Muslim Ummah

Muslim Ummah Learn Islam
(3)

20/09/2025

মানুষ কবরে উপস্থিত হলে একটা সাইকোলজিক্যাল টেষ্টও থাকবে আল্লাহর পক্ষ থেকে। হাদিস দ্বারা এটি বুঝা যায়, কিন্তু এই প্রশ্নের ব্যাপারে কোনো আলোচনাই হয়না।
আবু দাউদের হাদিসে এসেছে, মাইয়্যেত(মৃত ব্যক্তি) যখনই মারা যাক আর তাকে যখনই কবরস্থ করা হোক না কেন, কবরের মধ্যে তাকে বিশেষ একটা হাল দান করবেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন। কবরের মধ্যে সূর্যটা প্রায় ডুবে যাবার সময় যেমন পরিবেশ থাকে, সেরকম একটা সময় অনুভব করবে সে।
হাদিসের পরিভাষায় আছে, যখন তাকে ফেরেশতা দ্বারা কবরের মধ্যে জাগানো হবে ও উঠে বসানো হবে, সে উঠে দেখবে সূর্যটা যেন ডুবে যাচ্ছে। উঠে বসানোর সাথে সাথে আল্লাহর বান্দা ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়বে। তার ভাবখানা এমন হবে যে, ‘হায়হায়, আমি তো ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম! আমার তো খেয়ালই নাই যে আসরের নামায পড়া হয়নি! ওয়াক্ত তো শেষ হয়ে যাচ্ছে।
প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য কবরে আসা ফেরেশতাদেরকে সে তখন বলবে, ‘সময় নাই অপেক্ষা করো। আমি কয়টা রাকাত নামাজ পড়ে নেই, আমি একটু নামায পড়ে আসি!’
এই হাদীসের রেফারেন্সে কোরআনের আয়াত এসেছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সুরা বাকারার ২৩৮ নং আয়াতে বলেছেন, "তোমরা নামাজকে সংরক্ষণ করো, আর বিশেষ করে তোমরা আসরের নামাজের ব্যাপারে গাফেল হয়ো না"। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন "যার আসরের নামাজ চলে গেল, তার দুনিয়াটা যেন ধ্বংস হয়ে গেল"। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজি’উন।
আল্লাহর নবীর এই হাদিস দ্বারা বুঝা যায়, মাইয়্যেতকে জাগানোর সময় পরিবেশটা এমনভাবে তৈরি করা থাকবে, যেন সূর্য ডুবে যাচ্ছে, আর সে ঘুম থেকে সদ্য জেগে উঠে আসরের নামাযের জন্য ছটফট করা ব্যক্তি।
আল্লাহর ফেরেশতারা সাথে সাথে বলবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে পরিস্থিতি তৈরি করে তোমাকে যে সাইকোলোজিক্যাল পরীক্ষা করা হয়েছে সেটাতে তুমি পাশ করেছো। বারযাখী জীবনে কোন নামাজের প্রয়োজন নেই। আল্লাহু আকবার!!!
