Shudin

Shudin Content Creator for Entertainment

আজ ১১:৩০ টায় আমি একটা টেক্সটাইল কমপ্লেক্সে গেলাম। আগেই ম্যানেজারের সাথে কথা ছিল—আমি গিয়ে বুনন শেখাবো। কিন্তু গিয়ে শুনলাম...
27/07/2026

আজ ১১:৩০ টায় আমি একটা টেক্সটাইল কমপ্লেক্সে গেলাম। আগেই ম্যানেজারের সাথে কথা ছিল—আমি গিয়ে বুনন শেখাবো। কিন্তু গিয়ে শুনলাম, আজ না… আমাকে আগামীকাল সকাল ৭টায় যেতে হবে।

এই পরিবর্তনের ব্যাপারে আমাকে আগে কিছুই জানানো হয়নি। আর ৭টায় কেন যেতে হবে, সেটাও পরিষ্কার না—কারণ আমার জানা মতে সেখানে কাজ শুরু হয় সকাল ৮টা থেকে।

যাই হোক… কাল দেখা যাবে কী অপেক্ষা করছে।

আজ নিজেকে একটা প্রশ্ন করলাম—
“যদি আমার আর্থিক সংকট না থাকত, তাহলে কি আমি এই হ্যান্ডলুম শিখতে আসতাম?”

মনে হলো, উত্তরটা হয়তো “না”…

তবুও একটা জিনিস সত্য—
আমি হ্যান্ডলুমকে ভালোবাসি।
ভেতরে কোথাও একটা ইচ্ছে আছে—এই শিল্পটা টিকে থাকুক, বড় কিছু হোক।

কিন্তু বাস্তবতা অন্য কথা বলে—
এখন আমাকে শ্রমিকের মতো কাজ করতে হচ্ছে, শুধু নিজের খাবারের জন্য।

আজ একটা কথাও বারবার মনে পড়ছে—
“শুরুর পারফরম্যান্সই বলে দেবে, আমি এই কাজের জন্য যোগ্য কিনা…”

এই কথাটা মাথায় ঘুরছে।

আমি বুঝতে পারছি—
সারাজীবন একজন তাঁতী হয়ে থাকা হয়তো সম্ভব না।

তবুও আমি কাল সকালে যাবো।
দেখবো, কতদূর যাওয়া যায়।

কারণ—
আমার হারানোর কিছু নেই।

আর হয়তো—
এই শেখাটাই একদিন এমন একটা দরজা খুলে দিতে পারে,
যেটা আমি এখনো কল্পনাও করতে পারছি না।

জীবন কঠিন পরীক্ষা নিচ্ছে…
কিন্তু আমি এখনও থামিনি।

কখনও ভেবেছেন—একটা সাধারণ কারখানার ভেতরেই লুকিয়ে থাকতে পারে আপনার স্বপ্নের ভবিষ্যৎ?আজ আমি একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স...
26/07/2026

কখনও ভেবেছেন—একটা সাধারণ কারখানার ভেতরেই লুকিয়ে থাকতে পারে আপনার স্বপ্নের ভবিষ্যৎ?

আজ আমি একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সে গিয়েছিলাম। সেখানে আমার এক আত্মীয়ের সাথে দেখা হয়—ধরা যাক, তার নাম “আরিফ”। তিনি প্রায় বিশ বছর ধরে সেখানে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন। মূলত আমি সেখানে গিয়েছিলাম নতুন কোনো সুযোগ খোঁজার উদ্দেশ্যে।

আগেই জানতাম, সেখানে হ্যান্ডলুমের কাজ হয়। তাই বিষয়টি আরিফের দৃষ্টি আকর্ষণ করি। তিনি আমাকে কাজের জায়গাটি ঘুরে দেখতে বলেন। আমি একাই সেখানে যাই।

কারখানাটি দুই তলা বিশিষ্ট ‘L’ আকৃতির একটি ভবন। হ্যান্ডলুমগুলো দ্বিতীয় তলায়। উপরে উঠে দেখি, তাঁতিরা খুব মনোযোগ দিয়ে কাজ করছেন।

আমি একজন তাঁতির সাথে কথা বলা শুরু করি। তিনি শাড়ি বুনছিলেন, এবং মাত্র একটি শাটল ব্যবহার করছিলেন। তবে ডিজাইন মিলানোর জন্য একটি বিশেষ কৌশল প্রয়োজন। ওয়ার্পে ছিল দুই রঙ, আর ওয়েফটে ছিল ফাউন্টেনের মতো রঙের বৈচিত্র্য। শাটল এক পাশ থেকে অন্য পাশে সুতা ছড়িয়ে দিচ্ছিল। নির্দিষ্ট মুহূর্তে শাটলের গতি কমিয়ে হাতে করে ওয়েফট ঠিক করতে হচ্ছিল। এইভাবেই একের পর এক পাহাড়ের মতো নকশা তৈরি হচ্ছিল। এটিই বুননের সবচেয়ে জটিল অংশ।

জানলাম, একজন তাঁতি সাধারণত দিনে একটি শাড়ি তৈরি করেন, এবং প্রতি শাড়ির জন্য মাত্র ৩৭০ টাকা পান। কোনো নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা নেই—২৪ ঘণ্টাই কাজের সুযোগ খোলা থাকে। কাজের পরিবেশও যথেষ্ট প্রশস্ত।

একটি বিষয় খেয়াল করলাম—কিছু তাঁতির মধ্যে একটু অহংভাব রয়েছে। তবে মজার বিষয় হলো, সেখানে আমার নামের সাথে মিল আছে এমন একজন তাঁতিকে পেলাম। তার সাথে আন্তরিকভাবে কথা বললাম। সে আমার পরিবার সম্পর্কে জানে। মনে হলো, ভবিষ্যতে সে একজন ভালো সহযোগী হতে পারে।

কারখানা পরিদর্শনের পর, আমি আরিফের বসের সাথে দেখা করি—ধরা যাক, তার নাম “মাহির”। তিনি আমাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই বুনন শেখার সুযোগ দেন। সাধারণত শিক্ষানবিশদের পারিশ্রমিক দেওয়া হয়, তবে বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। আমার বয়স সেই সীমার বাইরে হওয়ায়, আমাকে বিনা পারিশ্রমিকে শিখতে হবে।

তবুও, আমি আগামীকাল সকালেই সেখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

মনে হচ্ছে, এই পথটাই হয়তো আমার ভবিষ্যতের “Gorgeous Handloom” স্বপ্নের সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে যেতে পারে…

20/07/2025
19/07/2025
18/07/2025
17/07/2025
16/07/2025
15/07/2025
14/07/2025
13/07/2025

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shudin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share