Sadman Jami

Sadman Jami SADMAN JAMI OFFICIAL PAGE...
Also available in YouTube and OTHERS

This page share distinctive and unique educational content.

I'm here to share all of you widespread contents and
giving you the right path to get the right knowledge
on various topics.

আগস্ট মাসটি শেখ হাসিনা পরিবারের জন্য একটি রহস্য ঘেরা মাস! হাসিনা বা তার দল এই মাসেই বারবার আঘাতের শিকার হয়েছে। কোন এক অ...
15/08/2026

আগস্ট মাসটি শেখ হাসিনা পরিবারের জন্য একটি রহস্য ঘেরা মাস! হাসিনা বা তার দল এই মাসেই বারবার আঘাতের শিকার হয়েছে। কোন এক অদৃশ্য শক্তি প্রতি বার এই মাসেই তাদের পতন ঘটিয়েছে।

দেখুন, ১৯৭৫ এর ১৫ ই আগস্ট শেখ পরিবার তার সপরিবারে শেষ হতে হয়েছিলো তাও আবার এদেশের কিছু মানুষের হতেই। তাদের যুক্তি ছিলো একটাই দেশটাকে বাচাতে হবে। হোক সেটা কারো রক্ত দিয়ে বা রক্ত নিয়ে। বলতে শুনেছি, ওইদিন নাকি সারাদেশে মিষ্টি খাওয়ানো হয়েছিলো।

আবার ২১ আগস্ট ২০০৪ সালে গ্রে/নে/ড হা*মলায় তার দলের মেরুদন্ডই যেন ভেঙে গিয়েছিল। আরো কত কি!!!

সেই একি ঘটনা ৫ আগস্ট ২০২৪ , ইতিহাস যেন কিছু বলতে চাই_HISTORY REPEATS ITSELF_অর্থাৎ ইতিহাস পুণরাবৃত্তি ঘটে।

তা না হলে, হাসিনা লজ্জা, অপমান এবং ব্যার্থতার আঘাত নিয়ে দেশ ছেড়ে, দেশের মানুষ আর দলের মানুষদের ছেড়ে চলে যেত না। জনগনের প্রবল প্রতিরোধে অহংকারের প্রাসাদ চূর্ণ হয়ে পড়েছিলে সেই আগস্টের পাঁচ তারিখে।

ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নিলে, ইতিহাস বারবার পুণরাবৃত্তি করে।

#শেখহাসিনার
#শেখমুজিব


#১৫ইআগস্ট

একজন শিক্ষক থেকে রাজনীতিবিদ! জার্নি টা মোটেও সহজ ছিলো না। মির্জা ফখরুল ইসলাম এখন তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের শীর্ষস্থানে প...
13/08/2026

একজন শিক্ষক থেকে রাজনীতিবিদ! জার্নি টা মোটেও সহজ ছিলো না। মির্জা ফখরুল ইসলাম এখন তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের শীর্ষস্থানে পৌঁছাতে মাত্র কিছু মুহুর্ত বাকি!!

তিনি তো রাষ্ট্রপতি হয়েই যাবেন কিন্তু গদিটা কিভাবে হ্যান্ডেল করবেন তা দেখার বিষয়!




#মির্জাফকরুল
#রাজনীতি

04/08/2026

আবারো ই/জ/রা/ই/লের মসজিদে হামলা!




SHAME!! SHAME!! CONTEXT: THE ABRAHAM ACCORDS
29/07/2026

SHAME!! SHAME!!

CONTEXT: THE ABRAHAM ACCORDS





এখন দেখুন! আ/মে/রিকা যে সিরিয়াকে বিশেষ আইন পাশ করে অর্থনৈতিক ভাবে প্যারালাইজড করে দিয়েছিলো সেই আ/মে/রিকার আতত হিজরাইল কে...
27/07/2026

এখন দেখুন! আ/মে/রিকা যে সিরিয়াকে বিশেষ আইন পাশ করে অর্থনৈতিক ভাবে প্যারালাইজড করে দিয়েছিলো সেই আ/মে/রিকার আতত হিজরাইল কে কাছে টেনে চুক্তি কথা জানিয়েছিলেন - সিরিয়ার আপাত কালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারআ!!

