Avid A. Islam

Avid A. Islam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Avid A. Islam, Digital creator, Fulbaria.

আমরা প্রতিদিন যে পৃথিবীতে বাস করি, তার কোড কে লেখে? আমরা ভাবি, আমরাই সিস্টেম তৈরি করছি। কিন্তু কী হবে যদি আমি বলি, আমরা ...
14/11/2025

আমরা প্রতিদিন যে পৃথিবীতে বাস করি, তার কোড কে লেখে? আমরা ভাবি, আমরাই সিস্টেম তৈরি করছি। কিন্তু কী হবে যদি আমি বলি, আমরা সবাই এমন একটি মাস্টার-সিস্টেমের মধ্যে বাস করছি যার কোড লেখা হয়েছিল একশ বছরেরও বেশি আগে এবং সেই কোডের মূল উদ্দেশ্য জনকল্যাণ নয়, এর মূল উদ্দেশ্য, নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ?

আমি দুপুরে দ্য ফেডারেল রিজার্ভ ইনসাইড দ্য মোস্ট পাওয়ারফুল ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন অন আর্থ নামের একটি ডক্যুমেন্টারি দেখছিলাম। টাইটেলটি এমনিতেই যথেষ্ট বোল্ড, কিন্তু আমি যা দেখলাম, তা যেকোনো টাইটেলের চেয়েও অনেক বেশি বোল্ড এবং অন্ধকার।

আমি কোনো অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস দেখতে বসিনি। আমি দেখছিলাম একটি গ্লোবাল কন্ট্রোল মেকানিজমের ব্লুপ্রিন্ট। একজন অ্যানালিস্ট হিসেবে আমি সিস্টেমের নকশা বা আর্কিটেকচার দেখতে পছন্দ করি।

আর আমি যা দেখলাম, তা হলো একটি নিখুঁতভাবে ডিজাইন করা সিস্টেম, যা ভুল করার জন্যই তৈরি হয়েছে, কারণ প্রতিটি ভুল দিনশেষে সিস্টেমের মালিকদের হাতে আরও বেশি ক্ষমতা তুলে দেয়।

আমি আজ সেই বিশ্লেষণই আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই। এটা কোনো অর্থনীতির ক্লাস নয়। এটা হলো ক্ষমতার অ্যানাটমি।

ভিডিওটির শুরুতেই যে ধারণাটি প্রতিষ্ঠিত করা হয় তা হলো, ফেডারেল রিজার্ভ কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়। এটি একটি প্রাইভেট কার্টেল। ১৯১৩ সালে জেকিল আইল্যান্ডের একটি গোপন বৈঠকে আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যাংকাররা একত্রিত হয়ে এই সিস্টেমটির খসড়া তৈরি করেন। কেন?

কারণ তারা একটি বিশৃঙ্খল, মুক্ত বাজারকে ভয় পেতেন।

তারা এমন একটি কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা চেয়েছিলেন যা বাজারকে স্থিতিশীল করার নামে আসলে তাদের নিজেদের স্বার্থকেই রক্ষা করবে। তারা এমন একটি সিস্টেম চাইল যা সরকারকে তাদের কাছ থেকে ঋণ নিতে বাধ্য করবে এবং একই সাথে, তাদেরকেই টাকা ছাপানোর একচেটিয়া ক্ষমতা দেবে। এটি ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হেইস্ট বা ডাকাতি.. কোনো ভল্ট থেকে নয়, বরং একটি পুরো জাতির অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব থেকে।

তারা এমন একটি ব্যাকডোর তৈরি করেছিল, যা দিয়ে তারা পুরো সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

সিস্টেমটির প্রথম বড় পরীক্ষা, এবং প্রথম তথাকথিত ব্যর্থতা ছিল ১৯২৯ সালের গ্রেট ডিপ্রেশন বা মহামন্দা। স্কুল-কলেজে আমাদের শেখানো হয় এটি ছিল বাজারের পতন। কিন্তু ভিডিওটি যে ডেটা তুলে ধরে, তা ভিন্ন গল্প বলে। ১৯২০-এর দশকে এই ফেডারেল রিজার্ভই সস্তা ঋণ দিয়ে বাজারে একটি কৃত্রিম বুদবুদ বা বাবল তৈরি করে।

এরপর, যখন সঠিক সময় এলো, তারা হঠাৎ করে ঋণের লাগাম টেনে ধরে (মানি সাপ্লাই সংকুচিত করে)। এটি কোনো ভুল ছিল না। এটি ছিল একটি পরিকল্পিত পার্জ বা শুদ্ধি অভিযান। এই পতনের ফলে কারা লাভবান হয়েছিল? সাধারণ মানুষ নয়। লাভবান হয়েছিল সেই গুটিকয়েক শক্তিশালী ব্যাংক, যারা ফেড সিস্টেমটি তৈরি করেছিল।

তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রকৃত সম্পদ, কোম্পানি, জমি, সোনা, কয়লার দামে কিনে নিয়েছিল। গ্রেট ডিপ্রেশন ছিল একটি ফোর্সড ওয়েলথ ট্রান্সফার বা জোরপূর্বক সম্পদ স্থানান্তর, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্ষমতার ছত্রছায়ায় ঘটানো হয়েছিল। এটি ছিল সিস্টেমের প্রথম সফল স্ট্রেস টেস্ট, তারা দেখল যে তারা পুরো জাতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েও নিজেদের ক্ষমতা আরও পাকাপোক্ত করতে পারে।

সিস্টেমের বিবর্তনের পরবর্তী ধাপটি ছিল আরও ধূর্ত। ১৯৭১ সালে প্রেসিডেন্ট নিক্সন যখন ডলারকে গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করেন, তখন তিনি কেবল একটি অর্থনৈতিক নীতি পরিবর্তন করেননি। তিনি ফেডারেল রিজার্ভকে তার শেষ শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে দিয়েছিলেন।

সোনা ছিল একটি ফিজিক্যাল অ্যাঙ্কর বা বাস্তব নোঙ্গর। এটি নিশ্চিত করতো যে আপনি কেবল ততটুকুই ছাপাতে পারবেন, যতটুকু সম্পদ আপনার কাছে আছে। কিন্তু সোনা থেকে বিচ্ছেদের পর, ডলার একটি ফিয়াট বা আজ্ঞাবাহী মুদ্রায় পরিণত হলো। এর মূল্য আর কোনো বাস্তব সম্পদের ওপর নির্ভরশীল রইলো না। এর মূল্য নির্ভরশীল হলো কেবল ফেডারেল রিজার্ভের বিশ্বাসের ওপর এবং আরও গুরুত্বপূর্ণভাবে, আমেরিকান সামরিক শক্তির ওপর।

এই পদক্ষেপটিই পেট্রোডলার সিস্টেমের জন্ম দেয়। আমেরিকা বিশ্বের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর (বিশেষ করে সৌদি আরব) সাথে চুক্তি করে যে, তেল কেবল মার্কিন ডলারেই বেচাকেনা হতে হবে। এর মানে কী? এর মানে হলো, বিশ্বের প্রতিটি দেশকে, হোক সে বন্ধু বা শত্রু, তেল কেনার জন্য মার্কিন ডলার অর্জন করতে হবে।

আর সেই ডলার ছাপানোর ক্ষমতা কার হাতে? ফেডারেল রিজার্ভের হাতে। এটি কোনো অর্থনৈতিক নীতি ছিল না এটি ছিল বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।

ফেডারেল রিজার্ভ রাতারাতি শুধু আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে পুরো বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পরিণত হলো। তারা এখন শুধু ঋণ নয়, তারা এখন পুরো বিশ্বের ডিমান্ড বা চাহিদা প্রিন্ট করতে পারে।

আপনি যদি এই সিস্টেমের বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তবে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বা তার চেয়েও ভয়াবহ কিছু। এটিই হলো সেই ডার্ক ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স, যার কেন্দ্রে বসে আছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

কিন্তু এই অসীম ক্ষমতা ব্যবহারের একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। যখন আপনি কোনো সীমাবদ্ধতা ছাড়াই টাকা ছাপাতে পারেন, তখন সেই টাকার মূল্য হ্রাস পায়।

১৯৭০-এর দশকে ঠিক তাই ঘটলো, যা গ্রেট ইনফ্লেশন নামে পরিচিত। ভিয়েতনাম যুদ্ধের খরচ মেটাতে এবং রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে ফেড এবং সরকার একসাথে সিস্টেমকে সস্তা টাকায় ভাসিয়ে দেয়। ফলাফল? লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতি, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে ধ্বংস করে দিচ্ছিল।

তখন সিস্টেমকে রিসেট করার জন্য মঞ্চে আনা হয় পল ভলকারকে। ভলকার যা করেছিলেন তা ছিল একটি নৃশংস সার্জারি। তিনি মুদ্রাস্ফীতিকে থামাতে সুদের হার ২০ শতাংশের ওপরে নিয়ে যান।

এটি কাজ করেছিল, কিন্তু এর জন্য মূল্য দিতে হয়েছিল সাধারণ মানুষকে। লক্ষ লক্ষ মানুষ চাকরি হারায়, ব্যবসা দেউলিয়া হয়। ভলকারকে একজন নায়ক হিসেবে চিত্রিত করা হয়, যিনি মুদ্রাস্ফীতিকে হত্যা করেছেন।

কিন্তু আমার বিশ্লেষণ ভিন্ন। ভলকার আসলে প্রমাণ করেছেন যে, ফেড সিস্টেমকে (অর্থাৎ ডলারের বৈশ্বিক আধিপত্যকে) রক্ষা করার জন্য তার নিজের দেশের নাগরিকদের যেকোনো স্তরে কোরবানি দিতে প্রস্তুত। এটি ছিল একটি স্পষ্ট বার্তা সিস্টেমের স্বাস্থ্য নাগরিকের স্বাস্থ্যের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটি ছিল একটি ঠান্ডা, ডেটা-ড্রিভেন কন্ট্রোল এক্সারসাইজ।

