Anonda Sir

Anonda Sir Lecturer (Management)
Ex: Assistant Teacher DPE

08/05/2026

একজন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কেন এতো বার চেয়ারম্যান হতে চায় বা কেনোই রাজনৈতিক নেতারা চেয়ারম্যান হতে চায়।
তার বিশাল এক তালিকা নিচে দেওয়া হলো।

একজন চেয়ারম্যানের হাতে যেসকল বরাদ্দ সেবা থাকে। আসুন তা জেনে নেই-

১. বয়স্ক ভাতা
২. বিধবা ভাতা
৩. প্রতিবন্ধী ভাতা
৪. মাতৃত্বকালীন ভাতা
৫. দুস্থ মহিলা ভাতা
৬. ভিজিডি (VGD)
৭. ভিজিএফ (VGF)
৮. কর্মক্ষম দরিদ্র সহায়তা
৯. হতদরিদ্র ভাতা
১০. মুক্তিযোদ্ধা ভাতা
১১. অনগ্রসর জনগোষ্ঠী সহায়তা
১২. শিশু সহায়তা কর্মসূচি
১৩. কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য)
১৪. কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা)
১৫. ১০০ দিনের কর্মসূচি
১৬. টিআর (TR) কর্মসূচি
১৭. খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি
১৮. দরিদ্রদের কর্মসংস্থান প্রকল্প
১৯. মৌসুমি কর্মসংস্থান
২০. গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ
২১. শ্রমিক নিয়োগ প্রকল্প
২২. যুব কর্মসংস্থান সহায়তা
২৩. গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ
২৪. রাস্তা সংস্কার
২৫. ব্রিজ নির্মাণ
২৬. কালভার্ট নির্মাণ
২৭. ড্রেন নির্মাণ
২৮. বাজার উন্নয়ন
২৯. হাট উন্নয়ন
৩০. ঘাট নির্মাণ
৩১. খাল খনন
৩২. পুকুর খনন
৩৩. বাঁধ নির্মাণ
৩৪. পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা
৩৫. গ্রামীণ বিদ্যুৎ সহায়তা
৩৬. টিউবওয়েল স্থাপন
৩৭. গভীর নলকূপ
৩৮. স্যানিটারি ল্যাট্রিন বিতরণ
৩৯. পাবলিক টয়লেট
৪০. নিরাপদ পানি প্রকল্প
৪১. পানি সংরক্ষণ
৪২. ড্রেনেজ উন্নয়ন
৪৩. স্বাস্থ্য সচেতনতা
৪৪. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
৪৫. পরিচ্ছন্নতা অভিযান
৪৬. স্কুল মেরামত
৪৭. শিক্ষা সহায়তা
৪৮. উপবৃত্তি সহযোগিতা
৪৯. বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ
৫০. নারী ক্ষমতায়ন
৫১. মাদকবিরোধী কার্যক্রম
৫২. সচেতনতা সভা
৫৩. যুব উন্নয়ন
৫৪. সাংস্কৃতিক কার্যক্রম
৫৫. ক্রীড়া উন্নয়ন
৫৬. টিকাদান কর্মসূচি
৫৭. মা ও শিশু স্বাস্থ্য
৫৮. পরিবার পরিকল্পনা
৫৯. স্বাস্থ্য ক্যাম্প
৬০. পুষ্টি কর্মসূচি
৬১. কমিউনিটি ক্লিনিক সহায়তা
৬২. স্যানিটেশন সচেতনতা
৬৩. রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম
৬৪. কৃষি প্রশিক্ষণ
৬৫. বীজ বিতরণ
৬৬. সার সহায়তা
৬৭. সেচ সুবিধা
৬৮. গাছ লাগানো
৬৯. বনায়ন
৭০. মৎস্য চাষ সহায়তা
৭১. প্রাণিসম্পদ সহায়তা
৭২. পরিবেশ সংরক্ষণ
৭৩. ত্রাণ বিতরণ
৭৪. বন্যা সহায়তা
৭৫. ঘূর্ণিঝড় সহায়তা
৭৬. আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনা
৭৭. পুনর্বাসন প্রকল্প
৭৮. দুর্যোগ প্রস্তুতি প্রশিক্ষণ
৭৯. ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার
৮০. জন্ম নিবন্ধন
৮১. মৃত্যু নিবন্ধন
৮২. নাগরিক সনদ প্রদান
৮৩. অনলাইন সেবা।