এভাবে এই বিশেষ পরীক্ষায় পাশ করা মানে পরীক্ষার হলটা তাঁর জন্য সহজ হয়ে গেলো। এখন একটু ভেবে বলুন তো, যে ব্যক্তি নামাযই পড়ে না ,সাত দিনে একদিন জুমু’আর দিনে পড়ে; যোহর পড়ে তো আসর পড়ে না, আসর পড়ে তো জোহর পড়ে না, জুমুআ পড়ে তো ওয়াক্ত পড়েনা, কতজন আবার আছে নিজেকে এত স্মার্ট ভাবে, বছরে একবার ঈদের নামাজ কিছুতেই ছাড়েনা(সামাজিকতা রক্ষার নামায, আল্লাহকে খুশি করার জন্য পড়েনা)।
তো এই ব্যক্তিরা যখন সেই বিশেষ পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে- তাদের কাছে তো নামাযের কোনো মুল্যই নেই। কবরে জেগে উঠে তো তারা নামায পড়ার জন্য ব্যতিব্যস্ত হবেনা!
একটা ওয়াক্তের নামাজ ছুটে গেলে মনের মধ্যে কি কষ্ট হয়, সেই ফিলিংসটাই তো সে পয়দা করতে পারেনাই। কেমন করে সে এই সাইকোলজিকাল পরীক্ষায় সফল হতে পারবে!
সুতরাং, আপনি নিয়মিত বিশুদ্ধভাবে নামায পড়লে আপনার জন্য সুসংবাদ। আপনি এই মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষাটা ধরতে পারবেন আর সেই অনুযায়ী নামায পড়ার জন্য উদ্যোগী হয়ে যাবেন আর আল্লাহই আপনাকে সেই পরীক্ষায় পাশ করতে সাহায্য করবেন ইন শা আল্লাহ। দুনিয়াতে থাকাকালীন নামাযের প্রতি আপনার ভালবাসার উপহারস্বরূপ এই পরীক্ষায় পাশ করার নিয়ামত পেয়ে যাবেন ইন শা আল্লাহ।
কিন্তু, বেনামাযী হলে কোনো উপায় নেই। সেদিন আল্লাহর সাহায্য পাবেন না। কারণ দুনিয়াতে আপনি নামাযকে ভালোবাসেননি। ঐখানে গিয়েও নামাযের সময় 'চলে যাচ্ছে যাচ্ছে' পরিস্থিতি দেখে আপনার নামায পড়ার তাড়না থাকবেনা। আর আপনি পরীক্ষায় ধরা খেয়ে যাবেন।
সুতরাং, যত দুনিয়াতে বড় জ্ঞানী, নামীদামী ব্যক্তিই হোন না কেন, আপনি যদি নামাজী না হন,নামাজের প্রতি যদি দরদ না থাকে, হতবুদ্ধি হয়ে মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়বে, কিন্তু নিজেকে ধিক্কার দেয়া ছাড়া সেদিন আর কিছুই করার থাকবেনা।
তো, যারা এখনো নামায পড়েন না, তারা একটু ভেবে দেখবেন কি? প্লিজ! সেই ভয়াবহ দিনটায় নামাযবিহীন অবস্থায় গেলে কবরের চাপ সহ্য করতে পারবেন তো?