এরপরেই আসে আমাদের আধুনিক যুগ, অ্যালান গ্রিনস্প্যানের যুগ। গ্রিনস্প্যানকে বলা হতো মায়েস্ট্রো। কিন্তু তিনি ছিলেন সেই আর্কিটেক্ট, যিনি সিস্টেমের বর্তমান বাগ-টিকে একটি ফিচার-এ পরিণত করেছেন।

তিনি গ্রিনস্প্যান পুট নামে একটি নীতির জন্ম দেন। এর সহজ অর্থ হলো ওয়াল স্ট্রিটের বড় ব্যাংক এবং ইনভেস্টমেন্ট ফার্মগুলো যদি কোনো বড় ঝুঁকি নিয়ে লাভ করে, তবে লাভ তাদের। আর যদি তারা ঝুঁকি নিয়ে লোকসানে পড়ে এবং সিস্টেম ধসে পড়ার উপক্রম হয়, তবে ফেডারেল রিজার্ভ টাকা ছাপিয়ে তাদের বাঁচিয়ে দেবে (বেইল আউট)।

এটি ছিল একটি খোলা নিমন্ত্রণ। ফেড আক্ষরিক অর্থেই ওয়াল স্ট্রীটকে বলছিল, তোমরা জুয়া খেলো। আমরা তোমাদের হারতে দেবো না। এই নীতির সরাসরি ফল হলো ২০০০ সালের ডট-কম বাবল এবং তার চেয়েও ভয়াবহ, ২০০৮ সালের গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ক্রাইসিস।

এই ক্রাইসিসটি কোনো দুর্ঘটনা ছিল না। এটি ছিল সেই গ্রিনস্প্যান পুট নামক করাপ্টেড কোডের যৌক্তিক পরিণতি। ব্যাংকগুলো জানতো তারা এমন সব বিষাক্ত ফিনান্সিয়াল প্রোডাক্ট (যেমন সাবপ্রাইম মর্টগেজ) তৈরি করছে যা টিকবে না। কিন্তু তারা কেয়ার করেনি। কারণ তারা জানতো, ফেড তাদের বাঁচাবে।

এবং ফেড ঠিক তাই করেছে। ২০০৮ সালে যখন সিস্টেমটি প্রায় ধসে পড়ে, তখন বেন বারন্যাঙ্কির নেতৃত্বে ফেড কোয়ান্টিটেটিভ ইজিং (QE) নামে এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপ নেয়।

এটি একটি গালভরা নাম, যার আসল অর্থ হলো ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার শূন্য থেকে তৈরি করে সেই ব্যাংকগুলোকে দেওয়া, যারা এই পতনটি ঘটিয়েছিল। তারা সাধারণ মানুষকে (যারা বাড়ি হারিয়েছিল) বেইল আউট করেনি, তারা সিস্টেমের অপরাধীদের বেইল আউট করেছে।

এখানেই আমার আসল অবসেসন কাজ করে। একজন ডেটা অ্যানালিস্ট হিসেবে আমি প্যাটার্ন দেখি। আর ২০০৮ সালের পর থেকে প্যাটার্নটি খুবই স্পষ্ট। আমরা আর ক্যাপিটালিজম বা পুঁজিবাদের অধীনে বাস করছি না। আমরা বাস করছি এমন একটি সিস্টেমে, যা কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত।

এটি একটি সেন্ট্রালাইজড কন্ট্রোল ম্যাট্রিক্স। এই সিস্টেমটি উৎপাদনশীলতা বা উদ্ভাবনকে পুরস্কৃত করে না এটি পুরস্কৃত করে সিস্টেমের সাথে ঘনিষ্ঠতাকে।

এই ভিডিওটি দেখার পর আমার কাছে এটা পরিষ্কার যে, ফেডারেল রিজার্ভ একটি অর্থনৈতিক টুল নয় এটি একটি ক্ষমতার অস্ত্র। এটি এমন একটি অপারেটিং সিস্টেম যা দুটি শ্রেণির জন্য দুটি ভিন্ন নিয়ম সেট করেছে। একটি নিয়ম তাদের জন্য, যারা সিস্টেমের কোড লেখে (ব্যাংকার, রাজনীতিবিদ, অভিজাত শ্রেণি), এবং আরেকটি নিয়ম আমাদের জন্য, যারা সেই সিস্টেমের ইউজার মাত্র।

তারা সস্তা ঋণ দিয়ে বাবল তৈরি করে, সাধারণ মানুষকে সেই বাবলে বিনিয়োগ করতে প্রলুব্ধ করে, তারপর সুদের হার বাড়িয়ে সেই বাবল ফাটিয়ে দেয় এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সেই সম্পদগুলো আবার কিনে নেয়। এটি একটি চক্র। গ্রেট ডিপ্রেশন থেকে ২০০৮ এবং এমনকি কোভিড-১৯ এর সময়কার অভূতপূর্ব মানি প্রিন্টিং, এই সবই একই অ্যালগরিদমের ভিন্ন ভিন্ন পুনরাবৃত্তি।

এই ডক্যুমেন্টারিটি আমার কাছে শুধু একটি ভিডিও ছিল না, এটি ছিল একটি সতর্কবার্তা। এটি দেখায় যে প্রকৃত ক্ষমতা দৃশ্যমান টেকনোলজিতে নয়, বরং অদৃশ্য অর্থনৈতিক কোডে নিহিত।