এই ব্যাক্তিটি আগে আল-বাইদার (ব=ক) সিরিয়ার রিজিওনাল হেড ছিলো। কিন্তু, সামান্য কারণ দেখিয়ে ওই সংগঠন থেকে বের হয়ে আসেন।এরপর নাটকীয়ভাবে নিজস্ব বিদ্রোহী গোষ্ঠী বানিয়ে ২০২৪ এর ডিসেম্বরে বাশার-আল-আসাদের পতন ঘটায় এবং সাময়িক রাষ্ট্রপতির পদে আসীন হন।

কিন্তু এর পরপরই, আমে/রিকার প্রতি তার সূর যেন পাল্টে যায়। এই থেকে আমাদের মনে একটি প্রশ্ন বার বার জাগে যে -এই ব্যাক্তি কি আ/মেরি/কার সাথে হাত মিলিয়ে ক্ষমতায় বসলো নাকি?

কিন্তু বর্তমানে হিজরাইল কি করে বসলো জানেন?
আমেরিকার নিষেধের সত্ত্বেও সিরিয়ায় Military Incursion শুরু করে দিলো! সত্যি বলতে আহমেদ আল-শারআ চেয়েছিলো ভঙ্গুর এই দেশটাকে একটু মেরুদণ্ডটা সোজা করতে। তবে কুকুরের লেজ কি কখনো সোজা হয় আর হিজরাইল তো হিজরাইলই!!

এরা কোন দিন মানুষ হবে না!

আপনারা কি মনে করেন?
কমেন্ট বক্স খোলা আছে, আলোচনা হোক উন্মুক্ত!!

- Sadman Jami





শুনেন আপনাদের একটা কথা কই, এই যে চুপ্পু কে দেখছেন। বেটা কিন্তু মারাত্মক লেভেলের মেধাবী। রাবি থেকে আইন নিয়ে পড়ালেখা করছে।...
25/07/2026

শুনেন আপনাদের একটা কথা কই, এই যে চুপ্পু কে দেখছেন। বেটা কিন্তু মারাত্মক লেভেলের মেধাবী। রাবি থেকে আইন নিয়ে পড়ালেখা করছে। এরপর জাজ হিসেবে দেশের সেবাও করছিলো।

কিন্তু সমস্যা লেগে যায়, ২০১১ সালে যখন দূর্নীতি দমন কমিশন (দূদক)-এর কমিশনার হিসেবে চেয়ারে বসেন। দাড়ান আরেকটু খোলাসা করি, এই দূদক ছিলো হাসিনা সরকারের একটি Trash Cleaning Machine অর্থাৎ যখনি কেউ হাসিনার বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র করতো বা হাসিনা তার ইন্টেলদের থেকে ইনফরমেশন পেতো তখনি এই দূদক-কে Tool হিসেবে ব্যবহার করা হতো ওইসব পথের কাটাগুলো সরানো জন্য।

তো যাইহোক, কৌশলগত ভাবে এই চুপ্পুকেই পুতুল হিসেবে গদিতে বসানো হয়। কারণ হাসিনার এমন একজন অনুগত "জীব" দরকার ছিলো যার কোন ব্যাক্তিগত চরিত্র নেই। আর যে আরেক জনের কথায় উঠতে আর বসতে পারবে।

কিন্তু এই চুপ্পু পৃথিবীর বর্তমান শাসন ব্যবস্থার কাঠামো তে একটি বড় ধরনের ইতিহাস খাড়া করে ফেলছে.. ইতিহাস টা একটু পড়ে করে বলছি। তার আগে আরেকটা জিনিস ক্লিয়ার করা খুবি দরকার। আর সেটা হইলো, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী একজন রাষ্ট্রপতি সর্বোচ্চ ২ মেয়াদে রাষ্ট্রপতি থাকতে পারবেন।