Written by: Rubayat E Raihan

মিশর, সাধারণ মানুষখালি পানির বোতলে চাল, ডাল, শিমভরেসমুদ্রের বুকে ছুঁড়ে দিচ্ছেন—এই আশায়, হয়তো একদিন ঢেউ তা গাজায় পৌঁছে দে...
25/07/2025

মিশর, সাধারণ মানুষ
খালি পানির বোতলে চাল, ডাল, শিমভরে
সমুদ্রের বুকে ছুঁড়ে দিচ্ছেন—
এই আশায়, হয়তো একদিন ঢেউ তা গাজায় পৌঁছে দেবে।

তারা জানেন, হয়তো এসব বোতল কোনওদিন তীরে পৌঁছাবে না।
তবুও তারা থামেননি।

কারণ যখন রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়—মানুষ তখন জেগে ওঠে।
তখন হৃদয়গুলো হয়ে ওঠে দূত,
ভালোবাসাই হয়ে ওঠে সহায়তার ভাষা।

এই বোতলগুলো শুধু খাবার নয়—
এগুলো একেকটি প্রার্থনা,
একেকটি আশার বার্তা,
একেকটি কান্না, যা বলে—
"তোমরা একা নও, আমরা আছি।"

এটাই ভালোবাসা।
এটাই মানবতা।

#লেখিকা_মনিরা_মনি

25/07/2025
25/07/2025

শুভ সকাল। জুম্মা মুবারক। সবাই বেশি বেশি দরুদ পড়তে ভুলবেন না

তোমার অসুস্থতার আগেই সুস্থতার মূল্যায়ন করো। আর তোমার জীবিত অবস্থায় তোমার মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নাও। (সহিহ বুখারী - ৬৪১৬...
24/07/2025

তোমার অসুস্থতার আগেই সুস্থতার মূল্যায়ন করো। আর তোমার জীবিত অবস্থায় তোমার মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নাও। (সহিহ বুখারী - ৬৪১৬)

24/07/2025

হাঁটছেন? দরূদ পড়ুন।
মন খারাপ? দরূদ পড়ুন।
চিন্তায় আছেন? দরূদ পড়ুন।
কিছু ভুলে গেছেন? দরূদ পড়ুন।
কিছু হারিয়ে গেছে? দরূদ পড়ুন।
একা একা আছেন? দরূদ পড়ুন।
সফরে আছেন? দরূদ পড়ুন।
আযানের পর? দরূদ পড়ুন।
জুমাবার? দরূদ পড়ুন।

صَلَّىٰ ٱللَّٰهُ عَلَيْهِ وَآلِهِ وَسَلَّمَ‎
اللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّم عَلٰى نَبِيِّنَا مُحَمَّد (ﷺ) ❤️‍🩹

23/07/2025
23/07/2025

আমার স্বামী রাগী মানুষ। তার উপর তার মুখের ভাষা ভালো ছিলো না। একটু এদিক সেদিক হলে গালিগালাজ করতো। আমার গায়ে হাতও তুলেছিলো একাধিকবার।

স্বামীর যন্ত্রণার পাশাপাশি আমাকে আরেকটি যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছিলো। তা হলো আমার শাশুড়ি। আমার শ্বশুর নেই। তিনি আমার বিয়ের আগেই মারা গেছেন। আমার শাশুড়ির সবচেয়ে খারাপ দিকটা ছিলো, তিনি সব সময় চাইতেন তার ছেলে আমাকে পিটাক। আমার স্বামী যখন আমাকে গালিগালাজ করতো কিংবা মারতো তিনি তখন অত্যন্ত আনন্দ পেতেন। এই আনন্দ পাওয়ার জন্য তিনি নানা ভাবে ছেলের কান ভারী করতেন।

স্বামী এবং শাশুড়ির আচরণে আমি নীরবে কাঁদতাম। কিন্তু সংসার ভেঙে বেরিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা আমার ছিলো না। কারণ একেতে আমার কোনো আয় নেই। দ্বিতীয়ত, তালাক দেয়াটা আমার পরিবার মেনে নেবে না। নিরুপায় হয়ে আমি শুধু আল্লাহর কাছে কাঁদতাম।

অবশেষে আল্লাহ আমার কান্নার উত্তর দিলেন। কী হয়েছিলো আপনাদের বলিঃ

স্বামী একদিন দুপুরে ডাইনিং টেবিলে ভাত খেয়ে বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়লো। সাধারণত স্বামীর খাওয়ার পর এঁটো থালাবাসন রান্নাঘরে নিয়ে ধুয়ে ফেলতাম। এঁটো থালাবাসন ডাইনিং রুমে পড়ে থাকা স্বামী পছন্দ করতো না। সেদিনও স্বামীর খাওয়ার পর আমি যখন এঁটো থালাবাসনগুলো নিতে যাবো, তখন আমার দেড় বছরের ছেলেটা ঘুম থেকে উঠে কাঁদতে শুরু করলো। স্বামীর ঘুমের সমস্যা হতে পারে ভেবে আমি বিছানা থেকে ছেলেকে উঠিয়ে কোলে করে বারান্দায় নিয়ে গেলাম। ছেলেকে সামলাতে সামলাতে এঁটো থালাবাসনগুলো ডাইনিং রুম থেকে নিতে ভুলে গেলাম।