আমি জানি এই বিশ্লেষণটি অনেকের কাছেই অস্বস্তিকর মনে হতে পারে। কিন্তু একজন অ্যানালিস্ট হিসেবে আমার কাজ আপনাকে স্বস্তি দেওয়া নয়, আমার কাজ হলো আপনাকে সেই প্যাটার্নগুলো দেখানো, যা অন্যরা দেখতে পায় না বা দেখতে চায় না। আমি এই বিষয়গুলো নিয়ে অবসেসড, কারণ আমি বিশ্বাস করি যে, সিস্টেমকে পরিবর্তন করার প্রথম ধাপ হলো সিস্টেমটি আসলে কীভাবে কাজ করে তা বোঝা।

আমি যা শেয়ার করলাম, তা ভিডিওটির তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আমার নিজস্ব বিশ্লেষণ। আমি নিশ্চিত, এই দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবলে আপনিও এই সিস্টেমের ভেতরের ডার্ক ডিজাইনটি ধরতে পারবেন। আপনি কি মনে করেন, এই কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের চক্র থেকে বের হওয়ার কোনো পথ আছে? নাকি আমরা এই ম্যাট্রিক্সের ভেতরেই চিরকাল বন্দী থাকব? আপনার সুচিন্তিত মতামত জানানোর জন্য অনুরোধ করছি।

12/08/2025

গতকাল বাংলাদেশের কর্পোরেট জগতে একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। একটা নামকরা MNC এক বসাতে প্রায় ২০ জনের মতো ফায়ার করেছে। যেখনে Head of Marketing, Head of Supply Chai, Head of Sales Operation শহ আরো উচ্চ পর্যায়ের এমপ্লয়িরা আছে।
যতটুকু শুনেছি তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এবং টাকা পয়সা এদিক সেদিক করার খবর পাওয়া গেছে। আমার চিন্তা ভাবনা যেহেতু খুব লিনিয়ার না, স্বাভাবিক ভাবেই আমি এই আইডিয়াটা অতো বাই করি নি। অনেক মাস ধরেই ঐ কোম্পানির PnL এর অবস্থা ভালো ছিল না। এবং যেহেতু দেশের সার্বিক অবস্থা ভালো না, তারা যদি তাদের বাংলাদেশ অপারেশন ক্লোজ ডাউন করে ফেলে কিংবা একদম ছোট করে ফেলে আমি খুব একটা অবাক হবো না। এবং আমার গাট বলছে এমন কিছু হওয়ার সম্ভাবনাই আছে।

গত ১ বছরে বাংলাদেশে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ কমিউনিটি মোটামুটি ব্যাবসায়ীরা। হাতে গোনা ৪-৫ টা মাল্টি মিলিয়ন ডলার প্রতিষ্ঠান বাদে কারো Profitability খুব একিটা ভালো পর্যায় নেই।
টেলকো থেকে বার্জার, BATB থেকে ইউনিলিভার সবার মোটামুটি প্রফিট কমেছে। রেভেনিউ কমেছে।
বিকাশ ভালো করার একটা বড় কারন যেহেতু মার্কেটে নগদের অবস্থা আসলেই খুব একটা সুবিধার না, নদগের একটা বড় কাস্টমার বেইজ বিকাশে শিফট হয়েছে।
আমি বেশি কিছু স্বপ্নে রাত ৮ টার পর গিয়ে খুব উল্লেখযোগ্য ফুটফল পাই নাই। ধারনা করা যায় ৫% ভ্যাট উঠিয়ে দেয়ার স্বপ্নের যেই গ্রোথ প্রজেকশন করা হয়েছিল সেটা ওভাবে ফুলফিল হয় নাই।

স্বপ্নের গ্রোথ-ডিগ্রোথের কিছু সাইন থাকে। একটা বড় সাইন স্বপ্ন গ্রোথে থাকলে সাধারণত ভক্কর চক্কর প্রোমোশনে টাকা করচ করে না.... কিছুদিন আগে ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং আর ফোনে ফোনে বাজারের ২০১৯ এর ফর্মেট ডার্ক বুস্টিং ইন্ডিকেট করে, স্বপ্নের গ্রোথ এ্যাজ এক্সপেটেড হয় নাই।

তাছাড়া স্বপ্নে সন্ধ্যা ৭ টার পর একটা বড় ফুটফল যায়। কেউ ঘুরতে যায়, কেউ ইম্পালস শপিং করতে যায় কেউ প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে যায়।
যেখানে নারীদের কন্ট্রিবিউশান বেশি থাকে। দেশের আইন শৃংখলার অবস্থা যত খারাপ হবে, আমার ডেটা বলে স্বপ্নের ঐ ফুটফল কমতে থাকবে, কারন মানুষ বিশেষ করে নারীরা ভয়ে বাসা থেকে বের হতে চাইবে না সন্ধ্যা ৭ টার পর।