অথচ এই সেবা গুলো দেওয়ার জন্য জনগনকে আজ পর্যন্ত জানতে দেয়া হলোনা। অথচ আমাদেরকে কত রংয়ের ভূগোল যে কয় তার ইয়ত্তা নাই।

আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই সকল ভাতা ও উন্নয়ন প্রকল্প জনগণের অধিকার, কারো ব্যক্তিগত দান না।*
তাই এখন সময় প্রতিটি তালিকা প্রকাশ করতে হবে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রকৃত উপকারভোগীদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে**চেয়ারম্যান হবেন সেবা করার জন্য।

05/05/2026

পর্ব -০২
ভুমি রের্কড ও জরিপ অধিদপ্তর
পদ: রের্কড় কিপার লিখিত প্রস্ততি
ভূমি জরিপঃ
ভূমি জরিপ হচ্ছে এমন এক কৌশল, পেশা, বিজ্ঞান যা নির্দিষ্টভাবে স্থানসমূহের ভূগোলক বা ত্রিমাত্রিক অবস্থানের পারস্পারিক দূরত্ব এবং কোণ নির্ণয় করতে পারে। সাধারণত মৌজা ভিত্তিক ভূমির নকশা ও ভূমির মালিকানা সম্পর্কিত খতিয়ান বা ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত কার্যক্রমকে ভূমি জরিপ বলা হয়।
👉 ভূমি জরিপের ইতিহাসঃ
প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতায় নীল নদের অতি প্লাবনের কারণে জমির সীমানা মুছে যাবার পর দড়ি দিয়ে সীমানা নির্ধারণের নথি পাওয়া গেছে। পাঠান সম্রাট শেরশাহ সর্ব প্রথম এ উপমহাদেশে জরিপ প্রথা চালু করেন। পরবর্তীতে মোঘল সম্রাট আকবরের একজন অন্যতম সভাসদ টোডরমল সার্ভে ও সেটেলমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করেন। কিন্তু উক্ত কার্যক্রম সম্পূর্ণ এবং plot-to-plot সার্ভে কার্যক্রম ছিলনা বরং একটি সংক্ষিপ্ত কার্যক্রম ছিল।
👉 রনাল জরিপঃ
১৭৭৪ সালে প্রখ্যাত ভূগোলবিদ জেমস রনাল উপমহাদেশের সার্ভেয়ার জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়ে ১৭৮০ সালে Plan of the environs of the city of Dhaka প্রণয়ন করেন। অতঃপর বাংলা ও বিহারের ৮টি বিভাগের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থানের Index Map তৈরি করেন।
👉 ত্রিগনোমেট্রিক্যাল জরিপঃ
১৮০২ সনে মিঃ উইলিয়াম ল্যাম্বটন এর নেতৃত্বে সমগ্র ভারতে ত্রিগনোমেট্রিক্যাল জরিপ শুরু হয়। ভবিষ্যতে সমগ্র ভারতে যাতে সঠিক ও নির্ভুল নক্সা প্রস্তুত করা যায় সে লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকায় জি,টি পিলার স্থাপনই এ জরিপের উদ্দেশ্য ছিল। সরেজমিনে সঠিক ত্রিভুজ অংকন করে ত্রিভুজের বাহু ব্যবহার দ্বারা একাধিক ত্রিভুজ অংকন ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এই পিলার স্থাপিত হয়েছিল।
👉 থাকবাস্ত জরিপঃ
জমিদারী সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসার জন্য জমিদাররা ১৮৪৬ সাল পর্যন্ত থাকবাস্ত জরিপ কার্য পরিচালনার মাধ্যমে জমিদারী এলাকার সীমা নির্ধারণ করা হয়। এ জরিপে ভূ-সম্পত্তি ও গ্রামগুলোর সীমানা পৃথককরণের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়।
👉 রাজস্ব জরিপঃ
থাকবাস্ত জরিপে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে জমিদারী এলাকার আয় নির্ণয়ের জন্য ১৮৪৭ সাল থেকে ১৮৭৮ সাল পর্যন্ত রাজস্ব জরিপ পরিচালনা করা হয়। এ জরিপ দক্ষ আমিনগণ দ্বারা পরিচালিত হয় বিধায় প্রথম বৈজ্ঞানিক জরিপ বলা হয়।। এ জরিপের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ জমিদারী এলাকার বাইরের ভূমিকে খাস ভূমি হিসেবে চিহ্নিত করে কালেক্টরের অধীনে ন্যস্ত করা হয়। এ জরিপে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রস্তুত করা হয়। কর্ণেল মিঃ স্মিত এর অধীনে এ জরিপ পরিচালিত হয়।
