Islamic question

  • Home
  • Islamic question

Islamic question Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islamic question, Digital creator, 60 feet Road, .

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:​"আল্লাহর ভয়ে যে চোখ অশ্রু বিসর্জন দেয়, তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম। আর আল্লাহর পথে (দ্বীনের পা...
17/04/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
​"আল্লাহর ভয়ে যে চোখ অশ্রু বিসর্জন দেয়, তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম। আর আল্লাহর পথে (দ্বীনের পাহারায়) যে চোখ রাত জেগে অতিবাহিত করে, তার জন্যও জাহান্নামের আগুন হারাম।" (মুসনাদে আহমাদ)

​একান্তে যখন নিজের গুনাহের কথা মনে পড়ে এবং আল্লাহর ভয়ে চোখ থেকে দু-ফোঁটা পানি ঝরে, তখন সেই পানির মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি। এই সামান্য চোখের পানিই কিয়ামতের দিন বিশাল আগুনের লেলিহান শিখা নিভিয়ে দিতে পারে।

​দুনিয়ার মোহে পড়ে আমরা অনেক রাত জাগি, কত অহেতুক কারণে আমাদের চোখে পানি আসে। কিন্তু একবার কি ভেবেছি, কখন আমার চোখ আল্লাহর ভয়ে শেষ ভিজেছিল?

প্রতিদিন অন্তত কয়েক মিনিটের জন্য হলেও একান্তে আল্লাহর কাছে হাত তুলুন। আপনার সেই দু-ফোঁটা পানিই হতে পারে জান্নাতের চাবিকাঠি।

আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে জাহান্নামের ভয়াবহ আজাব থেকে রক্ষা করুন। আমিন
© Salman Farsi

এক ঐতিহাসিক ঘটনা পড়ুন। দারুণ এক জিহাদের পরিকল্পনা। এক কথায় দুর্দান্ত। যেখানে নবী (সা:) অভাবনীয় এক মাইন্ড গেইম খেলেছিলেন ...
17/04/2026

এক ঐতিহাসিক ঘটনা পড়ুন। দারুণ এক জিহাদের পরিকল্পনা। এক কথায় দুর্দান্ত। যেখানে নবী (সা:) অভাবনীয় এক মাইন্ড গেইম খেলেছিলেন আল্লাহর সাহায্যে। পড়ুন।
মদিনার ইয়াহুদিদের এক গোত্র বনু কুরাইযার এবং মক্কার মুশরিকরা মিলিত হয়েছে মুসলিমদের বিরুদ্ধে। ইয়াহুদি গোত্র কুরাইযারদের সাথে মুসলিমদের চুক্তি ছিল। কিন্তু সেই চুক্তি তারা লঙ্ঘণ করে মক্কার কাফিরদের সাথে মিলিত হয়।

এই অবস্থায় কুফফারদের হারানোর জন্য নবী(সাঃ) কৌশল করতে থাকলেন। এবং এজন্য তার এক বুদ্ধিমান মুজাহিদের দরকার যে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। এমন সময় এক সাহাবী এগিয়ে এলেন, নাম নুসাইম ইবনে মাসউদ (রাঃ)। নুসাইম ইয়াহুদি থেকে মুসলিম হয়ে নবীজির মুজাহিদ দলে যুক্ত হয়েছে। নুসাইমের মুসলিম হওয়ার খবর ইয়াহুদিরা জানত না। ইয়াহুদির ভাবত নুসাইম এখনো ইয়াহুদিই আছে।

নুসাইম যখন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এগিয়ে এলো নবীজি বললেন, ‘ মনে রেখো, যুদ্ধ মানেই কৌশলে লক্ষ্যবিন্দুতে পৌছে যাওয়া’।

নুসাইম ইবনে মাসউদ (রাঃ) সাথে সাথে ইয়াহুদি সম্প্রদায় বনু কুরাইযার নিকট চলে গেলেন। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে নুসাইম ইবনে মাসউদ ইয়াহুদিদের স্বজন ছিলেন। এ কারণে অতি সহজে তাদের কাছে গিয়ে তিনি বললেন, ‘'তোমাদের প্রতি আমার কতটা টান আর মুহাব্বত রয়েছে তা তোমরা ভালো করেই জানো।