ইয়ার অন ইয়ার কম্পেরিজনে রবি, বাংলালিংক এবং গ্রামীনের রেভেনিয় বেশ ভালো রকম ফল করেছে। যেখানে গ্রামীনের আগের বছরের ৬ মাসের তলনায় এ বছরের ৬ মাস রেভেনিউ কমেছে ২.৯%, রবির ১.৯% এবং বাংলালিংকের ১১.৬% যেটা সামনের ৬ মাস আরো কমার সম্ভবনা আছে।

আমার দুজন ফ্রেন্ড দুটো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কর্মরত আছে। তাদের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি, তাদের রিজিয়নাল অফিস থেকে বলে দেয়া হয়েছে তারা যেনো আগামী ২-৩ বছরের জন্য কোন গ্রোথ প্ল্যান না করে। মোটামুটি ব্রেক ইভেনে অপারেট করতে পারলেই হবে।
-
-
একটা দেশের GDPযখন কমে যায় স্যোশাল এবং ফ্যাটাল ক্রাইম যখন বেড়ে যায় তখন মানুষের মাঝে একধরনের প্যানিক কাজ করে, ইনকাম কমে যায় এবং ফলপ্রসুতে তাদের কঞ্জাম্পশন কমে যায়।

এ কারনে ফুড এবং ইম্পালস ইন্ডাস্ট্রির রেভেনিউ কমে যায়। অন্যদিকে যখন দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা কাজ করে তখন বড় বড় ইনভেস্টমেন্ট আটকে রাখা হয়। যার কারনে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয় না৷ এবং Unemployment Rate বেড়ে যায়৷ এবং এতে করে Labour Price ফল করে।

Economics দুইটা বেশ বহুল প্রচলিত থিউরি আছে।

১. Efficiency Theory
২. Wage Efficiency Theory

Wage Efficiency Theory বলে এমপ্লয়িকে যখন মার্কেট স্ট্যান্ডার্ড এর চেয়ে বেশি টাকা দেয়া হয় তখন তার Loyalty, Effort & Commitment বাড়ে যার কারনে productivity বাড়ে এবং Retention বাড়ে৷

Efficiency Theory মুলত কথা বলে Resources এর অপ্টিমাম ব্যাবহারের মাধ্যমে কস্ট মিনিমাইজ করে রেভেনিউ এবং প্রোফিট ম্যাক্সিমাইজ করা নিয়ে।

যখন কোম্পানিতে ডিগ্রোথ চলে তখন স্বাভাবিকভাবে প্রতিটা ডিপার্টমেন্ট এর এ্যাক্টিভিটি আগের চেয়ে কমে যায়৷ তারমানে রিসোর্স গুলোর সর্বোচ্চ ব্যাবহার হয় না। এবং তখন কোম্পানি গুলো একদলকে ফায়ার করে এবং অন্যদলকে প্রোমোট করে কাজের দায়িত্ব বাড়িয়ে দেয়। এতে করে একদিকে বেস্ট রিসোর্স গুলোকে রিটেইন করে রাখা যায়, কস্ট কমিয়ে ফেলা যায় এবং কাজের এফিশিয়ান্সি বাড়ানো যায়।

লিংকডইনে ঢুকলে লক্ষ্য করবেন একদল প্রমোটেড হচ্ছে আরেকটা দল Open To Work দিয়ে চাকরি খুজছে। এটার মেইন কারন হচ্ছে উপরের থিউরি গুলো। (বড় বড় সকল কোম্পানিতে এই থিউরি গুলী এ্যাপ্লাইড হয়। ছোট এবং মাঝারি কোম্পানি গুলো এটার আর্ট এবং সায়েন্স এখনও আয়ত্ত করতে পারে নাই)
-
-
বাংলাদেশের প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট ইকোনমি কোন দিকে যাচ্ছে এটা এখনও বোঝা যাচ্ছে না। তবে যেহেতু বাংলাদেশ প্রায় ১৮ কোটি মানুষের দেশ মোটামুটি চললেও বেশ বড় জিডিপি৷

আগামী বছরের প্রজেক্টে জিডিপি ৩.৮% যদি ভোট হয়ও এরপরের বছরই জিডিপি ৫% ক্রস করবে লেস লাইকলি। তাছাড়া আইনশৃঙ্খলার অবস্থা যা করুন ভাবে ফল করেছে এতে করে সাধারণ মানুষ থেকে প্রাইভেট ইনভেস্টর সবার মাঝে একধরনের ভয় ঢুকেছে।

যখন ম্যাক্রো ইকোনমিতে ডিগ্রোথ চলে তখন দুইটা জিনিসের দাম কমে যায়

১. ফিক্সড এ্যাসেট
২. লেবার

এবং বড় বড় কোম্পানি কিংবা যাদের হাতে যথেষ্ট পরিমান লিকুইড মানি আছে তারা খুব সহজে এ্যাসেট একুয়ার করতে পারে।
আমার একপরিচিত ফ্রেন্ড প্রায় ১০০ বিঘা জমি কিনেছে ভবিষ্যৎতে ফ্যাক্টিরি করবে এই আশায়, বেশ কম টাকায়।