👉 খসড়া জরিপঃ
থাকবাস্ত জরিপ ও রাজস্ব জরিপ পরিচালনাকালে যেসব ভূমি অস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত প্রদান করা হত ও যেসব এলাকায় স্থায়ীভাবে বন্দোবস্তকৃত ভূমিতে স্বত্ব নিয়ে বিরোধ বিদ্যমান ছিল এবং থাকবাস্ত জরিপের নক্সা যেখানে ছিলনা সেসব এলাকায় খসড়া জরিপ পরিচালিত হত। এতে ১৬ ইঞ্চি সমান ১ মাইল স্কেলে জরিপ কর্মীগণ ফিল্ডবুকে বিভিন্ন তথ্যাদি লিপিবদ্ধ করতেন। যেমন তৌজি নম্বর, মালিকের নাম, দখলকারী রায়তের নাম, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, ক্ষেত্রফল, মাটির বর্ণনা, উৎপাদিত ফসলের বর্ণনা ইত্যাদি।
👉 দিয়ারা জরিপঃ
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এ দেশে প্রতিনিয়ত নদী ভাঙ্গনের ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা নদী বা সাগর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। আবার কোথাও কোথাও নতুন চর জেগে ওঠে। এসব নদী ভাঙ্গন এলাকা জরিপ করার জন্য ১৯৬৩ সালে একটি স্থায়ী দিয়ারা সেটেলমেন্ট অফিস স্থাপন করা হয়। দরিয়া শব্দটি হতে দিয়ারা শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে।
👉 সি.এস. জরিপঃ
দেশের সাধারণ জনগণকে প্রজাসত্ত্বের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে ১৮৮৫ সালে বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন পাশ করা হয়। ১৮৮৮ সনে ভূমি রেকর্ড দপ্তর সৃষ্টি করা হয় এবং সার্ভে অব ইন্ডিয়ার সহায়তায় কক্সবাজার জেলার রামু থানায় কিস্তোয়ার জরিপ ও খতিয়ান প্রণয়নের কাজ আরম্ভ হয়। ১৮৯০ সালে অত্যন্ত সফলভাবে সমাপ্ত হলে চট্টগ্রাম জেলায় ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে শুরু হয় এবং ১৮৯৮ সালে সফলতার সঙ্গে সমাপ্ত হয়। এর পর সমগ্র পূর্ববাংলায় সিএস জরিপ পরিচালিত হয় এবং ১৯৪০ সনে দিনাজপুর জেলায় জরিপের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। উল্লেখ্য যে বৃহত্তর সিলেট জেলা তখন আসাম প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত থাকায় সিএস জরিপ পরিচালিত হয়নি।
👉 এস. এ. পূর্ববর্তী সংশোধনী জরিপঃ
দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে সিএস জরিপ চলায় যে সকল এলাকায় প্রথম জরিপ হয়েছে; সে সকল ভূমির প্রকৃতি ও মালিকানার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। ফলে বৃহত্তর চট্টগ্রাম, ফরিদপুর ও বাকেরগঞ্জ জেলায় নতুন করে সংশোধনী জরিপ শুরু হয়। ১৯৫২ সালে সর্বশেষ বাকেরগঞ্জ জেলার সংশোধনী জরিপ শেষ করে খতিয়ান চুড়ান্ত প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে জমিদারী হুকুম দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ায় আর কোন জেলায় সংশোধনী জরিপ পরিচালিত হয়নি।
👉 এস.এ. জরিপ
