Bongo Patrika

Bongo Patrika সত্য অন্বেষণে মানে আমরা আপোষহীন, সঠিক নিউজ সঠিক সময়ে আপনাদের কাছে পৌছে দিতে আমরা অঙ্গিকারবদ্ধ।

21/07/2026

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর জানতে আমার টেলিগ্রামে যুক্ত হতে পারেন লিংক কমেন্ট

খুলনায় বাড়ির উঠানে পুতে রাখা ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার ; ঘটনায় জড়িত দম্পতি গ্রেফতারস্টাফ রিপোর্টার----খুলনার হরিণট...
13/07/2026

খুলনায় বাড়ির উঠানে পুতে রাখা ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার ; ঘটনায় জড়িত দম্পতি গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার----
খুলনার হরিণটানা থানায় এলাকায় বাড়ির উঠানে পুতে রাখা ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার দুপুরে হরিণটানা থানার রেল ব্রিজ এলাকার মুরাদ মোল্লার বাড়ি থেকে তিন মাস আগে পুঁতে রাখা ইজিবাইক চালকের লাশ উদ্ধার করা হয়।ঘটনার সাথে জড়িত মুরাদ মোল্লা ও তার স্ত্রী ফাল্গুনীকে আটক করেছে পুলিশ।প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গত তিন মাস আগে নিখোঁজ হওয়া মারুফ নামের এক ব্যক্তির মরদেহ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ ।এলাকাবাসীরা জানান, এই মুরাদ মোল্লা ও তার স্ত্রী ফাল্গুনী মাদকাসক্ত। তারা মোস্তর মোড়ের বিশ্ব রোডের পাশে মাদক ব্যবসায়ী কণা ও তার দুই ছেলে রানা ও রায়হানের সহযোগী। রানা রায়হানের কাছ থেকে মাদক কিনে বাড়িতে বসে স্বামী স্ত্রী মিলে একসঙ্গে সেবন করতো।
এ সময় ঐ এলাকার আরও কয়েকজন বাসিন্দারা জানান,যারা মানুষ হত্যা করে উঠানে পুঁতে রাখতে পারে তাঁরা মাদক বিক্রি করলেও করতে পারে।তবে প্রায় প্রতিদিনই মুরাদ মোল্লা ও ফাল্গুনী স্বামী-স্ত্রী মিলে বাড়িতে নেশা করে ঝগড়াও করতো। আর সব সময় ঝগড়ার মাঝে তারা কিছু একটা নিয়ে একে অপরকে দোষারোপ করে আসছিল কিন্তু বিষয়টি পরিষ্কার ছিল না বলে এলাকাবাসী কিছু বুঝতে পারতো না। এদিকে এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে মুরাদের স্ত্রী ফাল্গুনীকে মারধর করলে, তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে থানা পুলিশকে অবগত করেন এবং মারুফ হত্যা নিয়ে পুলিশকে তথ্য দেয়। মুরাদ মোল্লার স্ত্রী ফাল্গুনীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই দম্পতিকে আটক করে। এরপর তাদের দেখানো স্থানে মাটি খোঁড়া হয়। ধারণা করা হচ্ছে, লাশটি তিন মাস আগে গুম হওয়া মারুফের। এমনটাই জানিয়েছে হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হেলাল উদ্দিন।এ ব্যাপারে আটক মুরাদ মোল্লা এমন ঘটনা ঘটাতেও পারে বলে সন্দেহ পোষণ করে গুটুদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ তুহিনুল ইসলাম তুহিন জানান, মুরাদ মোল্লা পূর্ব থেকে মাদকাসক্ত। সে কখনো তার বাবা-মাকে ভরণ পোষণ দিত না । উল্টো তাদের উপর বিভিন্ন অত্যাচার চালাতো। যে কারণে তার বাবা মনসুর মোল্লা জীবিত থাকাকালীন মুরাদ মোল্লার বাড়িতে থাকতো না।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের অনেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে পরাজিতদের ওপর হামলে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছে...
01/03/2026