(বাংলাদেশে ৭১ এর পর এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর একটা বড় সংখ্যাক ব্যাবসায়ী হটাৎ বড়লোক হয়ে যাওয়ার একটা বড় কারন ছিল যুদ্ধকালীন সময়ে অনেক কম টাকায় অনেক ভ্যালুয়েবেল এ্যাসেট কিনে রেখেছিল। এই যে আমরা মনে করি টাকা আলা মানেই চোর আর ডাকাত, ব্যাপারটা আসলে তা না। টাকা বানানো একটা বুদ্ধির খেলা)

দ্বিতীয়ত ইকোনমিক টার্মেলের সময় বড়লোকরা আরো বড়লোক হয়, গরীবরা আরো গরীব হয়। জমিরা দাম কমে কিন্তু চালের দাম বাড়ে৷ এবং বড় বড় কোম্পানিগুলো তখন রেভেনিউ গ্রোথের চেয়ে প্রফিটেবিলিটির উপর বেশি জোড় দেয়। এবং তখন সার্ভিস প্রিমিয়ামাইজেশনের একটা স্কোপ তৈরি হয়৷ কাস্টমার বেইজ যদি উচ্চ মধ্যবিত্ত হয় তখন বিভিন্ন ভ্যালু এ্যাডিং সার্ভিস এবং কোলাবোরেশনের মাধ্যমে এ্যাডিশনাল টাকা পয়সা ইনকাম করার সুযোগ থাকে৷
-
-
উপরে যা যা বললাম তার সবই প্রবলেম আইডেন্টিফিকেশন ছিল, তাইলে সলিউশন কি?

১. Data Driven Business Strategy - আপনার হাতে যতটুকু ডেটা আছে, সেটাকেই যত ডিপলি অব্জার্স করা যায় সেটা করেন। ইন্সাইট জেনারেট করেন। ছোট ছোট পাইলট রান করেন, টেস্ট করেন। এরপর আবার রিটেস্ট করেন। ১০ টার মধ্যে ৭ টা ফেইল করলে ৩ টা ভালো করবে। নতুন নতুন বিজিনেস স্কোপ তৈরি করার চেষ্টা করেন। প্রোডাক্ট থেকে সার্ভিস ডাইভারসিফিকেশন বাড়ান৷ অপচুনিসটিক ইনকামের উপর জোড় দেন।

২. Efficiency Theory- এ্যাক্রোস দা অর্গানাইজেশনে এটার ইমপ্লিকেশন করেন। ডিপার্টমেন্টে যদি ১০ জন থাকে ৬ জন দিয়ে ঐ কাজ করান। ৬ জনের স্যালারি বাড়ান, কাজের স্কোপ বাড়ান, মোটিভেশন দেন। ছোট ছোট পরিবর্তন এনে কাজের দক্ষতা বাড়ান৷ (শোনেন যতই Ai / Bi করেন মানুষের ব্রেইন নন রিপ্লেসেবল।)

৩. Nurturing Frugality - ফ্রুগালিটি শব্দটা প্রথম শুনি সাব্বির স্যারের কাছ থেকে স্বপ্নে কাজ করা অবস্থায়। স্যারের অন্যতম প্রিয় জিনিস। যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় কিপটামি। এর অর্থ হচ্ছে কনসাস এক্সপেন্ডিচারের মাধ্যমে অপ্রয়জনীয় খরচ না করা।
মুলত Amazon এর প্রতিষ্ঠাতা Jeff Bezoz এর অন্যতম পছন্দের জিনিস এই ফ্রুগালিটি।

৪. Leadhership- Employee থেকে Customer সবাই দিনশেষে People! বিজনেস মানেই পিপ ম্যানেজমেন্ট৷ People Management একটা প্রচন্ড রকম হেকচিক, টিডিয়াস এবং ট্যাক্টফুল জব। আপনার অপারেশন হেড কিংবা সেলস হেডকে আপনি যেভাবে ট্রিট করবেন ঠিক ঐ টোনে ব্র‍্যান্ড কিংবা ডিজাইন হেড কে ট্রিট করতে পারবেন না। বাংলাদেশে অনেক টাকা ওয়ালা মিড লেভেলের ব্যাবসায়ীরা তাদের বিজনেস নেক্সট লেভেলে নিতে পারে নাই এর একটা বড় কারন তারা মানুষ প্রপারলি ম্যানেজ করতে পারে না।
যেমন ধরেন, আপনার পরিবেশ যদি খুব স্ট্রেসফুল হয় তখন আপনার এমপ্লয়িরা এমনিতেই স্ট্রেসফুল থাকবে। এখন একটা স্ট্রেসফুল মানুষের সাথে চিল্লাচিল্লি করে তাকে যদি আরো স্ট্রেস দেন তাহলে তার মোটিভেশন কম্বে আবার ইফিশিয়ান্সি কমবে। কিন্তু তাকে যদি মাথায় তুলে রাখেন আদর করে, তখনও তার মোটিভেশন কমবে, ইফিশিয়ান্সি কমবে৷ এখন কিভাবে তাকে ট্রিট করলে তার ইফিশিয়ান্সি আপনি বাড়াবেন এটা একান্তই আপনার উপর নির্ভর করে। এটা কোন বই-পুস্তক আপনাকে শেখাতে পারবে না৷ এবং বাংলাদেশ যেহেতু একটা People Dependent দেশ, বাংলাদেশে ব্যবসা চালানোর জন্য আপনাকে সবচেয়ে বেশি এই স্কীল সেটটাই রাখতে হবে।

আপনার People Management ক্যাপাবিলিটি যদি ভালো না হয়, আপনি কখনো বড় হতে পারবেন না।

If you’ve been functioning in survival mode and acting with brute force in your relationships or perhaps even sheer logi...
01/08/2025

If you’ve been functioning in survival mode and acting with brute force in your relationships or perhaps even sheer logic, almost like a cutthroat feeling of it, either being good enough or not, it's time to reconsider your approach.