কিন্তু এই কাকা ৩ বছর ৩ মাসে ৩ জন সরকার প্রধান কে শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন এবং দেশের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে গেছেন। আর এখানেই বড় রেকর্ড, ১ম মেয়াদেই তিন তিনটা সরকারের অধীনে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

#রাষ্ট্রপতি
#সাহাবুদ্দীনচুপ্পু


24/07/2026

৯৯.৯৮% মানুষ থেকে গোপন করা হয়েছে এ তথ্যগুলো!





গত ২৪ ঘন্টায় ১২ জনের তাজা প্রাণ ঝরে গেলো কিন্তু এদের নিয়ে শোক করার মতো কেউ নেই। সবাই বলছে, "আমদের অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ ...
22/07/2026

গত ২৪ ঘন্টায় ১২ জনের তাজা প্রাণ ঝরে গেলো কিন্তু এদের নিয়ে শোক করার মতো কেউ নেই। সবাই বলছে, "আমদের অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ কলহে জড়ানো অধিকার নেই"।

আপনি কি জানেন গত ২ বছরে ঠিক কতজনকে জীবন দিতে হলো? সংখ্যাটা :৭২ হাজার ৬৪২ জন।
এদের অধিকাংশই শিশু!

একবার ভেবে দেখুন, আপনার প্রিয় কলিজার টুকরা সন্তান বা ভাই-বোন অথবা আপনার মা-বাবার সাথে রাতে ডিনার করলেন এবং সকাল বেলা উঠে কাজে গেলেন। কিন্তু কাজে যাওয়ার পথে হঠাৎ করে প্রকান্ড একটি শব্দ পিছন থেকে শুনা গেলো। একটু অবাক হয়ে থাকতেই দেখলেন আপনার ঘরটা ধুলো হয়ে গিয়েছে। চারিদিকে নিস্তব্ধতা। হঠাৎ মাথায় আসলো আপনার পরিবার তো সেই ঘরে। তাহলে! তাহলে কি ওদের সাথে কি আবার দেখা হবেনা?

একবার উত্তর দিন, ওই অবস্থায় আপনি কি করবেন?

ঠিক তেমনটাই হচ্ছে পৃথিবীর একটি জায়গায়। মানবতার কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। যেখানে মানুষের সর্বোচ্চ অধিকার, তার বেচেঁ থাকবার অধিকার, কেড়ে নেওয়া হবে। সেখানে সবার সামনে আসা উচিত!
কিন্তু কেউ এগিয়ে আসছে না কেন?

কারণ, একটি! ওরা দূর্বল, আমরা দূর্বল!
আর দূর্বলদের কেউ থাকেনা😥

পোস্ট পড়ে থাকলে আপনার টাইমলাইনে Share করুন যাতে করে মানুষ জানতে পারে আসলে কি চলছে দুনিয়া তে😶



যে একটি মাত্র ভুলে ক্ষমতা চলেছেন নরেন্দ্র মোদি! 🚨📉দিল্লির ক্ষমতার অলিন্দে এখন একটাই গুঞ্জন—সবচেয়ে শক্তিশালী মনে হওয়া মো...
21/07/2026

যে একটি মাত্র ভুলে ক্ষমতা চলেছেন নরেন্দ্র মোদি! 🚨📉
দিল্লির ক্ষমতার অলিন্দে এখন একটাই গুঞ্জন—সবচেয়ে শক্তিশালী মনে হওয়া মোদি সাম্রাজ্য কি এবার তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে? ২০২৬ সালের জুলাইয়ের এই উত্তাল সময়ে দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মোদির পতনের পেছনে যে 'একমাত্র বড় ভুল চাল'-কে দায়ী করছেন, তা জানলে আপনিও চমকে উঠবেন! 😱👇

