছেন বরফ। তবে, এ বরফ কোথা থেকে আসে বা কতটুকু স্বাস্থ্যকর তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি এসব শরবত পানে পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হতে পারেন সাধারণ মানুষ। তাই ঘরের বাইরে আখের রস পানের ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ স্বাস্থ্যবিদদের।

চুরির পর ইমামের মোবাইল ফিরিয়ে দিল চোরওসির কথায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ইমামের চুরি হওয়া মোবাইল ফেরত দিয়ে গেল চোর। বিষয়টা নিয়ে ...
11/04/2025

চুরির পর ইমামের মোবাইল ফিরিয়ে দিল চোর
ওসির কথায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ইমামের চুরি হওয়া মোবাইল ফেরত দিয়ে গেল চোর। বিষয়টা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায়।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার স্টাফ কোয়ার্টার রুমের সামনে চুরি করা মোবাইলটি গোপনে ফেলে গেছে চোর।

জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা মসজিদের ইমাম মাওলানা মুখলেছুর রহমানের নিজস্ব মোবাইলটি রমজান মাসে কোয়ার্টার থেকে চুরি হয়ে যায়। বিষয়টা নিয়ে গত ৪ এপ্রিল জুম্মা নামাজের পূর্বে ইটনা থানার ওসি মো. মনোয়ার হোসেন উপস্থিত মুসল্লিদের সামনে চোরকে উদ্দেশ করে মোবাইলটা ফেরত দেওয়ার জন্য বক্তব্য রাখেন। উক্ত বক্তব্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে মোবাইলটি গোপনে রেখে গেছে ওই চোর।

উপজেলা মসজিদের ইমাম মাওলানা মুখলেছুর রহমান জানান, কোয়ার্টার থেকে চতুর্থ রমজানে মোবাইলটি চুরি হয়ে যায়। আজ বিকেলে গোপনে মোবাইলটা ফেলে গেছে।

ইটনা থানার ওসি মো. মনোয়ার হোসেন কালবেলাকে জানান, ইমাম সাহেবের মোবাইল চুরির বিষয়টা শুনে শুক্রবার মসজিদে মুসল্লিদের উদ্দেশে মোবাইলটা ফেরত দেওয়ার জন্য চোরের উদ্দেশে বক্তব্য রাখি। এতে সম্ভবত চোর উদ্বুদ্ধ হয়ে মোবাইলটা ফেলে রেখে গেছে।

বাংলাদেশের লজিস্টিক খাতে সহযোগিতা করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুরবাংলাদেশের লজিস্টিক খাতের সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতা করতে চায় সিঙ্গা...
11/04/2025

বাংলাদেশের লজিস্টিক খাতে সহযোগিতা করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর
বাংলাদেশের লজিস্টিক খাতের সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতা করতে চায় সিঙ্গাপুর।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার ডেরেক লো এই আগ্রহের কথা জানান।

ডিসিসিআই গুলশান সেন্টারে সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ডিসিসিআই সভাপতির সঙ্গে এ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আলোচনা সভা করেন।

অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা চেম্বার সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ৯০ দিনের জন্য স্থগিত করার ঘোষণা বৈশ্বিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য স্বস্তির বিষয়। তবে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ডিসিসিআই সভাপতি উল্লেখ করেন, সিঙ্গাপুর বাংলাদেশে দ্বিতীয় বৃহত্তম বিনিয়োগকারী দেশ এবং সে দেশের উদ্যোক্তারা ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে ১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ করেছেন। গত অর্থবছরে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তাসকীন আহমেদ বলেন, আধুনিক ও দক্ষ বন্দর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সিঙ্গাপুর বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের বন্দর ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো, লজিস্টিক, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগে সিঙ্গাপুরের উদ্যোক্তাদের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের এসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের পণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণে দক্ষতা উন্নয়নে সিঙ্গাপুরের সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া বাংলাদেশের পাট ও কৃষি খাতের আধুনিকায়নে সিঙ্গাপুরের প্রযুক্তিগত সহায়তার ওপর জোরারোপ করেন ঢাকা চেম্বার সভাপতি।

সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার ডেরেক লো বলেন, শিল্প খাতে পণ্য উৎপাদন ও লজিস্টিক খাতে ব্যয় হ্রাসের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালন ব্যয় অনেকাংশে হ্রাস করা সম্ভব। তিনি বাংলাদেশের বন্দরগুলোর দক্ষ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালন ব্যয় অনেকাংশে হ্রাস করা সম্ভব, যার মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

তিনি জানান, বাংলাদেশের লজিস্টিক খাতের সক্ষমতা বাড়িয়ে ব্যবসা পরিচালন ব্যয় হ্রাসে বাংলাদেশকে সহযোগিতা প্রদানে সিঙ্গাপুর অত্যন্ত আগ্রহী। দক্ষ বন্দর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সিঙ্গাপুর বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্রস্থল হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশের রাজস্ব খাতের সংস্কার ও অটোমেশনের ওপর জোরারোপ করেন। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানির বাজার সম্প্রসারণে তিনি শিল্প খাতে ইএসজি কমপ্লায়েন্স বাস্তবায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার বৃদ্ধিসহ সার্বিকভাবে কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতকরণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