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের অনেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে পরাজিতদের ওপর হামলে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অনেক নেতা-কর্মীর ওপর আক্রমণ করা হচ্ছে, বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হচ্ছে, নির্মমভাবে আঘাত করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রোববার (১ মার্চ) চট্টগ্রাম নগরের জিইসি কনভেনশন হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম শাখা কর্তৃক আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক সহনশীলতা ও পরমত সহিষ্ণুতার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, বাস্তবে তা অনেক ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হচ্ছে না। বিজয়ীরা যদি পরাজিতদের প্রতি সহনশীল আচরণ না করেন, তবে গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনে জামায়াতের বিজয়ের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে পরাজিতদের ওপর কোনো হামলা হয়নি; বরং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা হয়েছে। অথচ দেশের অন্যান্য অনেক আসনে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ রয়েছে।

পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি ইরান ও ফিলিস্তিনের ঘটনাবলির নিন্দা জানিয়ে মুসলিম বিশ্বের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

পটুয়াখালীর মহিপুরে দ্বিতীয় শ্রেণি পড়ুয়া এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে জয়নুল আবেদীন ওরফে সোনামিয়া নামের এক ব্যক্...
01/03/2026

পটুয়াখালীর মহিপুরে দ্বিতীয় শ্রেণি পড়ুয়া এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে জয়নুল আবেদীন ওরফে সোনামিয়া নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার ( ১ মার্চ) সকালে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

জানা যায়, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে দশটায় মহিপুরের কমরপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে ফেরার পথে একা পেয়ে মাদ্রাসার বারান্দায় শিশুটিকে নির্যাতন করে জয়নুল। এসময় ওই শিশুর চিৎকার শুনে সহপাঠীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত জয়নুল আবেদীন দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। পরে ভুক্তভোগীর মা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। শিশুর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার জয়নাল আবেদীন (সোনা মিয়া) মহিপুর সদর ইউপির কমরপুর গ্রামের মৃত সোবহান ফরাজির ছেলে।

মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান জানান, এ ঘটনায় একটি ধর্ষণ মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্ত জয়নুল আবেদীনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর মেডিকেল রিপোর্ট প্রক্রিয়াধীন। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার ভাটারা থানার তিন পৃথক হত্যা মামলা থেকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধা...
01/03/2026

জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার ভাটারা থানার তিন পৃথক হত্যা মামলা থেকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৯৪ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

প্রতিবেদনে তদন্ত কর্মকর্তারা বলেছেন, তিনটি হত্যা মামলাতেই ‘তথ্যগত ভুল ছিল’।

নিহত তিন ব্যক্তি হলেন-ট্রাক চালক মো. জাহাঙ্গীর, ওয়াসার পানির লাইনের মিস্ত্রী জাকির হোসেন এবং রমজান মিয়া জীবন, যিনি পেশায় জুতা তৈরির কারখানার একজন কর্মী।

মামলার তদন্তে উঠে এসেছে, চব্বিশের জুলাইয়ে জাহাঙ্গীর, জাকির ও জীবনের মৃত্যুর পর তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়ের করা হলেও, অন্য তিন ব্যক্তি আরও তিনটি মামলা দায়ের করেন। পরিবারের বাইরে ওই তিন ব্যক্তির করা মামলায় দেখানো হয়েছে জাহাঙ্গীর, জাকির ও জীবনের মৃত্যুর স্থান ভাটারা; মামলাও হয়েছে ভাটারা থানায়। অথচ পরিবারের করা মামলা বলছে ভিন্ন কথা।

জাহাঙ্গীরের পরিবারের পক্ষ থেকে করা মামলায় এজাহারে বলা হয়েছে তিনি চব্বিশের ২১ জুলাই মারা গেছেন আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটব অব নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়। জাহাঙ্গীরের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা মো. বাছির শেখ সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় থানায় মামলা করেন।

জাকিরের মৃত্যুর পর তার মা রোকেয়া ওরফে মিছিলি বেগম মামলা করেন কদমতলী থানায়। মামলায় বলা হয়েছে, ২০২৪ সারের ২১ জুলাই শনিরআখড়া থেকে কদমতলী থানার দক্ষিণ দনিয়া গোয়াল বাড়ী মোড় শাহী মসজিদের সামনে দিয়ে বাসায় যাওয়ার পথে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান জাকির।