তারা বলল, তা তো অবশ্যিই।

নুসাইম বললেন, মক্কার কুরাইশদের সাথে আপনাদের তাল মিলালে হবে না। তাদের ব্যাপার আর আপনাদের ব্যাপার সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই এলাকা আপনাদেরই। আপনাদের ধন-সম্পদ, বাড়ি-ঘর, পরিবার-পরিজন সব এখানে। এই এলাকা ছেড়ে আপনারা কোনোদিনো অন্য কোথাও যেতে পারবেন না। অপরদিকে মক্কার কুরাইশরা তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে এখানে লড়াই করার জন্য এসেছে। আর আপনারাও তাদের সঙ্গ দিয়েছেন। অথচ এখানে তাদের বাড়ি ঘর কিছুই নেই। যদি তারা কোনো সুযোগ পায়, তবে সেটা কাজে লাগাবে। আর যদি কিছু না পায় তবে লেজ গুটিয়ে আপনাদের ছেড়ে মক্কায় চলে যাবে।

তখন এখানে থাকবেন কেবল মুহাম্মদ (সাঃ) এবং থাকবেন আপনারা। ইচ্ছা মতো তিনি তখন আপনাদের থেকে প্রতিশোধ নিবেন।

তারা বলল, তাইতো! এখন কী করা যায়?

নুসাইম বললেন, আপনাদের কাছে মক্কার কুরাইশদের জিনিসপত্র বন্ধক রাখুন। তাদেরকে বলুন জিনিসপত্র যেন আপনাদের কাছে বন্ধক রাখে। যতক্ষণ না তারা তাদের জিনিসপত্র আপনাদের কাছে বন্ধক রাখবে তাদের সঙ্গ নিয়ে যুদ্ধ করবেন না।

মদিনার ইয়াহুদি গোত্ররা এই বুদ্ধিতে বেশ খুশি হলেন। নুসাইমের বুদ্ধির প্রশংসা করলেন’'।

এরপর নুসাইম সোজা গেলেন কুরাইশদের কাছে। সেখানে গিয়ে তাদেরকে বললেন, ‘'তোমাদের প্রতি আমার কতটা মুহাব্বত আর ভালোবাসা রয়েছে আর তোমাদের আমি কতটা সম্মান করি তা কী তোমরা জানো?

তারা বলল, হ্যা। জানি।

নুসাইম বললেন, মদিনার ইয়াহুদিরা মুহাম্মাদ ও তার সঙ্গীদের সাথে যেই ওয়াদা ভঙ্গ করেছিল তার জন্য এখন ভীষণ লজ্জিত। তাদের মাঝে এখন পরিকল্পনা হয়েছে যে- ইয়াহুদিরা এখন তোমাদের সব জিনিসপত্র বন্ধক নিবে। তারপর সব মুহাম্মদের(সাঃ) হাতে তুলে দিবে। এরপর তোমাদের বিরুদ্ধে তারা মুহাম্মদের সঙ্গে মিলে যাবে। সুতরাং, যদি তারা তোমাদের কাছে জিনিসপত্র বন্ধক চায় তবে তোমরা তাদের বন্ধক দিবে না।

তারা বলল, তোমরা বক্তব্যের সাথে আমরা একমত।

এরপর বেশ কিছুদিন কেটে যায়। পঞ্চম হিজরীরর শাওয়াল মাসের শনিবারের রাতে মক্কার কুরাইশরা ইয়াহুদির কাছে বলে পাঠালো, এটা আমাদের থাকার জায়গা নয়। আমাদের ঘোড়া এবং উটগুলো আস্তে আস্তে মরে যাচ্ছে। সুতরাং তাড়াতাড়ি যুদ্ধের প্রস্তুতি নাও! মুহাম্মদের(সাঃ) এর সঙ্গে আমরা এখন সরাসরি সংঘাতে নামব।

কুরাইশদের এই সংবাদ শুনে ইয়াহুদিরা ফিরতি সংবাদ পাঠাল, আজকে তো শনিবার। আর তোমরা তো জানই শনিবার দিনের প্রতি অবহেলার কারণে আমাদের পূর্ববর্তী কী হয়েছিল? ( কুরান আসহাবে সাবাতের ঘটনা। যেখানে ইহদিদের আল্লাহ শনিবারে মাছ ধরতে নিষেধ করেছিল। কিন্তু তবুও অবাধ্য হয়ে ধরেছিল এবং আল্লাহ তাদের আযাব দিয়ে ধ্বংস করেছিল)। তাছাড়া তোমরা যতক্ষণ না তোমাদের আসবাবপত্র আমাদের সঙ্গে না পাঠাবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা তোমাদের সঙ্গ মিলে মুহাম্মাদের (সাঃ) এর বিরুদ্ধে লড়াই করব না।