📌 সেই মারাত্মক ভুলটি আসলে কী?
মোদির সবচেয়ে বড় ভুল চালটি হলো—"ভারতের ছাত্র ও যুবসমাজের ক্ষোভকে অবমূল্যায়ন করা এবং অহংকারবশত তাদের যৌক্তিক দাবিকে দমন করার চেষ্টা করা।"
ইতিহাস সাক্ষী, স্বৈরাচারী হোক বা গণতান্ত্রিক—ছাত্রদের ক্ষোভকে যে সরকার অবহেলা করেছে, তাদের পতন কেউ রুখতে পারেনি। মোদি সরকার ঠিক এই ভুলটিই করেছে:

* 🪳 'ককরোচ মুভমেন্ট' (CJP) জন্ম নেওয়া: ভারতের প্রধান বিচারপতি যখন আন্দোলনরত বেকার যুবকদের কটাক্ষ করে "তেলাপোকা" বলেন, তখন মোদি সরকার ভেবেছিল এটা সাধারণ এক কোর্টরুম মন্তব্য। কিন্তু এই অপমানের জবাব দিতে তরুণরা গড়ে তোলে "ককরোচ জনতা পার্টি" (CJP)। মাত্র ২ সপ্তাহে এদের ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার সংখ্যা ২২ মিলিয়ন ছাড়িয়ে স্বয়ং বিজেপির অফিশিয়াল পেজকে পেছনে ফেলে দিয়েছে!

* 🩺 NEET প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি: ২০২৬ সালের মে মাসে হওয়া মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা (NEET)-র প্রশ্নফাঁস এবং পরীক্ষার চরম বিশৃঙ্খলা প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিয়েছে। এর জেরে মানসিক চাপে ২০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু সরকার দায় নেওয়ার পরিবর্তে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি ক্র্যাকডাউন এবং টিয়ারগ্যাস চালিয়েছে।

📌 কেন এই একটি ভুলেই ক্ষমতা হারাতে পারেন মোদি?

১. মূল 'যুব ভোটব্যাংক' হাতছাড়া: ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে মোদির জয়ের মূল ভিত্তি ছিল ভারতের তরুণ ও নতুন ভোটাররা। আজ সেই Gen-Z প্রজন্মই মোদির সবচেয়ে বড় শত্রুতে পরিণত হয়েছে।
২. ভঙ্গুর জোট সরকারের দুর্বলতা: ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। এই ছাত্র আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে শরিক দলগুলো যদি সমর্থন প্রত্যাহার করে, তবে মোদির দিল্লির মসনদ যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়বে।
৩. দাবি না মানার একগুঁয়েমি: আন্দোলনকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং নিহতদের পরিবারের জন্য ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাচ্ছে। কিন্তু মোদি যদি নিজের "শক্তিশালী নেতা" ইমেজ বাঁচাতে এই একগুঁয়েমি ধরে রাখেন এবং দাবি না মানেন, তবে এই ছাত্র সুনামি গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়ে মোদিকে টেনে নামাবে।

শেষ কথা: রাজপথে পুলিশের লাঠিচার্জ হয়তো সাময়িকভাবে ২০ জুলাইয়ের সংসদ ভবন পদযাত্রাকে রুখে দিয়েছে, কিন্তু মোদি সাম্রাজ্যের পতনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে।
👉 আপনার কী মনে হয়? ছাত্রদের সাথে এই বৈরিতা কি সত্যিই মোদির রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের শেষ ভুল চাল? কমেন্টে আপনার সৎ মতামত জানান এবং স্ট্যাটাসটি শেয়ার করে যুবসমাজের এই লড়াইয়ের পাশে দাঁড়ান! 🔄

পর্দার আড়ালে কত বড় পরিকল্পিত নীল নকশা চলছে, তা জানলে আপনি সত্যিই অবাক হবেন! 😰👇ঠিক কেন মোদি ভারতের ঐতিহাসিক মসজিদগুলোকে ব...
20/07/2026