হাইকমিশনার জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সিঙ্গাপুর নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে, যেখানে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত হওয়া ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহসভাপতি মো. সালিম সোলায়মানসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিশেল লি প্রমুখ।

জাপানে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়ছে, সুযোগ আছে বাংলাদেশিদেরওবিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপানে জনসংখ্যা সংকটের পরিপ্...
11/04/2025

জাপানে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়ছে, সুযোগ আছে বাংলাদেশিদেরও
বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপানে জনসংখ্যা সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষ শ্রমিকের কাজের বিশাল সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
এশিয়ার এই সমৃদ্ধ দেশটিতে চাকরি ও সম্মানজনক আয়ের সুযোগ নিতে পারেন বাংলাদেশের দক্ষ শ্রমিকরাও।

জাপানের 'টেকনিক্যাল ইন্টার্ন ট্রেনিং' ও 'নির্দিষ্ট দক্ষ কর্মী' স্কিমের আওতায় বাংলাদেশিদের নিয়োগের বিষয়ে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে ঢাকা ও টোকিও পৃথক সমঝোতা স্মারক (এমওসি) সই করে।

টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, জাপানে অধ্যাপক, গবেষক ও প্রকৌশলীদের মতো পেশাজীবী হিসেবে বাংলাদেশিদের কাজ করার সুযোগ আছে।

তবে অভিবাসী শ্রমিক নেওয়া অন্যান্য দেশের তুলনায় পূর্ব এশিয়ার ধনী দেশগুলোয় বাংলাদেশি শ্রমিকের সংখ্যা খুবই কম।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুসারে, ১৯৯৯ সাল থেকে চলতি বছরের মে মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ৩ হাজার ৩০ কর্মী জাপানে পাঠিয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম ৫ মাসে ২৯০ শ্রমিক জাপানে গেছেন। বিএমইটির তথ্য জানায়, গত বছর ৫০৮ শ্রমিক সেখানে গিয়েছেন।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তালিকায় বলা হয়েছে, বিএমইটি ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) পাশাপাশি প্রায় ৭০টি বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি জাপানে কর্মী পাঠানোর অনুমোদন পেয়েছে।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'বর্তমানে জাপানে নির্মাণ, শিল্প, কৃষিসহ বেশ কয়েকটি খাতে চাকরির সুযোগ আছে।'
তার মতে, জাপানে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া উপসাগরীয় দেশগুলোর শ্রমবাজারের তুলনায় আলাদা। কারণ, প্রবাসী শ্রমিকদের অন্যান্য যোগ্যতার সঙ্গে জাপানি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হয়।

তিনি আরও বলেন, 'প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও ভাষা শেখানোর প্রস্তুতি নিয়ে প্রতি বছর কয়েক হাজার শ্রমিককে জাপানে পাঠানো সম্ভব।'

জাপানি দৈনিক জাপান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালের এপ্রিলে যখন প্রথম 'নির্দিষ্ট দক্ষ কর্মী' কর্মসূচি চালু হয়, তখন জাপান সরকার ২০১৯-২৩ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৫০ দক্ষ কর্মী নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে।

গত ৯ জুন জাপানের সংবাদ সংস্থা কিয়োদো নিউজ জানায়, ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় দেড় লাখ 'নির্দিষ্ট দক্ষ কর্মী' ছিল।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জন্মহার কমে যাওয়ায় জাপানে শ্রমিকের চরম ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ কারণে সেখানে বিদেশি শ্রমিকদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্পটি চালু করা হয়।

সম্প্রতি, জাপানের মন্ত্রিসভা ব্লু-কলার বা শ্রমজীবী দক্ষ কর্মী ভিসার আওতায় কলকারখানার পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে। এটি বিদেশিদের সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ করে দিতে পারে।

এ ছাড়াও, ১৯৯৩ সালে টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসের আওতায় জাপান সরকার টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইন্টার্ন স্কিম চালু করে।
এই কর্মসূচির আওতায় জাপান কৃষি, মৎস্য, নির্মাণ, খাদ্য উৎপাদন, টেক্সটাইল এবং মেশিন ও মেটালসহ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে ৩ থেকে ৫ বছরের জন্য টেকনিক্যাল ইন্টার্নদের আমন্ত্রণ জানায়।

বিওইএসএলের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, জাপানে একজন বাংলাদেশি টেকনিক্যাল ইন্টার্ন মাসে ১ লাখ টাকার বেশি আয় করতে পারেন।

ডব্লিউএআরবিই ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুল হক ডেইলি স্টারকে বলেন, 'নির্দিষ্ট দক্ষ কর্মী প্রকল্পের আওতায় জাপানে পাঠানো দক্ষ শ্রমিকের সংখ্যা বাড়াতে বাংলাদেশ সরকার জাপানি চাকরিদাতাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের বিষয়ে তাদের আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারে।'

এতে করে জাপানি চাকরিদাতারা বাংলাদেশের শ্রমিকদের বিষয়ে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, গত বছরের জুন পর্যন্ত দেশটিতে বাংলাদেশি ছিলেন ২০ হাজার ৯৫৪ জন।

Address

পশ্চিম শেওড়াপাড়া মিরপুর Dhaka
Dhaka
১২১৬

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Good News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Good News:

Share