ইয়াহুদিদের এই জবাব নিয়ে যখন দূত এলো কুরাইশের কাছে, তখন কুরাইশরা বলাবলি করতে লাগল, নুসাইম আমাদের সত্য বলেছে।

তখন কুরাইশরা ইয়াহুদির কাছে সংবাদ পাঠালো, আমরা তোমাদের কাছে কাউকে পাঠাব না। কিছুই পাঠাব না। সুতরাং তোমরা নিজেরাই আমাদের সঙ্গে মুহাম্মদের (সাঃ) বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমে পড়ো।
এই সংবাদ শুনে ইয়াহুদিরা বলল, নুসাইম আমাদেরকে সত্য বলেছে।
*
এভাবে একদলের প্রতি অপর দলের বিশ্বাস উঠে গেল। তাদের মৈত্রীতে বিভেদ এবং বিশৃঙ্খলা তৈরি হলো। তাদের মাঝে সম্পর্ক উত্তপ্ত হলো। তাদের মনোবল ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

এদিকে নবী সল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন- ‘হে আল্লাহ। কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী। আপনি কুফফার বাহিনীগুলোকে পরাজিত করুন! হে আল্লাহ! আপনি তাদেরকে পরাজিত করুন। তাদেরকে ভীত-কম্পিত করে তুলুন’।

এটা ছিল সেই সময় যখন আল্লাহ তার রাসুল এবং মুজাহিদদের দোআ কবুল করেছিলেন। তারপর মুশরিকদের সারিতে বিভেদ ও বিশৃঙ্খলার ঝড় বয়ে গেল।

তখন মহান আল্লাহ বাস্তবেই প্রবল ঝড় এবং দমকা বাতাস বইয়ে দিলেন। এতে করে কুফফারদের তাবু সব উড়ে গেল। চুলার উপর রাখা হাড়ি-পাতিল, খাবার দাবার সব উলটে গেল। এর ফলে কুফফারদের ভীত নড়বড়ে হয়ে গেল।

এরই মধ্যে মহান আল্লাহ পাঠিয়ে দিলেন ফেরেস্তাদের এক বাহিনী। তারা এসে কুফফারদের কম্পিত করে তুললেন। তাদের অন্তরে ঢেলে দিলেন প্রচন্ড ত্রাস এবং ভয়।

নবী (সাঃ) একজনকে পাঠালেন কুফফারদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করার জন্য। কুফফার লেজ গুটিয়ে ফিরে যাওয়ার জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। মুসলিমদের বিজয় হয়েছে। সেই সাহাবী ফিরে নবীজিকে এই সুসংবাদ দিলেন।

উপস্থিত সকল মুজাহিদ আনন্দে তাকবির দিলেন, আল্লাহু আকবার।

নবী (সাঃ) বললেন, কুফফারদের মুকাবিলায় আল্লাহই যথেষ্ট। এভাবে আল্লাহ তার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করলেন। তার বাহিনীকে সম্মানিত করলেন।
হকের উপর থাকা দলকে আল্লাহ সম্মানিত করবেনই। এটা আল্লাহর ওয়াদা। আল্লাহ বিজয় দিবেনই, যারা আল্লাহর রাস্তায় থাকে এবং তাওয়াক্কুল করে।

আল্লাহ আমাদের হকের পথে রাখুক, বিজয়ী দলের পথে রাখুক...।

17/04/2026

আলোর উপর আলো

আপনি আল্লাহকে বললেন আপনার মন খারাপ। যেই কারণে আপনার মন খারাপ, আল্লাহ সেই কারণটিকে এমনভাবে পরিবর্তন করে দিলেন মূহুর্তেই য...
17/04/2026