পর্দার আড়ালে কত বড় পরিকল্পিত নীল নকশা চলছে, তা জানলে আপনি সত্যিই অবাক হবেন! 😰👇ঠিক কেন মোদি ভারতের ঐতিহাসিক মসজিদগুলোকে বুলডোজার নীতিতে গুঁড়িয়ে দিচ্ছেন? 🧐

ভারতের এই সাম্প্রতিক 'বুলডোজার জাস্টিস' বা উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক কথাই শুনছেন। কিন্তু পর্দার আড়ালের আসল সত্যটা এবং নিখুঁত পরিসংখ্যানগুলো কি আপনি জানেন? আসুন একটু গভীরে যাওয়া যাক।

📌 কী ঘটছে সেখানে? (ভয়ানক কিছু পরিসংখ্যান)
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও নাগরিক অধিকার রক্ষা কমিটির (APCR) সর্বশেষ ডেটা বিশ্লেষণ করলে যে তথ্যগুলো সামনে আসে, তা রীতিমতো চোখ কপালে তোলার মতো:

🚨 মাত্র ৪৫ দিনে ২৩টি স্থাপনা: সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, মে থেকে জুনের মাঝামাঝি—এই মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যে ভারতের ৬টি রাজ্যে অন্তত ২৩টি মুসলিম ধর্মীয় স্থাপনা (মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ ও মাজার) ভেঙে ফেলা হয়েছে।


🏗️ ৬০০ বছরের ইতিহাস গায়েব: ২০২৪ সালের শুরুতে দিল্লির মেহরাউলিতে থাকা প্রায় ৬০০ বছরের প্রাচীন ঐতিহাসিক 'আখুন্দজি মসজিদ' কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই বুলডোজার দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়।

🗺️ সীমান্তবর্তী এলাকায় টার্গেট: রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোতে "অপারেশন ক্লিন" কিংবা "অবৈধ স্থাপনা" উচ্ছেদের নামে গত কয়েক মাসে কয়েক ডজন মসজিদ ও মাদ্রাসাকে নিশানা করা হয়েছে।

📌 ষড়যন্ত্র নাকি আইনি উচ্ছেদ? পর্দার আড়ালের মূল কারণ:

সমালোচক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর পেছনে মূলত দুটি বড় কারণ কাজ করছে:

১. আইনি ফাঁকফোকর ও 'অবৈধ' তকমা: সরকার সরাসরি এগুলোকে ধর্মীয় কারণে ভাঙছে—এমনটা বলে না। তারা রেলওয়ের জমি, রাস্তা প্রশস্তকরণ বা সরকারি সম্পত্তি দখলমুক্ত করার (Anti-encroachment drive) আইনি ঢাল ব্যবহার করছে। ফলে আদালতও অনেক সময় সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারছে না।

২. রাজনৈতিক মেরুকরণ (Political Polarization): অনেক মানবাধিকার সংস্থার দাবি, এটি মূলত ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটারদের সন্তুষ্ট করা এবং একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা বা 'বুলডোজার রাজ' কায়েম করার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ। উচ্ছেদের নামে বেছে বেছে মুসলিম ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী প্রতীকগুলোকে টার্গেট করা হচ্ছে, যাতে ঐতিহাসিক সত্যগুলোকে মুছে ফেলা যায়।

তবে আশার কথা হলো, এই তীব্র আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট কিছু সীমান্ত এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানের ওপর সাময়িক স্থগিতাদেশ জারি করেছে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, আইনি লড়াইয়ে এই ঐতিহাসিক ঐতিহ্যগুলো কতদিন টিকিয়ে রাখা সম্ভব?
আপনার কি মনে হয়?

এটি কি সত্যিই সাধারণ 'অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ' অভিযান, নাকি এর পেছনে গভীর কোনো রাজনৈতিক নীল নকশা লুকিয়ে আছে?

আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানান। পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও সত্যটা জানার সুযোগ করে দিন।

------------------------------






------------------------------

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sadman Jami posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share