আধা ঘণ্টা পর স্বামী হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে ডাইনিং টেবিলে এঁটো থালাবাসন দেখে ক্ষেপে গেলো। শাশুড়ি তখন ছেলের কাছে গিয়ে আমি কাজ চোর, সংসারে মন নাই, এসব বলে ছেলেকে আরো ক্ষেপিয়ে দিলেন।

আমি সে সময় ছেলেকে কোলে নিয়ে রান্নাঘরে কাজ করছিলাম।

শাশুড়ি আচমকা রান্নাঘরে এসে কুৎসিত ভঙ্গিতে আমাকে বললেন,"আজকে তোর খবর আছে।"

আমি ঘাবড়ে গেলাম। শাশুড়ি কেনো এমন কথা বললেন বুঝতে পারলাম না।

তিনি আমার ঘাবড়ানো চেহারার দিকে তাকিয়ে বললেন,"এঁটো থালাবাসন না ধুয়ে ডাইনিং টেবিলে ফেলে রেখেছিস। আমার ছেলে ঘুম থেকে উঠে সেটা দেখেছে। আজকে তোর খবর আছে।"

আমি ছেলেকে কোলে নিয়ে ভয়ে তৎক্ষনাৎ দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলাম। এবং উঠানে দাঁড়িয়ে থাকলাম। এই যে ভয়ে আমি ঘরে ঢুকতে পারছিলাম না, এটা শাশুড়ি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতে লাগলেন।

খানিক পর তিনি ছেলের রুমে আবার ঢুকলেন ছেলেকে আরো উসকে দেয়ার জন্য। কিন্তু এবার রুমে ঢুকে তিনি চমকে উঠলেন। তিনি দেখলেন তার ছেলে এঁটো থালাবাসনগুলো রান্নাঘরে ধুচ্ছে।

এই দৃশ্যের জন্য তিনি প্রস্তুত ছিলেন না। মায়ের হতভম্ব চেহারার দিকে তাকিয়ে ছেলে বললো,"বাচ্চাটাকে নিয়ে বউটা বেশ পেরেশানিতে আছে। বেচারি একা কতো দিক সামলাবে? সব সময় বউয়ের দোষ না দিয়ে ওর কথাও আমাদের ভাবা উচিত।"

ছেলের এই আচরণ শাশুড়ি মেনে নিতে পারলেন না। তিনি প্রচণ্ড রেগে গেলেন।

রাগী কণ্ঠে ছেলেকে বললেন,"ঐ ফালতু মেয়েটার জন্য তুই তোর মায়ের বিরুদ্ধে কথা বলছিস? বউ পেয়ে মায়ের কথা ভুলে গেলি? একদিন হাড়ে হাড়ে বুঝবি ঐ মেয়ে কতো খারাপ!"

এই বলে রেগে মেগে রুম থেকে বেরুতে গেলে টেবিলের পায়ার সাথে জোরে হোঁচট খেয়ে তিনি পড়ে গেলেন। পড়ে হাঁটুতে, কোমরে বেশ আঘাত পেলেন। আঘাতটা এতো জোরালো ছিলো যে, তিন মাস বিছানায় পড়ে থাকলেন। এই তিন মাস তিনি সম্পূর্ণ ভাবে আমার উপর নির্ভর ছিলেন। তার খাওয়া, গোসল, বাথরুম, সব কিছুর জন্য আমাকে লাগতো।

এই তিন মাস তিনি আমার হাত ধরে চোখের পানি ফেলে একটা কথাই শুধু বলতেন,"হিংসা খুব খারাপ জিনিস বউ। আল্লাহ হিংসা পছন্দ করেন না। আমি তোমাকে সব সময় হিংসা করতাম। তোমার খারাপ চাইতাম। তোমার ভালো সহ্য করতে পারতাম না। ছেলের হাতে তোমাকে মার খাওয়ানোর জন্য ছেলেকে ফুসলাতাম। আল্লাহ এজন্য আমার উপর গোস্যা হয়েছেন। আমাকে তাই শাস্তি দিয়েছেন। তুমি আমাকে মাফ করো বউ।"