আপনি আল্লাহকে বললেন আপনার মন খারাপ। যেই কারণে আপনার মন খারাপ, আল্লাহ সেই কারণটিকে এমনভাবে পরিবর্তন করে দিলেন মূহুর্তেই যাতে আপনার মন ভালো হয়ে যায়। অর্থাৎ, আল্লাহ আপনার মন খারাপের কথা শুনে আপনার মন ভালো করে দিলেন। আল্লাহর কসম, এর থেকে সুন্দর আর কিছু নেই।

আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আ'লামীন.!✨🤍

🔵 এটি হিজরতের প্রাক্কালের একটি অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এবং অলৌকিক ঘটনা, যা ইতিহাসে 'সুরাকা ইবনে মালেকের ধাওয়া' নামে পরিচিত।যখন...
17/04/2026

🔵 এটি হিজরতের প্রাক্কালের একটি অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এবং অলৌকিক ঘটনা, যা ইতিহাসে 'সুরাকা ইবনে মালেকের ধাওয়া' নামে পরিচিত।

যখন রাসূলুল্লাহ (সা.) এবং আবু বকর (রা.) মক্কা ছেড়ে মদীনার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন, তখন কুরাইশরা ঘোষণা করল যে—যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ (সা.)-কে জীবিত অথবা মৃত ধরে এনে দিতে পারবে, তাকে ১০০টি লাল উট পুরস্কার দেওয়া হবে। এই বিশাল পুরস্কারের লোভে আরবের অনেক সাহসী যোদ্ধা তাঁদের খোঁজে বেরিয়ে পড়ল।

সুরাকা ইবনে মালেক ছিল একজন দক্ষ ঘোড়সওয়ার এবং পদচিহ্ন বিশারদ। সে গোপন সূত্রে খবর পেল যে, উপকূলীয় পথ দিয়ে কয়েকজন ব্যক্তিকে যেতে দেখা গেছে। সুরাকা কারো সাথে কথা না বলে দ্রুত তার ঘোড়া ছুটিয়ে সেই দিকে রওনা হলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে রাসূলুল্লাহ (সা.) এবং আবু বকর (রা.)-এর কাছাকাছি পৌঁছে গেল।

আবু বকর (রা.) বারবার পেছনে ফিরে তাকাচ্ছিলেন এবং চিন্তিত হয়ে পড়ছিলেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সা.) অত্যন্ত শান্তভাবে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করছিলেন। যখন সুরাকা একদম নাগালের মধ্যে চলে এল এবং তলোয়ার বের করার উপক্রম করল, তখনই অলৌকিক ঘটনাটি ঘটল।

হঠাৎ সুরাকার ঘোড়ার সামনের পা দুটো হাঁটুর ওপর পর্যন্ত শক্ত মাটিতে দেবে গেল! সুরাকা ছিটকে পড়ে গেল। সে অনেক চেষ্টা করে ঘোড়াটিকে টেনে তুলল এবং দ্বিতীয়বার আক্রমণ করতে চাইল। কিন্তু আবারো তার ঘোড়ার পা মাটিতে গেঁথে গেল এবং সেখান থেকে ধোঁয়ার মতো ধুলো উড়তে লাগল।

সুরাকা বুঝতে পারল যে, এটি কোনো সাধারণ বিষয় নয় বরং আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ কুদরত। সে ভীত হয়ে চিৎকার করে নিরাপত্তা (আমান) প্রার্থনা করল। রাসূলুল্লাহ (সা.) দোয়া করলেন এবং ঘোড়াটি মুক্ত হয়ে গেল। এরপর সুরাকা কাছে এসে ক্ষমা চাইল এবং নিজের কাছে থাকা খাদ্য ও আসবাবপত্র তাঁদের দিতে চাইল। রাসূলুল্লাহ (সা.) তা গ্রহণ না করে শুধু বললেন, "আমাদের খবর গোপন রেখো।"

যাওয়ার সময় রাসূলুল্লাহ (সা.) সুরাকাকে একটি বিস্ময়কর সুসংবাদ দিলেন:
> "হে সুরাকা! কেমন হবে সেদিন, যেদিন তুমি পারস্য (বর্তমান ইরান) সম্রাট কিসরার স্বর্ণের চুড়ি পরবে?"
>
সুরাকা অবাক হয়ে গেল! মক্কা থেকে বিতাড়িত একজন মানুষ তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সম্রাটের সম্পদ জয়ের কথা বলছেন!