আর সরকার পতনের দিন চব্বিশের ৫ অগাস্টে গুলিস্তানে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় জীবনের মাথায় গুলি লাগে। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে মারা যান জীবন।

এ ঘটনায় তার বাবা জামাল উদ্দিন আদালতে অভিযোগ করেন। আদালত অভিযোগটি পল্টন মডেল থানা পুলিশকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেয়।

তিনটি হত্যা মামলায় সর্বশেষ গত ২৫ জানুয়ারি প্রতিবেদন জমার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওইদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। এজন্য ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম প্রতিবেদন জমার জন্য পরবর্তী দিন ২ মার্চ ঠিক করেন।

প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই কামাল হোসেন বলেন, “কিন্তু এরই মাঝে তিন মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে আসে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আদালত প্রতিবেদনগুলো দেখেছেন। সোমবার পরবর্তী শুনানির দিন রয়েছে।”

জাহাঙ্গীর হত্যা মামলা

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় ২০ জুলাই ভাটারা থানাধীন কুড়িল জোয়ার সাহারা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে আওয়ামী লীগ ও দলের অঙ্গ সংগঠনের নেতারা আন্দোলনকারীদের উপর ‘হামলা চালায়’।

“এতে ট্রাক চালক মো. জাহাঙ্গীর ও সেখানে থাকা শফিকুল আহত হন। তাদের হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়ে বাধা দেওয়া হয়। জাহাঙ্গীরকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে আসামিরা।

“ছাত্র-জনতার সহায়তায় গোপনে তাদের শফিকুলের বাসায় উত্তরায় নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। পরদিন শফিকুল সুস্থ হলেও জাহাঙ্গীরের অবস্থা ক্রমেই খারাপ হতে থাকে। পরে শফিকুল জাহাঙ্গীরকে আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটব অব নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। তবে আসামিরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিকিৎসা না দিতে ভয়-ভীতিও দেখায়। এরপর ২১ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করে।”

জাহাঙ্গীর নিহতের ঘটনায় শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি ২০২৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনাসহ ৮৩ জনকে আসামি করে আদালতে মামলার আবেদন করেন। আদালত অভিযোগটি ভাটারা থানা পুলিশকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেয়।

তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই মো. নেছার উদ্দিন তদন্তে নেমে জানতে পারেন, প্রকৃতপক্ষে মামলার ঘটনাস্থল ভাটারা থানা নয়। জাহাঙ্গীর নিহতের ঘটনায় তার বাবা মো. বাছির শেখ সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় থানায় মামলা দায়ের করেন। জাহাঙ্গীরের বাবা-মা, ভাই, স্ত্রীসহ ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদের উঠে আসে নিহত ব্যক্তি পেশায় একজন ট্রাক চালক ছিলেন। তিনি ১২ বছর ধরে আন্তঃজেলা ট্রাক চালাতেন। ২০২৪ সালের ২০ জুলাই সকাল ৮টার দিকে চিনি ভর্তি ট্রাক নিয়ে তিনি সিলেট থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশে রওনা জন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নগরবাড়ি ঘাট হয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় তিনি সঙ্গে থাকা সহকারী সেলিম হোসেনকে ট্রাক চালাতে দিয়ে নিজে হেলপারের সিটে বসে।

“এ সময় নগরবাড়ি-পাবনা মহাসড়কে সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া থানার ১১ নম্বর সদর ইউনিয়নয়ের চালা ব্রিজ সংলগ্ন ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া অজ্ঞাতনামা লোকজন রাস্তায় চলাচল করা গাড়ির দিকে লক্ষ্য করে ইট, খোয়া, পাথর নিক্ষেপ করে। এতে জাহাঙ্গীর আহত হন। প্রথমে তাকে সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে পাবনা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাহাঙ্গীরকে ২১ জুলাই বেলা পৌনে ১টার দিকে ঢাকার ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির মাত্র সোয়া ঘন্টা পর বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে জাহাঙ্গীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। পরবর্তীতে তাকে তার বাড়ি পাবনা সদরের শ্রীপুরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।”

তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই মো. নেছার উদ্দিন বলেন, “যেহেতু মামলাটি একটি হত্যা মামলা এবং জাহাঙ্গীরের লাশের ময়না তদন্ত না করে কবর দেওয়া হয়। তাই একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের অনুমতিসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের আবেদন করা হয়। আবেদন মঞ্জুরের পর পাবনার নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীরের বাড়িতে যান।

“ভাটার থানার মামলার বাদী পরিবারের কেউ না হওয়ায়, মামলা সম্পর্কে তারা অবগত না হওয়ায় এবং বাদীও অপরিচিত হওয়ায় লাশ কবর থেকে উত্তোলন না করতে আবেদন করেন পরিবারের সদস্যরা। এজন্য লাশ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি। ভাটারা থানার যমুনা ফিউচার পার্কের পাশে কুড়িল জোয়ার সাহার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ গলি এলাকায় জাহাঙ্গীরকে মারার ঘটনা ও আগুনে পুড়িয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল মর্মে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।”

মামলা সংক্রান্তে ডকেট পর্যালোচনা, সিডিআর পর্যালোচনা, স্বাক্ষীদের জবানবন্দি, মামলা তদন্তকালে ও প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণে জাহাঙ্গীরের আহত হওয়ার ঘটনাটি ভাটারা থানাধীন নয়, বরং সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানাধীন এবং এই ঘটনায় উল্লাপাড়া থানায় মামলা হওয়ায় ঘটনাটি তদন্ত কর্মকর্তার প্রাথমিক তদন্তে ‘তথ্যগত ভুল বলে প্রমাণিত হয়’।

এজন্য শেখ হাসিনাসহ ৮৩ জনকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা নেছার উদ্দিন।

অব্যাহতির আবেদন করা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, তিন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন, কে, এম নুরুল হুদা ও কাজী হাবিবুল আওয়াল।

জাকির হত্যা মামলা

২০২৪ সালের ২১ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভাটারার নতুন বাজার এলাকায় ২৪ বছর বয়সী জাকির হোসেন (২৪) গুলিবিদ্ধ হন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে সরকারি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। জাকিরের মৃত্যুর ঘটনায় তার খালাতো ভাই পরিচয়ে আমান নামের এক ব্যক্তি শেখ হাসিনাসহ ১৬৫ জনের নামে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করেন ভাটারা থানার এসআই ফরহাদ কালাম সুজন। তদন্ত শুরুর পর সাক্ষ্য প্রমাণে উঠে আসে, জাকির তার মাসহ ভাটারার ফাসের টেক বালুর মাঠে বাবু নামের এক ব্যক্তির বাসায় ভাড়া থাকতেন। জাকির ওয়াসার পানির লাইনের কাজ করতেন। জুলাই আন্দোলনের সময়ে কদমতলী থানা এলাকায় কাজ করছিলেন তিনি।

আন্দোলনের সময় কারফিউ থাকায় গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিল। ওই সময়ে তিনি কদমতলী থানা এলাকায় একটা রুম ভাড়া করে থাকতেন। ২১ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ছাত্র-জনতার মিছিলে অংশ নিয়ে শনিরআখড়া থেকে কদমতলী থানার দক্ষিণ দনিয়া গোয়াল বাড়ী মোড় শাহী মসজিদের সামনে দিয়ে রুমে যাওয়ার পথে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান জাকির।

এরপর জাকিরের বন্ধু বিপ্লব হোসেন তার মাকে মৃত্যুর খবর দেন। তার মা জাকিরের মরদেজ নেত্রকোনার দুর্গাপুরের বাকল গ্রামে নিয়ে গিয়ে দাফন করেন।

পরবর্তীতে জাকিরের খালাতো ভাই পরিচয়ে আমান ১৬৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ২০০/২৫০ জনকে আসামি করে ভাটারা থানায় মামলা দায়ের করেন। আর তদন্তে উঠে এসেছে জাকিরের মা রোকেয়া ওরফে মিছিলি বেগম তার ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় কদমতলী থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে জাকির হোসেন ছাত্র জনতার মিছিলে অংশ নিয়ে ২১ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভাটারা থানাধীন নতুন বাজার ওভার ব্রিজের নিচে এজাহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন এবং সরকারি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থা মারা যান।