দেশ বিভাগের পর জমিদারী হুকুম দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ সনের ১৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব বাংলার পার্লামেন্টে পাশ হয় এবং গভর্নর জেনারেলের সম্মতি লাভের পর ১৯৫১ সনের ১৬ মে তারিখ ঢাকা গেজেটে প্রকাশিত হয়। এ আইনের মাধ্যমে জমিদারদের অধিভুক্ত সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করে ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে জমিদারী এস্টটগুলো অধিগ্রহণ করা হয় এবং প্রজার নামে খতিয়ান প্রণয়ন করে মালিকানা প্রদান করা হয়। এস,এ জরিপ ১৯৫৬ সনের ১৪ এপ্রিল শুরু হয় এবং ১৯৬৩ সনে শেষ হয়। এস এ জরিপের খতিয়ান ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক প্রণীত হয়নি এবং ইহা কোন মাঠ পর্যায়ের সরেজমিন জরিপ ছিল না। জেলা প্রশাসনের কর্মচারীগণ জমিদারদের কাচারিতে বসে পত্তন রেজিস্টার দেখে এস, এ খতিয়ান প্রণয়ন করেন।
👉 আরএস জরিপঃ
এস,এ জরিপ মাঠ পর্যায়ের সরেজমিন জরিপ ছিল না। এ জরিপের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল জমিদারী এস্টেটগুলোকে অধিগ্রহণ করা এবং দখলদার ভূমি মালিকদের সরাসরি সরকারের অধীনে নিয়ে আসা। জমিদারদের কাছারিতে বসে পত্তন রেজিস্টার দেখে জেলা প্রশাসনের কর্মচারীগণ প্রজার নামে খতিয়ান খোলে। কাজেই এর বিশুদ্ধতা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। তাই এস এ জরিপের পরপরই আর একটি সংশোধনী জরিপ শুরু করা হয়। ১৯৬৫-৬৬ সালে রাজশাহী জেলায় সংশোধনী জরিপ শুরু হয়। দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, সিলেট, খুলনা ও বরিশাল জোনে এ জরিপ এখনও চলমান।
👉 মহানগর জরিপঃ
সিএস, এসএ এবং আরএস এই তিন প্রকার জরিপ ছাড়াও ঢাকা মহানগরী এলাকাভুক্ত মৌজাসমূহে অতি সম্প্রতি একটি বিশেষ জরিপের মাধ্যমে মৌজা নক্সা ও স্বত্বলিপি প্রস্তুত হয়েছে। ইহা মহানগরী জরিপ নামে পরিচিত্ এই জরিপটিও একটি সংশোধনী জরিপ। তবে অধিক্ষেত্রভুক্ত সকল মৌজায় ক্যাডাষ্ট্রাল জরিপের মাধ্যমে বিভিন্ন স্কেলে নতুন মৌজা ম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে বিধায় একে ক্যাডাস্ট্রাল জরিপও বলা যায়। মহানগরী জরিপ শুধু ঢাকা মহানগর এলাকায় পরিচালিত হয়েছে।
👉 বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভেঃ
ডিজিটাল যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যার ব্যবহার করে নির্ধারিত জিওডেটিক কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ETS এর সহায়তায় প্রতিটি দাগের প্রতিটি বাঁকের স্থানাংক নির্ণয়ের মাধ্যমে মৌজাভিত্তিক ভূমির নক্সা ও প্লট ভিত্তিক মালিকানা রেকর্ড প্রণয়নে যে ভূমি জরিপ সম্পাদন করা হয় তাহা ডিজিটাল জরিপ নামে পরিচিত। সরকারের ডিজিটালাইজেশনের অংশ হিসাবে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক ২০১৩ হতে GNSS/ ETS/ Drone মেশিনের সাহায্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
📍ভূমি বিষয়ক প্রশ্নঃ
👉 খতিয়ান কী ?
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাদিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরন সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।
👉 সি,এস রেকর্ড কী ?
সি,এস হল ক্যাডাস্টাল সার্ভে। আমাদের দেশে জেলা ভিত্তিক প্রথম যে নক্সা ও ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত করা হয় তাকে সি,এস রেকর্ড বলা হয়।
👉 এস,এ খতিয়ান কী ?