দীর্ঘ বছর পর যখন পারস্য বিজিত হলো এবং কিসরার সম্পদ মদীনায় আনা হলো, তখন খলীফা উমর (রা.) বৃদ্ধ সুরাকাকে ডেকে সেই স্বর্ণের চুড়ি পরিয়ে দিয়েছিলেন এবং রাসূলুল্লাহর (সা.) সেই ভবিষ্যদ্বাণী অক্ষরে অক্ষরে ফলে গিয়েছিল।

সুরাকা ইবনে মালেক পরে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং তিনি ছিলেন সেই ব্যক্তি, যিনি ১০০টি উটের লোভে বেরিয়েছিলেন আর ফিরে এসেছিলেন ঈমানের নূর নিয়ে।

উৎস: আর-রাহীকুল মাখতূম (মহিমান্বিত ফোয়ারা) — শাইখ সফিউর রহমান মোবারকপুরী।

17/04/2026

যদি কিছু চাও তাহলে সেটা তোমার রবের কাছে চাও

Prophet Ibrahim (আ.) ছিলেন তাওহীদের এক মহান দৃষ্টান্ত, যিনি ছোটবেলা থেকেই মূর্তি পূজার বিরোধিতা করতেন এবং মানুষকে এক আল্...
17/04/2026

Prophet Ibrahim (আ.) ছিলেন তাওহীদের এক মহান দৃষ্টান্ত, যিনি ছোটবেলা থেকেই মূর্তি পূজার বিরোধিতা করতেন এবং মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদতের দিকে আহ্বান জানাতেন। তিনি তার পিতা ও জাতিকে বুঝানোর চেষ্টা করেছিলেন যে মূর্তি কোনো উপকার বা ক্ষতি করতে পারে না। একদিন তিনি সমস্ত মূর্তি ভেঙে ফেলেন এবং বড় মূর্তির ওপর দায় চাপিয়ে দেন, যাতে মানুষ চিন্তা করে সত্য বুঝতে পারে। এতে তার জাতি ক্রুদ্ধ হয়ে তাকে আগুনে নিক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু আল্লাহর রহমতে আগুন তার জন্য শীতল ও নিরাপদ হয়ে যায়। পরে তিনি আল্লাহর আদেশে নিজের স্ত্রী হাজেরা (আ.) ও সন্তান ইসমাইল (আ.)-কে মরুভূমিতে রেখে আসেন, যেখানে জমজম কূপের অলৌকিক ঘটনা ঘটে। আবার আল্লাহর নির্দেশে তিনি নিজের প্রিয় সন্তানকে কোরবানি করার জন্য প্রস্তুত হন, যা ছিল তার ঈমানের বড় পরীক্ষা। আল্লাহ তার এই ত্যাগ কবুল করেন এবং ইসমাইল (আ.)-এর পরিবর্তে একটি পশু কোরবানি করার নির্দেশ দেনইব্রাহিম (আ.)-এর জীবন আমাদের শেখায় আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস, ত্যাগ ও ধৈর্যের গুরুত্ব। তিনি সত্যের পথে অটল ছিলেন এবং পৃথিবীর সকল মুমিনের জন্য এক উজ্জ্বল আদর্শ হয়ে আছেন

17/04/2026

অন্তরের মধ্যে শুধু আল্লাহর ভয়

কারারক্ষীর কাছে এক কাপ চা চেয়েছিলাম। তখন আমার সেলে সব ধরনের খাবার ও পানীয় প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা। শতভাগ নিশ্চিত ছিলাম ...
17/04/2026

কারারক্ষীর কাছে এক কাপ চা চেয়েছিলাম। তখন আমার সেলে সব ধরনের খাবার ও পানীয় প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা। শতভাগ নিশ্চিত ছিলাম যে সে রাজি হবে না, হয়তো গালিগালাজ করবে। কিন্তু অবাক করে দিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য না করেই সে রাজি হয়ে গেল।
​কিছুক্ষণ পর সে দরজার ছোট ফাঁক দিয়ে হাত বের করতে বলল। আমি যখনই হাত বাড়িয়ে দিলাম, সে চায়ের বদলে আমার হাত জুড়ে ঢেলে দিল ফুটন্ত গরম পানি!