তবে এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ পাননি। জাকিরের সর্বশেষ অবস্থান পর্যালোচনা, প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীর জবানবন্দি পর্যালোচনায় এবং এ মামলার বাদীর প্রাক-পরিচিতি পর্যালোচনায় মামলার প্রকৃত ঘটনাস্থল কদমতলীর দক্ষিণ দনিয়ার গোয়াল বাড়ি মোড় শাহী মসজিদ সংলগ্ন সালমান সাইফ বেকারীর সামনে বলে জানা গেছে।

এজন্য এই মামলা থেকে শেখ হাসিনাসহ ১৬৫ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই ফরহাদ কালাম সুজন।

অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ.কে.এম রহমত উল্লাহ, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, তার ছেলে ও প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনভীর সোবহান।

রমজান মিয়া জীবন হত্যা মামলা

সরকার পতনের দিন, অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বিকাল ৩টার দিকে ভাটারা থানাধীর যমুনা ফিউচার পার্কে যমুনা টিভির ফটকের সামনে গুলিবিদ্ধ হন রমজান মিয়া জীবন। স্থানীয় লোকজন ঘটনাটি তার চাচা জামিল আহম্মেদকে জানান। তিনি সেখানে গিয়ে ভ্যানে করে জীবনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে নেওয়ার পথে কে বা কারা গুলি করেছে জানতে চাইলে জীবন আসামিদের নাম বলে দেয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় জামিল আহম্মেদ গত বছরের ১২ মার্চ ওবায়দুল কাদেরকে প্রধান আসামি করে ২৪৬ জনের নামে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শুরু পর সাক্ষ্য প্রমাণে তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই রুবেল মিয়া জানতে পারেন, জীবন পুরান ঢাকার বংশালের আলু বাজার এলাকায় থেকে জুতার কারখানায় কাজ করতেন। তার বাবা জামাল উদ্দিন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নিরাপত্তা প্রহরীর চাকরি করতেন।

৫ অগাস্ট বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে জীবন ছাত্র-জনতার সঙ্গে মিছিলে করেন। গুলিস্তান ফুলবাড়িয়া থেকে প্রেস ক্লাব সমাবেশে অংশ নেওয়ার জন্য রওনা হন তিনি। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তার মাথায় গুলি লাগে। এরপর জীবনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ৬৫ দিন চিকিৎসার পর ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে মারা যান জীবন।

এ ঘটনায় তার বাবা জামাল উদ্দিন ৫২ জনের নামে আদালতে অভিযোগ করেন। আদালত অভিযোগটি পল্টন মডেল থানা পুলিশকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেয়। জামিল আহম্মেদ নিহত জীবনকে তার ভাতিজা পরিচয়ে মামলা দায়ের করেন। যার ঘটনাস্থল দেখানো হয় ভাটারা থানাধীন যমুনা ফিউচার পার্কের যমুনা টিভির ফটকের সামনে।

তবে অনুসন্ধানে বের হয়েছে ৫ অগাস্টে বিকাল ৩টার দিকে জীবন ওই স্থানে গুলিবদ্ধি হয়েছেন-এই মর্মে সাক্ষ্য প্রমাণ পাননি তদন্ত কর্মকর্তা। ওবায়দুল কাদেরসহ ২৪৬ জনের মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ পাননি তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রুবেল মিয়া। প্রাথমিক তদন্তে মামলার ঘটনাটি তথ্যগত ভুল মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করেন তিনি।

মামলার আরও আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, ভোলা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে তিন মামলার বাদীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালানো হয়। রমজান মিয়া জীবনের মামলার বাদী জামিল আহম্মেদের ব্যবহৃত ফোন নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। জাকির হত্যা মামলা বাদী আমান মামলার এজাহারে মোবাইল নাম্বার না দেওয়ায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তবে কথা হয় জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার বাদী শফিকুলের সাথে। তিনি বলেন,"মামলাটা করে বিপদে পড়েছি। সিএমএম কোর্ট কি মিথ্যা মামলা গ্রহণ করে? যে মিথ্যা মামলা দিবে সেই তো গ্রেপ্তার হবে।"

এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল বলেন, "সে (জাহাঙ্গীর) সিরাজগঞ্জে মারা গেছে এটা কেউ দেখছে? তার পরিবারের কেউ কিছু জানে না। লাশ বাড়িতে নিয়ে গেলে জানতে পারে। আমরা একসাথে ছিলাম। অরিজিনাল জিনিস চাপা পড়ে যাচ্ছে, মিথ্যা সামনে চলে আসছে। এরকম হলে জানলে মামলা থেকে ১০০ গজ দূরে থাকতাম। এত ড্রামা হচ্ছে। সবাই আমাকে বিরক্ত করে ফেলছে।"

সব তথ্য হাতে নিয়ে তবেই আদালতে মামলা করেছেন বলে দাবি করেন বাদী শফিকুল।

তিনি বলেন, "ফ্যামিলির লোক ভয়ে, ঝামেলার কারণে মামলা করেনি। বিভিন্ন জায়গা থেকে ২০ লাখ টাকা পেয়ে তারা উল্টে গেছে। আর আমি টাকা না খেয়ে, আন্দোলনের মার খেয়ে বিপদ পড়লাম। আমি জেনুইন মামলা করেছি।"

এ বিষয়ে জানতে ভাটারা থানার ওসি ইমাউল হককে মোবাইলে ফোন করা হয়। কিন্তু সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর ওসি ইমাউল ফোন কেটে দেন।

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার বুড়িরডাংগা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের এক নেতার নেতৃত্বে হামলার ঘটনায় বিএনপির এক কর্ম...
01/03/2026

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার বুড়িরডাংগা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের এক নেতার নেতৃত্বে হামলার ঘটনায় বিএনপির এক কর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে চ্যালাবুনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত মনোজশীল (৪৭) বর্তমানে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মো. শাহীনুর রহমান শাহীন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে হঠাৎ চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে মনোজশীলকে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

আহত মনোজশীলের অভিযোগ, বুড়িরডাংগা ইউনিয়ন ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রবি রায়ের নেতৃত্বে ২-৩ জন সহযোগী তার ১০ কাঠার ঘের দখল করতে আসেন। তিনি বাধা দিলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।

তিনি আরও দাবি করেন, আমি রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তারা আমাকে ও আমার পরিবারকে হুমকি দিয়ে চলে যায়। আমাদের অপরাধ আমরা বিএনপি করি। ৫ তারিখের ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই তারা হামলা চালিয়েছে।

তবে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রবি রায় অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি মারামারি থামাতে গিয়ে নিজেই আহত হয়েছি। আমাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে।

মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহীনুর রহমান শাহীন বলেন, আহত ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপবৃত্তির প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ব্লাকমেইলের অভিযোগ উঠেছে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের এক ...
28/02/2026

উপবৃত্তির প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ব্লাকমেইলের অভিযোগ উঠেছে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের এক মাদরাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। পরে ছাত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার শিক্ষক মো. রঞ্জু মিয়া (৫৫) উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের খড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি স্থানীয় পণ্ডিতপুর আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ। গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার পান্থাপাড়ায় গত ১৮ ডিসেম্বর সকালে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ছাত্রীটি চার মাস আগে ওই প্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হন। ভর্তি হওয়ার পর থেকেই অধ্যক্ষ পরিবারের খোঁজ-খবর নেওয়ার অজুহাতে তার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন এবং সরকারি উপবৃত্তি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

পরে গত ১৮ ডিসেম্বর সকালে উপবৃত্তির ফরমে স্বাক্ষরের কথা বলে তাকে পৌর এলাকার পান্থাপাড়ার বাসায় ডেকে নেন তিনি। সেখানে একা পেয়ে কক্ষে আটকে ছাত্রীটিকে জোর করে ধর্ষণ করা হয় এবং ঘটনাটি মোবাইলে ভিডিও ধারণ করা হয়। গতকাল শুক্রবার আবারও সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। পরে বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রীটি বিষয়টি পরিবারকে জানান।

পরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক কালের কণ্ঠকে জানান, ওই ছাত্রীর অভিযোগ পাওয়ার পরই অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bongo Patrika posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bongo Patrika:

Shortcuts

Share