সরকার কর্তৃক ১৯৫০ সনে জমিদারি অধিগ্রহন ও প্রজাস্বত্ব আইন জারি করার পর যে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় তাকে এস,এ খতিয়ান বলা হয়।
👉 নামজারী কী ?
উত্তরাধিকার বা ক্রয় সূত্রে বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় কোন জমিতে কেউ নতুন মালিক হলে তার নাম খতিয়ানভূক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলে।
👉 জমা খারিজ কী ?
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়।
👉 পর্চা কী ?
ভূমি জরিপকালে প্রস্তুতকৃত খসরা খতিয়ান যে অনুলিপি তসদিক বা সত্যায়নের পূর্বে ভূমি মালিকের নিকট বিলি করা হয় তাকে মাঠ পর্চা বলে। রাজস্ব অফিসার কর্তৃক পর্চা সত্যায়িত বা তসদিক হওয়ার পর আপত্তি এবং আপিল শোনানির শেষে খতিয়ান চুরান্তভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর ইহার অনুলিপিকে পর্চা বলা হয়।
👉 তফসিল কী ?
তফসিল অর্থ জমির পরিচিতিমূলক বিস্তারিত বিবরন। কোন জমির পরিচয় প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট মৌজার নাম, খতিয়ান নং, দাগ নং, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমান ইত্যাদি তথ্য সমৃদ্ধ বিবরনকে তফসিল বলে।
👉 মৌজা কী ?
ক্যাডষ্টাল জরিপের সময় প্রতি থানা এলাকাকে অনোকগুলো এককে বিভক্ত করে প্রত্যেকটি একক এর ক্রমিক নং দিয়ে চিহ্নিত করে জরিপ করা হয়েছে। থানা এলাকার এরুপ প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
👉 খাজনা কী ?
ভূমি ব্যবহারের জন্য প্রজার নিকট থেকে সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে ভুমি কর আদায় করে তাকে ভুমির খাজনা বলা হয়।
👉 ওয়াকফ কী ?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মুসলিম ভূমি মালিক কর্তৃক ধর্মীয় ও সমাজ কল্যানমুলক প্রতিষ্ঠানের ব্যায় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি দান করাকে ওয়াকফ বলে।
👉 মোতওয়াল্লী কী ?
ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান যিনি করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে।মোতওয়াল্লী ওয়াকফ প্রশাষকের অনুমতি ব্যতিত ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন না।
👉 ওয়ারিশ কী ?
ওয়ারিশ অর্থ ধর্মীয় বিধানের আওতায় উত্তরাধিকারী। কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলে আইনের বিধান অনুযায়ী তার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্নীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে ওয়ারিশ বলা হয়।
👉 ফারায়েজ কী ?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
👉 খাস জমি কী ?
ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।
👉 কবুলিয়ত কী ?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহন করে খাজনা প্রদানের যে অংঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
👉 দাগ নং কী ?
মৌজায় প্রত্যেক ভূমি মালিকের জমি আলাদাভাবে বা জমির শ্রেনী ভিত্তিক প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে সিমানা খুটি বা আইল দিয়ে স্বরজমিনে আলাদাভাবে প্রদর্শন করা হয়। মৌজা নক্সায় প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে ক্রমিক নম্বর দিয়ে জমি চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রদত্ত্ব নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে।