থার্ড ডিগ্রি বার্নের অসহ্য দহন আর যন্ত্রণায় যখন আমি চিৎকার করে কাঁদছিলাম, তখনই অন্ধকারের ভেতর থেকে ছুটে এল হানান। সেও আমার ব্যথায় কাঁদতে শুরু করল। সেদিন সেই অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আমরা দুজন অনেকক্ষণ একসাথে কেঁদেছিলাম।

​কিছুদিন পর বুঝতে পারলাম হানান মা হতে চলেছে। নিজের আমার দুটি কম্বল থেকে একটি কম্বল ভাঁজ করে মেঝের এক কোণে ওর জন্য বিছানা করে দিলাম। যখন ও বাচ্চা প্রসব করল, ওদের ক্ষুধার কথা ভেবে আমি নিজের খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিলাম। অনেক দিন এমন গেছে, আমার ভাগে থাকা দুটি রুটির দুটোই ওদের দিয়ে আমি না খেয়ে কাটিয়েছি।

​ কারারক্ষীরা বিষয়টা জেনে গেল। তারা এটাকে অনিয়ম বলে ওদের সরিয়ে নিতে চাইল। আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম, মিনতি করে বললাম— ওদের নিও না প্লিজ, ওরা এই নিঃসঙ্গতায় আমার একমাত্র বন্ধু!
​আমার এই আর্তি ওদের মন গলাল না, বরং আমাকে আরও কষ্ট দেওয়ার এক পৈশাচিক নেশায় মাতল ওরা।

খাবারে বিষ মিশিয়ে দেওয়া হলো। প্রায় অভুক্ত বাচ্চাগুলো যখনই সেই খাবার খেল, আমার চোখের সামনে একে একে নিথর হয়ে লুটিয়ে পড়তে লাগল। পাশে বসে আমি কেবল অঝোরে কাঁদছিলাম, আর হানান তার পিঙ্গলরঙা মায়াবী চোখ জোড়া দিয়ে অসহায়ভাবে তাকিয়ে ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে এক পাষণ্ড কারারক্ষী তার ভারী বুট দিয়ে পিষে দিলো হানানের মাথা ও মুখ।মুহুর্তে ও মারা গেলে, চিৎকার করা সুযোগ অবধি পেলো না।

​ওর একমাত্র অপরাধ ছিল এক নিঃসঙ্গ বন্দিনীকে সঙ্গ দেওয়া।​দেহে প্রাণ থাকা পর্যন্ত আমার হৃদয়ের মণিকোঠায় বেঁচে থাকবে আমার প্রিয় হানান, আমার আদরের বেড়ালটা। হানান নাম রেখেছিলেন নিজের শহীদ (ইন শা আল্লাহ) বোনের নামে। বোন বাবা ভাইকে চোখের সামনে ঝাজড়া করে দিয়েছিল

ওয়াফা ইবরাহিম সামির আল-বিস।
গাজা, ফিলিস্তিন।

​রামজি বারুদ সম্পাদিত 'দিস চেইনস উইল বি ব্রোকেন' বই থেকে।

***

ফিলিস্তিনি এই বন্দিনী ১৭ বছর বয়সে গ্রেপ্তার হন৷ ১২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এই কিশোরী ৬ বছর ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি থাকার পর ২০১১ সালে বন্দি বিনিময় চুক্তিতে মুক্তি পান।

বর্তমানে জালিমের এই অন্ধকার কারাগারে নারী ও শিশুসহ প্রায় ১০ হাজার ফিলিস্তিনি বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। সম্প্রতি 'নেসেট' তাদের মৃত্যুদণ্ডের আইনও পাশ করেছে। বইটা পড়ার সময় এই দশ হাজার মানুষের প্রতিটি মুহূর্তের যন্ত্রণার কথা ভাবছিলাম।

​মাঝে মাঝে মনে হয়, যুগের পর যুগ প্রতিদিন তিল তিল করে মেরে ফেলার চেয়ে একবারে মৃত্যু দেওয়া বোধহয় অনেক বেশি দয়ার কাজ। কিন্তু ওরা সেটা করবে না। কারণ ওরা জানে মৃত্যু নয়, বরং মৃত্যুবৎ যন্ত্রণাই আসল অস্ত্র। ওরা ভালো করেই জানে, একটি জীবন্ত মানুষকে কত উপায়ে যাতনা দিয়ে তবেই আজরাঈলের কাছে সোপর্দ করতে হয়।