মাস তিনেক পর শাশুড়ি যখন অনেকখানি সুস্থ হয়েছেন, তখন একদিন কাজের খুঁত ধরে স্বামী আমার উপর ক্ষেপে গিয়ে গালিগালাজ করতে লাগলো। হয়তো গায়েও হাত তুলতো। কিন্তু শাশুড়ি তখন আমাদের রুমে ঢুকে ছেলেকে আমার এঁটো থালাবাসন না ধোয়ার ঘটনাটি বলে বললেন,"তুই না সেদিন বলেছিসি, 'বাচ্চাটাকে নিয়ে বউটা বেশ পেরেশানিতে আছে। বেচারি একা কতো দিক সামলাবে? সব সময় বউয়ের দোষ না দিয়ে ওর কথাও আমাদের ভাবা উচিত।' তোর তো এখন আরো ভাবা উচিত, এখন শুধু বাচ্চা নয়, আমাকেও তাকে সামলাতে হচ্ছে। মেয়েটা যদি জান লাগিয়ে সেবা না করতো তাহলে এক বছরেও বিছানা থেকে উঠতে পারতাম কিনা সন্দেহ। মরেও যেতে পারতাম। আমি যে এখনো বেঁচে আছি, এজন্য এই মেয়েটার কাছে ঋণী। আমি তাই যতোদিন বেঁচে থাকবো, ততোদিন বউয়ের গায়ে হাত তোলা দূরের কথা, ওর সাথে কাউকে চোখ রাঙিয়ে কথা পর্যন্ত বলতে দেবো না।"

মায়ের কাছ থেকে এমন কথা স্বামী আশা করে নি।

সে প্রবল রেগে গিয়ে বললো,"সব বউই ঘরের কাজ করে। বাচ্চা পালে, শ্বশুর, শাশুড়ি, স্বামীর সেবা করে। এসব নতুন কিছু না। বউকে এতো আশকারা দেয়ার কিছু নাই। আমার ঘরে এসব আশকারা সহ্য করবো না। সাফ কথা।"

এই বলে প্রচণ্ড রাগ নিয়ে রুম থেকে বেরুতে গেলে টেবিলের পায়ার সাথে জোরে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলো। ঠিক আমার শাশুড়ির মতো। পড়ে হাঁটুতে আর কোমরে বেশ আঘাত পেলো। আঘাতটা এতো জোরালো ছিলো যে, সে উঠে দাঁড়াতে পারছিলো না।

আমি দৌড়ে গিয়ে স্বামীকে তুলতে গেলে শাশুড়ি আমাকে ধমকে বললেন,"বেয়াদবটাকে তোলার দরকার নাই। বেয়াদবটা ওখানেই পড়ে থাকুক। শাস্তির দরকার আছে ওর।"

স্বামী কিছু বলতে পারলো না। শুধু ব্যথায় কোঁকাতে লাগলো।

আমি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে স্বামীকে আবার তুলতে গেলাম। সে আমার কাঁধে ভর দিয়ে উঠে দাঁড়ালো। তারপর নত মাথায় হাত জোড় করে একবার মায়ের দিকে ফিরলো, আরেকবার আমার দিকে ফিরলো। এরপর আমাকে ধরে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে বিছানায় এসে শুয়ে পড়লো।

না, আমার স্বামী শাশুড়ির মতো তিন মাস বিছানায় পড়ে থাকে নি। পরদিনই সে ঠিক হয়ে যায়। তবে সেদিন সে খুবই ভয় পেয়েছিলো। ভেবেছিলো মায়ের মতো সেও দীর্ঘদিন বিছানায় পড়ে থাকবে। আর এই ভয় থেকেই হয়তো সে মায়ের কাছে এবং আমার কাছে মাফ চেয়েছিলো।