👉 ছুট দাগ কী ?
ভূমি জরিপের প্রাথমিক পর্যায়ে নক্সা প্রস্তুত বা সংশোধনের সময় নক্সার প্রত্যেকটি ভূ-খন্ডের ক্রমিক নাম্বার দেওয়ার সময় যে ক্রমিক নাম্বার ভূলক্রমে বাদ পরে যায় অথবা প্রাথমিক পর্যায়ের পরে দুটি ভূমি খন্ড একত্রিত হওয়ার কারনে যে ক্রমিক নাম্বার বাদ দিতে হয় তাকে ছুট দাগ বলা হয়।
👉 চান্দিনা ভিটি কী ?
হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী দোকান অংশের অকৃষি প্রজা স্বত্ত্য এলাকাকে চান্দিনা ভিটি বলা হয়।
👉 অগ্রক্রয়াধিকার কী ?
অগ্রক্রয়াধিকার অর্থ সম্পত্ত্বি ক্রয় করার ক্ষেত্রে আইনানুগভাবে অন্যান্য ক্রেতার তুলনায় অগ্রাধিকার প্রাপ্যতার বিধান। কোন কৃষি জমির মালিক বা অংশিদার কোন আগন্তুকের নিকট তার অংশ বা জমি বিক্রির মাধ্যমে হস্তান্তর করলে অন্য অংশিদার কর্তৃক দলিলে বর্নিত মূল্য সহ অতিরিক্ত ১০% অর্থ বিক্রি বা অবহিত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে আদালতে জমা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জমি ক্রয় করার আইনানুগ অধিকারকে অগ্রক্রয়াধিকার বলা হয়।
👉 আমিন কী ?
ভূমি জরিপের মধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তুত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলা হত।
👉 সিকস্তি কী ?
নদী ভাংঙ্গনে জমি পানিতে বিলিন হয়ে যাওয়াকে সিকস্তি বলা হয়। সিকস্তি জমি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়স্তি হলে সিকস্তি হওয়ার প্রাককালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন, তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
👉 পয়স্তি কী ?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়স্তি বলা হয়।
👉 নাল জমি কী ?
সমতল ২ বা ৩ ফসলি আবাদি জমিকে নাল জমি বলা হয়।
👉 দেবোত্তর সম্পত্তি কী ?
হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদির আয়োজন, ব্যাবস্থাপনা ও সু-সম্পন্ন করার ব্যয় ভার নির্বাহের লক্ষ্যে উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি সম্পত্তি বলা হয়।
👉 দাখিলা কী ?
ভূমি মালিকের নিকট হতে ভূমি কর আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফরমে (ফরম নং-১০৭৭) ভূমিকর আদায়ের প্রমানপত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলে।
👉 ডি,সি,আর কী ?
ভূমি কর ব্যতিত অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফরমে (ফরম নং-২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে ডি,সি,আর বলে।
👉 দলিল কী ?
যে কোন লিখিত বিবরনি যা ভবিষ্যতে আদালতে স্বাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিষ্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি করেন তাকে সাধারনভাবে দলিল বলে।
👉 কিস্তোয়ার কী ?
ভূমি জরিপকালে চতুর্ভূজ ও মোরব্বা প্রস্তুত করারপর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভূমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নক্সা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
👉 খানাপুরি কী ?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরণ করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।