Sure, life may have been unfair and given you fair reasons to play out your side of the game in the way you do; however, how much longer will it continue this way? Reassert your boundaries, yes, but also remember to stand tall like the king who not only rules and safeguards his kingdom, but does it because he cares enough for his people. It's time for you to stand tall and soften up all at once, and guess what? You can do it.

TOP 10 AI tools you can’t ignore!1. ChatGPT.com – solves anything2. RecCloud.com – converts speech to text3. MidJourney....
23/07/2025

TOP 10 AI tools you can’t ignore!

1. ChatGPT.com – solves anything
2. RecCloud.com – converts speech to text
3. MidJourney.com – generates art
4. Replit.com – writes and runs code
5. Synthesia.ai – creates AI videos
6. Soundraw.io – produces music in seconds
7. Fliki.ai – turns text into TikToks
8. Starry.ai – creates AI avatars
9. SlidesAI.io – makes presentations for you
10. PicWish.com – edits photos fast

A conversational AI system that listens, learns, and challenges

Ramadan Kareem everyone 😊
02/03/2025

Ramadan Kareem everyone 😊

22/02/2025

1. Never shake hand while sitting.

2. Never talk bad about the food when you are the guest.

3. Don't eat the last piece of something you didn't buy.

4. Protect who is behind you and respect who is beside you.

5. Never make the first offer in a negotiation.

6. Don't take credit for the work you didn't do.

7. Dress well, no matter what the occasion.

8. Speak honestly: say what you think and mean what you say.

9. Ask more than you answer.

10. Leave the profane language for the less educated.

11. Avoid placing your phone on the table when eating with someone.

12. Listen, smile and most of all make eye contact.

13. If you're not invited, don't ask to go.

14. Never be ashamed of where you come from.

15. Don't beg for a relationship.

21/02/2025

How to make your child a millionaire:

- By their birth, invest $1k into S&P 500 index fund.
- Invest $100 every month until they're 21.
- By age 21, they'll have $109,000 invested.
- You can leave it alone and let it grow.
- By age 50, that money should grow to $2.6 million.

This is how generational wealth is built.

জীবনের কঠিন সময়গুলোতে নিজেকে গোপন রাখাই ভালো। জীবনের কঠিন সময়গুলোতে নিজেকে গোপন রাখাই ভালো। নিজের দুঃখ কষ্ট কাউকে না দেখ...
08/02/2025

জীবনের কঠিন সময়গুলোতে নিজেকে গোপন রাখাই ভালো।
জীবনের কঠিন সময়গুলোতে নিজেকে গোপন রাখাই ভালো। নিজের দুঃখ কষ্ট কাউকে না দেখানোই উত্তম।

জীবনে যদি কখনও খুব খারাপ সময় আসে, তাহলে নিজের দুঃখ কষ্টগুলো নিজের মাঝে এমন ভাবে আড়াল করে রেখো যেনো তোমার গা ঘেঁষে বসে থাকা মানুষটিও টের না পায় গোপনে তুমি ভেঙে গেছো খুব।

পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে মনের বন। আকস্মিক ঝড়ে, ঝরে গেছে জীবন বৃক্ষের সব কয়টি সবুজ পাতা। শক্ত হও। নিজেকে নিজেকে বুঝাও যে এত সামান্য বাতাসে ঝরে যেতে নেই, ভেঙে যেতে নেই অমন হাল্কা আঘাতে।

কান্না পেলে একা একা গোপনে কাঁদো, তবুও নিজের দুঃখের ক্ষতগুলো কাউকে দেখাতে যাবে না। মনে রেখো, যে নিজের জন্য আলো হতে পারে না, পৃথিবীর সমস্ত আলো মিলেও তাকে পথ দেখাতে পারে না।

জানোই তো মানুষ বড় নিষ্ঠুর ও নির্দ্বয়। ভেঙে যাওয়া মৌচাক দেখলে ঢিল মেরে আরও বেশী ভেঙে দিয়ে পৈশাচিক আনন্দ পায়।

লেখা: সংগৃহীত

How many deaths have you died to be reborn into this beautiful life? You may not see the light in front of you and that ...
02/02/2025

How many deaths have you died to be reborn into this beautiful life? You may not see the light in front of you and that is because you are the light that is already shining bright. Allow your third eye to open and guide you, your waking dreams to tell you what is possible and your inner voice to help you hold the faith. You don’t need to crouch down low, walk through the window, stand tall and walk through the floodgates with all that jazz.