এবার আমি আপনাদের সেই টেবিলটির কথা বলবো। যে টেবিলের পায়ার সাথে আঘাত পেয়ে আমার শাশুড়ি এবং স্বামী বদলে গিয়েছিলো। প্রথমে ভেবেছিলাম টেবিলের ঘটনা দুটি কাকতালীয়। কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম তা নয়। কেননা, সেই টেবিলটির একটা বিশেষত্ব ছিলো। বিশেষত্বটি হলো, সেই টেবিলের ওপর কুরআন শরীফ থাকতো। যে কুরআন শরীফ আমি প্রতিদিন পড়তাম এবং চোখের পানি ফেলতাম।

আর আল্লাহ বলেছেন, কুরআন তেলাওয়াতকারীর সম্মান বহুগুণ বাড়িয়ে দেবেন।

আল্লাহ কথা রেখেছেন।

এটা একটা গল্প, তবে এখানে শেখার আছে অনেক কিছু তাই শেয়ার করলাম।

22/07/2025

SECTION "Sky" এর সবাই মারা গেছে!!

22/07/2025

মা বাবাদের জন্য,স্পেশালি মায়েদের জন্য: প্লিজ আপনারা বাচ্চাদের হেফাজতের আমলে ঢিল দিয়েন না। আপনার সন্তান যত বড় হোক, বুড়া বুড়ি হয়ে যাক- বাচ্চাদের সকাল সন্ধ্যার নাস্তার মত হেফাজতের আমল, আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা চেয়ে দুʼআ করতে ভুইলেন না, প্লিজ। আল্লাহ্‌ʼর থেকে বড় হেফাজতকারী আর কেউ নাই।

আপনার সন্তান যেন আল্লাহ্ ও তাঁর আজ্ঞাবহ ফেরেশতাদের নিরাপত্তা বলয়ে থাকে তা নিশ্চিত করবেন। ঘরে থাকুক, বাইরে থাকুক এই আমলে কখনই ছাড় দিয়েন না।

সকালে উঠতে পারেন নাই, খেতে দিতে পারেন নাই, বাচ্চাকে স্কুলে লেট হয়ে যাচ্ছে... তবু আমলে ঢিল দিয়েন না। আয়াতুল কুরসী, তিন ক্বুল পড়ে ফু দিয়ে আল্লাহর হাওলাদে দিয়ে তারপর আসবেন। প্লিজ!

Ⓒ︎ Marufa Arefin

22/07/2025

একটা স্যাড বিষয় জানায় রাখি,

৮০/৯০% বার্ন যাদের হয় ওরা সাথে সাথে মারা যায় না, পরে মারা যায়। অধিকাংশই। এবং এ সময়টা প্রচুর কষ্ট হয় প্রচুর। এটা ব্যাখা করতে ইচ্ছে করতেসে না। জাস্ট জেনে নেন, ত্বক টা যখন রিকভারি হয় তখন ইনফেকশন, চুলকানি, জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া, জ্বরের কারণে ঘুমানোও অসম্ভব হয়ে যায়।

এটা বলে বোঝানো সম্ভব না কতটা কষ্ট পোহাতে হয় একজন দগ্ধ রোগীকে।

🤲 তাই বিশেষ অনুরোধ, ছোট বাচ্চা থেকে বৃদ্ধ সকলের জন্য অনেক বেশি দুআ করুন,দু রাকাআত নামাজ পড়ুন। সিভিয়ার পেশেন্টদের যেন আল্লাহ সুস্থ রাখেন। হাদীস থেকে আমরা জানি যে দুআ ভাগ্য পরিবর্তন করে। গাজার ভাইবোনদের ও স্মরণ রাখবেন দুআয়।

(এটা কপি পেস্ট করে সবাইকে দিন)

~ Hope - Islamic Dawah Organization

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muslim Ummah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share