সংগৃহীত

25/04/2026

একজন শিক্ষক জীবনে তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন।

25/04/2026

#রেলওয়ে MCQ পরীক্ষা ১৫ ও ১৬ তারিখ।
#ভুমির রেকর্ড কিপারের MCQ পরীক্ষা ২ মে।
#কারিগরি অধিদপ্তরের MCQ পরীক্ষা ৮ তারিখ
#ডাক রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের ২ তারিখ MCQ পরীক্ষা, রাজশাহী পোস্টাল অপারেটর ও খুলনা ১৫ তারিখ হতে পারে।
#স্বাস্থ্য_সহকারী শেরপুরের পরীক্ষা ৮ তারিখ।
#যুব_উন্নয়ন অধিদপ্তর ১৫ বা ২২ তারিখ হতে পারে।
্চল_নোয়াখালী পরীক্ষা ৫ জুন।
িক্ষক_নিবন্ধন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ৩-৪ দিনের মধ্যে পাবেন।
#খাদ্য অধিদপ্তর লিখিত ৮ ও ২২ তারিখ।

#স্বাস্থ্য_সহকারী পরীক্ষা সহ সব আপডেট একসাথে:
আগামী মাসের ৮ তারিখে শেরপুর স্বাস্থ্য সহকারী পরীক্ষা।
এটার পরে গোপালগঞ্জ ও দিনাজপুরের পরীক্ষা নেওয়ার চেস্টা করা হচ্ছে। মে মাসে পরীক্ষা ১০০%
একই ভাবে, হবিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, ঝিনাইদহ, জয়পুরহাট, পিরোজপুর, মুন্সিগঞ্জ, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, নেত্রকোনা, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নাটোর সহ আরো কিছু পরীক্ষার ডেট সামনে পাবেন।

#বিমানের সকল পদের MCQ পরীক্ষা মে মাসে হয়ে যাবে।
#জারিকারক, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিদ্যুতের সাহায্যকারী MCQ মে মাসে।
#স্বাস্থ্য_খাত + পরিবার পরিকল্পনাতে দ্রুত ১,০০,০০+ পদের নিয়োগ দেওয়া হবে দ্রুত ধাপে ধাপে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
HSC পাসে সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয়ের ২০০০+ পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এপ্রিলে।

24/04/2026

♦️সাম্প্রতিক আপডেট ♦️
✅বর্তমানে (এপ্রিল ২০২৬) বিশ্বের শীর্ষ ধনী – ইলন মাস্ক।
বৈশ্বিক অস্ত্র ক্রয়ে শীর্ষ দেশ – ইউক্রেন। -
✅বৈশ্বিক অস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ – যুক্তরাষ্ট্র।
✅২০২৬ সালের বিশ্ব সুখ প্রতিবেদনে শীর্ষ সুখী দেশ – ফিনল্যান্ড।
✅২০২৬ সালের বিশ্ব সুখ প্রতিবেদনে সর্বনিম্ন দেশ- আফগানিস্তান।
✅২০২৬ সালের বিশ্ব সুখ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান – ১২৭তম।
✅২০২৬ সালের বৈশ্বিক সন্ত্রাস সূচকে শীর্ষ দেশ – পাকিস্তান।
✅২০২৬ সালের বৈশ্বিক সন্ত্রাস সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান – ৪২তম।
✅২০২৬ সালের বৈশ্বিক বায়ু দূষণে শীর্ষ দেশ – পাকিস্তান।
✅২০২৬ সালের বৈশ্বিক বায়ু দূষণে বাংলাদেশের অবস্থান – দ্বিতীয়।
✅২০২৬ সালের বৈশ্বিক বায়ু দূষণে শীর্ষ দূষিত রাজধানী - নয়াদিল্লি, ভারত।
✅২০২৬ সালের বৈশ্বিক বায়ু দূষণে শীর্ষ দূষিত রাজধানীর তালিকায় ঢাকার অবস্থান – দ্বিতীয়। -
✅বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট – মাল্টার। বাংলাদেশের অবস্থান – ১৮৪তম।
✅বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল পাসপোর্ট – আফগানিস্তানের। -

22/04/2026

🔥ব্রেকিং নিউজ 🔥
প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ এর রেজাল্ট প্রকাশিত, পাশের হার ৩১ শতাংশ।

21/04/2026

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির তথ্য সংগ্রহে সভা কাল

19/04/2026

💥ব্রেকিং....
আগামীকাল এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সফটওয়্যার উন্মুক্ত করা হবে।

18/04/2026

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ৭ জুন থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সেটি পেছানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী, ২ জুলাই থেকে এ পরীক্ষা শুরু হবে।

18/04/2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর "রেকর্ড কিপার" এর এক্সাম ২মে হবে।MCQ+WRITTEN+VIVA হবে।

17/04/2026

শিক্ষক খায়রুল ইসলামকে এভাবে জামার কলার ধরে হেনস্তা করার সাহস হয়েছে একমাত্র উনি দূরের শিক্ষক দেখে! দূরের সকল শিক্ষকের বদলি চাই! বদলি চাই। বদলী চাই! অতি দ্রুত বদলি চাই!

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anonda Sir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share