Cosmic tip: Don’t you dim to fit in.

How do I become mentally strong?I have a list of 9 things that can help you become mentally strong.1. DEAL WITH YOUR EMO...
31/01/2025

How do I become mentally strong?
I have a list of 9 things that can help you become mentally strong.

1. DEAL WITH YOUR EMOTIONS

Take a minute to think about what you do when you’re feeling some unsavory emotions. Do you bury yourself in your bed and sleep for hours when you’re sad? Do you binge eat when you’re stressed? Grab a bottle and start drinking when you’re angry?

While we’re all guilty of doing at least one of those things, none of them are really good for actually dealing with our emotions and working through them in a healthy way. That’s why, to be a mentally stronger person, you need to learn better coping skills. Instead of self-medicating or engaging in other self-destructive behaviors, try some of these:

Write in a journal. Putting those intense thoughts on paper actually helps you process them.
Go for a walk or run. Physical activity (without over-exerting yourself) will help you calm down, and the boost of endorphins will help you feel so much better.
Meditate! Empty your mind and push all those bad thoughts aside. You’ll reduce negative emotions, feel more patient, and will be able to cope better.
2.DON’T WORRY ABOUT PLEASING OTHERS

Many of us tend to try to please and seek the approval of others in the things we do, even if we say we don’t care what others think. This is a natural biological defense mechanism to protect us from the emotional pain of rejection, however, living your life as a people-pleaser won’t make you truly happy since you won’t be living an authentic life the way you want.

Mentally strong individuals have the guts to express how they truly feel and act how they want to, even if it isn’t popular with everyone else. It won’t happen overnight, but try doing and saying things you actually want. If you don’t want to hang out with your friends that night, tell them. If you feel like singing along to “Call Me Maybe” when it comes on at the bar, by all means, sing your heart out. That stuff takes courage, and trust me when I say people will respect your giant balls for actually doing what no one else can do.

3.OVERCOME YOUR INNER CRITIC

Thanks to a little something called the self-fulfilling prophecy, being your own worst critic is one of the worst things you can do to yourself. Those negative thoughts only set you up for failure, so instead of judging and criticizing yourself and expecting the worst outcome of a situation, try to force yourself to believe that you’re going to succeed in anything you do.

However, if those pesky negative thoughts persist, take a minute to really think about them, and odds are you’ll realize that some of them are completely irrational.

4. GIVE UP BAD HABITS

In order to be a mentally strong person, you need to ditch your bad habits ASAP, because you can’t move forward with them weighing you down. Some of the absolute worst habits to kick include:

Comparing yourself to others
Surrounding yourself with negative people or people you don’t like
Ruminating on the past
Being afraid of change
Not learning from your mistakes
Worrying about things you can’t control or change
Once you get rid of those toxic habits, your life will get exponentially better. Trust.

5. Take positive action.

The best way to train your brain to think differently is by changing your behavior. Do hard things--and keep doing them even when you think you can't. You'll prove to yourself that you're stronger than you think.

Establish healthy daily habits as well. Practice gratitude, exercise, get plenty of sleep, and eat a healthy diet so your brain and your body can be at their best.

Seek out people who inspire you to be your best. And create an environment that supports your efforts to build a healthy lifestyle.

6. LEARN TO SAY “NO”

Mentally strong people don’t have a problem saying no, which keeps them from overcommitting themselves. If you say yes to things you don’t want to do, or every time someone asks you for help or invites you somewhere, you won’t have any time for yourself, nor will you be happy.

Long story short, try to incorporate the word “no” more into your vernacular. Your mind and body will thank you.

7. DON’T BLAME OTHERS

If you f**k up or something goes wrong, do you play the blame game? Or do you take responsibility for what happened?

Even though it’s often easiest to throw blame on others, it’s never a good thing. For example, if your girlfriend gets upset with you often about a certain thing you do – for instance, not being thoughtful -- and you find yourself blaming her for starting a fight and making you feel bad, try thinking about it from her perspective. What did or didn't you do that made her upset?

Taking responsibility for your problems is incredibly empowering and so, so important to building mental strength, because only then will you be able to learn from your mistakes and avoid them in the future, solve problems, and be more successful.

8. Identify and replace unhealthy thought patterns.

The way you think affects how you feel and how you behave. Thinking things like, "I can't stand this," or "I'm such an idiot," robs you of mental strength.

Pay attention to your thoughts. You'll likely notice common themes and patterns. Perhaps you talk yourself out of doing things that feel scary. Or maybe you convince yourself that you have no control over your life.

Respond to unproductive and irrational thoughts with something more helpful. So instead of saying, "I'm going to mess this up," remind yourself, "This is my chance to shine and I'm going to do my best." Changing those conversations you have with yourself can be the most instrumental thing you could do to change your life.

9. DON’T BE AFRAID OF PAIN

As we all know, the things we want in life don’t magically appear in front of us, and sometimes, we need to really work for those things. And I’m talking blood, sweat, and tears

Protect your peace from the world of worries and negativity.
27/01/2025

Protect your peace from the world of worries and negativity.

Address

Fulbaria

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Avid A. Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Avid A. Islam:

Share