দোয়া ইউনুস
17/04/2026

দোয়া ইউনুস

17/04/2026

যা শুনে মন ভালো হয়

২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের জ্বালানী খরচ ছিল ১২ বিলিয়ন বা ৫৬৬০০ কোটি টাকা । এটা ছিল হাসিনার রেজিম । তবুও আমরা সারা দেশে ...
17/04/2026

২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের জ্বালানী খরচ ছিল ১২ বিলিয়ন বা ৫৬৬০০ কোটি টাকা । এটা ছিল হাসিনার রেজিম । তবুও আমরা সারা দেশে যথেষ্ট লোডশেডিং দেখেছি । ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে খরচ ছিল মাত্র ৩০৩০০ কোটি টাকা । মানে প্রায় অর্ধেক টাকায় একটা বছর কাটিয়েছি আমরা । তার উপর রমজান মাসে কোন লোডশেডিং ছিল না । বাজার নিয়ন্ত্রণে ছিল । সুখের একটা বছর কাটিয়েছি আমরা ।

২৫-২৬ অর্থ বছরে আমাদের জ্বালানী বাজেট পুনরায় ১২ বিলিয়ন ডলার ধার্য করা হয়েছিল । কিন্তু যুদ্ধ এসে বাগড়া দেয়ার ফলে জ্বালানী তেলের দামের সাথে বাড়তি ৪.৮ বিলিয়ন ডলার খরচ বেড়েছে ।

সরকার বর্তমানে আগামী মাসের জ্বালানী সংকট মোকাবেলা করতে দ্রুত ৩০০ কোটি ডলার খুঁজছে ।

অন্যদিকে ৪.৮ বিলিয়ন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে খরচ বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ । বিদ্যুৎ এর পেছনে খরচ বাড়বে কমপক্ষে ২০ শতাংশ ও পরিবহনে ২০ শতাংশ ভাগ হয়ে যাবে ।

এখন চিন্তা করে দেখুন আপনার পকেটের টাকা ইনফ্লেশনে কিভাবে উড়ে যাবে আগামী মাস থেকেই । আমার আশংকা মে মাস থেকে দেশের জ্বালানী খাত ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা আরও খারাপ অবস্থায় চলে যাবে ।

আপনারা যারা ইউনুসকে গালি দেন, ইন্টেরিমের বিদায়ে খুশি হন তারা গুনে দেখুন হাসিনার রেজিমের পরের বছরেই জ্বালানী খরচ অর্ধেকে নেমে এসেছিল । এই কারণে আমাদের রিজার্ভ দ্রুত বেড়ে পুনরায় ৩০ বিলিয়ন অতিক্রম করেছিল । এখন নেমে গেছে ২৯ বিলিয়ন ডলারে । সরকার প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে ।

টাকা পয়সা বাঁচাতে চাইলে জমি, গবাদি পশু, সোনা-রূপায় বিনিয়োগ করুন । নয়ত আগামী ১২ মাস পর এই সময়ে আপনার ১০০ টাকার ভ্যালু ৮০ টাকার নিচে নেমে যাবে । যদিও ইনফ্লেশন রেট ৯ শতাংশের মত কিন্তু যুদ্ধব্যয়ের ছাপ, দুর্নীতি, টাকার মান কমে যাওয়া প্রভৃতি কারণ আপনার টাকা জ্বালিয়ে দিবে ।
তাই যেটুকু টাকা আপনার দরকার হচ্ছে না সেই পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করে রাখুন । এই সিদ্ধান্ত আপনাকে বাঁচাবে ।

অন্যদিকে আমাদের সরকার আগামী ২ বছরের ভেতর নাকের জল - চোখের জলে একাকার হয়ে যেতে পারে । কারণ সরকার যদি ওয়েস্টের দিকে তাকিয়ে থাকে তাহলে তেল সংকটে ডুবে যাবে আর যদি চাইনিজের দিকে হাত বাড়ায় তাহলে রিজার্ভ কমতে শুরু করবে কারণ সব দান-খয়রাত বন্ধ হয়ে যাবে । তখন রিজার্ভ ভেঙ্গে দেশ চালানো লাগবে । আপাতত এখানেই থেমে যাচ্ছি ……

Address

60 Feet Road

1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic question posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share